ইমাম সাহেব রুকু থেকে উঠার সময় কী বলবে?
প্রশ্ন (১৩২০১) : ইমাম সাহেব রুকু থেকে ওঠার সময় শুধু سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলবে নাকি তার পর رَبّنَا لَكَ الحَمْدُ -ও বলবে?
প্রশ্ন (১৩২০১) : ইমাম সাহেব রুকু থেকে ওঠার সময় শুধু سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলবে নাকি তার পর رَبّنَا لَكَ الحَمْدُ -ও বলবে?
প্রশ্ন (১৩১৭৩) : একদিন এশার নামাযে ইমাম সাহেব ভুলবশত দ্বিতীয় রাকাতের শুরুতে সূরা ফাতিহার কয়েকটি আয়াত নিম্ন আওয়াজে পড়ে ফেলেন। স্মরণ হওয়ার পর পুনরায় সূরা ফাতিহা উচ্চস্বরে পড়া শুরু করে। নামায শেষে সাহু সিজদা না করেই সালাম ফিরিয়ে দিয়েছে। আমার জানার বিষয় হল, আমাদের সেই নামাযটি কি সহিহ হয়েছিল? না হলে করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৩১৬৬) : আমাদের এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেবের বাম হাতটি অচল। তাই তাকবীরে তাহরীমার সময় তিনি শুধু ডান হাত কান পর্যন্ত ওঠাতে পারেন। বাম হাত ওঠাতে পারেন না। তবে তাকবীরে তাহরীমার পর কিয়ামে স্বাভাবিকভাবেই দুই হাত নাভীর নীচে বাঁধতে পারেন। কিছু কিছু লোক বলছে, অন্য সুস্থ ইমাম পাওয়া গেলে এই ইমামের পেছনে নামায সহিহ হবে না। সুস্থ ইমাম পাওয়া পর্যন্ত তিনি ইমামতি করতে পারবেন। তাই আমরা জানতে চাচ্ছি, উক্ত ইমামের পেছনে নামায পড়ার হুকুম কী? সুস্থ ইমাম পাওয়া যাওয়ার পর তার পেছনে নামায সহিহ হবে কি? দলিল-প্রমাণসহ জানিয়ে উপকৃত করবেন।
প্রশ্ন (১৩১২৩) : অনেক সময় ইমাম সাহেব শেষ বৈঠকে থাকা অবস্থায় আমি জামাতে শরীক হই। কখনো কখনো আমি তাশাহহুদ শেষ করার আগেই ইমাম সাহেব সালাম ফিরিয়ে দেন। এমতাবস্থায় আমার কী করা উচিত? তাশাহহুদ শেষ করে দাঁড়াব, নাকি তাশাহহুদ শেষ না করে ইমাম সাহেব সালাম ফিরানোর সাথে সাথে দাঁড়িয়ে যাব?
প্রশ্ন (১৩১১৭) : আমার বাবার উপর হজ্ব ফরয ছিল। তাই তিনি হজ্বের ইরাদা করেন। কিন্তু হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে একেবারে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। এভাবে দীর্ঘ সময় কেটে যাওয়ায় আব্বা সুস্থ হওয়ার ব্যাপারে নিরাশ হয়ে আমাদেরকে বদলী হজ্ব করার ওসিয়ত করেন। এ ঘটনার কিছুদিন পরই আব্বা ইন্তিকাল করেন। আব্বার রেখে যাওয়া সমস্ত সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ প্রায় ৩,৬০,০০০/- (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকার মত হয়। কিন্তু এ টাকা দিয়ে বর্তমানে কাউকে হজ্বে পাঠানো যাচ্ছে না। তাই এ বিষয়ে আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের সাথে আলোচনা করলে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে কেউ যদি স্বেচ্ছায় এ টাকার সাথে আর (বাকি) সামান্য টাকা নিজে বহন করে বদলী হজ্ব করে তাহলেও হয়ে যাবে। এ আলোচনার সময় ইমাম সাহেবের সাথে কয়েকজন ব্যক্তি ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন এ কথা শুনে এগিয়ে এসে নিজ থেকেই বলে যে, আপনি যদি ৩,৬০,০০০/- টাকা দেন তাহলে বাকি টাকা দিয়ে আমি আপনার বাবার বদলী হজ্ব করতে পারি। এখন আমরা জানতে চাচ্ছি, উক্ত আলেমের কথা অনুযায়ী ঐ ব্যক্তি যদি বাকি টাকা নিজ থেকে দিয়ে হজ্ব করেন তাহলে কি আমার বাবার ফরয হজ্ব আদায় হবে?
প্রশ্ন (১৩০৮৮) : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব একদিন জানাযার নামাযে ভুলবশত পঞ্চম তাকবীর দিয়ে ফেলেন। নামাযের পর মানুষ হৈচৈ শুরু করে দিলে উপস্থিত একজন আলেম বলেন, নামায হয়ে গেছে। আমার জানার বিষয় হল, ঐ নামাযটি কি আদায় হয়েছিল? আর এ ধরনের ক্ষেত্রে মুক্তাদির করণীয় কী হবে?
প্রশ্ন (১৩০৬৭) : ফজরের জামাত চলাকালীন আমি মসজিদে এসে ফজরের সুন্নত পড়ছিলাম। এমন সময় ইমাম সাহেব সিজদার আয়াত পাঠ করেন এবং সিজদাও আদায় করেন। সুন্নত শেষে আমি ঐ রাকাতের রুকুতে শরীক হয়ে যাই। জানার বিষয় হল, এ অবস্থায় নামায শেষে কি আমার উক্ত সিজদা আদায় করতে হবে?
প্রশ্ন (১৩০৬৬) : আমি এক মসজিদের ইমাম। বিভিন্ন সময় অনেক মুসল্লী তাড়াহুড়ো করে রুকুতে শরীক হওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু মসজিদ বড় হওয়ার কারণে অনেকে রুকুতে শরীক হতে না পেরে মাসবুক হয়ে যায়। তাই কোনো সময় আমি রুকুকে একটু দীর্ঘ করি, যাতে মুসল্লীরা রুকুতে শরীক হতে পারে। এভাবে রুকুকে দীর্ঘ করা কি শরীয়তের দৃষ্টিতে অনুমোদিত? জানিয়ে উপকৃত করবেন।
প্রশ্ন (১৩০৬২) : কিছুদিন আগে আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। চিকিৎসা করাতে গিয়ে তিনি অনেক টাকা ঋণী হয়ে যান। এলাকার এক লন্ডনপ্রবাসী চাচ্ছেন, নিজের যাকাতের টাকা দিয়ে তার ঋণ পরিশোধ করে দিতে। জানার বিষয় হল, যাকাতের টাকা দিয়ে মরহুম ইমাম সাহেবের ঋণ পরিশোধ করে দিলে ঐ ব্যক্তির যাকাত আদায় হবে কি?
প্রশ্ন (১৩০৫৬) : কিছুদিন আগে আমাদের মসজিদে একজন নতুন ইমাম সাহেব এসেছেন। তো এই বছর তাকবীরে তাশরীক শুরু হওয়ার দিন নামাযের পর পরই সবাই একবার তাকবীর বলে থেমে যান। কিন্তু ইমাম সাহেব তিনবার পড়লেন। পরে সবাই তাঁকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, তিনবার পড়াও সুন্নত। তো জানার বিষয় হল, তাকবীরে তাশরীক কতবার পড়া সুন্নত?
প্রশ্ন (১৩০৪৭) : কয়েকজন মুসাফির মিলে আসরের নামায জামাতের সাথে আদায় করছিল। এক রাকাত হয়ে গেছে আর এক রাকাত বাকি। ইতিমধ্যে একজন মুসাফির এসে নামাযে শরীক হল। এখন কথা হল এই মুসাফির তো জানে না যে, ইমাম মুসাফির না মুকিম। এখন জানার বিষয় হলো, এই মুসাফির মুসল্লি কত রাকাত নামায পড়বে?
প্রশ্ন (১৩০৪৩) : কুরবানী ঈদে আমি তিন-চার দিনের জন্য চাঁদপুর থেকে ঢাকায় আসি। আমি জানতাম মুসাফিরের উপর তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব নয়। তাই আমি মুসাফির অবস্থায় বিভিন্ন সময় মুকীম ইমামের পেছনে নামায পড়লেও তাকবীরে তাশরীক বলিনি। পরবর্তীতে এক ব্যক্তির কাছ থেকে জানতে পারলাম, মুসাফির, মুকীম ইমামের একতেদা করলে তার উপরও তাকবীরে তাশরীক ওয়াজিব হয়ে যায়। জানতে চাচ্ছি, তার কথাটি কি সঠিক? সঠিক হলে আমার করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৩০২৭) : আমি এক মসজিদে ইমামতি করি। অনেক সময় রুকুতে যাওয়ার পর কোনো কোনো মুসল্লীর দ্রুতগতিতে মসজিদে প্রবেশের শব্দ শোনা যায়। এমতাবস্থায় আমি যদি উক্ত মুসল্লীর রাকাত পাওয়ার জন্য রুকুতে একটু দেরি করি তাহলে এতে শরয়ী কোনো সমস্যা হবে কি?
প্রশ্ন (১৩০২৬) : মসজিদের ছাদে ইমাম সাহেবের জন্য কামড়া বানানো এবং বাথরুম নির্মাণ করা জায়েজ আছে কি?
প্রশ্ন (১৩০২৪) : গতকাল আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব আসরের নামাযে তিন রাকাত পড়ে ভুলে সালাম ফিরিয়ে ফেলেন। সাথে সাথে পিছন থেকে কিছু মুসল্লী বলে উঠল, নামায তিন রাকাত হয়েছে। তা শুনে ইমাম সাহেব সোজা দাঁড়িয়ে যান। অবশিষ্ট রাকাতটি পূর্ণ করে সাহু সিজদা করে সালাম ফিরিয়ে দেন। জানার বিষয় হল, ইমাম সাহেবের উক্ত নামাযটি সহিহ হয়েছে কি?
প্রশ্ন (১৩০১২) : আমি গতকাল আসরের নামাযে ইমাম সাহেবকে শেষ বৈঠকে পাই এবং ইমামের সালাম ফিরানোর পরে বাকি নামায পুরা করি। নামাযের পর এক ব্যক্তি বলল, আপনার নামায পুনরায় পড়তে হবে। কারণ ইমাম সাহেব সিজদায়ে সাহু করার পরে আপনি নামাযে শরীক হয়েছেন। এ সময় ইমামের ইক্তিদা করা সহিহ নয়। আমি জানতে চাচ্ছি, উক্ত ব্যক্তির কথা কি ঠিক? এখন আমার নামায কি পুনরায় পড়তে হবে?
প্রশ্ন (১৩০১০) : কিছুদিন আগে আমাদের এলাকার একজন মুরুব্বী ইন্তেকাল করেন। তার মুমূর্ষু অবস্থায় মসজিদের ইমাম সাহেবসহ আমরা কিছু লোক সেখানে উপস্থিত ছিলাম। ইমাম সাহেব তাকে উত্তর দিকে মাথা ও দক্ষিণ দিকে পা দিয়ে চেহারা কেবলার দিকে ফিরিয়ে শোয়াতে চাচ্ছিলেন। একজন এতে বাধা দিয়ে বলল, ‘বেহেশতী জেওর’ কিতাবে পশ্চিম দিকে পা ও পূর্ব দিকে মাথা দিয়ে এবং মাথার নিচে উঁচু কোনো বস্তু দিয়ে শোয়াতে বলা হয়েছে। যেন চেহারা পশ্চিম দিকে হয়ে যায়। জানার বিষয় হল, এক্ষেত্রে উত্তম এবং সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি কোনটি? জানালে উপকার হবে।
প্রশ্ন (১২৯৭৭) : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। ফলে তার হাত ভেঙে যায়। হাতে প্লাস্টার করা হয়। এখন তিনি প্লাস্টারের উপর মাসেহ করে নামায পড়ান। জানার বিষয় হল, এমতাবস্থায় ইমাম সাহেবের পেছনে আমাদের ইক্তিদা কি সহিহ হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১২৯৭১) : নামাযের ইকামতের সময় অনেককে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তাই ইমাম সাহেব একদিন বললেন যে, ইকামতেরও জবাব দেওয়া উচিত। জানার বিষয় হল, আসলেই কি ইকামতের জবাব দেওয়া আবশ্যক?
প্রশ্ন (১২৯৫৫) : ঈদের খুতবায় ইমামের তাকবীর বলার সময় মুসল্লীরাও কি তাকবীর বলবে না চুপ থাকবে? অনেককে তাকবীর বলতে দেখা যায়। সঠিক মাসআলাটি জানানোর অনুরোধ রইল।