অনুসন্ধান

আমাদের দেশে জমি বন্ধক দেওয়ার প্রচলিত পদ্ধতি জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২১১৫) : আমাদের দেশে জমি বন্ধক দেয়ার যে পদ্ধতি প্রচলিত আছে যে, কোনো ব্যক্তি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার বিনিময়ে কারো কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি বন্ধক নিয়ে থাকে। সাধরণত কত বছরের জন্য বন্ধক নেয়া হল তা উল্লেখ থাকে না। টাকা প্রদানকারী জমি ভোগ করতে থাকে। এভাবে দু-চার বছর চলে যায়। এরপর জমির মালিক টাকা প্রদানকারীর মূল টাকা ফিরিয়ে দিয়ে নিজের জমি ফিরিয়ে নেয়। এ পদ্ধতি জায়েয আছে কি? যদি টাকা প্রদানকারী এরূপ শর্ত করে নেয় যে, বছরে বছরে তার টাকা থেকে ৫০০/১০০০ টাকা বা ৫% কিংবা ১০% টাকা কাটা যাবে তাহলে কি জায়েয হবে?

সৎ শাশুড়ি কি মাহরাম হবে?

প্রশ্ন (১২১১৪) : আমার শাশুড়ি কিছুদিন আগে ইন্তেকাল করেন। এরপর আমার শ্বশুর পুনরায় বিবাহ করেছেন। আমরা শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে গেলে আমার সৎ শাশুড়ি আমাদের আপ্যায়নের জন্য আমাদের সামনে আসেন। প্রশ্ন হল, আমি কি আমার এই সৎ শাশুড়ির সাথে দেখা করতে পারব? তিনি কি আমার মাহরাম?

পানি থাকা সত্ত্বেও তায়াম্মুম করার বিধান।

প্রশ্ন (১২১১৩) : আমরা জানি, পানি না থাকলে অথবা পানি ব্যবহার না করা গেলে ওযুর প্রয়োজন আছে- এমন কোনো ইবাদত করার জন্য তায়াম্মুম করতে হয়। কিন্তু অনেকসময় ওযুর প্রয়োজন নেই- এমন ইবাদতের জন্য পানি থাকা সত্ত্বেও আমি তায়াম্মুম করি। যেমন, দ্বীনী দরস প্রদান বা যিকির করা ইত্যাদি। আবার কখনো পানি থাকা সত্ত্বেও শুধু পবিত্র অবস্থায় থাকার উদ্দেশ্যেও তায়াম্মুম করে থাকি। জানার বিষয় হচ্ছে, আমার এভাবে তায়াম্মুম করা শরীয়তসম্মত হচ্ছে কি না? জানিয়ে উপকৃত করবেন।

ওষুধ খেয়ে বুকে দুধ আসলে সে দুধ পান করলে কি দুধ সম্পর্ক স্থাপন হবে?

প্রশ্ন (১২১১২) : আমরা এক ভাই এক বোন। আমার এক বছরের একটি কন্যা সন্তান আছে। আর আমার বোনের এক ছেলে। তার বয়স ৫ বছর। আমাদের পরিবারে আমার মেয়ের জন্য যেহেতু আমার দুলাভাই এবং ভাগ্নেই গাইরে মাহরাম তাই আমরা চিন্তা করছি, আমার বোন যদি আমার মেয়ের দুধ মা হয়ে যায় তাহলে তার জন্য আর পর্দা করতে হবে না। কিন্তু আমার বোনের এখন কোন দুধের বাচ্চা নেই। আমার মেয়েকে আমার বোন দুধ পান করাতে হলে ওষুধ খেতে হবে। এভাবে ওষুধ খাওয়ার পর যদি বুকে দুধ আসে এবং আমার মেয়েকে তা খাওয়ায় তবে আমার দুলাভাই কি আমার মেয়ের দুধপিতা এবং আমার ভাগ্নে আমার মেয়ের দুধভাই বলে গণ্য হবে? মাসআলাটির সঠিক সমাধান জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন। আল্লাহ তাআলা আপনাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।

মুক্তাদীর তাশাহ্হুদ শেষ হওয়ার আগে ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে গেলে মুক্তাদী কী করবে?

প্রশ্ন (১২১১১) : গতকাল যোহরের নামাযের প্রথম বৈঠকে তশাহহুদ পড়ছিলাম। আমার তাশাহ্হুদ শেষ হওয়ার আগেই ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে যান। এমতাবস্থায় আমি দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যাই- ইমামের সঙ্গে দাঁড়িয়ে যাব, নাকি তাশাহহুদ শেষ করে দাঁড়াব? পরে অবশ্য তাশাহহুদ শেষ করেই দাঁড়াই। হুজুরের কাছে জানার বিষয় হল, উল্লেখিত সুরতে আমার করণীয় কী ছিল? তাশাহহুদ শেষ করে দাঁড়ানো কি ঠিক হয়েছে?

কাযা রোযা আদায় করার জন্য কখন নিয়ত করা জরুরী?

প্রশ্ন (১২১১০) : গত রমযানে মাসে আমার একটি রোযা কাযা হয়েছিল। গত শুক্রবার রোযাটি কাযা করার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু শুক্রবার রাতে রোযা রাখার কথা আমার খেয়ালই ছিল না। পরে ঐ দিন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে কিছু খাওয়ার আগেই রোযা রাখার কথা স্মরণ হলে রোযার নিয়ত করে ফেলি। মুহতারামের কাছে জানতে চাচ্ছি, আমার রোযাটি কি আদায় হয়েছে?

রমযান মাসে মান্নতের ইতিকাফ আদায় করতে না পারলে করণীয় কি?

প্রশ্ন (১২১০৯) : আমি গত রমযানে ইতিকাফ করার মান্নত করেছিলাম। কিন্তু গত বছর বিভিন্ন সমস্যার কারণে ইতিকাফ আদায় করতে পারিনি। এখন আমি চাচ্ছি, আগামী রমযানে উক্ত মান্নত ইতিকাফের কাযা করে নিতে। এভাবে কাযা করে নিলে আমার মান্নত ইতিকাফ কি আদায় হয়ে যাবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

যাকাতের নিয়ত করে কাউকে টাকা ধার দিলে কি যাকাত আদায় হবে?

প্রশ্ন (১২১০৮) : একদিন আমার এক দরিদ্র বন্ধু আমার কাছে কিছু টাকা ধার চায়। আমি তাকে যাকাতের নিয়তে উক্ত টাকা দিয়ে দেই। কিন্তু তার কাছে যাকাতের কথা প্রকাশ করিনি। আমার আচরণে সে ধারই বুঝে নিয়েছে এবং ফেরত দেয়ার নির্ধারিত সময়ও বলে দিয়েছে। আমি হাঁ/না কিছুই বলিনি। কয়েক মাস পর সে তা ফেরত দিতে আসে। কিন্তু আমি তখন গ্রহণ না করে ফিরিয়ে দেই। এক্ষেত্রে উক্ত টাকা যাকাত হিসাবে ধর্তব্য হবে কি?

সুস্থ ব্যক্তি কি নিজের পক্ষ থেকে নফল হজ্বের বদলি হজ্ব করাতে পারবে?

প্রশ্ন (১২১০৭) : আমি একটি বাড়িতে কাজ করি। বাড়ির মালিত অনেক সম্পদশালী। তিনি নিজে কয়েকবার হজ্ব করেছেন। কয়েক বছর যাবৎ তিনি তার পরিচিত মানুষকে তার পক্ষ থেকে নফল বদলি হজ্বে পাঠান। আলহামদু লিল্লাহ, এবছর হজ্বে যাওয়ার জন্য তিনি আমার নাম প্রস্তাব করেছেন। আমার ওপর হজ্ব ফরয নয়। কিন্তু আমার একটি খটকা আছে, আমি একটি মাসআলা শুনেছি, নিজে হজ্ব করতে একেবারে অক্ষম হয়ে গেলেই নাকি বদলি হজ্ব করানো যায়? তিনি সুস্থ সবল মানুষ, তাঁর জন্য কি বদলি হজ্ব করানো জায়েয হবে; যদিও তা নফলই হোক না কেন? জানিয়ে বাধিত করবেন।

হুইল চেয়ারে বসে সাঈ করলে কি দম ওয়াজিব হয়?

প্রশ্ন (১২১০৬) : কিছুদিন আগে আমি উমরাহ আদায় করি। তাওয়াফ শেষে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। স্বাভাবিক সুস্থ আছি। কিন্তু ক্লান্তির কারণে তাওয়াফের পর সাঈ করার সময় হুইল চেয়ারে বসে সাঈ সম্পন্ন করি। দেশে আসার পর একজন আলেমের নিকট একথা বললে তিনি বলেন, আমার ওপর নাকি একারণে দম ওয়াজিব হয়েছে। হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, আসলেই কি আমার ওপর দম ওয়াজিব হয়েছে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

তালাক সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২১০৫) : আমার ও আমার স্ত্রীর মাঝে পারিবারিক কিছু বিষয়ে ঝগড়া হয়েছিল। তখন আমি তাকে রাগের মাথায় বলেছিলাম, ‘আজ থেকে তোকে তালাক দিয়ে দিলাম।’ প্রতি উত্তরে সে বলেছিল, ‘তালাক দিয়ে লাভ কী? কিছুদিন পর আবার তো ফিরিয়ে নেবেন।’ একথা শুনে আমার রাগ আরো বেড়ে যায় এবং তার কথার জবাবে বলে ফেলি, ‘আচ্ছা, ঠিক আছে তোকে আর ফিরিয়ে নেব না।’ তখন তার বাবা এসে তাকে বাপের বাড়ি নিয়ে যায়। তখন থেকে এ পর্যন্ত (প্রায় ২৫/২৬ দিন) তার সাথে আমার আর কোনো দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি। অবশ্য প্রয়োজনে ফোনে এক-দুবার কথা হয়েছে। কিন্তু ইদানীং ফোন করে সে আমার কাছে ক্ষমা চাচ্ছে এবং তার কৃতকর্মের ওপর অনুশোচনা প্রকাশ করছে। আমারও তার সাথে আবার সংসার করার ইচ্ছা আছে। তাই জানতে চাচ্ছি, উক্ত অবস্থায় তার ওপর কয় তালাক এবং কোন ধরনের তালাক পতিত হয়েছে? পুনরায় সংসার করতে চাইলে কীভাবে কী করতে হবে? আশা করি সবিস্তারে জানাবেন।

তাকবীর বলে রুকুতে যাওয়ার সাথে সাথে ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে গেলে কি ঐ রাকাত ধর্তব্য হবে?

প্রশ্ন (১২১০৪) : একদিন আসরের নামাযের সময় মসজিদে গিয়ে ইমাম সাহেবকে দ্বিতীয় রাকাতের রুকুতে পাই। তখন আমি তাড়াতাড়ি তাকবীর বলে রুকুতে চলে যাই। কিন্তু রুকুতে পৌঁছার সাথে সাথেই ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে যান। তখন আমিও ইমামের সাথে আবার দাঁড়িয়ে যাই। এই অবস্থায় কি দ্বিতীয় রাকাত পেয়েছি বলে ধর্তব্য হবে? নাকি আমি এই রাকাত পাইনি? আবার কখনো এমন হয় যে, রুকুতে পুরোপুরি পৌঁছার আগেই ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে যান। তখনই বা কী করণীয়? রুকু পাওয়ার জন্য ন্যূনতম অবস্থা কী?

জায়নামাযের এক কোণে নাপাক থাকলে কি নামায আদায় হবে?

প্রশ্ন (১২১০৩) : গতকাল যোহর নামায পড়ার সময় জায়নামায থেকে একটু একটু দুর্গন্ধ আসে। নামায শেষে জানতে পারি আমার ভাগিনা সকালে প্রস্রাব করেছিল। তখন জায়নামাযের সামনের এক কোণে প্রস্রাব লেগেছে। তা থেকেই দুর্গন্ধ আসছে। কিন্তু নামাযের সময় আমার কোনো অঙ্গ সে নাপাক অংশে লাগেনি। এখন জানার বিষয় হল, আমার উক্ত নামায কি সহিহ হয়েছে, নাকি তা আবার পড়তে হবে?

নাপাক কাপড়ে তাওয়াফ করলে কি তাওয়াফ আদায় হবে?

প্রশ্ন (১২১০২) : আমি উমরায় এসেছি। সাথে আমার দুই বছরের বাচ্চা আছে। আমি তাকে কোলে নিয়ে তাওয়াফ করার সময় সে পেশাব করে দেয়। ঐ অবস্থায়ই আমি তাওয়াফ শেষ করি। জানার বিষয় হল, নাপাক কাপড়ে আমার এই তাওয়াফ কি আদায় হয়েছে? এবং এক্ষেত্রে কোনো জরিমানা আসবে কি?

মুক্তাদী তাশাহ্হুদ শেষ করার আগেই ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে গেলে মুক্তাদীর করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২১০১) : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব একটু দ্রুত তারাবী পড়ান। ফলে কখনো কখনো আমি তাশাহহুদ পড়ে শেষ করার আগেই ইমাম সাহেব সালাম ফিরিয়ে ফেলেন। তেমনিভাবে অন্যান্য নামাযের প্রথম বৈঠকে কখনো কখনো আমরা মুক্তাদীরা তাশাহহুদ পড়ে শেষ করার আগেই তিনি তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে যান। জানার বিষয় হল, এ অবস্থায় আমরা কি তাশাহহুদ পূর্ণ করব, নাকি তাশাহহুদ পূর্ণ না করেই ইমামের অনুসরণ করে দাঁড়িয়ে যাব বা সালাম ফিরিয়ে ফেলব?

দুই তাকবীরের মাঝে কিছু সময় বিলম্ব করলে নামাযে কোনো সমস্যা হবে কি?

প্রশ্ন (১২১০০) : এবার ঈদগাহে ঈদের নামায পড়ানোর সময় মাইকে সমস্যা হওয়ায় মুকাব্বির ঠিক করে দেই। ঈদের জামাত বেশ বড় ছিল। তাই অতিরিক্ত তাকবীর বলার সময় দুই তাকবীরের মাঝে কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিলাম। যাতে সকলেই তাকবীর বলে শেষ করতে পারে। হুজুরের নিকট জানতে চাই, দুই তাকবীরের মাঝে কিছু সময় চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে ঐ নামাযের কি কোনো সমস্যা হয়েছে?

নামাযের মাঝে ঘড়ি দেখলে কি নামাযের কোনো সমস্যা হবে?

প্রশ্ন (১২০৯৯) : মসজিদের সামনের দেয়ালে একটি ডিজিটাল ঘড়ি লাগানো হয়েছে। তো অনেক সময় যোহরের নামায পড়ার জন্য মসজিদে এসে টাইম না দেখেই সুন্নত পড়তে শুরু করি। সুন্নত শুরু করার পর জামাত দাঁড়িয়ে যাওয়ার আশংকা হলে সুন্নত শেষ করতে পারব কি না নিশ্চিত হওয়ার জন্য ঘড়ি দেখি। জানার বিষয় হলো, নামাযের মধ্যে সময় দেখার উদ্দেশ্যে ঘড়ি দেখলে নামাযের কি কোনো ক্ষতি হয়?

ইমাম সাহেব সাহু সিজদা দেওয়ার পর জামাতে শরীক হলে কি ইক্তিদা সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১২০৯৮) : গতকাল এশার নামাযে ইমাম সাহেব সাহু সিজদা দেওয়ার পর আমি জামাতে শরীক হয়েছি। নামায শেষ করার পর আমার সন্দেহ হয় যে, ইমাম সাহেব সাহু সিজদা করার পর আমার ইক্তেদা করা সহিহ হল কি না? দয়া করে বিষয়টি জানিয়ে বাধিত করবেন।

তারাবীর নামায ভুলে একসাথে চার রাকাত আদায় করে ফেললে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২০৯৭) : আমি আমাদের গ্রামের মসজিদে খতম তারাবী পড়াই। কয়েকদিন আগে তারাবী নামাযে দুই রাকাতের পর বৈঠক না করে ভুলে দাঁড়িয়ে যাই এবং একসঙ্গে চার রাকাত পড়ে সাহু সিজদা করে সালাম ফেরাই। নামায শেষে একজন বললেন, তারাবী নামাযে প্রত্যেক দুই রাকাতের পর বৈঠক করা ফরয। আপনি যেহেতু ফরয তরক করেছেন, তাই সাহু সিজদা করলেও নামায সহিহ হয়নি। সুতরাং আগামীকাল তারাবী নামায শুরু হওয়ার আগে এই চার রাকাত নামায পুনরায় পড়িয়ে দেবেন। আমি ইমাম সাহেবের নির্দেশ অনুযায়ী ঐ চার রাকাত নামায পরদিন রাতে তারাবীর নামায শুরু হওয়ার আগে ছোট ছোট সূরা দিয়ে পড়িয়ে দেই। মুহতারামের নিকট জানার বিষয় হল, বাস্তবেই কি তারাবী নামাযে দুই রাকাতের পর ভুলে বৈঠক না করে একসঙ্গে চার রাকাত পড়ে নিলে (শেষে সাহু সিজদা করলেও) পুরো নামায ফাসেদ হয়ে যায়, নাকি এক্ষেত্রে সাহু সিজদা করাই যথেষ্ট?

মাসবুক ব্যক্তি ইমাম সাহেবের সাথে সালাম ফিরিয়ে ফেললে কি তার নামায সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১২০৯৬) : কখনো কখনো মাসবুক হলে শেষ বৈঠকে তা স্মরণ থাকে না। ভুলে ইমাম সাহেবের সাথে সালাম ফিরিয়ে ফেলি। প্রথম সালাম ফিরিয়ে নেওয়ার পর মাসবুক হওয়ার বিষয়টি মনে পড়ে। এক্ষেত্রে কি আমার নামায ভেঙে যাবে। আর যদি না ভাঙে, তাহলে কি সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে?