ইমামকে সেজদায় পেলে তাতে শরীক হবে না অপেক্ষা করবে
প্রশ্ন (৬৬৩৮) : ইমাম যদি সেজদায় থাকে তাহলে তো সে রাকাতে সেজদা দিলেও তা রাকাত হিসেবে গণ্য হবে না। এ ক্ষেত্রে কি সেজদা দিবে না পরের রাকাতের জন্য অপেক্ষা করবে?
প্রশ্ন (৬৬৩৮) : ইমাম যদি সেজদায় থাকে তাহলে তো সে রাকাতে সেজদা দিলেও তা রাকাত হিসেবে গণ্য হবে না। এ ক্ষেত্রে কি সেজদা দিবে না পরের রাকাতের জন্য অপেক্ষা করবে?
প্রশ্ন (৬৬২৯) : ফরজ নামাজ যদি কোন কারণে না পড়া হয় পরবর্তীতে তাওবা করার দ্বারা কি সেটা মাফ হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (৬৬২৭) : ট্রেনে কি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে হবে?
প্রশ্ন (৬৬১২) : অনেক মসজিদে দেখা যায়, খতম তারাবিতে একবার বিসমিল্লাহ জোরে পড়ে। অনেক মসজিদে পড়ে না। এ ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম কোনটি?
প্রশ্ন (৬৬১১) : কোন খতিব সাহেব কি খুতবার মাঝখানে মুসল্লিদেরকে কোন কাজ থেকে নিষেধ করতে পারবে?
প্রশ্ন (৬৫৬৬) : আমরা যে ইবাদাত করি, তাতে তো অনেক সময় মনোযোগ থাকে না। জানতে চাই, ইবাদাতে কেমন মনোযোগ থাকা উচিত?
প্রশ্ন (৬৫৫৮) : কারও যদি নামাজে পায়ের আঙ্গুল ও পাতা খোলা থাকে তাহলে কি তার নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (৬৫৫৬) : অনেককে দেখা যায়, নামাজের মধ্যে এদিক সেদিক তাকায়। এতে নামাজের কী ধরনের ক্ষতি হয়?
প্রশ্ন (৬৫৫৫) : নামাজে দাঁড়ানো মানে কি আল্লাহর সাথে কথা বলা? এ রকম কথা কুরআন-হাদিসের কোথাও আছে?
প্রশ্ন (৬৫৫১) : আমি নামাজে মনোযোগ ধরে রাখতে পারি না। আপনাদের কাছে এর একটা পদ্ধতি জানতে চাচ্ছি। দয়া করে আমাকে মনোযোগ ধরে রাখার পন্থা বাতলে দিবেন।
প্রশ্ন (৬৫৫০) : রাতে নফল নামাজ পড়তে গেলে অনেক সময় ঘুম চলে আসে। এ সময় কি নামাজ পড়া ভাল না ঘুমিয়ে যাওয়া ভাল?
প্রশ্ন (৬৫৪৯) : ফাসেকের পিছনে নামাজ পড়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৬৫৪৫) : আমাদের মহল্লার মসজিদের ইমাম সাহেব একজন বিদআতী। তাকে বাদ দেওয়ার ক্ষমতাও আমার হাতে নেই। আমি কি তার পিছনে নামাজ পড়তে পারব?
প্রশ্ন (৬৫৩৭) : ঈদের রাতে ইবাদতে কাটানোর বিশেষ কোন দিক আছে কি?
প্রশ্ন (৬৫৩৫) : ইমামতির ক্ষেত্রে কে বেশি যোগ্য? এ ব্যাপারে ইসলামের নির্দেশনা কী?
প্রশ্ন (৬৫০৬) : আমরা যে নামাজে রুকুতে বা সেজদাতে তাসবীহ পড়ি, এটা সর্বনিম্ন কতবার পড়তে হবে?
প্রশ্ন (৬৫০৩) : নামাজে সেজদার তাসবীহ এক পড়লে হবে? কেউ যদি একবার পড়ে তাহলে কি তার নামাজ হবে?
প্রশ্ন (৬৫০১) : আমরা যে মুনাজাত করি এবং এর শেষে চেহারায় হাত মুছি শরিয়তে এর বিধান কী?
প্রশ্ন (৬৫০০) : রমজানে ফজরের আযান ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে দেওয়া হয়। কিন্তু অন্যান্য সময় একটু দেরিতে দেওয়া হয়। এ পার্থক্য কেন?
প্রশ্ন (৬৪৮৮) : আমরা তো জানি, হানাফী মাযহাব অনুযায়ী ফজর নামাজ দেরি করে পড়া মুস্তাহাব। তাহলে রমজানে তাড়াতাড়ি পড়া হয় কেন?