সফরের নামাজ (কসর)

কছর সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১৩৮৩৮) : আমি যে স্থানে চাকরি করি সেখান থেকে আমার বাড়ি শরীয়ত নির্ধারিত মুসাফিরের সীমার অনেক উপরে। এখন আমার প্রশ্ন হল, আমি বাড়িতে যাওয়ার সময় এবং বাড়ি থেকে আসার সময় রাস্তায় কছর নামায পড়ব কি? যদি কছর পড়তে হয় তাহলে আমি আমার বাড়ি/চাকরিস্থলে পৌঁছার কতটুকু সীমানা পর্যন্ত কছর পড়ব?

দুলাভাইয়ের সাথে হজ্বে যাওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৭৯৯) : আমার বয়স ১৮ বছর। আমি, আম্মা ও বড় বোন এবার আমাদের বড় দুলাভাইয়ের সঙ্গে হজ্ব আদায় করেছি। হজ্ব থেকে ফেরার পর জানতে পারলাম যে, দুলাভাইয়ের সঙ্গে হজ্বে যাওয়া আমার জন্য বৈধ হয়নি। তাহলে কি আমার হজ্ব সহিহ হয়নি?

কোনো ব্যক্তি সফরসম দূরত্বে তাবলীগে বের হলে কি তার উপর সফরের বিধান প্রযোজ্য হবে?

প্রশ্ন (১৩৭৯৭) : যারা লম্বা সময়ের জন্য তাবলীগে সফরসম দূরত্বে বের হয় তারা মুসাফির কি? আর চিল্লা চলাকালীন সময়ে কোনো কাজে কেউ যদি বাড়িতে যায় এবং বাড়িতে ১-২ দিন থাকে তাহলে ঐ ১-২ দিনের জন্য মুকীম হবে কি?

নামাযের ওয়াক্ত বাকি থাকা অবস্থায় সফর থেকে বাড়িতে ফিরলে কি উক্ত নামায কত রাকাত আদায় করবে?

প্রশ্ন (১৩৭৪৬) : কিছুদিন আগে আমি একটি সফরে যাই । গতকাল যোহরের নামাযের ওয়াক্ত আধা ঘণ্টা বাকি থাকাবস্থায় আমি সফর থেকে বাড়িতে আসি। তখন ক্লান্তির দরুণ নামাযের কথা ভুলে যাই। আসরের আযান শুনে আমার ঘুম ভাঙ্গে। প্রশ্ন হল, উক্ত যোহরের কাযা কি আমাকে চার রাকাত পড়তে হবে, নাকি দুই রাকাত? জানালে উপকৃত হব।

কসর সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১৩৭১৫) : আমি বরিশাল যাওয়ার উদ্দেশ্যে ফার্মগেট থেকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাই। আমার জানার বিষয় হলো, সদরঘাট থেকে লঞ্চ ছাড়ার আগে কি আমি নামায কসর করতে পারব?

ঢাকায় বসবাসকারী ব্যক্তি বিদেশে সফরে যাওয়ার সময় এয়ারপোর্টে কি নামায কসর করবে নাকি পূর্ন নামায পড়বে?

প্রশ্ন (১৩৭০৫) : আমার বাসা মোহাম্মদপুর বসিলায়। প্রায় সময়ই আমি দেশের বাইরে সফরে যাই। আমি যখন বসিলা থেকে এয়ারপোর্ট যাব তখন এয়ারপোর্টে থাকাবস্থায় নামায কি কসর পড়ব না পূর্ণ নামায পড়ব?

ঢাকায় বসবাসকারী ব্যক্তি বিদেশ সফরকালে এয়ারপোর্টে যাতায়াতের সময় কি মুকীম থাকবে নাকি মুসাফির?

প্রশ্ন (১৩৬৮২) : আমার বাসা ঢাকা বনানীতে। বিদেশ সফরকালিন বাসা থেকে এয়ারপোর্ট যাওয়া-আসার সময় আমি কি মুকীম হব, নাকি মুসাফির?

মুসাফির ব্যক্তি সফর থেকে ফেরার নিয়ত করলে কি তার সফরের বিধান রহিত হয়ে যাবে?

প্রশ্ন (১৩৬৭৩) : কোনো মুসাফির সফর থেকে ফিরে আসার নিয়ত করার পর পথিমধ্যে কোথাও দু’ এক দিনের নিয়তে অবস্থান করলে সেখানে কি সে কসর করবে, নাকি পূর্ণ নামাযই পড়বে?

সফর অবস্থায় রোযা রেখে ভেঙ্গে ফেললে কি উক্ত রোযার কাযা-কাফ্ফারা উভয়টি আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১৩৬৩৯) : এবার রযমানে আমি এক জায়গায় সফরে যাই। তো সফর অবস্থায় একদিন রোযা রেখে কোনো কারণ ছাড়াই আবার তা ভেঙ্গে ফেলি। জানতে চাই, উক্ত কারণে আমাকে এই রোযার কাযা-কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে নাকি শুধু কাযা করলেই হয়ে যাবে?

উমরার তাওয়াফ করার আগেই কোনো মহিলার স্রাব চলে আসলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩৫৫৩) : আমার ভাবি উমরাহ করতে যায়। কিন্তু উমরার তাওয়াফ করার আগেই তার মাসিক স্রাব এসে যায়। পাঁচ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও স্রাব বন্ধ হয়নি। এদিকে সফরের আর মাত্র দুই দিন বাকি। দুই দিন পরই দেশে চলে আসতে হবে। এখন তার করণীয় কী? মাসআলাটি বিস্তারিত জানতে চাই।

মুসাফিরের জন্য নামায কসর করার বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৫৩০) : আমি জানি ইসলামে মুসাফিরের জন্য নামায কসর করার বিধান রয়েছে। এক ব্যক্তি আমাকে বলল কসর করা নাকি জরুরি নয়। কেউ চাইলে পুরো নামাযও পড়তে পারে আবার কসরও করতে পারে। এতে কোনো অসুবিধা নেই। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, সফর অবস্থায় নামায কসর করা কি জরুরি? দয়া করে আমাকে এর সমাধান জানাবেন।

কোনো মহিলা তার চাচাতো বোনের স্বামীর সাথে হজ্বে যেতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫১৩) : আমার মামা সৌদিতে থাকেন। এখন মামি হজ্ব করতে চাচ্ছেন। তবে সাথে যাওয়ার মত কোনো মাহরাম না থাকায় জেদ্দা বিমানবন্দর পর্যন্ত চাচাতো বোন ও তার স্বামী সাথে থাকবে। জেদ্দা বিমানবন্দর থেকে মামা তাকে নিয়ে যাবে এবং তার সঙ্গেই হজ্ব করবে। প্রশ্ন হল, সে বাংলাদেশ থেকে জেদ্দা পর্যন্ত তার চাচাতো বোন ও তার স্বামীর সাথে হজ্ব করার জন্য যেতে পারবে কি?

সফর সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১৩৪৬৪) : আমি বিকালে সফরের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হই। ১৫/২০ কিলোমিটার যাওয়ার পর আসরের সময় হলে এক জায়গায় আমি আসরের নামায দুই রাকাত কসর পড়ে নেই। কিন্তু আরো কিছু দূর যাওয়ার পর জরুরী কাজে আমার সফরটি মুলতবি করতে হয়। তো কাজ সেরে বাড়ি যেতে যেতে রাত প্রায় ১১টা বেজে যায়। এখন জানার বিষয় হল, রাস্তায় আদায়কৃত আসরের নামায কি আদায় হয়েছে? আর সফর যেহেতু মুলতবি করেছি সেক্ষেত্রে ইশার নামায একাকী পূর্ণ পড়া উচিত ছিল নাকি কসর? দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন।

নারীদের জন্য মাহরাম ছাড়া হজ্বে যাওয়ার বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৪৬১) : আমি ছোট থেকেই আমেরিকায় বড় হয়েছি। বিয়ের পরেও স্বামী-সন্তানসহ প্রায় সারা জীবনই কাটিয়েছি আমেরিকায়। আল্লাহর রহমতে আমি দ্বীনের পথে ফিরে আসি। কিন্তু আমার স্বামী তা মেনে নেয় না। তাই এক পর্যায়ে আমাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। বর্তমানে আমি বাংলাদেশে আছি। এখানে শুধু আমার মা ও ছোট বোনেরা থাকে। আল্লাহ আমাকে অনেক সম্পদ দান করেছেন। এখন আমি হজ্ব করতে চাচ্ছি। কিন্তু আমার সঙ্গে কোনো মাহরাম নেই। আমি কি একাকী হজ্ব করতে পারব?

মুসাফির ব্যক্তি কি মুকিমদের জুমার ইমামতি করতে পারবে?

প্রশ্ন (১৩৪৩২) : কিছুদিন আগে আমরা কয়েকজন বরিশাল থেকে ঢাকায় আসি। এখানে আমার ভগ্নিপতির মাদরাসা আছে। জুমআর দিন তিনি উপস্থিত না থাকায় আমাদের সাথে আসা একজন জুমার নামায পড়িয়ে দেন। পরে আমার মনে হল, তিনি তো মুসাফির। তার নিজের উপরই যখন জুমা ওয়াজিব নয় তখন তিনি মুকীমদের ইমাম হবেন কীভাবে? তাই জানতে চাই, মুসাফিরের জন্য জুমার ইমামতি করার বিধান কী?

মুসাফির ব্যক্তি মুকিম ইমামের পিছনে মাসবুক হলে কত রাকাত আদায় করবে?

প্রশ্ন (১৩৪১৫) : মুসাফির ব্যক্তি যদি মুকীম ইমামের পিছনে মাসবুক হয় তবে সে দুই রাকাত পেলে কি আরো দুই রাকাত একাকী পড়বে, নাকি দইু রাকাতেই নামায শেষ করবে? আর যদি এক রাকাত পায় তাহলে কয় রাকাত পড়বে?