কসম ও মান্নত

ইতিকাফ সংক্রান্ত কয়েকটি প্রশ্ন।

প্রশ্ন (১২৬২৯) : আমি আমাদের এলাকার বড় মসজিদে সাত দিন ইতেকাফ করার মান্নত করেছিলাম। কিন্তু ইতেকাফ শুরু করার পর অসুস্থ হয়ে যাওয়ার কারণে বাকি দিনগুলোর ইতেকাফ পুরা করতে পারিনি। হুযুরের কাছে জানার বিষয় হল, ১. এখন আমার কয় দিনের ইতেকাফ করতে হবে? ২. ইতেকাফ কি বড় মসজিদেই করতে হবে? নাকি অন্য কোনো মসজিদেও করতে পারব? ৩. এ ইতেকাফের সময় কি আমাকে রোযা রাখতে হবে? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

ঈদের দিন মান্নতের রোযা রাখলে কি উক্ত রোযা আদায় হবে?

প্রশ্ন (১২৬১৪) : আমি গত রমযানে খুব অসুস্থ ছিলাম। কোনোভাবেই আমার জ্বর কমছিল না। আমার আম্মু মান্নত করলেন যে, যদি আমার ছেলে ঈদের আগে সুস্থ হয় তাহলে আমি ঈদের দিন রোযা রাখব। আল্লাহর রহমতে আমি ঈদের আগে সুস্থ হয়ে যাই। আমার আম্মু পূর্ব মান্নত অনুযায়ী ঈদের দিন রোযা রাখলেন। পরবর্তীতে তিনি গ্রামের এক মহিলার কাছে জানতে পারলেন, ঈদের দিন রোযা রাখা নিষেধ। মুহতারামের নিকট প্রশ্ন হল, ঐ মহিলার কথা কি ঠিক? যদি ঠিক হয় তাহলে আমার আম্মু ঈদের দিন যে রোযা রেখেছেন তা কি পুনরায় আদায় করতে হবে?

মান্নতের টাকা মসজিদে দান করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৫০৩) : আমি এক ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগের পর লস হওয়ার আশংকা দেখলে মান্নত করি যে, ‘যদি লাভ হয় তাহলে লাভের ১০% গরীবদের সদকা করব’। আল্লাহর রহমতে উক্ত ব্যবসায় ভালো লাভ হয়। এখন আমাদের মসজিদে নির্মাণ কাজ চলছে। আমি কি উক্ত টাকা এখানে দান করতে পারব?

নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক কুরবানী করার মান্নত করলে কি দুইটা কুরবানী করতে হবে?

প্রশ্ন (১২৪৮৯) : কিছুদিন আগে আমার ছেলে খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন আমি মান্নত করেছিলাম, আল্লাহ যদি আমার ছেলেকে সুস্থ করে দেন তাহলে আমি আগামী কুরবানীর ঈদে একটি কুরবানী করব। আল্লাহর রহমতে আমার ছেলে এখন সুস্থ। আমার জানার বিষয় হচ্ছে, প্রত্যেক বছর তো আমার উপর কুরবানী ওয়াজিব হয়। এখন আমার কি দুটো কুরবানী করতে হবে, নাকি একটি করলেই চলবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

মান্নতকারী ব্যক্তি মান্নতী পশুর গোশত খেতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৮৪) : এক ব্যক্তি তার ভাইয়ের সুস্থতার জন্য ছাগল সদকা করার মান্নত করেছে। এই মান্নতী ছাগলের গোশত মান্নতকারী অথবা তার ভাই খেতে পারবে কী?

কোনো কাজ না করার কসম করার পর ভুলে তা করে ফেললে কি কসম ভেঙে যাবে?

প্রশ্ন (১২৪৮০) : আমার ভগ্নিপতি খুবই বদমেজাজী। সন্তানরা সামান্য কথা মানতে না পারলেই রেগে গিয়ে মারধর শুরু করে দেয়। আমাদের কথাও মানে না। আমরা তাকে একজন আলেমের কাছে নিয়ে যাই। এরপর থেকেই তার মাঝে পরিবর্তন আসতে থাকে। সে সন্তানদেরকে মারধর করা ছেড়ে দেয় আর ভবিষ্যতে না মারার শপথও করে। কিছুদিন আগে পাশের বাড়ির লোকদের সাথে একটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া হলে সে তাদেরকে লাঠি নিয়ে মারতে যায়। আমার ভাগিনা ঝগড়া থামাতে গেলে ভুলে তার মাথায় আঘাত পড়ে এবং সে আহত হয়। ভগ্নিপতির তাকে মারার উদ্দেশ্য ছিল না; বরং অন্যরা সরে যাওয়ায় তার মাথায় পড়েছে। জানার বিষয় হল, ভাগিনার গায়ে এভাবে আঘাত লাগার কারণে কি তার পিতার শপথ ভেঙ্গে গেছে? এখন তার করণীয় কী? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

নির্দিষ্ট কোথাও দান করার মান্নত করার পর অন্য জায়গায় দান করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৭৫) : আমি মান্নত করেছিলাম, এ বছর আমার ফসল ভালো হলে শ্বশুর বাড়ির মাদরাসার গোরাবা ফান্ডে এক মন ধান দান করব। আল্লাহর রহমতে এ বছর আমার ফসল ভালো হয়েছে। কিন্তু বিশেষ কারণে অল্প কিছু ধান ছাড়া সবই বিক্রি করার প্রয়োজন হয়েছে। মুহতারামের নিকট আমার জিজ্ঞাসা হল, আমি কি এক মন ধানের সমমূল্য পরিমাণ টাকা সদকা করতে পারব? অনুরূপভাবে যে মাদরাসায় সদকা করার মান্নত করেছিলাম সেটা ছাড়া অন্য এক মাদরাসা, যা কিছুদিন আগে আমাদের বাড়ির পাশে হয়েছে, সেই মাদরাসার গোরাবা ফান্ডে (উক্ত টাকা) দান করতে পারব?

মান্নত সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৪৭০) : কিছুদিন আগে আমার ছেলের জ্বর হয়। চেকআপ করার পর ডাক্তার টাইফয়েড চিহ্নিত করেন। তখন মান্নত করেছিলাম যে, সে সুস্থ হয়ে গেলে দুই হাজার টাকা সদকা করব। ১৫ দিন পর সে সুস্থ হয়ে যায়। তখন আর ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাইনি। ১০ দিন পর সে পুনরায় জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়ে। ডাক্তার বললেন, তার টাইফয়েড এখনো ভাল হয়নি। দ্বিতীয়বার আমার কাছে না এনে ভুল করেছেন। এখন লাগাতার আরো ১০ দিন ওষুধ খাওয়াতে হবে। কয়েকটি ইঞ্জেকশনও দিতে হবে। জানার বিষয় হল, কয়েকদিন বাহ্যিকভাবে সুস্থ থাকার দ্বারাই কি আমার উপর মান্নত পুরা করা ওয়াজিব হয়ে গেছে? সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।

নিজের উপর লানত করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৪৫২) : আমার একটি বদঅভ্যাস আছে। আমি জানি তা বড় গুনাহের কাজ। কিন্তু ইচ্ছা-অনিচ্ছায় তা করে ফেলি। অনেক দিন ধরে চেষ্টা করছি, যেন তা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারি। বিভিন্ন সময়ে অনেক প্রতিজ্ঞাই করেছি। একবার ঐ মন্দ কাজটি করার কারণে রাগে এ বলে প্রতিজ্ঞা করি যে, যদি সামনে কখনো এ কাজ করি তবে আমার উপর আল্লাহর গযব! আল্লাহর লানত! আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের সঙ্গে এ কথা নিয়ে আলোচনা করলে তিনি বলেন, এমন কথা বললে তা কসম হয়। তাই তোমাকে এ কাজ থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে নতুবা কাফফারা আবশ্যক হবে। কিন্তু আমি কিছুদিন পরই তা করে ফেলি। এখন মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি যে, আসলেই কি এ কাজ করার কারণে আমার উপর কাফফারা ওয়াজিব হয়েছে? সঠিক মাসআলাটি জানালে উপকৃত হতাম।

কসম ভঙ্গের কাফ্ফারা।

প্রশ্ন (১২৪৫১) : একবার আমি আমার স্ত্রীর রান্না আর খাব না বলে শপথ করেছিলাম। পরে এই শপথ ভঙ্গ হয়ে যায় এবং আমি তার হাতের রান্না খাই। এর কাফফারা আদায়ের জন্য আমি দরিদ্র দশ জনকে দাওয়াত করি। তারা এসে দুপুরে আমার বাসায় খানা খায়। খানার পর তাদেরকে পরের দিন দুপুরে আবার আসার জন্য বলে দিই। সে হিসেবে তারা পরের দিনও এসে খানা খায়। কিন্তু তাদের মধ্যে দুইজন এমন ছিল, যারা আগের দিন আসেনি। এখন গ্রামের এক আলেম বলছেন, কাফফারা আদায়ের জন্য প্রথম দিন যারা এসেছিল তাদেরকেই খাওয়াতে হবে। অন্য দুই জনকে খাওয়ালে কাফফারা আদায় হবে না। তাই হযরতের কাছে আমার জানার বিষয় হল, এক্ষেত্রে আসলেই কি প্রথম দশ জনকে খাওয়াতে হবে? নাকি যে কোনো দশজনকে খাওয়ালে হবে? যদি না হয় তাহলে এখন আমার করণীয় কী? এখন কি পুনরায় দশজনকে দু’বেলা খাওয়াতে হবে? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

কসম বাক্যের সাথে ইনশাআল্লাহ বললে কসম সংঘটিত হবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৬৫) : আমার এক আত্মীয় শহরে চাকরির খোঁজে এসে আমাদের বাড়িতে উঠেছে প্রায় এক বছর হল। যতদিন চাকরি হচ্ছে না ততদিন আমাদের এখানেই সে থাকবে এবং আমাদের সঙ্গেই খাবে- একথা আমি তাকে বলেছি। কিন্তু দীর্ঘ একটা সময় পার হওয়ার পরও চাকরি পাবার ক্ষেত্রে তার কোনো অগ্রগতি হয়নি। এদিকে জীবন নির্বাহের জন্য সাধারণ কোনো পেশা গ্রহণেও সে আগ্রহী নয়। একপর্যায়ে গত কয়েক দিন আগে আমি তাকে বলেই ফেললাম, ‘আল্লাহর কসম, যদি তুমি নিজ পায়ে দাঁড়ানোর একটা উপায় না কর তাহলে আমি আর তোমার সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারব না।’ তবে সেইসাথে আমি আমার এই কথার শেষে যুক্ত করে দিলাম, ‘ইনশাআল্লাহ’। এরপর আরো মাসখানেক সময় পার হয়েছে। সে এখনো তার কোনো গতি করতে পারেনি। আমি তো কসম করেছি, রোযগারের পথ করতে না পারলে তাকে আর সাহায্য করব না। কিন্তু এখন তার অবস্থা দেখে মায়া হচ্ছে। এ মুর্হূতে আমার কী করণীয়? আমি যদি আবারো তাকে সহযোগিতা করতে চাই তাতে কি আমার কসম ভঙ্গ করার কারণে কাফফারা দিতে হবে? জানালে উপকৃত হব।

আল্লাহর নাম ছাড়া কসম করলে কি কসম সংঘটিত হয়?

প্রশ্ন (১২২৩৪) : আল্লাহর নাম ব্যতীত শুধু কসম শব্দ দ্বারা কসম করলে কি কসম সংঘটিত হয়ে যায়? যেমন, কসম, আমি যাব। অনেকে মনে করে শুধু কসম শব্দ দ্বারা কসম করলে কসম হয় না। যেমন আমিও অনেক সময় এভাবে কসম করার পর মনে মনে ভাবি যে, আমি তো আল্লাহ কসম বলিনি তাই কসম হয়নি। অনেকসময় আমরা ঈমান শব্দ দ্বারা কসম খেয়ে থাকি। ঈমান শব্দ দ্বারা কসম করলে কি কসম সংঘটিত হয়ে যায়? হুজুরের কাছে আরেকটি বিষয় জানতে চাই। তা হচ্ছে, আমরা অনেক সময় কারো পিছনের কোনো বিষয়ের সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ঈমান বা কসম শব্দ দ্বারা কসম নিয়ে থাকি। এধরনের কসমের সময় প্রতিপক্ষ যদি মিথ্যা কসম খায় তাহলে কি তাকে কাফফারা আদায় করতে হবে?

মান্নত সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২১৭৫) : এক মহিলার ছেলে বিদেশ থেকে দেশে ফিরছিল। তখন সে এ বলে মান্নত করে যে, তার ছেলে নিরাপদে বাড়িতে ফিরে এলে দশজন লোককে দাওয়াত করে খাওয়াবে। তার ছেলে নিরাপদে বাড়ি ফিরে এসেছে। এখন কি তাকে দশজন গরীবকেই খাওয়াতে হবে, নাকি খুব ভালো করে চার-পাঁচ জনকে খাওয়ালেই চলবে। আর খাওয়ার পরিবর্তে টাকা দেওয়ার সুযোগ আছে কি না। যদি থাকে তাহলে চার-পাঁচ জন বা একজনকে পুরা টাকা দেওয়া যাবে কি?

মান্নতের নিয়তে হজ্ব আদায় করলে কি ফরয হজ্ব আদায় হবে?

প্রশ্ন (১২১৫৮) : আমার মামা অনেক দিন যাবৎ মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে জেলখানায় আটক ছিলেন। তখন তিনি মান্নত করেন যে, যদি আল্লাহ তাকে জেলখানা থেকে মুক্তি দান করেন তাহলে তিনি হজ্ব করবেন। আল্লাহর মেহেরবানীতে কিছুদিন আগে তিনি মুক্তি পেয়েছেন এবং মান্নত পূর্ণ করার জন্য আগামী বছর হজ্ব করার ইচ্ছা করেছেন। এর আগে কখনো তিনি হজ্ব করেননি। কিন্তু আগে থেকেই তার উপর হজ্ব ফরয ছিল। জানার বিষয় হল, এই হজ্বের মাধ্যমে কি তার ফরয হজ্ব আদায় হবে, নাকি ফরয হজ্ব আদায়ের জন্য পৃথকভাবে আরেকটি হজ্ব করতে হবে?

নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে নামায আদায় করার মান্নত করলে কি সেই জায়গায় গিয়েই তা আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১২১৩১) : আমার বাবা অনেক আগে কোনো এক প্রসঙ্গে মসজিদে নববীতে চার রাকাত নফল নামায পড়ার মান্নত করেছিলেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত তার মসজিদে নববীতে যাওয়ার তৌফিক হয়নি। এখন তার বয়স অনেক বেড়েছে, শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। শারীরিক দুর্বলতার কারণে লম্বা সফর করা তার জন্য কঠিন। তো এখন তিনি কী করতে পারেন? মান্নতটি পূর্ণ করার কী পদ্ধতি হতে পারে?

কুরআন নিয়ে কসম করলে কি কসম সংঘটিত হয়?

প্রশ্ন (১২১৩০) : আমি একবার আমার চাচাতো ভাইয়ের বাসায় যাই। সেখানে তার সাথে একটি বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আমি কুরআন শরীফ হাতে নিয়ে বলি যে, ‘আমি কুরআন শরীফের কসম করে বলছি, ‘আর কখনো তোর বাসায় আসব না।’ পরবর্তীতে তার সাথে রাগ মিটে যায়। এখন জানতে চাচ্ছি, আমার উক্ত কথার দ্বারা কি কসম হয়ে গেছে? এখন যদি আমি তার বাসায় যাই তাহলে কি আমাকে কাফফারা দিতে হবে? বিস্তারিত জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

মান্নত করার পর তা আদায় না করে মৃত্যু বরণ করলে তার জন্য করণীয়।

প্রশ্ন (১২১১৮) : আমার বড় ভাই একবার মান্নত করে বলেন যে, আমার চাকরি হলে তিন দিন ইতিকাফ করব। পরবর্তীতে তার চাকরি হয়, কিন্তু মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি তার মান্নতকৃত ইতিকাফ আদায় করেননি। এভাবে তিনি গত সপ্তাহে ইন্তেকাল করেন। আমাদের জানার বিষয় হল, তিনি যেন মান্নতের দায় থেকে মুক্ত হতে পারেন- এজন্য আমরা কী করতে পারি?

রমযান মাসে মান্নতের ইতিকাফ আদায় করতে না পারলে করণীয় কি?

প্রশ্ন (১২১০৯) : আমি গত রমযানে ইতিকাফ করার মান্নত করেছিলাম। কিন্তু গত বছর বিভিন্ন সমস্যার কারণে ইতিকাফ আদায় করতে পারিনি। এখন আমি চাচ্ছি, আগামী রমযানে উক্ত মান্নত ইতিকাফের কাযা করে নিতে। এভাবে কাযা করে নিলে আমার মান্নত ইতিকাফ কি আদায় হয়ে যাবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

কসমের কাফ্ফারা।

প্রশ্ন (১২০৭৫) : একদিন মাহফিলে টিভি দেখার ভয়াবহতা সম্পর্কে একজন আলেম থেকে আলোচনা শুনি। সেদিন থেকেই টিভি দেখা ছেড়ে দিই এবং কসম করি যে, ভবিষ্যতে কখনো টিভি দেখব না, দেখলে তিন হাজার টাকা সদকা করব। কিছুদিন আগে এক বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গেলে তার সাথে টিভি দেখা হয়ে যায়। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, আমাকে কি তিন হাজার টাকাই সদকা করতে হবে? নাকি কসমের কাফ্ফারা হিসেবে ১০ জন গরিবকে খাওয়ালেও চলবে? সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।

দুআয়ে ইউনুস পড়ার মান্নত করলে কি তা আবশ্যক হয়ে যায়?

প্রশ্ন (১২০৭৪) : কিছুদিন আগে আমার ছোট ভাই গাছ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। তখন আমি মান্নত করেছিলাম সোয়া লক্ষবার দুআয়ে ইউনুস পড়ব। এখন আমার জন্য একাকী সোয়া লক্ষবার দুআয়ে ইউনুস পড়াটা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। তাই মুহতারামের নিকট জানতে চাচ্ছি, আমার জন্য একাকী পড়া জরুরি নাকি পরিবারের সকলে মিলে পড়লেও মান্নত পুরা হয়ে যাবে?