মসজিদ

কুরআনের পুরাতন কপি না রাখতে চাইলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২৪১৭) : আমাদের মসজিদে কুরআন মাজীদের পুরাতন অনেক কপি আছে। যেগুলো এখন আর পড়ার উপযুক্ত থাকেনি। এগুলো ছাড়াও পড়ার মত আরো অনেক নতুন কুরআন শরীফ আছে। মসজিদ কমিটি চাচ্ছে, পুরাতন কপিগুলো সরিয়ে ফেলতে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা এগুলো কী করতে পারি? জানিয়ে বাধিত করবেন।

জামাতে শরীক হওয়ার আগে ইমামের সিজদার আয়াতের তিলাওয়াত শুনলে কি সিজদা দিতে হবে?

প্রশ্ন (১২৩৮৬) : আমাদের মসজিদে প্রতি শুক্রবার ফজরের নামাযে ইমাম সাহেব সূরা আলিফ-লাম-মিম সাজদা তিলাওয়াত করেন। গত শুক্রবার ফজরের নামায শুরু হলে আমি মসজিদের এক কোণে সুন্নত পড়ছিলাম। এ সময় ইমাম সাহেব সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সিজদা করেন। আমি শরীক হতে পারিনি। এরপর আমার সুন্নত পড়া শেষ হলে উক্ত রাকাতে রুকুর আগে আমি ইমামের সাথে শরীক হই। জানার বিষয় হল, আমার কি পরবর্তিতে তিলাওয়াতে সিজদা আদায় করতে হবে?

মসজিদ-মাদরাসায় খেদমতে নিয়োজিত ব্যক্তিরা বোনাস নিতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৮২) : যারা মসজিদ-মাদরাসার খেদমতে নিয়োজিত আছেন, তারা যদি বেতনের পাশে বছরের দুই ঈদে বোনাস গ্রহণ করেন তাহলে সেটা কি বৈধ হবে?

মৃত ব্যক্তির সমস্ত সম্পদের কী পরিমাণ অংশে তার অসিয়ত কার্যকর হবে?

প্রশ্ন (১২৩৭৩) : কিছুদিন আগে আমাদের এলাকায় এক ব্যক্তি মারা গেছে। লোকটি ছিল অবিবাহিত। তাই তার ছেলে-সন্তান স্ত্রী পরিবার-পরিজন কেউ নেই। মৃত্যুর আগে সে অসিয়ত করে গেছে, তার যাবতীয় সম্পদ মসজিদ-মাদরাসায় দিয়ে দিতে। এখন মসজিদ ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ উভয়ে তার সম্পদ দাবি করছে। কিন্তু মৃত ব্যক্তির ভাই তা মেনে নিচ্ছে না। মৃতের আত্মীয় বলতে শুধু তিনিই আছেন। বিষয়টি নিয়ে অনেক সমস্যা হচ্ছে। এখন আমরা সবাই (মসজিদ ও মাদারাসা কর্তৃপক্ষ ও তার ভাই) মুফতী সাহেবের শরণাপন্ন হচ্ছি, আমাদেরকে শরীয়তের সঠিক সমাধান জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

অযু করার সময় এক অঙ্গ শুকিয়ে যাওয়ার পর অন্য অঙ্গ ধৌত করলে কি অযু সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১২৩৬১) : একদিন মসজিদে অযু করার সময় হাত ও মুখ ধোয়ার পর পানি চলে যায়। তখন মসজিদের ফিল্টার থেকে পানি নিয়ে অযু শেষ করি। ততক্ষণে আমার চেহারা এবং হাত শুকিয়ে যায়। জানার বিষয় হল, আমার এ অযু কি শুদ্ধ হয়েছে? এবং তা দ্বারা যে নামায পড়েছি তা কি আদায় হয়েছে?

মসজিদ স্থানান্তর করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৩৬০) : প্রায় সত্তর বছর আগে আমাদের এলাকায় মাদরাসার জন্য একটি জমি ওয়াকফ করা হয় এবং সেখানে একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। মাদরাসার ছাত্ররা কাছের একটি পুরনো মসজিদে নামায আদায় করত। আনুমানিক চল্লিশ বছর আগে মসজিদ ও মাদরাসার মাঝে একটি হাইওয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হয়। রাস্তা পার হয়ে মসজিদে যাওয়া ছাত্রদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। তাই মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের নামায আদায়ের সুবিধার্থে মাদরাসার ওয়াক্ফকৃত জমির উত্তর কোণে একটি মসজিদ নির্মাণ করে। চল্লিশ বছর যাবৎ উক্ত মসজিদে নামায পড়া হচ্ছে। কিন্তু মাদরাসার নতুন কর্তৃপক্ষ পুরো এরিয়ার সুযোগ-সুবিধার প্রতি লক্ষ করে মসজিদটি উক্ত জমির অন্য এক পাশে স্থানান্তর করে নিচ তলায় দোকানপাট ও দোতলা থেকে মসজিদ নির্মাণ করতে চচ্ছে। জানার বিষয় হল, এভাবে মসজিদ স্থানান্তর করা বৈধ হবে কি না? বৈধ হলে আগের মসজিদের জায়গা কী করা হবে? জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

মসজিদে গিয়ে ইমাম সাহেবকে রুকুতে পেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২৩৫৮) : আমি অনেক সময় ইমামকে রুকুতে গিয়ে পাই। প্রশ্ন হল তখন আমি ছানা পড়ে রুকুতে যাবো না সরাসরি তাকবির বলে রুকুতে চলে যাবো? এ সময় ছানা পড়ার বিধান কী?

ঈদের নামাযে অতিরিক্ত তাকবীর বলার সময় কি হাত বাঁধতে হবে?

প্রশ্ন (১২৩৫০) : গত কুরবানী ঈদে এক মসজিদে ঈদের নামায পড়তে যাই। নামাযের আগে ইমাম সাহেব দ্বিতীয় রাকাতে অতিরিক্ত তাকবীর আদায়ের তরীকা বলেন, প্রথম দুই তাকবীরের পর হাত উঠিয়ে বেঁধে নিবে, তৃতীয় তাকবীরের পর হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিবে এবং চতুর্থ তাকবীর বলতে বলতে রুকুতে যাবে। অথচ আমাদের মহল্লার মসজিদের ইমাম সাহেব প্রথম দুই তাকবীরেও হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে বলেন। এক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি কোনটি জানালে উপকৃত হব।

ফরয নামাযের পর ইমাম সাহেব কোন জায়গায় সুন্নত আদায় করবে?

প্রশ্ন (১২৩৪৪) : আমি মকতব বিভাগের একজন শিক্ষক। আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব কখনো না থাকলে আমি নামায পড়িয়ে থাকি। আমার একটি বিষয় জানার ছিল। তা হল, কোনো কোনো মসজিদে দেখি যে, ইমাম সাহেব যোহর, মাগরিব, এশা এই ওয়াক্তগুলোতে ফরয নামাযের পর সুন্নত পড়ার জন্য মেহরাব থেকে পিছনে চলে আসেন। আবার কেউ জায়নামাযের একপাশে দাঁড়িয়ে সুন্নত পড়েন। আর কেউ নিজের জায়গায় দাঁড়িয়েই সুন্নত পড়েন। এক্ষেত্রে আসলে সঠিক নিয়ম কী?

মাদ্রাসার জন্য জমি দান করার পর আবার সেখান থেকে পৃথক করে মসজিদের জন্য দান করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৩০) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি মাদরাসা প্রতিষ্ঠার জন্য ১০ ডিসিম জমি দান করে। সেখানে একটি অনাবাসিক নূরানী মকতব প্রতিষ্ঠা করা হয়। দুই-তিন বছর পর এলাকার মানুষের প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে মাদরাসা কমিটি সিদ্ধান্ত নিল, মাদরাসার পাশাপাশি একটি জামে মসজিদ নির্মাণ করবে। তাই কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে উক্ত ব্যক্তি দানকৃত জমি থেকে ৪ ডিসিম জমি মসজিদের জন্য দান করে এবং সেখানে মসজিদ নির্মাণ করে। আমার প্রশ্ন হল, উক্ত প্রক্রিয়াটি সঠিক হয়েছে কি না? ভুল হলে সংশোধনের উপায় কী? এবং এতদিন এলাকাবাসীর আদায়কৃত নামাযে কোনো সমস্যা হবে কি না? মাদরাসা ও মসজিদে একই কমিটি ও পূর্বের কমিটি অপরিবর্তিত।

একাকী নামায আদায় করার ক্ষেত্রে কি আযান দিয়ে নেওয়া জরুরী?

প্রশ্ন (১২৩২২) : আমি যে এলাকায় থাকি সেটা খ্রিস্টান অধ্যুষিত হওয়ায় সেখানে কোনো মসজিদ নেই। পার্শবর্তী এলাকায় যেখানে মসজিদ আছে ওখানকার আযানের শব্দ এখানে পৌঁছে না। এ অবস্থায় সাধারণত দু-চারজন একত্র হয়ে জামাতে নামায আদায় করলে আমরা আযান দিয়ে নিই। প্রশ্ন হল, যদি একাকী নামায পড়ি তাহলেও কি আযান দিয়ে নামায পড়া জরুরি? জানিয়ে উপকৃত করবেন।

ফেতনা হওয়ার আশঙ্কায় সাহু সিজদা ছেড়ে দেওয়া কি ঠিক?

প্রশ্ন (১২৩২১) : আমি ঢাকার একটি বড় মসজিদে তারাবীহ পড়াই। এবার রমযানের ২৭ তারিখে তারাবীর নামাযের প্রথম রাকাতে সূরা ফাতিহার তিন-চার আয়াত মনে মনে পড়ি, এরপর স্মরণ হলে উচ্চস্বরে সূরা ফাতিহা শুরু থেকে পড়ি। সেদিন মসজিদে ৩-৪ হাজার মুসল্লী ছিল। অনেক বড় জামাত ফেতনা হতে পারে- একথা ভেবে সাহু সিজদা দিইনি। মুহতারামের নিকট জানার বিষয় হচ্ছে, আমার এই কাজটি কি ঠিক হয়েছে? জুমা ও ঈদের নামাযের মত তারাবীর জামাত বড় হলে সাহু সিজদা ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ আছে কি না?

কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৩১৬) : আমাদের গ্রামে একটি পাঞ্জেগানা মসজিদ আছে। মসজিদের জন্য যিনি জমি ওয়াকফ করেছিলেন। ওয়াকফ করার অনেক আগে (২০-২৫ বছর) সেই জমিতে তার দাদাকে কবর দেওয়া হয়েছিল। ওয়াকফ করার পর সেই জমিতে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদের শেষের এক-দুই কাতার সেই কবরের উপর নির্মিত হয়েছে এবং এভাবেই দীর্ঘদিন থেকে নামায আদায় করা হচ্ছে। এখন কেউ কেউ বলছেন, কবরের উপর মসজিদ বানানো হারাম। তাই অনেকে মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলতে চাচ্ছেন। অথচ মসজিদের এমন কোনো জায়গা নেই, যেখানে নতুন করে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে। মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, আসলেই কি উক্ত মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলতে হবে? আরেকটি বিষয় জানতে চাচ্ছি, সম্প্রসারণের প্রয়োজনে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি না?

জুমার খুতবা না শুনতে পারলে কি জুমার নামায হবে?

প্রশ্ন (১২২৯৬) : অনেক সময় আমার জুমার জন্য প্রস্তুত হয়ে মসজিদে যেতে বেশ দেরি হয়ে যায়। গত শুক্রবার প্রস্তুত হয়ে মসজিদে গিয়ে দেখি খুতবা শেষ হয়ে গেছে। নামাযের ইকামত হচ্ছে। আমার জানার বিষয় হল, খুতবা ছাড়া আমার উক্ত জুমার নামায কি সহিহ হয়েছে?

অফিসে বা ঘরে জামাত করার জন্য কি মসজিদের আযান যথেষ্ট হবে?

প্রশ্ন (১২২৯৩) : আমাদের অফিসে নামাযের জন্য ভিন্ন জায়গা আছে। নির্দিষ্ট সময়ে সেখানে জামাত হয়। কিন্তু আযান দেওয়া হয় না। শুধু ইকামত দিয়ে নামায শুরু করা হয়। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এক্ষেত্রে মহল্লার আযান কি আমাদের জন্য যথেষ্ট হবে? নাকি পৃথকভাবে আযান দেওয়া লাগবে?

মুসল্লীরা সামনের কাতার খালি রেখে নামাযে দাঁড়িয়ে গেলে তাদের সামনে দিয়ে যাওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২২৯২) : আমাদের মহল্লার মসজিদটি তিন তলা বিশিষ্ট। জুমুআর দিন পুরো মসজিদ ভরে যায়। খুতবার সময় তৃতীয় তলায় অনেকেই জায়গা না পেয়ে পেছনে দাঁড়িয়ে থাকে। ইকামতের সময় সবাই দাঁড়ালে কাতারের মাঝে জায়গা খালি হয়। তখন অনেকেই কাতারে দাঁড়াতে পারে। কখনো কখনো নামায শুরু হয়ে যাওয়ার পরও কোথাও খালি জায়গা দেখা যায়। তখন পেছন থেকে দুই-একজন নামাযীদের সামনে দিয়ে সেখানে গিয়ে দাঁড়ায়। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এক্ষেত্রে নামাযীদের সামনে দিয়ে অতিক্রম করা কি জায়েয আছে? জানালে কৃতজ্ঞ হব।

জামাতে শরীক হওয়ার আগে ইমামের সিজদার আয়াতের তিলাওয়াত শুনলে কি সিজদা দিতে হবে?

প্রশ্ন (১২২৮৯) : আমাদের মসজিদে প্রতি শুক্রবার ফজরের নামাযে ইমাম সাহেব সূরা আলিফ-লাম-মিম সাজদা তিলাওয়াত করেন। গত শুক্রবার ফজরের নামায শুরু হলে আমি মসজিদের এক কোণে সুন্নত পড়ছিলাম। এ সময় ইমাম সাহেব সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সিজদা করেন। আমি শরীক হতে পারিনি। এরপর আমার সুন্নত পড়া শেষ হলে উক্ত রাকাতে রুকুর আগে আমি ইমামের সাথে শরীক হই। জানার বিষয় হল, আমার কি পরবর্তিতে তিলাওয়াতে সিজদা আদায় করতে হবে?

ইতিকাফ ভেঙে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২২৮৮) : গত রমযানে আমি মহল্লার মসজিদে সুন্নত ইতিকাফ করেছিলাম। পঁচিশ রোযার দিন এক ভাইয়ের সাথে কথা বলতে বলতে বেখেয়ালে মসজিদের বাইরে চলে যাই। পরে ইমাম সাহেব হুযূরকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আপনার ইতিকাফ ভেঙে গেছে। আপনাকে এখন পূর্ণ দশ দিনের ইতিকাফ কাযা করতে হবে। জানার বিষয় হল, ইমাম সাহেবের কথা কি সঠিক? সুন্নত ইতিকাফ ভেঙে গেলে কি পূর্ণ দশ দিনের ইতিকাফই কাযা করতে হয়?

চড়ুই পাখির বিষ্ঠা কি নাপাক?

প্রশ্ন (১২২৮৪) : আমি একদিন বড় ভাইয়ের সাথে মসজিদে যাচ্ছিলাম। পথে এক গাছের নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় চড়ুই পাখির বিষ্ঠা এসে আমার জামায় পড়ে। মসজিদে পৌঁছে আমি জামা ধুতে চাইলে বড় ভাই বললেন, ধোওয়ার দরকার নেই। চড়ুই পাখির বিষ্ঠা নাপাক নয়। তাড়াতাড়ি জামাতে শরিক হয়ে যাও। নতুবা প্রথম রাকাত ছুটে যাবে। তার কথামত আমি তা না ধুয়েই নামায পড়ে নেই। তাই হযরতের কাছে জানতে চাচ্ছি, বড় ভাইয়ের এই কথা কি সঠিক? চড়ুই পাখির বিষ্ঠা জামায় লেগে থাকা অবস্থায় আমার উক্ত নামায কি শুদ্ধ হয়েছে?

নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত এলাকার মসজিদে জুমার নামায আদায় করা সহিহ হবে কি?

প্রশ্ন (১২২৭৫) : আমি একটি ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানীতে চাকরি করি। কোম্পানীটি প্রায় ৩ একর জমিতে স্থাপিত। প্রবেশাধিকার কোম্পানীর স্টাফদের জন্য আইনগতভাবে সংরক্ষিত। ভিতরে একটি মসজিদ আছে, যাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা হয়। শুক্রবার ছুটি থাকায় জুমা হয় না। তবে অফিস টাইম ছাড়া অন্য সময় দায়িত্বরত পাহারাদারগণ নামায পড়েন। কিন্তু যখন কোম্পানীর প্রডাকশন বৃদ্ধি পায় তখন শুক্রবারেও কাজ করতে হয়। জানার বিষয় হল, এখন শুক্রবারে আমাদের জন্য উক্ত মসজিদে জুমা আদায় করা কি সহিহ হবে?