মাদ্রাসার জন্য ওয়াকফকৃত জমিতে ঈদগাহ বানানো যাবে কি
প্রশ্ন (২২৯৪) : আমার ভগ্নিপতি মাদ্রাসার জন্য একটি জমি ওয়াকফ করে দিয়েছে। এখন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ঐ জমিকে ঈদগাহ বানাতে চাচ্ছে। জানতে চাই, ওয়াকফকৃত জমিতে ঈদগাহ বানানো বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (২২৯৪) : আমার ভগ্নিপতি মাদ্রাসার জন্য একটি জমি ওয়াকফ করে দিয়েছে। এখন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ঐ জমিকে ঈদগাহ বানাতে চাচ্ছে। জানতে চাই, ওয়াকফকৃত জমিতে ঈদগাহ বানানো বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (২১৭৮) : আমার ৪ তলা বিশিষ্ট দুটি বাড়ি রয়েছে। আমি চাচ্ছি, একটি বাড়ি মাদ্রাসার জন্য ওয়াকফ করব। তবে আমার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দ্বিতীয় তলা আমি ব্যবহার করবো। জানতে চাই, মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত বাড়ির কিছু অংশ ব্যবহারের শর্ত দিয়ে ওয়াকফ করলে কি ওয়াকফ শুদ্ধ হবে?
প্রশ্ন (১৬৬১) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি তার একটি জায়গা ফোরকানিয়া মাদরাসার জন্য ওয়াকফ করে। কিন্তু এলাকার লোকেরা চাচ্ছে সেখানে মসজিদ বানাতে। মুফতী সাহেবের কাছে আবেদন, সঠিক মাসআলা জানিয়ে আমাদেরকে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৬৪৯) : আমাদের এলাকার মসজিদের অনেক জায়গা পড়ে আছে। এলাকার লোকেরা চাচ্ছে সেখানে টাকার বিনিময়ে এলাকার মৃতদের কবর দিতে। সে টাকা মসজিদের উন্নয়নমূলক কাজেই ব্যবহার করা হবে। প্রশ্ন হলো, এমনটি করা কি বৈধ হবে?
প্রশ্ন (১৬৪৪) : আমাদের গ্রামের মসজিদের গাছে অনেক আম ধরে। এগুলো সাধারণত বিক্রি করা হয়ে থাকে। আমার প্রশ্ন হলো, এগুলো থেকে কি ইমাম বা মুয়াজ্জিন সাহেব কিছু খেতে পারবেন?
প্রশ্ন (১৬৪১) : আমাদের মসজিদে এক ব্যক্তি ১০ টি ফ্যান দান করেছে। কিন্তু দান করার সময় সে সরাসরি ওয়াকফের কথা বলেনি। প্রশ্ন হলো, সে ফ্যানগুলো কি মসজিদের জন্য ওয়াকফ হয়ে যাবে? নাকি অন্য কাজেও ব্যবহার করা যাবে?
প্রশ্ন (১৬২৮) : আমাদের এলাকার লোকেরা এলাকার ঈদগাহের মাটি অন্য আরেকটি ঈদগাহে নিতে চাচ্ছে। এলাকার ইমাম সাহেব বললেন, এটি জায়েয নেই। এ ব্যাপারে শরিয়তের বিধান জানতে চাচ্ছি।
প্রশ্ন (১৬২৭) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি মসজিদের জন্য একটি জায়গা ওয়াকফ করেছে। কয়েক মাস পর তিনি এই শর্তারোপ করেছেন যে, তিনি মারা গেলে এই মসজিদের জায়গায় তাকে দাফন করতে হবে। প্রশ্ন হলো, তিনি মারা গেলে তাকে কি মসজিদের জায়গায়ই দাফন করতে হবে?
প্রশ্ন (১৬০৩) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি মসজিদের জন্য একটি জমি ওয়াকফ করেছে। কিন্তু জমিটি রাস্তা থেকে একেবারে ভিতরের দিকে হওয়ায় আমরা চাচ্ছি রাস্তার পাশের এক জমির সাথে রদবদল করতে। প্রশ্ন হলো, এমন করা কি শরিয়ত অনুমোদিত?
প্রশ্ন (১৪৫০) : মসজিদের ওয়াকফ সম্পত্তি দ্বারা ব্যবসা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৪৪৯) : মাদরাসা ও মসজিদের নামে ওয়াকফকৃত সম্পত্তি থেকে অর্জিত অর্থ দ্বারা মেহমানদারি অথবা গরিব-মিসকিনকে দান করা জায়েয আছে কি?
প্রশ্ন (১৪৪৮) : আমাদের এলাকার এক লোক মৃত্যুর পূর্বে একটি কবরস্থান ওয়াকফ করেছে। সেখানে কিছু ফলও হয়। ফলগুলো ওয়াকফকারীর ওয়ারিশরা ভোগ করে। এই ফলগুলোর ক্ষেত্রে করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৪৪৬) : মসজিদের নামে ওয়াকফকৃত স্থানে মক্তব-মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৮৩২) : এক লোক তার এক খণ্ড জমি একটি মাদরাসার জন্য ওয়াকফ করেন। কিন্তু পরবর্তীতে কোনো কারণে মাদরাসাটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। ওয়াকফকারীর মৃত্যুর পর তার বড় ছেলে সেই জায়গার মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত হন। তিনি সদাকায়ে জারিয়ার উদ্দেশ্যে উক্ত জমিটি তার অন্যান্য ভাইদের না জানিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি মাদরাসার জন্য ওয়াকফ করে দেন। কিন্তু বর্তমানে তার ভাইগণ সেই সম্পত্তিতে তাদের ওয়ারিশ দাবি করছে এবং এলাকার কতিপয় ব্যক্তি উক্ত জমিটি ফিরিয়ে নিতে চাচ্ছে। এখন আমাদের প্রশ্ন হলো- এক. মুতাওয়াল্লীর ইন্তেকালের পর মাদ্রাসা বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার কারণে ওয়াকফ বাতিল হয়ে উক্ত জমি ওয়ারিশী সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে কি? এবং তাদের এই দাবি বৈধ হবে কি? দুই. অন্যান্য ওয়ারিশকে অবগত না করে বর্তমান মুতাওয়াল্লী কর্তৃক পার্শ্ববর্তী মাদরাসায় ওয়াকফ করাটা বৈধ হয়েছে কি? তিন. যদি এলাকাবাসী এই জমি ফিরিয়ে নিতে চায় তাহলে তাদের চাওয়া যুক্তিযুক্ত হবে কি?
প্রশ্ন (৮০৮) : বহু পূর্বে সৌদি সরকার বাংলাদেশি জনগণের মাঝে ফ্রি বিতরণের জন্য বাংলায় অনূদিত অনেকগুলো কোরআন শরীফের মুদ্রণ করে এদেশে পাঠায় এবং তা বিতরণও করা হয় বেশ। তবে পরবর্তীতে তা বিতরণ বন্ধ করে দেয় সে দেশের সরকার। তবে এখন সচরাচর ঐরকম কপিগুলোই লাইব্রেরি বা ব্যক্তি বিশেষের কাছে কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। প্রশ্ন হলো, এভাবে ঐগুলো ক্রয় করা জায়েয় হবে কি? এবং পরবর্তীতে প্রয়োজন পড়লে বা লাভের খাতিরে তা বিক্রি করা যাবে কি?