চাকরি

জমি বিক্রির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি মালিকের নির্ধারিত মূল্য থেকে বেশি মূল্যে বিক্রি করলে অতিরিক…

প্রশ্ন (১২৮০০) : আমার বাড়ি যশোর। গ্রামে আমার কিছু জমি রয়েছে। কিছুদিন আগে আমাদের এলাকার এক লোককে (সে জমির দালালির সাথে জড়িত) জমিটি কাঠা প্রতি ত্রিশ হাজার টাকা দামে বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলি। এক্ষেত্রে তাকে নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক দেব বলেও জানাই। সে প্রায় ৭/৮ ‍দিন পর এক ব্যক্তির কাছে জমিটি বিক্রি করে দেয়। আমাকে কাঠা প্রতি ত্রিশ হাজার টাকা দামে ১০ কাঠায় ৩ লক্ষ টাকা দেয়। পরে আমি কোনোভাবে জানতে পারি যে, জমিটি সে কাঠা প্রতি ৩৭ হাজার টাকা দামে বিক্রি করেছে। বিষয়টি আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে, আপনি যা চেয়েছেন তা তো পেয়েছেন, তাহলে আমি বেশি দামে বিক্রি করলে আপনার সমস্যা কী? জানার বিষয় হল, এভাবে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা জায়েয হয়েছে কি না? এখন এ টাকার হকদার কে, সে না আমি?

গ্রামাঞ্চলে গাভী বর্গা দেওয়ার প্রচলিত পদ্ধতি জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৭৯৪) : গ্রামাঞ্চলে গাভী বর্গা দেওয়ার রেওয়াজ আছে। দুধ ও বাছুরে আধা-আধি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বর্গা দেওয়া হয়। একজন আলেম থেকে শুনেছি, এমন বর্গাচুক্তি জায়েয নয়। এখন জানার বিষয় হলো, উক্ত আলেমের কথা কি ঠিক আছে? উক্ত পদ্ধতি যদি জায়েয না হয়ে থাকে তাহলে কি অন্য কোনো জায়েয পদ্ধতি আছে?

বকেয়া বেতনের যাকাত আদায় করতে হবে কি?

প্রশ্ন (১২৭৮৭) : আমি বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে চাকরি করি। কমিটি পরিচালিত স্কুলটির শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রায়ই বাকি পড়ে থাকে। বর্তমান রমযানে যখন আমি যাকাতের হিসাব করছি তখন আমার বিগত তিন মাসের বেতন বাকি। যার পরিমাণ প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা। মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাই, আমাকে এ বকেয়া বেতনের যাকাত দিতে হবে কি না?

ব্যাংকে চাকরির আয় দিয়ে ক্রয় করা বাড়ি-গাড়ি ভোগ করার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৭৮১) : আমার এক বন্ধু একটি সুদী ব্যাংকে প্রায় ১০ বছর যাবৎ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করেছে এবং ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত বেতন-বোনাস দিয়ে গাড়ি-বাড়ি করেছে। পরবর্তীতে একসময় ‘সুদী ব্যাংকে চাকরি করা বৈধ নয়’ এ মাসআলা জানার পর সুদী কারবারের সাথে জড়িত থাকার কারণে তার মাঝে অনুশোচনা জাগে। ফলে ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দিয়ে এখন অন্য একটি চাকরিতে যোগদান করেছে। এখন সে জানতে চাচ্ছে, আগের চাকরির বেতন-বোনাস দিয়ে যে গাড়ি-বাড়ি করেছে তার জন্য বৈধ কি না? যদি বৈধ না হয়ে থাকে তাহলে তার এখন করণীয় কী? দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

ঘুষ গ্রহণ করার পর ভুল বুঝতে পেরে তা থেকে ফিরে আসতে চাইলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২৭৬৯) : আমি একটি কোম্পানিতে ১৫ বছর যাবৎ চাকরি করি। কয়েক মাস পূর্বে কোম্পানির একটা প্রজেক্ট বাস্তবায়নের জন্য আমি একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বড় অংকের ঘুষ নিয়ে প্রজেক্টটি তাদেরকে দেই। এখন আমি ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত। আমি এ গুনাহ থেকে মুক্ত হতে চাচ্ছি। আমার সম্পদকে হারাম থেকে পবিত্র করতে চাচ্ছি। কিন্তু কোম্পানিকে এ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। এতে আইনি জটিলতাসহ চাকরি নিয়ে সমস্যার আশংকা আছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকেও ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। বিষয়টি নিয়ে আমি খুব পেরেশানিতে আছি। আমার সম্পদকে কীভাবে হারাম থেকে পবিত্র করতে পারি? দ্রুত সমাধান জানানোর অনুরোধ রইল।

গ্রামে প্রচলিত পদ্ধতিতে গরু বর্গা দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৭৬৮) : আমাদের এলাকায় এভাবে গরু-ছাগল বর্গা দেওয়া হয় যে, বর্গা দেওয়ার সময় পশুর যে মূল্য থাকে সে মূল্যের পর থেকে বছর শেষে যতটুকু মূল্য বাড়বে তা দু’ভাগে ভাগ করা হবে। এ সূরত জায়েয আছে কি?

কারো পক্ষ থেকে প্রতিনিধি হয়ে পণ্য ক্রয় করে কমিশন পেলে উক্ত কমিশন গ্রহণ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৭২২) : আমি একটি ফ্যাক্টরীতে চাকরি করি। আমার দায়িত্ব হল, ফ্যাক্টরীর পণ্য উৎপাদনের যাবতীয় কাঁচামাল বাজার থেকে ক্রয় করা। দীর্ঘদিন যাবৎ এ পোস্টে কাজ করার সুবাদে অনেক ব্যবসায়ীর সাথে আমার পরিচয় ও সম্পর্ক আছে। এখন এক ব্যবসায়ী আমার সাথে এভাবে চুক্তি করতে চাচ্ছে যে, আমি যদি ফ্যাক্টরীর সব কাঁচামাল তার থেকে ক্রয় করি তাহলে সে আমাকে শতকরা ৩% কমিশন দিবে। এখন হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, আমার জন্য উক্ত কমিশন গ্রহণ করতে শরয়ীভাবে কোনো অসুবিধা আছে কি না? জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

জীবন বীমা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৭২১) : আমার বাবা রাষ্ট্রীয় একটি জীবন বীমা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। বাবার ইন্তেকালের পর আমরা তার থেকে একটি বাড়ি ও উক্ত বীমা প্রতিষ্ঠান থেকে পেনশনের টাকা মীরাস হিসাবে পাই। তারা আমাদেরকে পেনশনের ৫০% একত্রে দেয়। আর বাকী ৫০% প্রতি মাসে সাড়ে আঠার হাজার টাকা করে দেয়। আমাদের বাড়িটি নির্মাণে মোট ৭০ লাখ টাকা ব্যয় হয়। তার মধ্যে ৫০ লাখ জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন বাবদ প্রাপ্ত টাকা। আর বাকি টাকার বেশির ভাগই বৈধভাবে উপার্জিত। বর্তমানে আমরা বাড়ি ভাড়া আর মাসিক পেনশনের টাকা দিয়ে চলি। এ ছাড়া আমাদের আর কোনো আয় নেই। তবে আমাদের পরিবারে দুজন সদস্য কর্মক্ষম। এখন আমরা জানতে চাই, বাবার ওয়ারিসদের জন্য এ বাড়িতে থাকা ও তার ভাড়া এবং পেনশনের টাকা গ্রহণ করা কি জায়েয হবে? নাজায়েয হলে করণীয় কী? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

মদ বিক্রি করে এমন হোটেলে চাকরি করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৭১৬) : আমি একজন প্রবাসী। আমি একটি ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টে কাজ করি। আমি সাধ্যানুযায়ী হালাল-হারাম বেছে চলার চেষ্টা করি। এই রেস্টুরেন্টে অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি মদও বিক্রি হয়। তবে আমি এখানে খাবার প্রস্তুত করার কাজ করি। খাবার প্রস্তুত করার জন্য আমাকে কখনো মদ স্পর্শ করতে হয় না। এমতাবস্থায় আমার জানার বিষয় হল, আমার জন্য কি উক্ত রেস্টুরেন্টে চাকরি করা বৈধ হচ্ছে? এখান থেকে বেতন কি নেওয়া বৈধ হচ্ছে?

কোনো প্রকল্পের দায়িত্ব নেওয়ার পর তা থেকে বেঁচে যাওয়া টাকা কি ভোগ করা যাবে?

প্রশ্ন (১২৭১১) : আমি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ফ্যাকাল্টির ডিন অফিসে চাকরি করি। আমার নিয়মিত অফিস ডিউটির বাইরে ডিন স্যার আমাকে অতিরিক্ত একটি প্রজেক্টের দায়িত্ব দিয়েছেন। এ প্রজেক্টের তদারকী করা আমার নিয়মিত অফিস ডিউটির অতিরিক্ত ডিউটি। এর জন্য আমাকে অতিরিক্ত কোনো ভাতা দেওয়া হবে না। আর এ প্রজেক্টটি বাস্তবায়ন করতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এরচে’ কম খরচে কাজটি করা সম্ভব; কাজের কোনো ত্রুটি ছাড়াই। অর্থাৎ শ্রমিকদের পারিশ্রমিক দরদাম করে কিছুটা কমিয়ে টাকা বাঁচানো সম্ভব। আমি জানতে চাচ্ছি, বেঁচে যাওয়া টাকাগুলো আমার জন্য নেওয়া বৈধ হবে কি না?

দুআ করার জন্য ইমাম সাহেবকে টাকা দেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৬৭৫) : আমাদের দেশে অনেক মসজিদে ইমাম সাহেবকে দুআর জন্য টাকা দেওয়া হয়। যেমন বলে হুযুর আমার ছেলে বিদেশ যাবে তার জন্য একটু দুআ করবেন। এই বলে কিছু টাকা দেয়। আমি জানতে চাচ্ছি, এই টাকা নেওয়া জায়েজ হবে?

যে প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে লোন নেয় সেই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৫৮২) : অনেকে বলে থাকেন, এখন তো সকল চাকরিতেই ঘুষ দিতে হয় এবং কোনো প্রতিষ্ঠান বা কারবারই সুদমুক্ত নয়। তাহলে কি তার জন্য সবধরনের প্রতিষ্ঠান এমনকি ব্যাংক-বীমারও চাকরি করা বৈধ হবে?

হারাম টাকায় উপার্জিত সম্পদ হালাল করার কোনো উপায় আছে কি?

প্রশ্ন (১২৫৭২) : এক ব্যক্তি ব্যাংকে চাকরি করার অবৈধতা সম্পর্কে না জেনে একটি বিদেশী ব্যাংকে চাকরি নেয়। ঐ চাকরি অবস্থায় চাকরি ও লোনের টাকা দিয়ে জায়গা-জমি খরিদ করেন, বাড়ি-ঘর নির্মাণ করেন এবং নিজ ছোট-বড় ভাই-বোনদেরকে সেসকল জায়গা-জমিতে অংশিদার করেন। দলীলে তাদের নামও লিখে দেন। ভাই-বোনদের বিয়ে-শাদীতেও খরচাদি করেন। মা-বাবার অনেক খেদমত করেন। অবশ্য চাকরির শেষ পর্যায়ে এ চাকরি অবৈধ জেনেও ঈমানী দুর্বলতার কারণে বা অপারগ মনে করে শেষ পর্যন্ত চাকরিরত থাকেন। উল্লেখ্য, লোকটি ব্যক্তিগতভাবে উদার, আমলদার ও আলেমভক্ত। এখন তার ব্যাপারে শরীয়তের হুকুম কী? কীভাবে তিনি আখেরাতে মুক্তি পেতে পারেন। আর যারা তার দান গ্রহণ করেছেন বিশেষ করে ভাই-বোন, যারা মাসে/বছরে তার থেকে লেখা-পড়ার খরচ গ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন কাজে তিনি তাদেরকে আর্থিক সহায়তা করেছেন। (যার কোনো হিসাব রাখা হয়নি) এবং তিনি যে ভাই-বোনদেরকে জায়গাজমিতে অংশিদার করেছেন, ভাই-বোনদের এখন করণীয় কী? তাদের দায়মুক্ত ও বৈধ অধিকারী হওয়ারই বা কী উপায়?

মুদারাবা চুক্তিতে শ্রমদাতা কি পারিশ্রমিক নিতে পারবে?

প্রশ্ন (১২৫৬২) : আব্দুর রশিদ সাহেব ও মারুফ সাহেব একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছেন। শ্রম তাদের উভয়ের। কিন্তু বিনিয়োগের সকল টাকা আব্দুর রশিদ সাহেবের। তাদের মাঝে এভাবে চুক্তি হয়েছে যে, আব্দুর রশিদ সাহেব ও মারুফ সাহেব চার ভাগের এক ভাগ করে মোট অর্ধেক লাভ পাবেন। আর বাকি অর্ধেক লাভ আব্দুর রশিদ সাহেবের। আর আব্দুর রশিদ সাহেব ও মারুফ সাহেব নিজ খরচের জন্য প্রতি মাসে ২০ হাজার করে মোট ৪০ হাজার টাকা বেতন পাবেন। জানার বিষয় হল, তাদের এই চুক্তি বৈধ কি না? কারবারের ভেতর কোনো সমস্যা থাকলে তা এখন সমাধানের উপায় কী?

মিরাছ বণ্টন সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৪৫) : আমার পিতা সরকারি চাকরি করতেন। তিনি গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। চাকরির কাগজপত্রে আমার মাকে নমিনি করা আছে। এখন প্রশ্ন হল, সরকার থেকে প্রাপ্ত সকল টাকা-পয়সার মালিক আমার আম্মা হবেন কি না? যদি না হন তবে এসব টাকা-পয়সা কিভাবে বণ্টিত হবে? উল্লেখ্য, আমরা তিন বোন এক ভাই। তিন বোন সাবালিকা এবং বিবাহিতা। ভাইটি নাবালেগ (বয়স তিন বছর)। আর আমাদের বাড়ি এবং বাড়ির জিনিসপত্র বণ্টন করার নিয়ম কী?

বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকরি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৫২৯) : আমি শুনেছি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে চাকরি করা হারাম। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষেত্রেও কি একই বিধান? বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম অন্যান্য ব্যাংকের মত নয়। এরা কাউকে (ব্যক্তিগতভাবে) ঋণ দেয় না, আমানতও নেয় না। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ দেয় অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কাজ ও প্রতিষ্ঠার কারণ দেশের আর্থিক ব্যবস্থা ঠিক রাখা ও ভারসাম্য রক্ষা করা। এক্ষেত্রে এখানে চাকরি করা কি হারাম হবে? যদি উত্তর দেয়া হয় তাহলে খুব উপকৃত হব।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে লেনদেন করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৪৭৮) : আমার একটি মুদি দোকান আছে। আর তা একটি ব্যাংকের পাশে। ব্যাংকের কর্মকর্তারাই এখানের সাধারণ ক্রেতা। তারা সারা মাস প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বাকিতে নেয় এবং মাস শেষে বেতন পেয়ে মূল্য পরিশোধ করে। তাদের অন্য কোনো আয় আছে কিনা আমার জানা নেই। শুধু এতটুকু জানি যে, বেতন পাওয়ার পর তারা আমাদের ঋণ আদায় করে। এখন আমার জানার বিষয় হল, তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করা এবং মাস শেষে আমাদের ধারণামতে ব্যাংকের বেতন দিয়ে পণ্যের পরিশোধিত মূল্য গ্রহণ করা বৈধ হবে কি? যদি বৈধ না হয় তাহলে কীভাবে তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করব? সুন্দর সমাধানে আপনাদের সুমর্জি কামনা করছি।

মসজিদের ক্যাশিয়ার পদে দায়িত্বরত ব্যক্তির জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা জায়েয হবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৭৪) : আমাদের এলাকার মসজিদের ক্যাশিয়ার সাহেব অত্যন্ত পরিশ্রমী ও বিশ্বস্ত। মসজিদের হিসাব-নিকাশ ও অন্যান্য কাজে অনেক সময় দেন। তিনি সরকারি চাকরি করেন। অর্থনৈতিক কিছু সমস্যার কারণে সম্প্রতি একটি ফার্মেসিতে পার্টটাইম চাকরি নিতে চাচ্ছেন এবং মসজিদের কমিটি থেকে বের হয়ে যেতে যাচ্ছেন। অপরদিকে মসজিদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার কাজ শুরু হয়েছে। এসময় তিনি না থাকলে এবং সময় না দিলে নির্মাণকাজে বিঘ্নতা ঘটতে পারে। কারণ, কমিটির অন্য কেউ তার মতো এতো সময় দেয় না। এসব কারণে কমিটির অনেকে বলছেন, তার জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হোক। এখন মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি, মসজিদের ফান্ড থেকে তার জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা কি বৈধ হবে?

ধান ভাঙানোর পর ধানের কুঁড়া দিয়ে পারিশ্রমিক দেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৬৪) : আমাদের এলাকায় প্রচলন আছে যে, যারা ধান ভাঙ্গায় তারা প্রতি মন ধানে যত টাকা পারিশ্রমিক আসে তার পরিবর্তে তত টাকার কুঁড়া নেয়। আর কুঁড়া না দিলে ধান ভাঙ্গাতে চায় না। আমার প্রশ্ন হল, কুঁড়া নিয়ে ধান ভাঙ্গানো জায়েয কি না? নাজায়েয হলে বৈধ পদ্ধতি কী হবে? দয়া করে জানাবেন।

সার্টিফিকেটে ভুল জন্ম তারিখ দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৪৫৩) : দেশের আইন অনুযায়ী পাবলিক (সরকারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হলে তিনি অবসর গ্রহণ করবেন। এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেটে উল্লেখিত জন্ম তারিখ হতে বয়স হিসাব করা হয়। এক ব্যক্তি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। এসএসসি পরিক্ষার রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করার সময় তার মামা (যিনি ঐ স্কুলের শিক্ষক ছিলেন) নিজের থেকেই তার একটা জন্ম তারিখ বসিয়ে দেন। সেই অনুযায়ী এসএসসি সার্টিফিকেটে তার জন্ম তারিখ উল্লেখ আছে। পরবর্তীতে ঐ ব্যক্তি তার মরহুম পিতার নোট বুকে তার জন্ম তারিখ লিখিত দেখেন। সেই অনুযায়ী এসএসসি সার্টিফিকেটে যদি তার সঠিক জন্ম তারিখ থাকত তবে তাকে ৩ বছর পূর্বে অবসরে যেতে হত। তিনি যদি ইচ্ছা করেন তবে তার সঠিক জন্ম তারিখ অনুযায়ী ৩ বছর পূর্বে অবসরে যেতে পারেন। এ বিভাগে শিক্ষক পদের সংখ্যা নির্দিষ্ট। তিনি অবসরে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় তার বিভাগে একজন নতুন শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে। অবসরে না যাওয়া পর্যন্ত ঐ পদে কোনো নতুন শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে না। এমতাবস্থায় এসএসসি সার্টিফিকেটে উল্লেখিত জন্ম তারিখ হিসাবে তার ৬৫ বছর পর্যন্ত চাকরি করা জায়েয হবে কি না?