রোজা বা সিয়ামের বিধি-বিধানসমূহ

যাকাত গ্রহণের উপযুক্ত ব্যক্তি রোযা রাখতে না পারলে কি ফিদয়া দিতে হবে

প্রশ্ন (২৬১) : আমার বাবা খুবই দরিদ্র। তিনি যাকাত গ্রহণের হকদার। এ বছর তিনি বার্ধক্যের কারণে রোযা রাখতে পারছেন না। জানতে চাই, তিনি যদি রোযা না রাখেন তাহলে কি ফিদয়া দিতে হবে?

ষাটটি রোযা রাখতে অক্ষম ব্যক্তি রোযার কাফফরা কীভাবে আদায় করবে

প্রশ্ন (১৪৩) : আমি গত রমযানে বিনা ওজরে রোযা ভেঙ্গে ফেলেছিলাম। আমি শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল। একসাথে ষাট দিনের রোযা রাখা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এখন আমি কী করবো?

বার্ধক্যের কারণে রোজা রাখতে অক্ষম হলে কী করবে

প্রশ্ন (১৪০) : আমাদের প্রতিবেশী এক ব্যক্তি বার্ধক্যের কারণে রমজানের সিয়াম রাখতে পারে না। অপরদিকে সে খুবই দরিদ্র। যার দরুন রোজার ফিদইয়া আদায় করাও তার পক্ষে সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় তার জন্য রোজা থেকে দায়মুক্ত হওয়ার কোনো পন্থা আছে কি?

দাওয়াতের অনুরোধে নফল রোজা ভাঙ্গা যাবে কি               

প্রশ্ন (১২২) : আশুরার দিন আমি রোযা পালন করছিলাম। মাঝে আমার বড় ভাই আমাকে দুপুরের খাবারের দাওয়াত দিলে তার অনুরোধে আমি রোজা ভেঙ্গে ফেলি। আমার উক্ত কাজটি কি শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ হয়েছে?

গ্রহণযোগ্য কারণে রোজা ভঙ্গ করলে কি দিনের বাকি অংশে পানাহার থেকে বিরত থাকা আবশ্যক

প্রশ্ন (১১১) : আপনাদের পূর্বের এক প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গের গ্রহণযোগ্য ওজরসমূহ জানতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ। দ্বীনের এ খেদমত আঞ্জাম দেয়ার জন্য আপনাদেরকে জানাই আন্তরিক মুবারকবাদ। আমার আজকের প্রশ্ন হলো, দিনের শুরুতে বা মাঝে উক্ত গ্রহণযোগ্য কোনো কারণে যদি আমি রোজা ভঙ্গ করি, তাহলে কি দিনের বাকি অংশে আমার জন্য পানাহার থেকে বিরত থাকা আবশ্যক?

অনিচ্ছাকৃতভাবে রমজানের রোজা ভঙ্গ করে ফেললে কি দিনের বাকি অংশ পানাহার থেকে বিরত থাকা আবশ্যক

প্রশ্ন (১১০) : কেউ যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে রমজানের রোজা ভঙ্গ করে তাহলে কি তার তার জন্য দিনের বাকি অংশ পানাহার থেকে বিরত থাকা আবশ্যক?

দাওয়াতের অনুরোধে রমজানের কাযা রোযা ভাঙ্গা যাবে কি

প্রশ্ন (১০০) : আমি রমজানের একটি কাযা রোযা পালন করছিলাম। ইতোমধ্যে দুপুরের দিকে এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় আমাকে তার বাড়িতে দাওয়াত দিলে তার অনুরোধে আমি রোযা ভেঙ্গে ফেলি। আমার কাজটি কি বৈধ হয়েছে?

নফলের নিয়তে রোজা শুরু করার পর দিনের বেলা তা ওয়াজিব রোজা হিসেবে পরিবর্তন করা যাবে কি

প্রশ্ন (৪২) : আমি নফলের নিয়তে রোজা রাখা শুরু করি । দুপুর ১২ টার দিকে আমার মনে পড়ে যে, আমার উপর একটি মানতের রোযা আবশ্যক রয়েছে। তখন আমি নিয়ত পরিবর্তন করে মানতের রোজা হিসেবে রোজাটি পূর্ণ করি। আমার রোজাটি কি সঠিক হয়েছে?

নফলের নিয়তে রোযা পূর্ণ করার পর তা রমজানের কাযা রোজা হিসেবে ধরা যাবে কি   

প্রশ্ন (৩৯) : আমার উপর রমজানের ৪টি কাজা রোজা রাখা আবশ্যক ছিল। কিন্তু আমি সেগুলোরকথা ভুলে গিয়ে নফল রোজা রাখতে শুরু করি। রমজানের পর এ পর্যন্ত আমি ১০ টি নফল রোজা রেখেছি। প্রশ্ন হলো এখন যদি আমি এ নফল রোজাগুলোকে আমার উপর আবশ্যক থাকা কাজা রোজা হিসেবে ধরে নেই, তাহলে কি তা সঠিক হবে? নাকি আমাকে পুনরায় আরো ৪ টি রোজা রাখতে হবে?