অর্ডার অনুযায়ী পণ্য তৈরি না করলে ক্রেতার জন্য কি তা নেওয়া জরুরি
প্রশ্ন (১১৬৩) : আমি একটি টেবিল বানানোর অর্ডার দিয়েছি। কিন্তু টেবিলটি আনতে গিয়ে দেখি, দোকানদার আমি যেভাবে বানাতে বলেছি সেভাবে বানায়নি। এখন কি আমার জন্য টেবিলটি নেওয়া জরুরি?
প্রশ্ন (১১৬৩) : আমি একটি টেবিল বানানোর অর্ডার দিয়েছি। কিন্তু টেবিলটি আনতে গিয়ে দেখি, দোকানদার আমি যেভাবে বানাতে বলেছি সেভাবে বানায়নি। এখন কি আমার জন্য টেবিলটি নেওয়া জরুরি?
প্রশ্ন (৯৩১) : কোনো ব্যক্তি ব্যবসার নিয়তে অপরকে কিছু টাকা দিয়ে বলল, আমাকে মুনাফা দিতে হবে না বরং আমার সংসারের খরচাদি দিতে হবে এবং মূলধনও পরিশোধ করতে হবে। তা শরিয়ত মোতাবেক বৈধ হবে কিনা?
প্রশ্ন (৯২৮) : আমার বাড়িতে এক ব্যক্তি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকত। একদিন পুলিশ এসে দরজা ভেঙ্গে তাকে ধরে নিয়ে যায়। জানা গেছে সে মাদক-ব্যবসায়ী ছিল। এলাকায় কেউ তাকে চিনে না। পুলিশ তাকে কোথায় নিয়ে গেছে তাও জানা নেই। উক্ত ফ্ল্যাটে তার কিছু মাল-সামানা আছে। তার কারণে পুলিশ কর্তৃক আমার ফ্ল্যাটটিতে কিছু ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। প্রশ্ন হলো, আমি তার মাল-সামানা বিক্রয় করে ক্ষয়ক্ষতি ও ভাড়া উসুল করতে পারব কি? আর বিক্রয় করতে না পারলে কত দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে জানালে উপকৃত হব?
প্রশ্ন (৯২৭) : মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবসা অর্থাৎ এক দেশের মুদ্রাকে অন্য দেশের মুদ্রা দ্বারা কিছু কম-বেশির সাথে পরিবর্তন করা, এমনিভাবে দেশীয় মুদ্রাকে দেশি মুদ্রার বিনিময়ে পরিবর্তনের শরয়ি হুকুম কী?
প্রশ্ন (৯২৩) : একটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সদস্য হতে হলে ১৫ বছর পর্যন্ত প্রত্যেক বছর জমা দিতে হবে ৮৬২০ টাকা। পাঁচ বছর পর বা দুই বছর পর পর ১৫ হাজার টাকা করে বোনাস দেবে। ১৫ বছর পর ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা দেবে। জানার বিষয় হলো উক্ত ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির কার্যক্রম কি শরিয়তসম্মত?
প্রশ্ন (৯২২) : যায়েদ জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি সিএনজি গাড়ি কেনার ইচ্ছা করে। কিন্তু তার কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা না থাকায় সে আবু বকরকে সিএনজি কেনায় শরিক করে এ শর্তে যে, তাকে ভাড়ার অর্ধেক দৈনিক বা মাসিক হিসেবে দেওয়া হবে। এই চুক্তি শরিয়ত মোতাবেক কি না? যদি আবুবকর বলে যে, এত দীর্ঘ সময় টাকা ব্যস্ত রাখা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই দৈনিক ভাড়ার অংশ পরিমাণ মূলধন থেকে যাবে। যেদিন মূলধন পরিশোধ হয়ে যাবে সেদিন যায়েদ সম্পূর্ণ সিএনজির মালিক হয়ে যাবে। এ চুক্তিটি কি শরিয়তসম্মত?
প্রশ্ন (৯২১) : মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কী কী কারণে হারাম?
প্রশ্ন (৯২০) : শরিয়তের পরিভাষায় ইন্স্যুরেন্স শব্দের শাব্দিক এবং পারিভাষিক অর্থ কী? প্রচলিত ইন্স্যুরেন্সের পাশাপাশি আমাদের দেশে যে ইসলামী ইন্স্যুরেন্স পদ্ধতি চালু আছে তা কতটা শরিয়তসম্মত?
প্রশ্ন (৯১৯) : আমি একজন কাপড় ব্যবসায়ী। বহুদিন যাবৎ এ ব্যবসায় নিয়োজিত। ব্যাংকের সাথে লেনদেন করি না সুদের সম্পৃক্ততার ভয়ে। একজন চাকরিজীবী অবসরপ্রাপ্ত পরবর্তী পেনশনের কিছু টাকা লাভ-ক্ষতির অংশীদারির ভিত্তিতে আমার ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন। ৫/৬ বছর ব্যবসার লভ্যাংশ তাকে দেওয়া হয়। একদিন রাতে অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসার সমস্ত সম্পদসহ অন্যান্য গচ্ছিত সম্পদ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। দোকানের কর্মচারী জানে বেঁচে গেলেও ছাই-কয়লা ছাড়া কিছুই বাকি নেই। এমতাবস্থায় ঐ লোকটি কি আমার কাছে টাকা পাবেন? শরিয়তের রায়ের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। আমাদের দুজনকে শরিয়তের রায় জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৯১২) : যদি কোন ব্যক্তি ১০০০০ টাকা ধার নেয় এ শর্তের উপর যে, সে ঋণদাতাকে ছয় মাস পর ২০ মণ চাল দেবে। এখন উল্লিখিত সময় হওয়ার পর ঋণদাতার চালের প্রয়োজন না থাকায় বা ক্রয়-বিক্রয়ের ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য উভয়ের সম্মতিক্রমে চালের পরিবর্তে বাজার দর হিসেবে উক্ত চালের মূল্য গ্রহণ করা ঋণ দাতার জন্য জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৯১১) : আমাদের এলাকায় নিয়ম আছে যে, কার্তিক মাসে কৃষকরা বিত্তশালী বা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে আলু উঠানোর পূর্বে আলুর উপর দাম ধরে অগ্রিম টাকা নেয়। এর বিনিময়ে ফাল্গুন মাসে আলু উঠানোর সময় শতকরা হারে এক মন করে আলু দিয়ে থাকে। বাজারে আলুর দাম কম হোক বা বেশি হোক- এর প্রতি কোনো লক্ষ্য রাখা হয় না। শরিয়তের দৃষ্টিতে তা কি বৈধ?
প্রশ্ন (৯১০) : কিস্তিতে জমি, বিল্ডিং, ফ্রিজ, হোন্ডা-এ সমস্ত জিনিস ক্রয়-বিক্রয় জায়েয আছে কি?
প্রশ্ন (৯০৯) : বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকুরী করা শরীয়তের দৃষ্টিতে কি বৈধ?
প্রশ্ন (৯০৮) : আমি একজন সার ব্যবসায়ী। নগদ ও বাকি উভয়ভাবে বিক্রি করে থাকি। তবে যখন ক্রেতা বাকি ক্রয়ের জন্য আসে তখন নগদের যে মূল্য (বাজার মূল্য) তার থেকে বাকি ক্রয়ে ৩০০ বা ৪০০ টাকা বেশি মূল্য শর্ত করে থাকি। যেমন এক বস্তা সারের নগদ মূল্য ১০০০ টাকা আর বাকিতে ১৩০০ বা ১৫০০ নিয়ে থাকি। ক্রেতা এ শর্ত অনুযায়ী ক্রয় করে থাকে। উল্লেখ্য, টাকা কবে দেবে তা নির্দিষ্ট করা হয় না। এক মাস পরেও দিতে পারে বা এক বছর পরেও দিতে পারে। জানার বিষয় হল, এ পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় বৈধ হবে কি? যদি বৈধ না হয় তাহলে কোন পদ্ধতিতে বৈধ হবে?
প্রশ্ন (৯০৭) : আমাদের একটি সোসাইটি রয়েছে। এর কার্যক্রম হলো, কোন গ্রাহক ঋণের আবেদন করলে তাকে নগদ অর্থ না দিয়ে ঋণগ্রহীতার ইচ্ছাধীন সোসাইটির পক্ষ থেকে মালামাল ক্রয় করে সোসাইটির জিম্মায় আনা হয়। যেমন ধান, চাল, সেলাইমেশিন ইত্যাদি। অতঃপর গ্রাহকের কাছে এক বছর বা দুই বছর মেয়াদি মাসিক কিস্তির মাধ্যমে বাকিতে কিছু বেশি মূল্যে বিক্রি করা হয়। উক্ত লেনদেনটি কি শরিয়তসম্মত?
প্রশ্ন (৯০৬) : আমাদের এলাকায় একটি সমিতি আছে, যাতে টাকা বিনিয়োগ এভাবে হয়ে থাকে যে, কোন সদস্য টাকা নিতে চাইলে তাকে টাকা না দিয়ে টাকার পরিবর্তে মাল ক্রয় করে দেয়া হয়। যেমন ৫০০০ টাকা নিতে চাইলে এর পরিবর্তে ৫০০০ টাকার মাল ক্রয় করে দেওয়া হয় এবং বলা হয় যে, তিন মাস পর ৫০০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০০ টাকা দিতে হবে। এখন জানার বিষয় হলো, উক্ত পদ্ধতিতে এভাবে বাকিতে এত বেশি করে বিক্রয় করা শরীয়তের দৃষ্টিতে জায়েজ আছে কি?
প্রশ্ন (৯০৫) : জনৈক ব্যক্তি নিজ জমিতে নিজ খরচে বাড়ি নির্মাণ করার ইচ্ছা পোষণ করেছে। সে একটি কোম্পানির সঙ্গে এই মর্মে চুক্তি করতে যাচ্ছে যে, কোম্পানি তার বাড়ি নির্মাণ করে দিবে এবং এই কাজের বিনিময় হিসেবে তারা নির্মাণ ব্যয়ের এক-দশমাংশ সমপরিমাণ টাকা নিয়ে নিবে। তার এ চুক্তি বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৯০২) : আমাদের এলাকায় অধিকাংশ আম বাগানের মালিক গাছে আম আসার পূর্বেই ব্যবসায়ীদের কাছে অগ্রিম আম বিক্রি করে দেয়। এ ধরণের ক্রয়-বিক্রয় বৈধ কিনা? যদি বৈধ না হয় তাহলে কিভাবে করলে সঠিক হবে তা বিস্তারিত জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।
প্রশ্ন (৮৯৩) : প্রয়োজনের সময় যদি ফ্রি রক্ত না পাওয়া যায় তাহলে রক্ত ক্রয় করে শরীরে পুশ করা যাবে কিনা?
প্রশ্ন (৮৯১) : এক ব্যক্তি মালয়েশিয়া থাকে। সে ওখানকার বাঙ্গালীদের নিকট থেকে রিংগিত (মালেশিয়ান কারেন্সি) গ্রহণ করে এবং বাংলাদেশে তার প্রতিনিধির নিকট ফোন করে দেয়। বাংলাদেশের প্রতিনিধি উক্ত রিংগিতের বাংলাদেশি মূল্যমানের টাকা উক্ত প্রবাসীর আত্মীয়দেরকে দিয়ে দেয়। এভাবে লেনদেন করা বৈধ হবে কি? এবং এর জন্য কোনো ফি গ্রহণ করা জায়েয আছে কি?