মসজিদ

অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে আযান দিলে কি আযান সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১২৯৫৮) : আমাদের এলাকার মসজিদের পাশে একটি মাদরাসা আছে। তো মসজিদের আযানের দায়িত্ব মাদরাসার হিফজখানার ছাত্ররা পালন করে থাকে। যাদের অধিকাংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক। জানার বিষয় হলো, অপ্রাপ্তবয়স্কদের আযান দেওয়া সহিহ আছে কি?

মসজিদের অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করে সেই টাকা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৯৩৪) : আমাদের মসজিদের ছাদ ঢালাইয়ের জন্য আমরা গ্রামবাসী থেকে বাঁশ উঠাই। পাঁচ মাস হল ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। বাঁশগুলো এখন কোনো কাজে লাগছে না। মসজিদ কমিটি বাঁশগুলো বিক্রি করে দিয়ে সে টাকাগুলো মসজিদের জন্য কার্পেট কেনার কাজে ব্যয় করতে চাচ্ছে। জানার বিষয় হল, তাদের জন্য এমনটি করা জায়েয হবে কি না?

ফজরের সুন্নত পড়ার পর কি তাহিয়্যাতুল মসজিদ পড়া যাবে?

প্রশ্ন (১২৯৩০) : কেউ ফজরের সুন্নত ঘরে পড়ে যদি মসজিদে যায় এবং সময় থাকে তাহলে ঐ সময় তাহিয়্যাতুল মসজিদ পড়তে পারবে কি? না পারলে কেন? এবং ঐ সময় কী আমল করলে তাহিয়্যাতুল মসজিদের সওয়াব পাওয়া যাবে? দলীলসহ জানালে কৃতজ্ঞ হব।

মসজিদ নির্মাণ সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৯১৩) : আমাদের এলাকায় ১৯৯২ সালে দুই দাগ জমি মসজিদ-মাদরাসার জন্য ওয়াক্ফ করা হয়। কিন্তু মসজিদ ও মাদরাসার জন্য পৃথকভাবে জমির দাগ ও পরিমাণ নির্দিষ্ট করা হয়নি। তবে সাথে সাথে ওয়াকফকারীগণ ও গ্রামবাসী সকলে মিলে এক দাগে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। সেখানে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও জুমার নামায আদায় করা হয়। পরবর্তীতে জায়গাটি যমুনা নদীতে ভেঙ্গে যায়। তারপর আবার ২০০১ বা ২০০২ সালের দিকে জায়গাটি উঠে যায় এবং সেখানে কিছু বসতি স্থাপন হয়। তারা যেই দাগে পূর্বে মসজিদ ছিল তা নিচু থাকাতে অপর দাগে একটি টিনের ঘর উঠিয়ে নামায ও জুমা পড়তে থাকে এবং পূর্বের মসজিদের কিছু জায়গায় টয়লেট বানানো হয়। বর্তমানে এলাকাবাসী একটি পাকা মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এখন জানার বিষয় হল, এমতাবস্থায় পাকা মসজিদ কোথায় নির্মাণ করবে, পূর্বের মসজিদের জায়গায়, না বর্তমান মসজিদের জায়গায় এবং টয়লেটগুলোর হুকুম কী হবে? শরীয়তের দৃষ্টিতে বিস্তারিত বিধান জানিয়ে আমাদেরকে বাধিত করবেন।

নামাযী ব্যক্তির সামনে অন্য কেউ ছবিযুক্ত জামা গায়ে দিলে নামাযে দাঁড়ালে কি প্রথম ব্যক্তির নামায মাকরু…

প্রশ্ন (১২৯০৩) : মসজিদে নামায পড়তে গেলে প্রায় সময় দেখি আমার সামনের মুসল্লীর পিঠে কোনো মানুষ বা প্রাণীর ছবি থাকে। এক আলেমের কাছে শুনেছি যে, নামায পড়ার সময় সামনে, ডানে বা বামে ছবি থাকলে নামায মাকরূহ হয়। আমার জানার বিষয় হল উক্ত আলেমের কথা কি ঠিক? এমন পরিস্থিতিতে তার পেছনে নামায পড়ার কারণে কি আমার নামাযও মাকরূহ হবে?

ওজরের কারণে মসজিদের নিচ তলা ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও উপরের তলায় জামাতে শরিক হলে কি নামায মাকরুহ হবে?

প্রশ্ন (১২৮৯৮) : আমি সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে মসজিদের নিচতলায় এসির ঠান্ডায় নামায পড়তে খুব কষ্ট হয়। তাই নিচে ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও দোতলায় গিয়ে জামাতে সাথে নামায আদায় করি। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, এতে আমাদের নামায মাকরূহ হবে কি না?

তারাবীর নামাযে প্রতি চার রাকাত পর পর দুআ পড়ার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৮৮৪) : আমাদের এলাকায় প্রায় সকল মসজিদে তারাবির নামাযে চার রাকাত অন্তর অন্তর একটি দুআ- سُبْحَانَ ذِي الْمُلْكِ... পাঠ ও তারপর মোনাজাতের রীতি রয়েছে। গত বছর আমাদের মসজিদে তারাবীহ পড়ানোর জন্য একজন নতুন হাফেজ সাহেব আসেন। তিনি এভাবে মোনাজাত করতে দেখে এটাকে অনুত্তম বলেন এবং তা না করার কথা বলেন। এতে মুসল্লিরা দুই পক্ষ হয়ে যায়। ফিতনার আশংকায় কেউ কেউ মোনাজাত করার পরামর্শ দেন এবং তিনি তাই করেন। এ প্রেক্ষিতে একজন মুসল্লি বললেন, অনেকে এ মোনাজাতকে মুস্তাহাব পর্যায়ের বলে থাকে। অথচ তারাবির এ মোনাজাত সাহাবায়ে কেরাম, তাবিয়ীন ও তাবে-তাবেয়ীন কেউ করেননি; তাহলে মুস্তাহাব সাব্যস্ত হয় কীভাবে? এখন জানার বিষয় হলো, এই দুআর ব্যাপারে শরীয়তের হুকুম কী? দালীলিক সমাধান দিলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব।

কয়েক তলাবিশিষ্ট মসজিদ নির্মাণের ক্ষেত্রে মসজিদের ছাদে কি ফাঁকা রাখা জরুরি?

প্রশ্ন (১২৮৭৮) : আমাদের এলাকার পুরাতন মসজিদে মুসল্লিদের জায়গা না হওয়ার কারণে সেটি ভেঙে এখন কয়েক তলাবিশিষ্ট নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রথম তলার কাজ অনেকটা এগিয়ে গেছে। এখন ছাদ ঢালাইয়ের অপেক্ষায়। কিন্তু এর মধ্যেই একটা বিষয় নিয়ে বেশ ঝামেলা দেখা দিয়েছে। তা হল, অনেকে বলছে যে, প্রত্যেক তলার ছাদে খানিকটা ফাঁকা রাখতে হয় নিচ তলার সাথে সংযোগ থাকার জন্য। মসজিদ কমিটির বক্তব্য হল, ছাদে এভাবে ফাঁকা রাখলে মসজিদের সৌন্দর্য বিনষ্ট হবে। কাজেই ছাদে ফাঁকা রাখা যাবে না। এখন হযরতের কাছে আমাদের জানার বিষয় হলো, এক্ষেত্রে শরীয়তের নির্দেশনা কী? প্রত্যেক তলার ছাদের একাংশ ফাঁকা রাখা কি জরুরি? দয়া করে দ্রুত জানালে কৃতার্থ হব।

কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৮৬১) : আমাদের মসজিদের ধারণ ক্ষমতা খুব কম। জুমার দিন মসজিদে মুসল্লিদের জায়গা হয় না। তাই মসজিদ কমিটি মসজিদেরই ওয়াকফকৃত জমিতে মসজিদ সম্প্রসারণ করতে চাচ্ছে। উক্ত জমিতে তিনটি কবর রয়েছে। কবরগুলো ৮-১০ বছর বা এর চেয়েও বেশি পুরাতন। কবরওয়ালাদের পরিবার মসজিদ সম্প্রসারণের কথা শুনে তারা কবর থেকে মাটি ও হাড্ডি উঠিয়ে অন্য জায়গায় নিয়ে দাফন করেছে। এখন কেউ কেউ বলছে, কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করে সেখানে নামায পড়া শিরক। জানার বিষয় হল, উক্ত কবরের জায়গায় মসজিদ সম্প্রসারণ করা যাবে কি না? তাদের এ কথাটি কতটুকু সঠিক? জানিয়ে বাধিত করবেন।

মাদরাসার জন্য জমি ওয়াকফ করার পর তা ফিরিয়ে নেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৮৫২) : আমার পিতা জীবদ্দশায় মসজিদ সংলগ্ন চার শতক জমি ক্রয় করেন মসজিদে অবস্থিত হেফজ খানার জন্য ওয়াকফ করার উদ্দেশ্যে। পরে আমার বাবা লিখিতভাবে ওয়াকফের কাজ সম্পন্ন করার আগেই মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে তিনি আমাকে এবং আমাদের সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে ওয়াকফের কাজ সমাপ্ত করার আদেশ করে যান। আমরা তার নির্দেশ অনুযায়ী ওয়াকফের কাজ সম্পন্ন করি। এখন আমরা জানতে চাচ্ছি, মসজিদ-মাদরাসা কমিটির সম্মতিক্রমে ওসিয়তকারীর উত্তরাধিকারীরা ওয়াকফকৃত জমি সামাজিক কোনো কাজে ব্যবহার করার (পারিবারিক কবরস্থান বানানোর) জন্য ফেরত নিতে অথবা রদবদল করতে পারবে কি?

মসজিদের ওয়াকফের আয় দিয়ে কেনা সম্পত্তি মসজিদের প্রয়োজনে বিক্রি করে যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৮৪৯) : আর রহমান জামে মসজিদের নামে একটি মার্কেট ওয়াকফ করা আছে। ঐ মার্কেটের ভাড়া দিয়ে মসজিদের যাবতীয় খরচ নির্বাহের পরও মাস শেষে অনেক টাকা উদ্বৃত্ত থেকে যায়। এভাবে বেশ কিছু টাকা জমে গেলে ঐ টাকা দিয়ে বড় শপিংমলে আরো দুটি দোকান কেনা হয়। বর্তমানে বিশেষ জটিলতায় দোকানদুটি বিক্রি করে ফেলা প্রয়োজন। মসজিদ কমিটি ইতিমধ্যে সেগুলোর বায়নাও করে ফেলেছে। এখন প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে তাদের জন্য এগুলো বিক্রি করা কি বৈধ হবে? নাকি মূল ওয়াকফিয়া সম্পত্তির মত এগুলোর বিক্রিও অবৈধ?

নিকটবর্তী ওলি জানাযায় উপস্থিত না থাকায় দূরবর্তী ওলির উপস্থিতিতে ইমাম সাহেব নামায পড়ালে কি নিকটবর্তী…

প্রশ্ন (১২৭৯০) : এক ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর উক্ত গ্রামের মসজিদের ইমাম সাহেব তার জানাযার নামায পড়িয়েছিলেন। এবং এতে মহল্লাবাসী ও দূরবর্তী ওলিগণ উপস্থিত ছিল। কিন্তু সে জানাযায় নিকটবর্তী ওলি উপস্থিত ছিল না এবং তার অনুমতিও ছিল না। এ অবস্থায় নিকটবর্তী ওলি দ্বিতীয়বার জানাযা পড়তে পারবে কি?

নামাযের পর মসজিদ বন্ধ রাখার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৭৮৯) : বর্তমানে দেখা যায় আমাদের দেশের প্রায় মসজিদই নামাযের সময় ছাড়া অন্য সময় তালা মেরে রাখা হয়। এ ব্যাপারে কোনো কোনো মসজিদ কর্তৃপক্ষ বলেন, সব সময় মসজিদ খোলা রাখলে মসজিদ ময়লা হয়ে যায় এবং মসজিদের আসবাবপত্র চুরি হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে। অথচ আমরা অনেক সময় ব্যবসা-বাণিজ্য ও অফিস টাইমের ফাঁকে ফাঁকে কিছু অবসর সময় পাই। তখন আমাদের নামায, কুরআন তিলাওয়াত বা ফাজায়েলে আমল কিংবা অন্যান্য দ্বীনী বইপত্র পড়তে মনে চায়। কিন্তু মসজিদগুলো তালাবদ্ধ থাকায় উপযুক্ত স্থান না পেয়ে আমরা এসব করতে পারি না। মাননীয় মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাই, উল্লেখিত সমস্যাকে সামনে রেখে এক্ষেত্রে শরয়ী সমাধান কী? আশা করি বিষয়টি খোলাসা করে জানাবেন।

মুসাফির ব্যক্তি যোহরের নামায চার রাকাত আদায় করলে কি তা সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১২৭৮৬) : সফর অবস্থায় আমরা দুই সাথী একদিন মসজিদে জামাত না পেয়ে নিজেরা জামাত করি। সফরে সবসময় কসর করলেও যেহেতু মসজিদে জামাতে নামায পড়লে পূর্ণ চার রাকাতই পড়া হয় এ হিসাবে আমিও চার রাকাত নামায পড়াই। ঘটনাক্রমে ভুলবশত প্রথম বৈঠক করিনি। তাই সাহু-সিজদা করে নামায শেষ করি। নামায শেষে আমার সাথীটি বলল, নামায সহিহ হয়নি। কেননা, মুসাফির ব্যক্তি চার রাকাত পড়ার ক্ষেত্রে প্রথম বৈঠক না করলে নামায নষ্ট হয়ে যায়। বিষয়টি আমার বোধগম্য হয়নি। কেননা আমি তো সাহু-সিজদা করেছি। তাই সে পুনরায় নামাযটি পড়লেও আমি পড়িনি। জানার বিষয় হল, তার কথাটি কি ঠিক? আমাদের ঐ দিনের যোহরের নামায সহিহ হয়েছে কি?

অমুসলিমরা কি মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে?

প্রশ্ন (১২৭৮০) : আমি কানাডা থাকি। আমার এক কানাডিয়ান কলিগ বাংলাদেশ ভ্রমণে গিয়ে সকল ধর্মের উপসনালয়গুলো ঘুরে দেখেছেন। সেক্ষেত্রে কোনো এক মসজিদে তাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। আমি জানতে চাই যে, কোনো অমুসলিম পর্যটককে মসজিদে ঢুকতে দেওয়া কি নিষেধ? অমুসলিমদের মসজিদে প্রবেশের ব্যাপারে শরীয়তের নীতিমালা কী?

সরকারি জমির উপর নির্মিত মসজিদ কি শরয়ী মসজিদ হিসেবে গণ্য হবে?

প্রশ্ন (১২৭৭৪) : আমাদের গ্রামের ঈদগাহ মাঠের সাথে সংযুক্তি একটি সরকারি জায়গার উপর প্রায় ১০ বছর আগে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয় এবং এতে দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ জামাতের সাথে নামায পড়া হচ্ছে এবং জুমার নামাযসহ মসজিদ কেন্দ্রিক সব ধরনের কার্যক্রমও পরিচালিত হয়ে আসছে। কিন্তু ইদানিং একটি মহল একথা প্রচার করছে যে, ঐ জায়গাটি যেহেতু সরকারি তাই এটা মসজিদ হিসাবে গণ্য হবে না এবং এতে ইতেকাফ ও অন্যান্য আহকাম এতে সহিহ হবে না। কারণ হিসাবে তারা বলছে, মসজিদ হওয়ার জন্য তার জায়গা ওয়াকফ করা জরুরি। আর এ জায়গা ওয়াকফ করা হয়নি। এখন হুজুরের কাছে আমাদের জানার বিষয় হল, তাদের কথা কি ঠিক? এবং মসিজদ হওয়ার জন্য ওয়াকফ করা জরুরি কি না? সর্বোপরি আমাদের মসজিদটি ‘শরয়ী মসজিদ’ কি না? বিস্তরিত দলিলসহ জানালে উপকৃত হব।

মসজিদ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করলে পূর্বের জায়গায় মসজিদের আয়ের কোনো ব্যবস্থ করা যাবে ক…

প্রশ্ন (১২৭৬১) : আমাদের এলাকায় এক ব্যক্তি মসজিদের জন্য কিছু জায়গা ওয়াকফ করেন। এর এক পাশে মসজিদ নির্মাণ করা হয়। প্রায় এক বছর পর ঐ মসজিদটি ওয়াকফকৃত জমিনের অন্য প্রান্তে স্থানান্তর করা হয়। ঐ মসজিদের স্থায়ী আয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। আমার জানার বিষয় হল, ঐ পুরাতন মসজিদের স্থানে মসজিদের স্থায়ী আয়ের জন্য দোকানঘর করে ভাড়া দেওয়া জায়েয হবে কি না?

আসরের নামাযের পরে কাযা নামায পড়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৭৪৮) : একদিন আমি আসরের পরে মসজিদে কাযা নামায পড়ছিলাম। আমার এক প্রতিবেশী বললেন, আছরের পরে নামায পড়া মাকরূহ। তাই আসরের পরে কাযা নামায পড়া যাবে না। হুযুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, আসলেই কি আসরের পরে কাযা নামায পড়া নিষেধ? জানিয়ে বাধিত করবেন।

পানির ব্যাঙ মসজিদের জায়নামাযে পেশাব করে দিলে কি জায়নামায নাপাক হয়ে যাবে?

প্রশ্ন (১২৭৪৫) : আমাদের মসজিদ নদীর খুব নিকটে। আমরা মূলত চরে বসবাস করি। মসজিদে প্রায়ই পানির ব্যাঙ ঢুকে জায়নামাযে পেশাব করে দেয়। জানতে চাই, একারণে কি জায়নামায নাপাক হয়ে যাবে?

মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৭৩৯) : আমাদের এলাকায় জামে মসজিদে আমি বেশ কিছুদিন যাবৎ একটা বিষয় দেখে আসছি। সেটা হলো, শুক্রবার জুমার নামাযের সময় ইমাম সাহেব বয়ান করেন। বয়ানের পর চার রাকাত কাবলাল জুমা পড়তে বলেন। তারপর ইমাম সাহেব মিম্বারে বসা অবস্থায় সানি আযানের পূর্বমুহূর্তে মসজিদে দান বাবদ আসা মুরগী, ডিম, নারিকেল ইত্যাদি নিলামে তোলা হয়। এ ধরনের কাজ মসজিদের ভিতরে করা যাবে কি? জানালে উপকৃত হব।