বিছানায় মশার রক্ত থাকলে তাতে নামাজ পড়া যাবে কি
প্রশ্ন (৮৩৬৯) : অনেক সময় এমন হয় যে, রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় মশাকে মারার কারণে তার রক্ত বিছানায় লেগে যায়। অতপর সেখানেই কখনো কখনো নামাজ পড়া হয়। এতে কি নামাজের কোন সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (৮৩৬৯) : অনেক সময় এমন হয় যে, রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় মশাকে মারার কারণে তার রক্ত বিছানায় লেগে যায়। অতপর সেখানেই কখনো কখনো নামাজ পড়া হয়। এতে কি নামাজের কোন সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (৮৩৬৬) : হাদিসে তো বলা হয়েছে দশ বছর বয়সে সন্তানের বিছানা পৃথক করে দিতে হবে। কিন্তু আমার সামর্থ্য না থাকার কারণে দুই রুম ভাড়া নিতে পারছি না। আমার এগার বছর বয়সী একটা মেযে আছে। এখন কীভাবে তার সাথে বিছানা পৃথক করব?
প্রশ্ন (৮৩৬০) : আমি সৌদিআরবে দেখেছি, ফজরের নামাজ দ্রুত পড়া হয়। আমাদের দেশে দেখি, অনেক দেরি করে পড়া হয়। এটার কোন দলিল আছে কি?
প্রশ্ন (৮৩৫৯) : শুনেছি, প্রত্যেক নামাজের মুস্তাহাব সময় আছে। ফজরের নামাজের মুস্তাহাব সময় কোনটি?
প্রশ্ন (৮৩৪৯) : আমি এক মসজিদের ইমাম। গতকাল আসরের নামাজে আমি সূরা ফাতেহার প্রথম দুই আয়াত জোরে পড়ে ফেলি। সাহু সেজদাও দেইনি। আমার জানামতে এ ক্ষেত্রে সাহু সেজদা দেওয়া জরুরি নয়। তারপরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনাদেরকে জিজ্ঞাসা করছি।
প্রশ্ন (৮৩৪৭) : কেউ কোন কিছু খোঁজ করলে নামাজ থেকে ইশারার মাধ্যমে দেখিয়ে দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৮৩৪৬) : একবার আমাদের বাসায় আমার ভাই তার বই খুঁজছিল। বইটি টেবিলের নিচে পড়ে গিয়েছিল। আমার ভাই খেয়াল না করেই আমাকে বইটির কথা জিজ্ঞাসা করে। আমি তখন নামাজে ছিলাম। সে অবস্থায়ই তাকে হাতের ইশারা দিয়ে বইটি দেখিয়ে দিই। এতে কোন সমস্যা হয়েছে?
প্রশ্ন (৮৩৪৫) : নামাজে বসা অবস্থায় হাঁত কোথায় রাখবে? কুরআন হাদিসে এ ব্যাপারে কী আছে দয়া করে জানাবেন।
প্রশ্ন (৮৩৩৭) : কয়েক সপ্তাহ আগে আমি একটা সফরে গিয়েছিলাম। সেখানে এক মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়ে দেখি খতীব সাহেব কোন কারণে বসে খুতবাহ দিচ্ছেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে নামাজ পড়িয়েছেন। আমার মনে সন্দেহ জাগল, আমার কি নামাজ হয়েছে? কারণ খুতবাহ তো তিনি দাঁড়িয়ে দেননি।
প্রশ্ন (৮৩২৪) : আমার কোন নামাজ কাযা নেই আলহামদুলিল্লাহ। এমতাবস্থায় আমার যদি কোন নামাজ কাযা হয়ে যায় আর মসজিদে গিয়ে দেখি ওয়াক্তিয়া নামাজের জামাত চলছে তাহলে এ অবস্থায় আমি কী করব? জামাতে শরিক হব না কাযা নামাজ আদায় করব?
প্রশ্ন (৮৩১০) : এক ব্যক্তি আমার সাথে বিতর্ক করেছে। আমি জানি নামাজ শুরু ওয়াক্তে পড়লে সওয়াব বেশি। কিন্তু সে বলল, হাদিসে নাকি বলা হয়েছে, ফজরের নামাজ বিলম্ব করে পড়তে। আসলে কি এমন কোন হাদিস আছে?
প্রশ্ন (৮৩০৫) : কেউ যদি অসুস্থতার কারণে চেয়ারে বসে নামাজ পড়ে তাহলে তার পিছনে সুস্থ ব্যক্তিরা নামাজের ইকতেদা করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৮২৯০) : আমার এক বন্ধু ফরজ নামাজ পড়ছিল। আমি তার পিছনে গিয়ে তার ইকতেদা করে ফেলি। সে বুঝতে পারেনি। তার সাথে রুকু সেজদা দিই। এতে কি আমার নামাজ হয়েছে?
প্রশ্ন (৮২৮৬) : আমার সাত বছরের একটা ছেলে আছে। সে তো আমার সাথেই ঘুমায়। কত বছর বয়স থেকে তার বিছানা পৃথক করতে হবে?
প্রশ্ন (৮২৮২) : আমি যদি কাউকে দেখি, সে নামাজ পড়ছে। আর আমি গিয়ে তার পিছনে ইকতেদা করে ফেলি তাহলে কি নামাজ আদায় হবে?
প্রশ্ন (৮২৮১) : আমাদের ঘরে জায়গা কম থাকায় আমার দুই ছেলেমেয়ে মাঝখানে কোলবালিশ দিয়ে এক বিছানায় ঘুমাতে হয়। তাদের বয়স দশ পার হয়ে গিয়েছে। এটা কি জায়েয হবে?
প্রশ্ন (৮২৬৭) : অনেক সময় এমন হয় যে, আমার তাশাহহুদ শেষ হওয়ার পূর্বেই ইমাম সাহে বৈঠক থেকে দাঁড়িয়ে যান। তাই আমিও দাঁড়িয়ে যাই। এতে কি আমার নামাজের কোন সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (৮২৬৬) : আমরা দুই ভাই এক জায়গায় গিয়েছিলাম। সেখানে আমার ভাই ইশার নামাজ একা একা পড়ছিল। তার অজান্তে আমি তার পিছনে গিয়ে তার ইকতেদা করে ফেললাম। সে বুঝতে পারেনি। তাই সে জোরেও কেরাতও পড়েনি। কিন্তু ইশার নামাজে তো কিরাত জোরে পড়তে হয়। এখন কি আমাদের নামাজ হয়েছে?
প্রশ্ন (৮২৫৭) : আজ আসরের নামাজ পড়ার সময় আমি ভুলে সূরা ফাতেহার প্রথম আয়াত জোরে পড়ে ফেলি। অতঃপর স্মরণ হওয়ামাত্রই পরের আয়াতগুলো আস্তে পড়ি। নামাজ শেষে সাহু সেজদা দিতেও ভুলে গিয়েছি। এখন কি আমাকে আবার নামাজ পড়তে হবে?
প্রশ্ন (৮২৫৬) : আসর নামাজের পর যেমনিভাবে নফল পড়া যায় না তেমনি কি তেলাওয়াতে সেজদাও দেওয়া যায় না?