ঈদের নামাযে শেষ বৈঠকে ইমাম সাহেবের সাথে শরিক হলে কিভাবে নামায আদায় করবে?
প্রশ্ন (১৩৮৪২) : যদি কেউ ঈদের নামাযে ইমাম সাহেবকে শেষ বৈঠকে পায় তাহলে তার তাকবীরের হুকুম কি?
প্রশ্ন (১৩৮৪২) : যদি কেউ ঈদের নামাযে ইমাম সাহেবকে শেষ বৈঠকে পায় তাহলে তার তাকবীরের হুকুম কি?
প্রশ্ন (১৩৮৪০) : আমি ফজরের নামাযের সময় মসজিদে গিয়ে দেখি জামাত দাঁড়িয়ে গেছে। তাই আমি মসজিদের বারান্দায় সুন্নত পড়ছিলাম। ইমাম সাহেব সূরা ফাতিহার পর সূরা আলিফ-লাম-মীম সাজদা পড়েন। সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা আদায় করেন। আমি ইমাম সাহেবের সঙ্গে সিজদার আয়াতে শরিক হতে পারিনি। তবে ঐ রাকাতেই রুকুর আগে শরিক হয়েছি। জানার বিষয় হল, আমার কি পরবর্তীতে তিলাওয়াতে সিজদা আদায় করতে হবে?
প্রশ্ন (১৩৭৩৭) : চার রাকাত বিশিষ্ট ফরয নামাযের শেষ দুই রাকাতে সূরা ফাতেহার পর ভুলে বিসমিল্লাহ পাঠ করলে কি সাহু সিজদা দিতে হবে?
প্রশ্ন (১৩৭২২) : একদিন আমি আসরের নামায পড়ার সময় নামাযের প্রথম বৈঠকে তাশাহ্হুদের পরিবর্তে ভুলে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেলি। এরপর তাশাহ্হুদের কথা স্মরণ হলে তাশাহ্হুদ পড়ি এবং নামায শেষে সাহু সিজদা করি। এখন প্রশ্ন হল, আমার ঐ ভুলের কারণে সাহু সিজদা দেওয়া ঠিক হয়েছে কি?
প্রশ্ন (১৩৭০১) : আমি একটি মেসে ভাড়া থাকি। সেখানে আমার সাথে আরও চারজন থাকে। একদিন আমাদের ঘুম থেকে উঠতে বিলম্ব হয়। ফলে সকলেরই ফজরের নামায কাযা হয়ে যায়। তখন আমরা ঐ নামায জামাতের সাথে আদায় করি। এখন জানার বিষয় হল, কাযা নামায জামাতের সাথে পড়া কি আমাদের জন্য ঠিক হয়েছে? এবং এক্ষেত্রে কিরাত জোরে পড়তে হবে কি?
প্রশ্ন (১৩৬৬৩) : আমাদের মহল্লার মসজিদে কয়েকজন মুসল্লি নিম্নোক্ত হাদিসটি মানুষের নিকট বর্ণনা করছে। তারা এটি ছাপিয়ে মসজিদে লাগিয়ে দিয়েছে। এবং তারা উক্ত হাদিসটি এলাকা জুড়েও ব্যাপক প্রচার করছে। তাই হযরতের কাছে জানতে চাচ্ছি, নিম্নোক্ত হাদিসটি সহিহ ও আমলযোগ্য কি না? হাদিসটি হল, রাসূলুল্লাহ (সা.) আলী (রা.)-কে বলেছেন, হে আলী! প্রত্যেক রাতে পাঁচ কাজ করে ঘুমাও। যথা : ১. চার হাজার দিনার সদকা করে ঘুমাও। ২. এক খতম কুরআন পড়ে ঘুমাও। ৩. জান্নাতের মূল্য আদায় করে ঘুমাও। ৪. দুজনের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে ঘুমাও। ৫. একটি হজ্ব আদায় করে ঘুমাও। আলী (রা.) বললেন, এটা তো অসম্ভব। কীভাবে আমি তা আদায় করব? রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, চার বার সূরা ফাতিহা পড়ে ঘুমাও তাহলে চার হাজার দিনার সদকার সওয়াব পাবে। তিন মর্তবা সূরা ইখলাস পড়ে ঘুমাও তাহলে একবার কুরআন খতম করার সওয়াব পাবে। তিন বার দুরূদ পড়ে ঘুমাও তাহলে জান্নাতের মূল্য আদায় হয়ে যাবে। দশবার ইস্তেগফার পড়ে ঘুমাও তাহলে দুজনের বিবাদ মিটানোর সওয়াব পাবে। চারবার কালিমায়ে তামজীদ পড়ে ঘুমাও তাহলে একটি হজ্বের সওয়াব পাবে। হযরত আলী (রা.) বলেন, আমি প্রত্যহ রাতে এ আমল করে ঘুমাব।
প্রশ্ন (১৩৫৬০) : আমি ফজরের দুই রাকাত সুন্নতের বৈঠকে ভুলে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেলি। সূরা ফাতিহা শেষ করার পর আমার বৈঠকের কথা মনে হয়। পরে তাশাহহুদ পড়ে সাহু সিজদা আদায় করে নামায শেষ করি। এখন আমি জানতে চাই, নামাযের শেষ বৈঠকে ভুলে সূরা ফাতিহা পড়লে সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে কি?
প্রশ্ন (১৩৪৫২) : আমি মাগরিবের নামাযে প্রথম রাকাতে সূরা ফাতিহা শেষ করে ভুলবশত পুনরায় সূরা ফাতিহা পড়ে ফেলি। তারপর যথারীতি নামায পড়ে সাহু সিজদা দেই। জানতে চাচ্ছি, আমার ঐ নামায কি হয়ে গেছে? নাকি পুনরায় পড়তে হবে?
প্রশ্ন (১৩৪৩৪) : আমি একদিন যোহরের চার রাকাত সুন্নতের প্রথম বৈঠকে বসে ভুলে সূরা ফাতিহা পড়তে শুরু করি। কয়েক আয়াত পড়ার পর আমার মনে পড়ে। তখন সাথে সাথেই তাশাহহুদ পড়ে নেই এবং যথানিয়মে বাকি নামায শেষে সাহু সিজদা করি। জানার বিষয় হল, উক্ত ভুলের কারণে কি আমার উপর সাহু সিজদা ওয়াজিব ছিল? এবং সাহু সিজদা করার দ্বারা কি আমার নামায হয়ে গেছে?
প্রশ্ন (১৩৩২১) : আমার জানামতে যে সমস্ত নামাযে নিম্নস্বরে কেরাত পড়তে হয়, সেগুলোতে ইমাম সাহেব ভুলে ছোট তিন আয়াত বা বড় এক আয়াত সশব্দে পড়লে সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়। এমনিভাবে যে সমস্ত নামাযে সশব্দে কেরাত পড়তে হয় সেগুলোতে ঐ পরিমাণ কেরাত নিম্নস্বরে পড়লে সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়। একদিন মসজিদে এক মুসল্লি বললেন, সূরা ফাতিহার ক্ষেত্রে হুকুম একটু ভিন্ন। আমি জানতে চাচ্ছি, এক্ষেত্রে সূরা ফাতিহা ও অন্যান্য সূরার মাঝে হুকুমে কোনো পার্থক্য আছে কি?
প্রশ্ন (১৩১৭৩) : একদিন এশার নামাযে ইমাম সাহেব ভুলবশত দ্বিতীয় রাকাতের শুরুতে সূরা ফাতিহার কয়েকটি আয়াত নিম্ন আওয়াজে পড়ে ফেলেন। স্মরণ হওয়ার পর পুনরায় সূরা ফাতিহা উচ্চস্বরে পড়া শুরু করে। নামায শেষে সাহু সিজদা না করেই সালাম ফিরিয়ে দিয়েছে। আমার জানার বিষয় হল, আমাদের সেই নামাযটি কি সহিহ হয়েছিল? না হলে করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৩১৪৩) : কিছুদিন পূর্বে এক মাহফিলে ইমাম সাহেব নামায পড়াচ্ছিলেন। সূরা ফাতেহার اِهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِیْمَ পর্যন্ত পড়ার পর তার কাশি আসে। এরপর ভুলে বাকী দুই আয়াত না পড়েই অন্য সূরা পড়েন। নামায শেষে এটা নিয়ে কথাবার্তা শুরু হলে অন্য একজন বলে দেন, নামায হয়ে গছে, কোনো সমস্যা হয়নি। এর পরও বিষয়টি নিয়ে অনেকে সন্দেহে আছে। তাই হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, উক্ত নামাযের হুকুম কী হবে?
প্রশ্ন (১২৯১৯) : আমি কখনো কখনো দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে সূরা ফাতিহার পূর্বে ভুলবশত তাশাহহুদ পড়ে ফেলি। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১২৭৪২) : কিছুদিন আগে এক বয়ানের মজলিসে এক ভাই নামাযের মাসায়েলের আলোচনা করতে গিয়ে বললেন- ‘ভুলবশত ফরয নামাযের তৃতীয়-চতুর্থ রাকাতে সূরা ফাতিহার সঙ্গে সূরা মিলিয়ে ফেললে সিজদায়ে সাহু করা আবশ্যক হয় না।’ জানার বিষয় হল, তার এই কথা কি ঠিক?
প্রশ্ন (১২৬৮৯) : আমি ইশার নামাযে ইমামতি করছিলাম। প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদের বদলে ভুলে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেলি। পরে তাশাহহুদ পড়ে যথানিয়মে নামায শেষ করার পূর্বে সাহু সিজদা দিয়ে নিই। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, আমার উক্ত নামায কি হয়েছে?
প্রশ্ন (১২৪৫৭) : কিছুদিন আগে আমাদের মসজিদে একটি বিদেশি জামাত আসে। ঘটনাক্রমে ইমাম সাহেব অনুপস্থিত থাকায় বিদেশি মেহমানদের একজন ইমামতি করেন। ইমাম সাহেব মুসাফির থাকার কারণে তিনি দুই রাকাত পড়ে সালাম ফেরানোর পর আমি বাকি দুই রাকাত পড়ার জন্য দাঁড়িয়ে যাই। আমি এই দুই রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ি এবং যথারীতি নামায শেষ করি। কিন্তু শেষ বৈঠকে ভুলে তাশাহহুদ না পড়ে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেলি এবং সিজদায়ে সাহু না করেই নামায শেষ করি। জানার বিষয় হল, আমার নামায কি সহিহ হয়েছে? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।
প্রশ্ন (১২৩৯১) : আমি একদিন যোহরের নামাযের ইমামতি করছিলাম। প্রথম রাকাতে ভুলে সূরা ফাতিহার ১ম আয়াত উচ্চস্বরে পড়ে ফেলি। খেয়াল হতেই পরক্ষণে ২য় আয়াত থেকে আস্তে পড়া শুরু করি। এক্ষেত্রে কি আমাকে সাহু সিজদা করতে হবে?
প্রশ্ন (১২৩৬৬) : একদিন যোহরের নামাযে মসজিদে যেতে দেরি হয়ে যায়, ফলে মাসবুক হই। যখন বাকি নামায আদায় করি তখন প্রথম রাকাতে সূরা ফাতেহা ভুলে যাই। আমার প্রশ্ন হল, এমন অবস্থায় কি আমার জন্য সাহু সিজদা করা আবশ্যক?
প্রশ্ন (১২৩৫৪) : আমি কয়েকদিন আগে ফরয নামাযের প্রথম রাকাতে ভুলে সূরা ফাতিহা না পড়ে সূরা পড়া আরম্ভ করি। সূরা পড়া শেষ হওয়ার পর আমার স্মরণ হয় যে, আমি সূরা ফাতিহা পড়িনি। এ অবস্থায় আমার করণীয় কী?
প্রশ্ন (১২৩২১) : আমি ঢাকার একটি বড় মসজিদে তারাবীহ পড়াই। এবার রমযানের ২৭ তারিখে তারাবীর নামাযের প্রথম রাকাতে সূরা ফাতিহার তিন-চার আয়াত মনে মনে পড়ি, এরপর স্মরণ হলে উচ্চস্বরে সূরা ফাতিহা শুরু থেকে পড়ি। সেদিন মসজিদে ৩-৪ হাজার মুসল্লী ছিল। অনেক বড় জামাত ফেতনা হতে পারে- একথা ভেবে সাহু সিজদা দিইনি। মুহতারামের নিকট জানার বিষয় হচ্ছে, আমার এই কাজটি কি ঠিক হয়েছে? জুমা ও ঈদের নামাযের মত তারাবীর জামাত বড় হলে সাহু সিজদা ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ আছে কি না?