কুরবানীর সময় পশুর হাটে দালালি করা কি জায়েয
প্রশ্ন (৭৪৩৩) : কুরবানীর সময় পশুর হাটে প্রচলন রয়েছে যে, কিছু লোক ক্রয় করার উদ্দেশ্য ছাড়াই পশুর দাম বলতে থাকে। তাই আসল ক্রেতা চাইলেও এর চেয়ে কম দাম বলতে পারে না। ফলে বাধ্য হয়েই বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয়। জানা যায়, ব্যবসায়ীদের সাথে তাদের যোগসাজেশ থাকে। এর বিনিময়ে তারা ব্যবসায়ীদের থেকে টাকাও নিয়ে থাকে। শরিয়তের দৃষ্টিতে এর হুকুম কী?
প্রশ্ন
কুরবানীর সময় পশুর হাটে প্রচলন রয়েছে যে, কিছু লোক ক্রয় করার উদ্দেশ্য ছাড়াই পশুর দাম বলতে থাকে। তাই আসল ক্রেতা চাইলেও এর চেয়ে কম দাম বলতে পারে না। ফলে বাধ্য হয়েই বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয়। জানা যায়, ব্যবসায়ীদের সাথে তাদের যোগসাজেশ থাকে। এর বিনিময়ে তারা ব্যবসায়ীদের থেকে টাকাও নিয়ে থাকে। শরিয়তের দৃষ্টিতে এর হুকুম কী?
উত্তর
بسم الله الرحمٰن الرحيم. حامدا و مصليا و مسلما
ক্রয়ের উদ্দেশ্য ছাড়া শুধু দাম বৃদ্ধির জন্য দরদাম করা জায়েয নয়।
হাদিস শরিফে এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সা.) ‘নাজাশ’ থেকে নিষেধ করেছেন।’ [সহিহ বুখারি, হাদিস: ২১৪২]
নাজাশ হলো, ক্রয়ের নিয়ত ছাড়া বাস্তব ক্রেতাদেরকে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে দামাদামি করা এবং মূল্য বাড়িয়ে বলা।
অতএব এর থেকে বিক্রেতাসহ সকলের বিরত থাকা জরুরি। সামান্য ক'টি অর্থের জন্য নিজের চিরস্থায়ী আবাস পরকালকে বরবাদ করা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ফাতহুল কাদির ৬/১০৬, আর বাহরুর রায়েক ৬/১৬৩
আল্লাহ তা‘আলাই সবচেয়ে ভালো জানেন।
و الله تعالى أعلم بالصواب
وصلى الله تعالى على رسوله وعلى آله وسلم
উত্তর দিচ্ছেন:
ড. মুফতি মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানী
সূত্র:https://www.drkhalilurrahman.com/17454/article-details.html
← পূর্ববর্তী
হস্তগত করার পূর্বে পণ্য বিক্রি করা জায়েয আছে কি
পরবর্তী →