কাযা নামাজ

নেফাস শেষ হওয়ার পর ১৫ দিন অতিক্রম হওয়ার আগেই স্রাব দেখা দিলে তা কি হায়েয হিসেবে গণ্য হবে?

প্রশ্ন (১২৮০৬) : দেড় মাস আগে আমার সন্তান হয়। তারপর ৩৫ দিন স্রাব থাকার পর সুস্থ হই। এর ৭ দিন পর পুনরায় নিয়মিত স্রাব শুরু হয় এবং অন্যান্য সময়ের মত স্বাভাবিকভাবেই ৬ দিন পর্যন্ত স্রাব আসে। আমি এ ৬ দিন মাসিকের সময় হিসেবে নামায আদায় করিনি। গতকাল আমার এক আত্মীয়ের কাছে এই বিষয় বললে তিনি আমাকে বললেন, দুই স্রাবের মাঝে যেহেতু ১৫ দিন ব্যবধান হয়নি তাই পরবর্তী ৬ দিন ইস্তেহাযা বলে গণ্য হবে। তাই ঐ দিনগুলোর নামায কাযা করতে হবে। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, তার কথা কি ঠিক? এবং ঐ ছয় দিনের নামায কাযা করতে হবে কি?

আসরের নামাযের পরে কাযা নামায পড়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৭৪৮) : একদিন আমি আসরের পরে মসজিদে কাযা নামায পড়ছিলাম। আমার এক প্রতিবেশী বললেন, আছরের পরে নামায পড়া মাকরূহ। তাই আসরের পরে কাযা নামায পড়া যাবে না। হুযুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, আসলেই কি আসরের পরে কাযা নামায পড়া নিষেধ? জানিয়ে বাধিত করবেন।

কুরবানীর কাযা কিভাবে আদায় করতে হয়?

প্রশ্ন (১২৭০০) : আমি কয়েক বছর যাবৎ নিয়মিত কুরবানী আদায় করছি। কিন্তু এর আগে কয়েক বছর কুরবানী আবশ্যক হওয়া সত্ত্বেও না জানার কারণে তা আদায় করতে পারিনি। তাই জানার বিষয় হল, এখন কি অনাদায়ী কুরবানীগুলো আদায় করা লাগবে? এবং তা করার শরীয়তসম্মত পদ্ধতি কী?

মাকরুহ ওয়াক্তে নফল নামায শুরু করে ভেঙে ফেললেও কি উক্ত নফলের কাযা আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১২৬৪৩) : আমরা জানি, নফল নামায শুরু করার পর ভেঙে ফেললে তা কাযা করতে হয়। এখন যদি কেউ মাকরূহ ওয়াক্তে নফলের নিয়ত বাঁধার পর কোনভাবে বুঝতে পেরে নামায ছেড়ে দেয় তাহলে কি এই নফলেরও কাযা করতে হবে? এ জিজ্ঞাসার কারণ, এ সময় তো এমনিতেই নামায পড়া অনুচিত ছিল। জানালে খুব উপকার হয়।

রমযানের দিনে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তার রোযার হুকুম কী হবে?

প্রশ্ন (১২৬৩৫) : গত রমযানে আমরা একটি দাওয়াতী সফরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে যাই। বৌদ্ধ-পাড়ায় দাওয়াতের কাজ করি। আলহামদুলিল্লাহ ইসলামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে এক ভাই বারতম রমযানে সকাল নয়টার দিকে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করে। সে যেহেতু নতুন তাই তাকে সেদিন পানাহার থেকে বিরত থাকতে বলিনি; বরং পরবর্তী দিন থেকে সে নিয়মিত রোযা রাখে। তার ইসলাম গ্রহণের দিন এবং পূর্বে অতিবাহিত হওয়া এগারো দিনের রোযা কাযা করা-না করা নিয়ে আমাদের মাঝে মতের ভিন্নতা দেখা দেয়। কেউ বলে, রমযান হল নামাযের মত। তাই এক রমযান পাওয়া পুরো রমযান পাওয়ার হুকুমে। ফলে বিগত এগারো দিনের কাযা করতে হবে। আবার কেউ ভিন্ন কথাও বলেন। তো প্রশ্ন হল- এক. যেদিন কেউ ইসলাম গ্রহণ করল, সেদিন কি সে পানাহার থেকে বিরত থাকবে? যদি এমন ক্ষেত্রে পানাহার করে ফেলে তাহলে কী পরবর্তীতে তা কাযা করতে হবে? এক্ষেত্রে শরীয়তের বিধানটি জানালে কৃতজ্ঞ হব। দুই. রমযানের কিছু দিন অতিবাহিত হওয়ার পর কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে বিগত দিনের রোযা কাযা করার ব্যাপারে সঠিক মাসআলাটি কী?

রোযা রাখা অবস্থায় অজ্ঞান হয়ে গেলে কি উক্ত রোযার কাযা আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১২৬৩৪) : আমি গত রমযান মাসে স্বাভাবিকভাবে রোযা রাখছিলাম। কিন্তু হঠাৎ অসুস্থতার কারণে রোযা রাখা অবস্থায় অজ্ঞান হয়ে যাই এবং অজ্ঞান অবস্থায় তিন দিন হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে থাকি। এরপর আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে জ্ঞান ফিরে পাই এবং বাকি রোযাগুলো রাখি। হুযুরের কাছে জানার বিষয় হল, আমি যে তিন দিন অজ্ঞান ছিলাম সে দিনগুলোর রোযার হুকুম কী হবে? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

রমযানের কাযা রোযা রাখার জন্য সুবহে সাদিকের আগে নিয়ত করা কি জরুরি?

প্রশ্ন (১২৬৩০) : গত সোমবার আমার স্ত্রীর সাথে পরের দিন রোযা রাখার ব্যাপারে কথা হয় যে, আমি নফল রোযা রাখব আর আমার স্ত্রী তার রমযানের কাযা রোযা রাখবে। কিন্তু শেষরাতে উঠতে পারিনি, ফলে সকালে কী করবো চিন্তা করতে করতে প্রায় ১১টার দিকে দুইজনই সেহরি না খেয়েই রোযা রাখার সিদ্ধান্ত নেই এবং যথারীতি দুজনই রোযা রাখি। হুযুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, আমাদের ঐ দিনের রোযা সহিহ হয়েছে কিনা? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

রমযানের রোযার কাযা আদায় করার জন্য সুবহে সাদিকের আগে নিয়ত করা কি আবশ্যক?

প্রশ্ন (১২৪৪০) : এবার রমযানে অসুস্থতার কারণে আমার একটি রোযা ভাঙা পড়ে। শাওয়াল মাসে একদিন ঐ রোযার কাযা করার উদ্দেশ্যে একটি রোযা রাখতে মনস্থ করি। কিন্তু সুবহে সাদিকের আগে ঘুম না ভাঙায় আযান হওয়ার পরপরই রোযার নিয়ত করে নিই। এদিকে বেলা বাড়ার আগেই পুনরায় অসুস্থতা বোধ করতে থাকি এবং ওষুধ সেবনের প্রয়োজনে রোযাটা ভেঙ্গে ফেলি। এখন আমি আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি, রমযানের ঐ রোযা কাযা করতে গিয়ে ওযরবশত ভেঙ্গে ফেলার কারণে আমাকে কি অতিরিক্ত আরেকটি কাযা রোযা রাখতে হবে?

বিগত বছরের কুরবানীর কাযা কিভাবে আদায় করবে?

প্রশ্ন (১২৪২২) : আমি গত কয়েক বছর যাবৎ কুরবানী ওয়াজিব হওয়া সত্ত্বেও কুরবানী করিনি। এখন বিগত কাযা কুরবানীগুলো আদায় করতে চাচ্ছি। হুজুরের কাছে আমার প্রশ্ন হল, আমি যদি প্রতি বছরের জন্য গরুর সাত ভাগের এক ভাগের যে মূল্য আসে, সেই মূল্য সদকা করি, তাহলে কি আমার কাযা কুরবানী আদায় হবে? নাকি প্রতি বছরের জন্য একটি ছাগলের মূল্য সদকা করতে হবে? উদাহরণ সরূপ, একটি গরুর দাম ৪২ হাজার টাকা। আর সাতটি ছাগলের দাম ৭০ হাজার টাকা। এখন আমি যদি ৭ বছরের জন্য ৪২ হাজার টাকা সদকা করি। তাহলে কুরবানী আদায় হবে কি না? নাকি ৭০ হাজার টাকা সদকা করতে হবে? দলীলসহ জানালে কৃতজ্ঞ হব।

জিম্মায় নামায কাযা রেখে পরবর্তী ওয়াক্তের নামায আদায় করা সহিহ হবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৯৩) : এক ব্যক্তি মাগরিবের নামায ওয়াক্তের ভেতর পড়তে পারেনি। এশার সময় এক মসজিদে জামাতের সাথে এশার নামায পড়ে নেয়। তখন তার মাগরিবের নামাযের কথা স্মরণ ছিল। কিন্তু যেহেতু এশার জামাত দাঁড়িয়ে যায় তাই মাগরিবের কথা স্মরণ থাকা সত্ত্বেও সে এশার জামাতে শরিক হয়ে যায়। আর অতীতেরও তার কোনো নামায কাযা নেই। এখন ঐ ব্যক্তির করণীয় কী? সে কি এখন মাগরিবের কাযা আদায় করে নেবে? বিস্তারিত জানতে চাই।

ওজরের কারণে রোজা ভাঙা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৩৪৩) : রমযান মাসে একদিন দুপুরে তীব্র গরমের কারণে আমি অস্বস্তি বোধ করছিলাম। তখন আমি এক গ্লাস পানি ও শরবত খেয়ে রোযা ভেঙে ফেলি। অবশ্য আমার রোযার কথা স্মরণ ছিল, আর না ভাঙলেও তেমন অসুবিধা হত না। এরপর বিকাল থেকে আমার ঋতুস্রাব শুরু হয়। বিষয়টি আমাদের তালীমের আপাকে জানালে তিনি বলেছেন, ‘কাফফারা ওয়াজিব হয়নি, তবে রোযাটি কাযা করতে হবে।’ হুযূরের কাছে জানার বিষয় হল, আমার উক্ত রোযার কী হুকুম? আমাদের তালিমের আপা কি সঠিক বলেছেন?

রোযার কাফ্ফারা সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৩১৮) : আমি বালেগ হওয়ার পর ৭টি রমযান অতিবাহিত হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে শেষ ৩ রমযান আমি ঠিকমত রোযা রেখেছি। কোনো রোযা ছাড়িনি। বাকি ৪ রমযানে নিয়মিত রোযা রাখিনি। কোনো দিন রোযা রেখে বিনা ওজরে ভেঙে ফেলেছি। কখনো মায়ের চাপাচাপিতে ভেঙেছি। আবার কোনো দিন একেবারেই রাখিনি। তবে মনে হয়, রেখে ভেঙে ফেলার সংখ্যাই বেশি। এভাবে কত রোযা গেছে তার সঠিক হিসাব আমি বলতে পারছি না। আমার জানা মতে, বিনা ওজরে রোযা ভাঙলে কাফফারা আদায় করতে হয়। তাই একবার লাগাতার ৬০টি রোযা রেখেছি। এ অবস্থায় আমার ঐ রোযাগুলোর কাযা কাফফারা আদায়ের ব্যাপারে শরীয়তের মাসআলা জানতে চাই।

নফল নামাযের মাঝখানে মাসিক শুরু হয়ে গেলে কি উক্ত নফঅ নামায কাযা করতে হবে?

প্রশ্ন (১২২৯৮) : একদিন সকালে আমি কুরআন তিলাওয়াত শেষে ইশরাকের নামায পড়ছিলাম। সেদিন নামায অবস্থায় আমার মাসিক শুরু হয়ে গেলে আমি নামায ছেড়ে দিই। হুজুরের কাছে জানতে চাই, আমার উক্ত নামায কি পুনরায় আদায় করতে হবে?

ইতিকাফ ভেঙে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২২৮৮) : গত রমযানে আমি মহল্লার মসজিদে সুন্নত ইতিকাফ করেছিলাম। পঁচিশ রোযার দিন এক ভাইয়ের সাথে কথা বলতে বলতে বেখেয়ালে মসজিদের বাইরে চলে যাই। পরে ইমাম সাহেব হুযূরকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আপনার ইতিকাফ ভেঙে গেছে। আপনাকে এখন পূর্ণ দশ দিনের ইতিকাফ কাযা করতে হবে। জানার বিষয় হল, ইমাম সাহেবের কথা কি সঠিক? সুন্নত ইতিকাফ ভেঙে গেলে কি পূর্ণ দশ দিনের ইতিকাফই কাযা করতে হয়?

নফল রোযা রাখা অবস্থায় মাসিক চলে আসলে উক্ত রোযা পরে কাযা করতে হবে?

প্রশ্ন (১২২৮৭) : আমি ফরয, ওয়াজিব পালনের পাশাপাশি কিছু নফল আমলও করার চেষ্টা করি। চেষ্টা করি কিছু নফল নামায ও কিছু নফল রোযা রাখার। এ বছর আমি আশুরার দিন রোযা রাখি। হঠাৎ দিনের বেলায় আমার মাসিক এসে যায়। পরে আমি কী করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। তাই সেভাবেই রোযা অবস্থায় কিছু না খেয়ে কাটিয়ে দিলাম। বাকি আমি জানি যে, ফরয রোযা অবস্থায় মাসিক এসে গেলে কাযা করতে হয়। তাই হুযূরের নিকট জানতে চাচ্ছি, নফল রোযা অবস্থায় মাসিক এসে গেলে কাযা করা লাগবে কি?

সুস্থ অবস্থায় কাযা হওয়া নামায অসুস্থ অবস্থায় ইশারা করে পড়লে সহিহ হবে কি?

প্রশ্ন (১২২৮২) : কিছুদিন আগে আমার হাঁটুতে প্রচন্ড ব্যথা হয়েছিল। ফলে ওঠা-বসা করতে পারতাম না। তখন এক মুফতী সাহেবকে জিজ্ঞেস করে চেয়ারে বসে ইশারার মাধ্যমে রুকু-সিজদা করে নামায পড়তাম। তখন আমার সুস্থ অবস্থায় ছুটে যাওয়া কিছু নামাযের কাযা পড়ি। এখন আলহামদুলিল্লাহ আমার হাঁটুতে কোনো ব্যথা নেই। রুকু-সিজদা ঠিকভাবে করতে পারি। জানার বিষয় হল, অসুস্থ থাকাকালীন সুস্থ অবস্থায় ছুটে যাওয়া যে নামাযগুলোর কাযা পড়েছিলাম সেগুলো কি এখন পুনরায় পড়তে হবে?

মাযুর ব্যক্তির নামায কাযা সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২২৪৪) : কিছুদিন আগে আমার পরিচিত একজন গাড়ি এক্সিডেন্ট করে এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। তখন তার মাথায় অপারেশন করা লাগে। এরপর মাথায় ব্যান্ডেজ অবস্থায় ছিল কিছুদিন। প্রথম কয়েকদিন বিছানায় পুরো শায়িত ছিল। মাথা নাড়ানো সম্ভব ছিল না। ডাক্তাররাও কয়েকদিন মাথা না নাড়ানোর কথা বলেছিলেন। এখন সে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছে। প্রশ্ন হল, সে যে কয়দিন পুরো শায়িত ছিল ওই দিনগুলোর নামাযের হুকুম কী? একজন বলেছে, মাথা না নাড়াতে পারলেও যেহেতু তার জ্ঞান ছিল তাই ওই কয়দিনের নামায তার চোখের ইশারায় পড়া জরুরি ছিল। তাই ওই কয়দিন নামায না পড়া অন্যায় হয়েছে। তার একথা কি ঠিক? এখন সে ওই নামাযগুলোর জন্য কী করবে? বিস্তারিত জানতে চাই।

উমরার ইহরাম করার পর কোনো কারণে উমরায় যেতে না পারলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২২৩৯) : আমার চাচা বাড়ি থেকে উমরার ইহরাম করে বের হন এয়ারপোর্ট যাওয়ার পথে গাড়ি এক্সিডেন্ট হয়। তাই তার পক্ষে এখন উমরায় যাওয়া সম্ভব না। আমার জানামতে এমন ব্যক্তিগণ কারো মাধ্যমে হেরেম এলাকার ভেতর একটি দম জবাই করে ইহরাম থেকে মুক্ত হবেন এবং পরবর্তীতে উমরাটি কাযা করে নেবেন। কিন্তু জনৈক আলেম বলছেন, এক্ষেত্রে দম না দিয়ে রোযা রাখারও সুযোগ আছে। আমার জানার বিষয় হচ্ছে, তার বক্তব্য সঠিক কি না এবং উল্লেখিত অবস্থায় দম না দিয়ে সদকা করা বা রোযা রাখার মাধ্যমে ইহরাম থেকে মুক্ত হওয়ার সুযোগ আছে কি না? জানিয়ে উপকৃত করবেন।

কাযা নামায বাকি রেখে ওয়াক্তিয়া নামায আদায় করলে কি আদায় হবে?

প্রশ্ন (১২২০২) : আমি একদিন ফজরের নামায পড়তে পারি নাই। সূর্য উদয় হলে পড়ে নিব ভাবছিলাম। কিন্তু আমার মনে ছিল না। তারপর যোহরের নামায পড়ার পর আমি ফজরের কাযা নামায আদায় করি। এখন কি আমার যোহরের ফরয নামায বাতিল হয়ে যাবে? আমি একজন আলেমের কাছ থেকে শুনেছিলাম যে, কোনো ব্যক্তির এক ওয়াক্ত নামায তার জিম্মা থেকে ছুটে গেল পরবর্তী ওয়াক্তের পরে তা কাযা আদায় করলে পূর্ববর্তী নামাযের ফরযিয়াত বাতিল হয়ে যাবে। তাই দয়া করে সঠিক মাসআলা জানাবেন। উল্লেখ্য: আমার অনেক ওয়াক্তের নামায কাযা আছে।