আইয়ামে বীজে রোজা রাখলে কি পুরা বছরের সওয়াব পাওয়া যায়
প্রশ্ন (১৯৯১) : আমার বড় বোন বললেন: প্রতি মাসের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখলে পুরা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়। এটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৯৯১) : আমার বড় বোন বললেন: প্রতি মাসের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখলে পুরা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়। এটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৯৭১) : অনেককে দেখা যায়, রমজানের শেষের তিন চার দিন ইতেকাফ করে থাকেন। এতে কি ইতেকাফ আদায় হয়?
প্রশ্ন (১৯৭০) : আমি একজন নওমুসলিম। আমি এক ব্যক্তির কাছে শুনেছি, রমজান মাসে শবে কদর আছে। এই রাতের অনেক ফযিলত। আমার জিজ্ঞাসা হল, এই রাতের কী কী ফযিলত রয়েছে?
প্রশ্ন (১৯৬৯) : শুনেছি, শবে কদরের অনেক ফযিলত রয়েছে। তাই জানতে চাচ্ছি, শবে কদর কোন দিন?
প্রশ্ন (১৯৬৮) : রমজানের শেষ দশকে পুরুষেরা ইতেকাফ করে থাকে। তাদের সাথে কি আমরা নারীরাও ইতেকাফ করব? নারীদের জন্য কি ইতেকাফের বিধান রয়েছে?
প্রশ্ন (১৯৬৭) : আমি একটি ঘটনা শুনেছি। ঘটনাটি হল দুই ব্যক্তির ঝগড়ার কারণে নাকি শবে কদরের তারিখ ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৯৬৫) : ইতেকাফের অনেক ফযিলত শুনে আমার ইতেকাফ করার আগ্রহ জাগে। কিন্তু আমি একজন নারী। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, আমি কোথায় ইতেকাফ আদায় করব?
প্রশ্ন (১৯৬৪) : আমি শুনেছি, এক প্রকার ইতেকাফ আছে নফল ইতেকাফ। এই ইতেকাফের ফযিলত কী?
প্রশ্ন (১৯৬৩) : আমি জানি, রমজানের শেষ দশ দিন ইতেকাফ করতে হলে ২০ রমজান দিবাগত রাতে মাগরিবের পূর্বে মসজিদে উপস্থিত হতে হয়। কিন্তু এ বছর কোন কারণে আমি ২০ রমজান দিবাগত রাতে মাগরিবের পূর্বে মসজিদে যেতে পারিনি। তাই আমি ২১ রমজান দিনের বেলায় মসজিদে গিয়ে ইতেকাফ করা শুরু করি। এতে কি আমার ইতেকাফ আদায় হবে? আমি কি ইতেকাফ বাদ দিয়ে দিব?
প্রশ্ন (১৯৫৮) : আমি শুনেছি, মুসাফির রমজানে ইচ্ছা করলে রোজা না রাখতে পারে। কিন্তু আমার প্রশ্ন হল সে যদি রাখে তাহলে কি তার কোন সমস্যা আছে? রাখা উত্তম না না-রাখা উত্তম?
প্রশ্ন (১৯৫৬) : আমি রোজা রেখে আজকে সফর শুরু করেছি। পরে মনে হল যে, মুসাফিরের জন্য তো রোজা না রাখারও সুযোগ রয়েছে। তাই রোজাটি ভাঙ্গতে চাই। কিন্তু এক আলিম বললেন: রোজা রেখে সফর শুরু করার পর আর রোজা ভাঙ্গার সুযোগ থাকে না। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, আমি এখন কী করব?
প্রশ্ন (১৯৫৪) : কেউ যদি সময় কাটানোর জন্য রোজা অবস্থায় টিভি দেখে তাহলে এতে রোজার কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (১৯৫১) : আমি জানি, মিসওয়াক করা সুন্নত। জানতে চাচ্ছি, রোজা অবস্থায়ও মিসওয়াক করা সুন্নত? কারণ মিসওয়াক করলে তো মুখের মধ্যে এক ধরনের স্বাদ অনুভূত হয়?
প্রশ্ন (১৯৫০) : আমার ছোট বোনের এক মাসের একটি সন্তান আছে। তাকে দুধ পান করাতে হয়। এখন যদি বোন রোজা রাখে তাহলে বাচ্চার দুধ পাওয়া কষ্টকর হয়ে যাবে। এ অবস্থায় সে কি রোজা ভাঙ্গতে পারবে?
প্রশ্ন (১৯৪৪) : কোন মুসাফির যদি রোজা না রাখার সুযোগ গ্রহণ করে তবে জোহরের পূর্বেই নিজ আবাসস্থলে ফিরে আসে তাহলে কি পানাহার করতে পারবে?
প্রশ্ন (১৯৪৩) : কোন নারী যদি রোজার দিনে হায়েয থেকে পবিত্র হয়ে যায় তাহলে সে কী করবে? সে কি স্বাভাবিকভাবে খাবার-দাবার করতে পারবে না খাবার-দাবার বন্ধ রাখবে?
প্রশ্ন (১৯৪২) : জনৈকা মহিলা রোজার উদ্দেশ্যে সাহরি খেয়েছে। কিন্তু সাহরির সময় শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পরই তার মিনস শুরু হয়ে যায়। এমতাবস্থায় তার করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৯৪১) : স্তন্যদানকারিণী যদি বাচ্চার কথা চিন্তা করে রোজা না রাখে তাহলে সে কী করবে? সে কি ফিদয়া দিতে পারবে?
প্রশ্ন (১৯৩৮) : আমার আম্মা খুব অসুস্থ। তার অবস্থা দেখে ডাক্তার তাকে রোজা ভাঙ্গতে বলেন। কিন্তু তিনি রোজা ভাঙ্গতে চাচ্ছেন না। আমি জানতে চাচ্ছি, এ অবস্থায় কি তিনি রোজা ভাঙ্গতে পারবেন?
প্রশ্ন (১৯৩৪) : আমার বাবা অতিবৃদ্ধ। তিনি রোজা রাখতে অপারগ। আমি জানতে চাচ্ছি, তার রোজার ফিদয়াগুলো কি রমজানের শুরুতে এক সাথে দেওয়া যাবে?