হজ্ব নিয়ে ব্যঙ্গ করলে কি ঈমান থাকবে
প্রশ্ন (২৯৮৩) : আমাদের দেশের এক প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হজ্ব নিয়ে ব্যঙ্গ করেছে। আমি জানতে চাচ্ছি, এতে কি তার ঈমান আছে?
প্রশ্ন (২৯৮৩) : আমাদের দেশের এক প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হজ্ব নিয়ে ব্যঙ্গ করেছে। আমি জানতে চাচ্ছি, এতে কি তার ঈমান আছে?
প্রশ্ন (২৯০১) : কেউ বলেন, রাসূল (সা.) কবরে জীবিত। আবার কেউ বলেন, মৃত। আমার প্রশ্ন হল, এগুলো কি ঈমানের কোন বিষয়?
প্রশ্ন (২৮৮৬) : আমার নাম সবুজ। আমি একজন মুসলমান। ইসলামের বিধি-বিধানগুলো সর্বদা মেনে চলার চেষ্টা করি। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি পরিপূর্ণ বিশ্বাস আমার রয়েছে। কিন্তু কখনো কখনো মনের মাঝে শয়তান ওয়াসওয়াসা দেয় যে, আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে? যদিও আমি তাৎক্ষণিকভাবে তওবা ইস্তেগফার করে থাকি। আমার জানার বিষয় হল, মনের মাঝে এ জাতীয় ওয়াসওয়াসা আসার দ্বারা কি ঈমান চলে যায়?
প্রশ্ন (২৬৫০) : আমার স্বামী যখন কোনো বিপদে পড়েন তখন কখনো কখনো একথা বলে ফেলেন, আল্লাহ একজন আছেন বলে আমি বিশ্বাস করি না। থাকলে আমার এত বিপদ হত না। আমি জানতে চাচ্ছি, তার এ কথার দ্বারা আমাদের বৈবাহিক জীবনে কোনো সমস্যা হবে কি?
প্রশ্ন (২৬০৪) : এক ওয়াজে শুনলাম, আল্লাহ তাআলা নাকি মূসা আ. এর মাধ্যমে ফেরাউনের কাছে এই প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন যে, যদি সে ঈমান আনে তাহলে তাকে কেয়ামত পর্যন্ত যৌবন দান করবেন। এটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৪৯০) : এলাকার এক মুসলিম ছেলে পূজার সময় হিন্দু বন্ধুদের সাথে মিলে মূর্তিকে নমস্কার করে। তাকে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে: আমি শুধু বন্ধুদের খুশি করার জন্য দুষ্টামি করে নমস্কার করেছি। মন থেকে করিনি। প্রশ্ন হল, এর কারণে কি ছেলেটির ঈমানের কোন ক্ষতি হয়েছে?
প্রশ্ন (২৪৩০) : রাসূলগণের প্রতি পরিপূর্ণভাবে ঈমান আনার ক্ষেত্রে কয়টি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে?
প্রশ্ন (২৪২৫) : তাকদীরের প্রতি ঈমান আনার ক্ষেত্রে কয়টি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে?
প্রশ্ন (২৩৭২) : ফেরেশতাদের প্রতি ঈমান আনা কোন কোন বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে?
প্রশ্ন (২৩৬৬) : আমি বাংলা হাদিস গ্রন্থসমূহ পড়ে থাকি। আমি একটি বিষয় জানতে চাই। হাদিসে জিবরীল- এ ঈমানের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর কিতাবসমূহের প্রতি, তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান আনা। আমার প্রশ্ন হল, কিতাবসমূহের প্রতি ঈমান আনাকে রাসূলগণের প্রতি ঈমান আনার আগে কেন আনা হল? এই প্রাধান্য কেন দেওয়া হয়েছে?
প্রশ্ন (২৩৫৪) : একটি হাদিসে পড়েছি, ঈমান বলা হয়, আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা, ফেরেশতাদের প্রতি ঈমান আনা, রাসূলদের প্রতি ঈমান আনা, শেষ দিবসের প্রতি ঈমান এবং ভাল-মন্দের তাকদীরের প্রতি ঈমান আনা। অথচ আরেক হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, ঈমানের সত্তরটিরও অধিক শাখা রয়েছে। এই দুই হাদিসের মাঝে কিভাবে সমন্বয় সাধন করা যেতে পারে?
প্রশ্ন (২৩৫৩) : আমি মাঝে মাঝে আমার ঈমানে কিছুটা দুর্বলতা অনুভব করি। সেই দুর্বলতা দূর করতে হলে করণীয় কী?
প্রশ্ন (২৩৫২) : আসমানী কিতাবসমূহের উপর কিভাবে ঈমান আনলে ঈমান যথাযথ হয়েছে বলে ধর্তব্য হবে?
প্রশ্ন (২৩৫০) : আমি কিভাবে বুঝব যে, আল্লাহর প্রতি আমার ঈমান যথাযথ হয়েছে?
প্রশ্ন (১৫৫২) : আমার এক বন্ধুর সাথে ঝগড়ার একপর্যায়ে আমার বন্ধু ভুলে বলে, তোমার চেয়ে কি আল্লাহ বড়? তার উদ্দেশ্য ছিল এটা বলা যে, আল্লাহর চেয়ে কি তুমি বড়? এমতাবস্থায় সে অনুতপ্ত হয়েছে এবং তওবা করেছে। আমার প্রশ্ন হলো, এ কথা বলার দ্বারা তার ঈমান কি চলে গেছে?
প্রশ্ন (১৩২০) : আমার এক বন্ধু কথা বলার সময় মুখ দিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে বের হয়ে যায়, আল্লাহ তাআলা আশরাফুল মাখলুকাত। এতে কি তার ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (৬৮৭) : কোনো ব্যক্তি যদি ইমাম মাহদীর আগমনকে অস্বীকার করে তাহলে তার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে কি?
প্রশ্ন (৬৮১) : কোনো মানুষ আখেরাতের আজাব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কি মুহাম্মাদ (সা.) এর উপর ঈমান আনা জরুরি?
প্রশ্ন (৬৬৯) : আমার এক বন্ধু তার হিন্দু প্রেমিকাকে খুশী করার জন্য তার সাথে গিয়ে মন্দিরে প্রণাম করে এসেছে। তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে, আমি তো আর অন্তর থেকে বিশ্বাস করে প্রণাম করিনি। জানতে চাই, তার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে কি?
প্রশ্ন (৬৬০) : কোনো ব্যক্তির স্ত্রী ঠিকমত নামাজ-রোজা, পর্দা পুশিদা করে না এবং বিভিন্ন সময়ে সে আল্লাহ সম্পর্কে অশোভন ও অশালীন মন্তব্য করে। স্বামী তার স্ত্রীকে বহুবার সতর্ক করেছে। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। এক পর্যায়ে সে নিম্নোক্ত জঘন্য মন্তব্য ও উক্তি করে বসেছে ‘আমি দীর্ঘদিন রোগে ভুগছি আল্লাহ আমাকে ভালো করেন না। আল্লাহ কি অন্ধ বধির? আল্লাহ জালিম, তিনি সুবিচার করেন না। আমি আর আল্লাহর ইবাদত করব না। আল্লাহর ইবাদত করার চেয়ে শয়তানের ইবাদত করাই উত্তম। আমি আর নামাজ পড়বো না। আল্লাহর কপালে ঝাড়ু মারি। আল্লাহর কোনো ক্ষমতা নাই। ক্ষমতা থাকলে আমার রোগ ভালো করে দেন না কেন?’ এখন প্রশ্ন হলো, উপরোক্ত অশালীন ও শরীয়ত বিরোধী বক্তব্যের পর উক্ত মহিলার ঈমান থাকবে কি? উল্লিখিত অবস্থার প্রেক্ষিতে তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাপারে শরীয়তের ফায়সালা কী? উক্ত মহিলাকে তার স্বামীর জন্য তালাক প্রদান করা কি জরুরি?