ফজর নামাজ কখন পড়া মুস্তাহাব
প্রশ্ন (৮৩৫৯) : শুনেছি, প্রত্যেক নামাজের মুস্তাহাব সময় আছে। ফজরের নামাজের মুস্তাহাব সময় কোনটি?
প্রশ্ন (৮৩৫৯) : শুনেছি, প্রত্যেক নামাজের মুস্তাহাব সময় আছে। ফজরের নামাজের মুস্তাহাব সময় কোনটি?
প্রশ্ন (৮৩৪৯) : আমি এক মসজিদের ইমাম। গতকাল আসরের নামাজে আমি সূরা ফাতেহার প্রথম দুই আয়াত জোরে পড়ে ফেলি। সাহু সেজদাও দেইনি। আমার জানামতে এ ক্ষেত্রে সাহু সেজদা দেওয়া জরুরি নয়। তারপরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনাদেরকে জিজ্ঞাসা করছি।
প্রশ্ন (৮৩৪৭) : কেউ কোন কিছু খোঁজ করলে নামাজ থেকে ইশারার মাধ্যমে দেখিয়ে দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৮৩৪৬) : একবার আমাদের বাসায় আমার ভাই তার বই খুঁজছিল। বইটি টেবিলের নিচে পড়ে গিয়েছিল। আমার ভাই খেয়াল না করেই আমাকে বইটির কথা জিজ্ঞাসা করে। আমি তখন নামাজে ছিলাম। সে অবস্থায়ই তাকে হাতের ইশারা দিয়ে বইটি দেখিয়ে দিই। এতে কোন সমস্যা হয়েছে?
প্রশ্ন (৮৩৪৫) : নামাজে বসা অবস্থায় হাঁত কোথায় রাখবে? কুরআন হাদিসে এ ব্যাপারে কী আছে দয়া করে জানাবেন।
প্রশ্ন (৮৩৩৭) : কয়েক সপ্তাহ আগে আমি একটা সফরে গিয়েছিলাম। সেখানে এক মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়ে দেখি খতীব সাহেব কোন কারণে বসে খুতবাহ দিচ্ছেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে নামাজ পড়িয়েছেন। আমার মনে সন্দেহ জাগল, আমার কি নামাজ হয়েছে? কারণ খুতবাহ তো তিনি দাঁড়িয়ে দেননি।
প্রশ্ন (৮৩৩৬) : দাঁড়িয়ে খুতবাহ দেওয়ার বিধান কী?
প্রশ্ন (৮৩২৬) : খতীব সাহেবের সামনেই তো জুমার দ্বিতীয় আজান দেওয়া হয়। তখন কি এর জবাব দেওয়া যাবে?
প্রশ্ন (৮৩২৪) : আমার কোন নামাজ কাযা নেই আলহামদুলিল্লাহ। এমতাবস্থায় আমার যদি কোন নামাজ কাযা হয়ে যায় আর মসজিদে গিয়ে দেখি ওয়াক্তিয়া নামাজের জামাত চলছে তাহলে এ অবস্থায় আমি কী করব? জামাতে শরিক হব না কাযা নামাজ আদায় করব?
প্রশ্ন (৮৩১০) : এক ব্যক্তি আমার সাথে বিতর্ক করেছে। আমি জানি নামাজ শুরু ওয়াক্তে পড়লে সওয়াব বেশি। কিন্তু সে বলল, হাদিসে নাকি বলা হয়েছে, ফজরের নামাজ বিলম্ব করে পড়তে। আসলে কি এমন কোন হাদিস আছে?
প্রশ্ন (৮৩০৫) : কেউ যদি অসুস্থতার কারণে চেয়ারে বসে নামাজ পড়ে তাহলে তার পিছনে সুস্থ ব্যক্তিরা নামাজের ইকতেদা করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৮২৯০) : আমার এক বন্ধু ফরজ নামাজ পড়ছিল। আমি তার পিছনে গিয়ে তার ইকতেদা করে ফেলি। সে বুঝতে পারেনি। তার সাথে রুকু সেজদা দিই। এতে কি আমার নামাজ হয়েছে?
প্রশ্ন (৮২৮৭) : কাতার সোজা করার জন্য রাসূল (সা.) কখন সাহাবায়ে কেরামকে বলতেন?
প্রশ্ন (৮২৮৩) : আমাদের খতীব সাহেব পায়ে এক্সিডেন্ট করার কারণে দাঁড়িয়ে খুতবাহ দিতে পারবেন না। তাই তিনি বসে খুতবাহ দিতে চেয়েছেন। কিন্তু এলাকার কিছু লোক এতে রাজি হচ্ছেন না। জানতে চাই তার ওজরের কারণে তিনি কি বসে খুতবাহ দিতে পারবেন?
প্রশ্ন (৮২৮২) : আমি যদি কাউকে দেখি, সে নামাজ পড়ছে। আর আমি গিয়ে তার পিছনে ইকতেদা করে ফেলি তাহলে কি নামাজ আদায় হবে?
প্রশ্ন (৮২৭৮) : আমাদের দেশে ইমাম সাহেব যখন ঈদের খুতবায় তাকবীর বলে তখন মুসল্লিগণও তার সাথে তাকবীর বলে। এটা কি জায়েয আছে?
প্রশ্ন (৮২৬৭) : অনেক সময় এমন হয় যে, আমার তাশাহহুদ শেষ হওয়ার পূর্বেই ইমাম সাহে বৈঠক থেকে দাঁড়িয়ে যান। তাই আমিও দাঁড়িয়ে যাই। এতে কি আমার নামাজের কোন সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (৮২৬৬) : আমরা দুই ভাই এক জায়গায় গিয়েছিলাম। সেখানে আমার ভাই ইশার নামাজ একা একা পড়ছিল। তার অজান্তে আমি তার পিছনে গিয়ে তার ইকতেদা করে ফেললাম। সে বুঝতে পারেনি। তাই সে জোরেও কেরাতও পড়েনি। কিন্তু ইশার নামাজে তো কিরাত জোরে পড়তে হয়। এখন কি আমাদের নামাজ হয়েছে?
প্রশ্ন (৮২৬৫) : কোন কোন মসজিদে দেখা যায় জামাতের সময় হলেই মুসল্লি দাঁড়িয়ে যায়। এমনকি ইমাম এসে না পৌঁছলেও তারা দাঁড়িয়ে যায়। এ ব্যাপারে শরিয়তের বিধান কী?
প্রশ্ন (৮২৫৭) : আজ আসরের নামাজ পড়ার সময় আমি ভুলে সূরা ফাতেহার প্রথম আয়াত জোরে পড়ে ফেলি। অতঃপর স্মরণ হওয়ামাত্রই পরের আয়াতগুলো আস্তে পড়ি। নামাজ শেষে সাহু সেজদা দিতেও ভুলে গিয়েছি। এখন কি আমাকে আবার নামাজ পড়তে হবে?