অনুসন্ধান

মাযূর ব্যক্তি কি মোজার উপর মাসাহ করতে পারবে?

প্রশ্ন (১২৫৯৫) : আমার অসুস্থতার কারণে ডাক্তার প্রস্রাবের রাস্তার সাথে ক্যাথেটার লাগিয়ে দিয়েছে। তাই এক মাওলানা সাহেবের কথামতো আমি নামাযের প্রত্যেক ওয়াক্তে নতুন করে অযু করে নামায পড়ছি। প্রশ্ন হল, আমি এই ওযর থাকা অবস্থায় চামড়ার মোজা পরলে প্রতি ওয়াক্তের অযুর সময় পা না ধুয়ে মোজার উপর মাসাহ করতে পারব কি না?

প্রস্রাব করার পর পানি ব্যবহার না করে শুধু ঢিলা ব্যবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হয় না?

প্রশ্ন (১২৫৯৪) : আমাদের এলাকার একজন মুসল্লী বলেন যে, প্রস্রাব করার পর পানি থাকা সত্ত্বেও কেউ যদি পানি ব্যবহার না করে, তবে সে নাপাক থেকে যাবে, তার অযু হবে না। তাই হযরতের কাছে আমার জানার বিষয় হলো, কেউ যদি প্রস্রাব করার পর শুধু টিস্যু বা মাটির ঢিলা ব্যবহার করে শুকিয়ে নেয়, পানি ব্যবহার না করে, তারপর অযু করে নামায পড়ে, তবে কি তার নামায হবে না? পানি ব্যবহার না করার কারণে সে কি নাপাক থেকে যাবে?

মৃত ব্যক্তিকে গোসল দিলে কি গোসলদাতার জন্য অযু বা গোসল করা আবশ্যক হয়ে যায়?

প্রশ্ন (১২৫৯৩) : কিছুদিন আগে আমার বড় মামা ইন্তিকাল করেন। আমি, ছোট মামা ও এক মুরুব্বী মিলে বড় মামাকে গোসল দেই। গোসল দেওয়া শেষে হাত-পা ধুয়ে শরীরের কাপড় পরিবর্তন করি। পূর্ব থেকে অযু থাকায় নতুন অযু না করেই জানাযার নামাযে শরীক হই। নামায শেষে এলাকার এক ভাই বেশ আপত্তি করে বলে, তোমার জানাযার নামায শুদ্ধ হয়নি। কারণ, তুমি গোসল করনি। পরে এবিষয়ে একাধিক ইমাম সাহেবকে জিজ্ঞেস করলে ভিন্ন ভিন্ন উত্তর পাই। ফলে পেরেশানি আরো বেড়ে যায়, তাই মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, ঐ ভাইয়ের কথাটি কি ঠিক?

মায়্যিতের চুল আঁচড়ানো এবং চুল নখ কাটার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৫৯২) : কিছুদিন আগে আমার এক চাচাতো ভাই ইন্তিকাল করে। আমি, আমার মামা এবং আমাদের মসজিদের মুয়াযযিন সাহেব মিলে গোসল দেই। গোসল শেষে মামা চাচাতো ভাইকে কাফনের কাপড় পরিয়ে সুগন্ধি লাগায়, মাথার চুল চিরুনি দিয়ে আঁচড়িয়ে দেয় এবং বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও কনিষ্ঠাঙ্গুলির বেশ বড় দুটো নখ কেটে অন্যান্য নখের সমান করে দেয়। মুয়াযযিন সাহেব চুল আঁচড়ানো এবং নখ কাটতে বাধা দিলে তিনি তা মানেননি; বরং বিভিন্ন ধরনের যুক্তির আশ্রয় নেন। তো আমার জানার বিষয় হল- ১. মৃত ব্যাক্তির মাথার চুল আঁচড়ানো এবং নখ কাটার ব্যাপারে শরীয়তের বিধান কী? ২. কেউ যদি ভুলে বা মাসআলা না-জানার কারণে এমনটি করে ফেলে, তবে ঐ কর্তিত নখের ব্যাপারে করণীয় কী? তা কি সাধারণ ময়লার মত ফেলে দেওয়া হবে, নাকি মৃতের কবরে দাফন করা হবে? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হতাম।

রাসূল (সা.)-এর প্রস্রাব-পায়খানা কি জমিন গিলে নিত?

প্রশ্ন (১২৫৯১) : এক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) নাকি যেখানে প্রস্রাব পায়খানা করতেন সেখানে নাকি তা থাকতো না। সেটা মাটির নিচে গর্ত হয়ে চলে যেত। তিনি নাকি বলেছেন এগুলো কিয়ামতের পূর্বে তেল গ্যাস হয়ে উঠবে। এই সব কথার কি কোনো ভিত্তি আছে?

ব্যবহৃত স্বর্ণের যাকাত দিতে হয় কি?

প্রশ্ন (১২৫৯০) : আমার প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণ আছে। ২/৩ ভরি সাধারণত ব্যবহার করি। বাকি স্বর্ণ কেবল বিশেষ উপলক্ষে ব্যবহার করি। এক বোন বললেন, ‘যে স্বর্ণ নিয়মিত ব্যবহার করা হয় তার যাকাত দিতে হয় না।’ এব্যাপারে আমাদের সমাজে বহু বিভ্রান্তি ছাড়ানো হয়। হযরতের কাছে আমার জানার বিষয় হল, ঐ বোনের কথাটি কি ঠিক? এ বিষয়ে ইসলামী শরীয়াহর বিধান বিস্তারিত দলীলসহ জানালে উপকৃত হবো।

ওযরবশত রোযা না রাখতে পারলে কি ফিদইয়া দেওয়া যাবে?

প্রশ্ন (১২৫৮৮) : আমার মামা আমেরিকা প্রবাসী। তার দুটো কিডনী প্রায় অচল। তাকে এক দিন পরপর ডায়ালাইসিস করতে হয়। ডাক্তারের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি কেবল নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট খাবার গ্রহণ করতে পারেন। তার হাই প্রেসারও আছে। তাকে প্রতিদিন কিডনীর জন্য এবং হাই প্রেসারের জন্য বেশ কিছু ওষুধ খেতে হয়। গত রমযান মাসে সবাই নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি প্রথম রোযা রাখেন। সারাদিন রোযা রাখায় তিনি বেশ দুর্বল হয়ে পড়েন। বেশি সমস্যা হয়- নিয়ম মাফিক ওষুধ না খাওয়ার কারণে। এতে তার প্রেসার হাই হয়ে যায়। আর রমযান মাসে আমেরিকায় দিন দীর্ঘ (প্রায় ১৬/১৭ ঘণ্টা) হওয়ার কারণে কেবল রাতে ওষুধ খেলে হয় না। তাই বেশিরভাগ দিনই তার আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও তিনি রোযা রাখতে পারেননি। মাঝে খুব কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও ১/২টি রোযা তিনি রেখেছেন। আমার জানার বিষয় হল, তিনি কি তার রোযার পরিবর্তে ফিদইয়া দিতে পারবেন? আর ফিদইয়া দিলে কীভাবে আদায় করবেন।

কাউকে যাকাতের টাকা দেওয়ার পর সে হাতে পাওয়ার আগেই মারা গেলে উক্ত টাকার হুকুম কী হবে?

প্রশ্ন (১২৫৮৭) : আমার ভগ্নিপতি ইতালিতে থাকেন। তিনি তার যাকাতের টাকা থেকে বিশ হাজার টাকা আমার নিকট পাঠান তার অসুস্থ ফুফুকে দেওয়ার জন্য। আমার পরীক্ষা থাকায় টাকা পৌঁছাতে এক দিন দেরি হয়ে যায়। আর সেদিনই আমি যাওয়ার পূর্বে তার ফুফু হাসপাতালে মারা যান। এখন জানার বিষয় হচ্ছে, তার ফুফু কি এই টাকার মালিক হয়ে গিয়েছিল? যার ফলে টাকাগুলো তার সন্তানদের দিয়ে দিতে হবে? নাকি অন্য জায়গায় দেওয়া যাবে?

জমি বায়না করার পর চুক্তি বাতিল করা যাবি কি?

প্রশ্ন (১২৫৮৬) : কিছুদিন আগে জানতে পারি, আমাদের পাশের বাড়ির আব্দুর রহিম সাহেব চিকিৎসার খরচ যোগানোর উদ্দেশ্যে একটি ফসলের জমি বিক্রি করবে। একদিন তার সাথে জমির অবস্থান, পরিমাণ ও দাম-দস্তুর নিয়ে কথা হয়। তখন আমি জমিটি নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করি। তবে পাকা কথা দেইনি। তারপর গত ১৬-১১-২০১৮ তারিখ শুক্রবার তার বাড়িতে গিয়ে জমি কেনার ব্যাপারে তার সাথে পাকা কথা হয়। মূল্য নির্ধারণ হয় আড়াই লক্ষ টাকা। তখন বায়নাস্বরূপ ৫০ হাজার টাকা নগদ দিয়ে আসি। বাকি টাকা পরিশোধের জন্য পনের দিন সময় নেই। এসময়ে আমি বিভিন্নভাবে টাকা সংগ্রহ করতে থাকি। তার সাথে আমার কোনো লিখিত বায়না চুক্তি হয়নি। মৌখিক যে চুক্তি হয়েছিল নিচে উল্লেখ করছি। আমি তার বাড়িতে গিয়ে বলি, আমি আপনার ঐ জমিটি কিনতে এসেছি। তো সবশেষ আপনি কত টাকা রাখবেন? সে বলল, দুই লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। আমি বললাম, আমি আড়াই লক্ষ টাকা দিব। সে আরো ১০ হাজার দাবি করে। অনেক জোরাজুরির পর সে রাজি হল যে, আচ্ছা আড়াই লক্ষ টাকায় দিলাম। টাকা কবে দিবেন? আমি বললাম এখনই ৫০ হাজার দিয়ে বায়না করছি, বাকি টাকা পনের দিনের মধ্যে দিব। সে বলল, পূর্ণ টাকা পরিশোধের পর আমি জমি রেজিস্ট্রি করে দিব। এক সপ্তাহ পর তিনি একদিন আমার বাড়িতে এসে বলেন, আমার টাকার ব্যবস্থা হয়ে গেছে। আমি আর ঐ জমি বিক্রি করব না। আপনার ৫০ হাজার টাকার সাথে আমি আরো ১০ হাজার টাকা দিব তারপরও আপনি জমিটির দাবি ছেড়ে দিন। আমার প্রশ্ন হল, এখন এভাবে তার জন্য পূর্বের চুক্তি থেকে ফিরে আসার সুযোগ আছে কি না? কেননা সেক্ষেত্রে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হব। আর তার দাবি মেনে নিয়ে আমি যদি জমিটি ছেড়েও দেই তাহলে আমার জন্য অতিরিক্ত দশ হাজার টাকা নেওয়া জায়েয হবে কি না?

নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিককে যাকাত দেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৫৮৫) : আমার এক মামাতো বোন দেড় লক্ষ টাকার সম্পদের (ব্যবসার জন্য কেনা সুপারির) মালিক। যার উপর এক বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে। উক্ত টাকা আমার গত বছরের যাকাতের টাকা হতে দেওয়া হয়েছিল। তিনি টাকাটা এজন্যই জমা রেখেছিলেন যে, আরো কিছু টাকা হলে তিনি তার বাড়ি নির্মাণ কাজে হাত দেবেন। আমি তাকে এই বছরের যাকাতের টাকা হতে আরো কিছু টাকা দিব বলে আশ্বস্ত করেছিলাম। এখন তার একটি বাড়ি নির্মাণের প্রয়োজন। যার জন্য আমি তাকে আমার এই বছরের যাকাতের টাকা হতে দুই লক্ষ টাকা দিতে চাই। হুযূরের কাছে জানার বিষয় হল, তার বাড়ি নির্মাণের জন্য আমার এই বছরের যাকাতের টাকা হতে কি দেওয়া যাবে? দ্রুত জানানোর অনুরোধ রইল।

কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্য কাউকে যাকাতের টাকা দান করলে তা অন্য অন্য কাজে ব্যয় করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৫৮৪) : এক ব্যক্তি কিতাব কেনার জন্য যাকাতের ফান্ড থেকে কিছু টাকা দিয়েছে। এই টাকা দিয়ে ল্যাপটপ কিনে কিতাব মুতালাআ করা যাবে কি? এবং এই টাকা নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যাবে কি?

খতিব সাহেব ঈদের খুতবা দেওয়ার সময় মুসল্লীরা সশব্দে তাকবীরে তাশরীক বলতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১২৫৮৩) : আমাদের এলাকায় ঈদের নামাযের পর ইমাম সাহেব খুতবার মধ্যে তাকবীরে তাশরীক পড়লে অনেক মুসল্লী ইমামের সাথে জোরে জোরে তাকবীর পাঠ করে। অনুরূপভাবে রাসূল (সা.)-এর নাম নিলে জোরে দরূদ শরীফ পড়ে। এখন জানতে চাচ্ছি, খুতবা চলাকালীন এভাবে সশব্দে তাকবীর বা দরূদ শরীফ পড়া যাবে কি না? জানালে কৃতজ্ঞ হব।

যে প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে লোন নেয় সেই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৫৮২) : অনেকে বলে থাকেন, এখন তো সকল চাকরিতেই ঘুষ দিতে হয় এবং কোনো প্রতিষ্ঠান বা কারবারই সুদমুক্ত নয়। তাহলে কি তার জন্য সবধরনের প্রতিষ্ঠান এমনকি ব্যাংক-বীমারও চাকরি করা বৈধ হবে?

সম্পদের যাকাতের হিসাব কিভাবে নির্ধারণ করতে হবে?

প্রশ্ন (১২৫৮১) : আমার চাচা দুবাইতে থাকেন। সেখানে তার একটি আতরের দোকান আছে। গত বছর বসুন্ধরা সিটিতে আরেকটি আতরের দোকান কিনেছেন। আমি সেই দোকান দেখাশোনা করি। মাঝে মাঝে চাচা এসে হিসাব নেন। এখন জানার বিষয় হচ্ছে, যাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে আমার চাচার এই দেশের দোকানের আতরের হিসাব কোন দেশের মূল্য অনুযায়ী করবেন, দুবাইয়ের নাকি বাংলাদেশের?

কুড়িয়ে পাওয়া বস্তুর বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৫৮০) : আমি সৌদি আরবের পবিত্র মাদীনাতে থাকি। একটি দোকানে কাজ করতাম। গত কয়েক বছর আগে হজ্বের মৌসুমে একটি মানিব্যাগ কুড়িয়ে পাই। তাতে কিছু সৌদি রিয়াল ও বাংলাদেশী টাকা ছিল। উক্ত মানিব্যাগে তার মালিকের সাথে যোগাযোগ করার কোনো মাধ্যম (মোবাইল নম্বর, ইমেইল, ঠিকানা) পাওয়া যায়নি। তাই অনেক দিন সেগুলো আমার কাছে অক্ষত ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে আমার অত্যন্ত প্রয়োজনের কারণে সেগুলো খরচ করে ফেলি। এখন আমি অপরের এই হক থেকে কীভাবে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারি? আশা করছি সম্মানিত মুফতিয়ানে কেরাম সুচিন্তিত উত্তর প্রদান করে চিরকৃতজ্ঞ করবেন।

মসজিদের গাছ থেকে ফল পেড়ে খেলে কি তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে?

প্রশ্ন (১২৫৭৯) : প্রায় দশ বছর আগে আমি এক এলাকায় ঘুরতে গিয়ে সেখানকার মসজিদের গাছের ফল চুরি করে খেয়েছি। পরে খাওয়ার জন্য কিছু ফল সাথে করে নিয়েও এসেছিলাম। তখন অনেক ছোট ছিলাম বিধায় এর ভয়াবহতা বুঝতে পারিনি। এখন আমি বিষয়টি নিয়ে খুবই চিন্তিত। এর দায়মুক্তির জন্য আমাকে কি কোনো ক্ষতিপূরণ দিতে হবে? একবার ভাবি অন্যায় হয়নি। আবার মনে হয় তখন তো আমি ছোট ছিলাম তাই এর কোনো হিসাব হবে না। তবে এর বিপরীতে ভিন্ন ভাবনাও কাজ করে। তাই জানার বিষয় হল, এ অবস্থায় সে মসজিদ ছাড়া অন্য মসজিদে ক্ষতিপূরণ দিলে আদায় হবে কি না? কেননা আমরা এখন সে মসজিদ থেকে অনেক দূরে থাকি। সেখানে কোনো কিছু পাঠানো খুবই কষ্টসাধ্য। উপরোক্ত বিষয়গুলো বিস্তারিত জানানোর অনুরোধ রইল।

বাচ্চার নাপাক কাঁথা ভেজা পানি ফ্লোরে পড়লে সেখানে কি নামায আদায় করা যাবে?

প্রশ্ন (১২৫৭৮) : বাচ্চার পেশাবের বেশ কিছু কাঁথা-কাপড় মেঝেতে রাখা ছিল। একবার করে হালকাভাবে ধুয়ে শুধু বড় আকারের নাপাকির গন্ধ ও চিহ্ন দূর করা হয়েছিল। পুরোপুরি পাক করা হয়নি। ঐ নাপাক কাপড়ের পানি মেঝেতে লেগে বেশ খানিকটা জায়গা ভেজা মতোন হয়ে যায়। ঘর ছোট হওয়ায় ঐ জায়গা ছাড়া নামায পড়ার মতো আর জায়গাও নেই। এদিকে সময় এত অল্প যে, ঐ জায়গা মুছে পাক করতে গেলে নামাযের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায়। এ অবস্থায় ঐ মেঝেতে জায়নামায বিছিয়ে নামায পড়লে কি নামায সহিহ হবে? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

একই সূরা একাধিক রাকাতে পড়লে কি নামাযে কোনো সমস্যা হয়?

প্রশ্ন (১২৫৭৭) : আমি একদিন বিতর নামাযের মধ্যে প্রথম রাকাতে সূরা ইখলাস তিলাওয়াত করি। অতপর দ্বিতীয় রাকাতেও ভুলবশত সূরা ইখলাস তিলাওয়াত করি। অতপর নামায ছেড়ে দিয়ে আবার পুনরায় নামায আদায় করি। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী ছিল?

হজ্বের কয়েকটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৭৬) : আমি এবং আমার স্বামী ২০২৫ সালে হজ্বে যাওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছি। এখন থেকেই আমি প্রয়োজনীয় মাসআলা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করছি। আপনাদের কাছে আমি কয়েকটি বিষয় জানতে চাচ্ছি। ১ . আমি সাধারণত হাতে-গলায় মিলিয়ে ২/৩ ভরি স্বর্ণ ব্যবহার করে থাকি। ইহরাম অবস্থায় কি এগুলো ব্যবহার করতে পারব? ২. ইহরাম অবস্থায় হাতমোজা-পামোজা পরলে কোনো সমস্যা হবে কি না? ৩. সাধারণত সবাই ইহরামের জন্য সাদা কাপড় ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে মহিলাদের জন্যও কি সাদা বোরকা পরতে হবে?