ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে গেলে কী করবে
প্রশ্ন (৪৪২২) : ইমামের সাথে নামাজরত অবস্থায় প্রথম সেজদায় কেউ যদি ঘুমিয়ে যায় এবং ইমাম সাহেব দ্বিতীয় সেজদা করে দাঁড়িয়ে যান। তাহলে উক্ত ব্যক্তির করণীয় কী? সে কি সরাসরি দাঁড়িয়ে যাবে? নাকি দ্বিতীয় সেজদা করে তারপর দাঁড়াবে?
প্রশ্ন (৪৪২২) : ইমামের সাথে নামাজরত অবস্থায় প্রথম সেজদায় কেউ যদি ঘুমিয়ে যায় এবং ইমাম সাহেব দ্বিতীয় সেজদা করে দাঁড়িয়ে যান। তাহলে উক্ত ব্যক্তির করণীয় কী? সে কি সরাসরি দাঁড়িয়ে যাবে? নাকি দ্বিতীয় সেজদা করে তারপর দাঁড়াবে?
প্রশ্ন (৪৪২১) : আমি গ্রামের একটি মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে আজান দেই। এই কাজের জন্য মসজিদ কমিটি আমাকে নিয়োগ দিয়েছে। তাদের কাছে বেতন চাইলে তারা বলে, আজান দিয়ে বেতন নেওয়া বৈধ নয়। জানতে চাচ্ছি, তাদের বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৪৩৯০) : আমি কিছুদিন আগে বিতরের নামাজ ইমামের সাথে এক রাকাত পাই। ইমাম সাহেব সালাম ফিরানোর পর দুই রাকাত পড়ার জন্য দাঁড়াই। কিন্তু কুনুত পড়তে হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহে পড়ে যাই। পরবর্তীতে কুনুত না পড়েই নামাজ শেষ করি। জানতে চাচ্ছি, আমার নামাজ হয়েছিল কি?
প্রশ্ন (৪৩৮৯) : আমাদের গ্রামের মসজিদ ছোট। লোকদের স্থান সংকুলান হয় না। একদিন জুমআর সময় প্রচন্ড বৃষ্টি শুরু হয়। সবাই মসজিদে ঢুকে যায়। সকলের স্থান না হওয়ায় ইমাম সাহেব প্রত্যেককে বলেন সামনের মুসল্লীর পিঠে সেজদা দিতে। প্রশ্ন হল, ইমাম সাহেবের উক্ত বক্তব্যটি কি সঠিক হয়েছিল?
প্রশ্ন (৪৩৫০) : আমাদের এলাকার মসজিদের ছাদ একটি মোবাইল কোম্পানী ভাড়া নিতে চাচ্ছে। তারা সেখানে মোবাইলের টাওয়ার বসাবে। প্রশ্ন হল, এ কাজের জন্য মসজিদের ছাদ ভাড়া দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৩৪৯) : জনৈক ব্যক্তি তার মোবাইল সামনে রেখে নামাজ পড়ছিল। এমন সময় তার মোবাইল বেজে উঠলে সে এক হাত দিয়ে উঠিয়ে দেখে মোবাইলটি বন্ধ করে। প্রশ্ন হল, এতটুকু কাজের দ্বারা কি নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (৪৩৩৬) : কিছুদিন আগে মসজিদে নামাজরত অবস্থায় এক ব্যক্তির ফোন বাজে। সে নামাজে থেকেই দুই হাত দিয়ে মোবাইল পকেট থেকে বের করে বন্ধ করে। জানতে চাচ্ছি, উক্ত ব্যক্তির নামাজ কি শুদ্ধ হয়েছিল?
প্রশ্ন (৪৩৩৪) : আমি একদিন নামাজের আগে মোবাইলের রিংটোন বন্ধ করতে ভুলে যাই। ফলে নামাজে মোবাইল বেজে উঠে। ঐ মুহূর্তে না দেখে এক হাত দিয়েই মোবাইলটি বন্ধ করে দেই। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কারণে কি আমার নষ্ট হয়ে গিয়েছে? ঐ মুহূর্তে আমার করণীয় কী ছিল?
প্রশ্ন (৪৩১৫) : সফরে থাকাকালীন কেউ যদি তারাবী না পড়ে তাহলে গুনাহ হবে কি?
প্রশ্ন (৪৩১৩) : রমজান মাসে বিতর নামাজ জামাতের পড়া কি উত্তম?
প্রশ্ন (৪৩১১) : সফরে থাকাকালীন তারাবীর নামাজ পড়তে হবে কি?
প্রশ্ন (৪৩০৮) : বাংলাদেশের প্রায় সব মসজিদেই রমজান মাসে বিতরের নামাজ জামাতের সাথে পড়ে থাকে। জানতে চাচ্ছি, এ ব্যাপারে কোনো দলিল আছে কি?
প্রশ্ন (৪৩০৭) : গত রমজানে জরুরি এক কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে এশার নামাজের পরপর বিতর পড়ে ফেলি। ব্যস্ততা থেকে অবসর হওয়ার পর তারাবীর নামাজ আদায় করি। জানতে চাচ্ছি, আমার সেদিনের তারাবীর নামাজ হয়েছিল কি? বিতরের পর কি তারাবী পড়া যায়?
প্রশ্ন (৪৩০৬) : বিতর আদায়কারী ইমামের পিছনে তারাবী মনে করে ইকতেদা করার পর তা বিতর হিসেবে গণ্য করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪২৮৪) : বর্তমানে মসজিদগুলোতে তারাবীর পর اللهم انا نسألك الجنة ونعوذ بك من النار দোয়াটি পড়ে থাকে। জানতে চাচ্ছি, উক্ত দোয়া বদলে অন্য যে কোনো দোয়া করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪২৮৩) : তারাবীর নামাজে দোয়ায়ে মাছুরা না পড়লে কি কোনো সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (৪২৮২) : আমাদের মসজিদের হাফেজ সাহেব দরূদ শরিফ ও দোয়ায়ে মাছুরা না পড়েই সালাম ফিরিয়ে ফেলে। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে, এই দু’টো না পড়লেও কোনো সমস্যা নেই। জানতে চাচ্ছি, তারাবীর নামাজে কি দরূদ পড়তে হয় না?
প্রশ্ন (৪২৭৭) : ইমামের পিছনে ইকতেদা করা অবস্থায় তাকবীরে তাহরীমা বলতে হবে কি?
প্রশ্ন (৪২৭৫) : কিছুদিন আগে ব্যস্ততার কারণে তারাবীর নামাজ পড়তে পারিনি। জানতে চাচ্ছি, উক্ত তারাবীর নামাজ কাযা করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৪২৬৬) : রোজা না রাখলে কি তারাবী পড়া নিষেধ?