বিতির নামাযে ইমাম সাহেব ভুলে দুআ কুনুত না পড়ে রুকুতে চলে গেলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২৪৩৯) : বিতিরের নামাযে ইমাম সাহেব ভুলে দুআ কুনূত না পড়েই রুকুতে চলে যান। মুক্তাদীগণ লোকমা দিলে রুকু বাদ দিয়ে আবার দাঁড়িয়ে যান। এরপর দুআ কুনূত পড়ে যথারীতি বাকি নামায শেষ করেন। এতে এক রাকাতে দুই রুকু হয়ে যায়। উক্ত নামায কি সহিহ হয়েছে? এক আলেম বলেছেন, নামায সহিহ হয়নি। সঠিক মাসআলাটি জানালে উপকৃত হতাম।

মুসল্লি ইমাম সাহেবকে বিতির নামাযের তৃতীয় রাকাতে পেলে বাকি নামায কিভাবে আদায় করবে?

প্রশ্ন (১২৩৮০) : রমযান মাসে একদিন বিতির নামাযের তৃতীয় রাকাতে ইমামের সাথে রুকুতে শরীক হই। ফলে দুআ কুনূত পড়ার আর সুযোগ হয়নি। এমতাবস্থায় ছুটে যাওয়া নামায আদায় করার সময় শেষ রাকাতে আমার কী করণীয়? আমি কি দুআ কুনূত পড়ব, না পড়ব না? কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করেছি। একেকজন একেকরকম বলেছে। ফলে বিষয়টি আমার কাছে অস্পষ্ট হয়ে গেছে। তাই সঠিক মাসআলাটি জানালে কৃতজ্ঞ হব।

বিতিরের নামায পড়ার পর তারাবীহ পড়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২২৮১) : গত রমযানে একদিন এশার পরবর্তী দুই রাকাত সুন্নাত আদায় করার পর রমযানের কথা স্মরণ না থাকায় গতানুগতিকভাবে আমি ভুলে বিতিরও পরে ফেলি। বিতির শেষ হওয়ার পর তারাবীহ শুরু হলে আমার রমযানের কথা স্মরণ হয়। কিন্তু তখন আমার সংশয় হতে থাকে যে, তারাবীহ তো বিতিরের আগে পড়তে হয়। আমি তো বিতির পড়ে ফেলেছি, এখন কি আমার তারাবীহ হবে? এই দোদুল্যমান অবস্থা নিয়েই আমি তারাবীহ আদায় করি। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, আমার উক্ত তারাবীহ কি শুদ্ধ হয়েছে? না হলে এখন আমার করণীয় কি?

বিতিরের নামাযে মাসবুক হলে কিভাবে তা আদায় করব?

প্রশ্ন (১২২৫৯) : রমযান মাসে একদিন খতম তারাবীর ২০ রাকাত শেষ হওয়ার পর আমি ইস্তিঞ্জায় যাই। অযু করে এসে ইমামের সাথে বিতিরের দুই রাকাত পাই। কিন্তু ভুলবশত অবশিষ্ট এক রাকাত পড়ার সময় দুআয়ে কুনূত না পড়েই নামায শেষ করে ফেলি। ইমাম সাহেবকে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, নামায হয়ে গেছে। জানার বিষয় হল, তিনি কি সঠিক বলেছেন? ইমামের সাথে যে রাকাতে আমি দুআয়ে কুনূত পড়েছি সেটা আমার দ্বিতীয় রাকাত ছিল। এমতাবস্থায় কি আমার নাযায সহিহ হয়েছে?

বিতির নামায সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২২৫৬) : আমি সেদিন বিতির নামাযে তৃতীয় রাকাতে ভুলে কুনূত না পড়ে রুকুতে চলে যাই। পরে রুকুতে স্মরণ হয় আমি কুনূত পড়িনি। তাই দাঁড়িয়ে যাই এবং দাঁড়িয়ে কুনূত আদায় করি। জানার বিষয় হল, আমি কি দ্বিতীয়বার রুকু করব? এভাবে রুকু থেকে দাঁড়িয়ে যাওয়া কি ঠিক হল?

তারাবীর নামায সংক্রান্ত দুটি প্রশ্ন।

প্রশ্ন (১২২৫১) : ১. তারাবীর নামাযে চার রাকাত পর পর মুসল্লীরা নিম্নোক্ত দুআ- سُبْحَانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ، سُبْحَانَ ذِي الْعِزّةِ وَالْعَظمَةِ ... পড়ে থাকেন। এ সময় আসলে কী করণীয়? এ দুআ পড়বে নাকি ভিন্ন কোনো দুআ পড়বে? এ দুআ পড়ার অবকাশ আছে কি? ২. মাঝে মাঝে এমন হয় যে, দেরি করে আসার কারণে ইশার নামায শেষ করে তারাবীতে শরীক হতে হতে ৪/৬ রাকাত হয়ে যায়। ২০ রাকাত পড়ানোর পর ইমাম সাহেব বিতিরের জন্য দাঁড়িয়ে যান। তখন আমার কী করণীয়? তারাবীর বাকি রাকাতগুলো পড়তে গেলে বিতির ছুটে যাওয়ার আশংকা হয়। জানিয়ে বাধিত করবেন।

রমযান মাসে জামাতের সাথে বিতিরের নামায আদায়কালীন দুআয়ে কুনূত পড়ে শেষ করার আগে ইমাম সাহেব রুকুতে চলে …

প্রশ্ন (১২২৪৯) : আমি রমযান মাসে বিতিরের নামাযে মাঝে মাঝে এ সমস্যার সম্মুখীন হই যে, দুআয়ে কুনূত পুরোপুরি শেষ করার পূর্বে ইমাম সাহেব তাকবীর বলে রুকুতে চলে যান। হুজুরের নিকট জানতে চাচ্ছি, এ অবস্থায় আমার করণীয় কী? ইমামের সাথে রুকুতে শরীক হব, নাকি কুনূতের বাকি অংশ পূর্ণ করব?

বিতরের নামাযে দুআয়ে কুনূত উচ্চ স্বরে পড়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২১৬৯) : আমি নিউইয়র্ক থাকি। প্রতি রমযানে সাধারণত মসজিদে তারাবীহ পড়ানো হয়। এ রমযানে যে মসজিদে তারাবীহ পড়াচ্ছি, সেখানকার অধিকাংশ মুসল্লীই বিভিন্ন আরব দেশের নাগরিক। তারা ফিকহে হানাফীর অনুসারী নয়। তাদের আবদার হচ্ছে, বিতর নামাযে দুআয়ে কুনূতটা যেন উচ্চ স্বরে পড়া হয়। প্রশ্ন হচ্ছে, হানাফী মাযহাবের কারো মতে কী দুআয়ে কুনূত উচ্চ স্বরে পড়ার সুযোগ আছে?

দুআয়ে কুনূত না পারলে বিতিরের নামাযে কি অন্য কোনো দুআ পড়া যাবে?

প্রশ্ন (১২০৪৪) : আমি একজন ড্রাইবার। আমি আগে নিয়মিত নামায পড়তাম না। এখন নিয়মিত পড়ার চেষ্টা করি। আমি চারটা সূরা শিখেছি। কিন্তু বিতরের নামাযে যে দুআয়ে কুনূত পড়তে হয় সেটা এখনও শিখতে পারিনি। জানার বিষয় হল, এমতাবস্থায় আমি বিতরের নামাযে কী পড়ব?

বিতিরের নামাযের পর কি ছুটে যাওয়া তারাবীর নামায পড়া যাবে?

প্রশ্ন (১২০২৭) : রমযান মাসে একদিন এশার জামাতে হাজির হতে দেরি হয়। ফলে আমার এশার নামায ও দুই রাকাত সুন্নত পড়তে পড়তে চার রাকাত তারাবীহ ছুটে যায়। আমি দ্রুত এশার ফরয ও সুন্নত আদায় করে তারাবীতে শরীক হয়ে যাই। পরবতীর্তে বিতির নামায পড়ার পরে ছুটে যাওয়া তারাবীহ আদায় করি। এখন এভাবে বিতিরের পরে তারাবীহ আদায় করা সহিহ হয়েছে কি?

বিতিরের নামাজের অতিরিক্ত তাকবির দেওয়া কি ওয়াজিব?

প্রশ্ন (১১৫৮৯) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, বিতিরের নামাজের তৃতীয় রাকাতে অতিরিক্ত যে তাকবীর দেওয়া হয় তা কি ওয়াজিব? যদি কেউ সেই তাকবীর দিতে ভুলে যায় তাহলে কি তার উপর সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে ?

বেতেরের আগে নফল পড়াতে বাধ্য করা যাবে কি

প্রশ্ন (১১৩৪৫) : আমাদের এলাকায় রমযানের শেষ দশকে তারাবির পর বেতেরের আগে ইমাম সাহেবকে চার রাকাত নফল পড়াতে বাধ্য করা হয়। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কাজটি কতটুকু শরিয়ত সম্মত?

নামায শুরুর পর বেতেরের নিয়ত করা যাবে কি

প্রশ্ন (১১৩৩০) : আমি একবার এশার পর নফল পড়ব কিনা তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যাই। পরবর্তীতে কোনো নিয়ত না করেই নামাযে দাঁড়াই। নামায শুরুর পর ঠিক করি বেতের পড়ব। জানতে চাচ্ছি, এভাবে নিয়ত করা সঠিক হয়েছে কি?

তাহাজ্জুদগুজার ব্যক্তির জন্য বেতের জামাতে পড়া কি উত্তম

প্রশ্ন (১১৩২৭) : আমার পিতা নিয়মিত তাহাজ্জুদের নামায আদায় করেন এবং তাহাজ্জুদের পরই বেতের পড়েন। জানতে চাচ্ছি, রমযানে তার জন্য বেতেরের নামায জামাতে পড়া কি উত্তম নাকি তাহাজ্জুদের পর?

বেতের নামাযে দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়িয়ে গেলে করণীয় কী

প্রশ্ন (১০৪৩২) : আমি একবার বেতের নামায পড়ার সময় দ্বিতীয় রাকাতে না বসে দাঁড়িয়ে যাই। সূরা ফাতিহার কিছু অংশ পড়ার পর মনে পড়লে সাথে সাথে বসে পড়ি। এরপর সাহু সেজদার মাধ্যমে যথারীতি নামায সমাপ্ত করি। জানতে চাচ্ছি, আমার সেদিনের নামায হয়েছিল কি?

ইখলাস পড়লে বেতের হবে কি

প্রশ্ন (১০০৭৬) : আমি দোয়ায়ে কুনুত পারি না। তাই বেতেরের নামাযে দোয়ায়ে কুনুতের পরিবর্তে সূরা ইখলাস পাঠ করি। জানতে চাচ্ছি, আমার বেতেরের নামায সহিহ হবে কি?

মসজিদের বিতরণকৃত মিষ্টান্ন হালাল হারামের সন্দেহ হলে করণীয় কী

প্রশ্ন (৯৮৩৮) : মসজিদে বিভিন্ন সময় দোয়ার পর যে মিষ্টান্ন বিতরণ হয় তা হালাল না হারাম মাল দ্বারা ক্রয়কৃত, এই ব্যাপারে সন্দেহ হলে করণীয় কী?