আইয়ামে বীজে রোজা রাখলে কি পুরা বছরের সওয়াব পাওয়া যায়
প্রশ্ন (১৯৯১) : আমার বড় বোন বললেন: প্রতি মাসের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখলে পুরা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়। এটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৯৯১) : আমার বড় বোন বললেন: প্রতি মাসের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখলে পুরা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়। এটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৯৫৮) : আমি শুনেছি, মুসাফির রমজানে ইচ্ছা করলে রোজা না রাখতে পারে। কিন্তু আমার প্রশ্ন হল সে যদি রাখে তাহলে কি তার কোন সমস্যা আছে? রাখা উত্তম না না-রাখা উত্তম?
প্রশ্ন (১৯৫৬) : আমি রোজা রেখে আজকে সফর শুরু করেছি। পরে মনে হল যে, মুসাফিরের জন্য তো রোজা না রাখারও সুযোগ রয়েছে। তাই রোজাটি ভাঙ্গতে চাই। কিন্তু এক আলিম বললেন: রোজা রেখে সফর শুরু করার পর আর রোজা ভাঙ্গার সুযোগ থাকে না। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, আমি এখন কী করব?
প্রশ্ন (১৯৫৪) : কেউ যদি সময় কাটানোর জন্য রোজা অবস্থায় টিভি দেখে তাহলে এতে রোজার কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (১৯৫১) : আমি জানি, মিসওয়াক করা সুন্নত। জানতে চাচ্ছি, রোজা অবস্থায়ও মিসওয়াক করা সুন্নত? কারণ মিসওয়াক করলে তো মুখের মধ্যে এক ধরনের স্বাদ অনুভূত হয়?
প্রশ্ন (১৯৫০) : আমার ছোট বোনের এক মাসের একটি সন্তান আছে। তাকে দুধ পান করাতে হয়। এখন যদি বোন রোজা রাখে তাহলে বাচ্চার দুধ পাওয়া কষ্টকর হয়ে যাবে। এ অবস্থায় সে কি রোজা ভাঙ্গতে পারবে?
প্রশ্ন (১৯৪৪) : কোন মুসাফির যদি রোজা না রাখার সুযোগ গ্রহণ করে তবে জোহরের পূর্বেই নিজ আবাসস্থলে ফিরে আসে তাহলে কি পানাহার করতে পারবে?
প্রশ্ন (১৯৪৩) : কোন নারী যদি রোজার দিনে হায়েয থেকে পবিত্র হয়ে যায় তাহলে সে কী করবে? সে কি স্বাভাবিকভাবে খাবার-দাবার করতে পারবে না খাবার-দাবার বন্ধ রাখবে?
প্রশ্ন (১৯৪২) : জনৈকা মহিলা রোজার উদ্দেশ্যে সাহরি খেয়েছে। কিন্তু সাহরির সময় শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পরই তার মিনস শুরু হয়ে যায়। এমতাবস্থায় তার করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৯৪১) : স্তন্যদানকারিণী যদি বাচ্চার কথা চিন্তা করে রোজা না রাখে তাহলে সে কী করবে? সে কি ফিদয়া দিতে পারবে?
প্রশ্ন (১৯৩৮) : আমার আম্মা খুব অসুস্থ। তার অবস্থা দেখে ডাক্তার তাকে রোজা ভাঙ্গতে বলেন। কিন্তু তিনি রোজা ভাঙ্গতে চাচ্ছেন না। আমি জানতে চাচ্ছি, এ অবস্থায় কি তিনি রোজা ভাঙ্গতে পারবেন?
প্রশ্ন (১৯৩৪) : আমার বাবা অতিবৃদ্ধ। তিনি রোজা রাখতে অপারগ। আমি জানতে চাচ্ছি, তার রোজার ফিদয়াগুলো কি রমজানের শুরুতে এক সাথে দেওয়া যাবে?
প্রশ্ন (১৯৩২) : আমি একবার তাবলীগ জামাতে গিয়েছিলাম। দিনের শুরুতে আমি রোজা অবস্থায় ছিলাম। তাবলীগ জামাতে যাওয়ার পর একজন বলল: মুসাফিরের জন্য রোজা না রাখার সুযোগ আছে। তাই আমি রোজা ভেঙ্গে ফেলি। কিন্তু পরে জানতে পারলাম, আমার এই কাজ ঠিক হয়নি। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, এর জন্য কি আমার কাযা-কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে?
প্রশ্ন (১৯১০) : আমার বাবা কয়েক দিন পূর্বে রোজা রাখা অবস্থায় ইফতারের আধা ঘণ্টা পূর্বে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। উপস্থিত কেউ বলল: তার রোজা ভেঙ্গে গেছে। আবার কেউ বলল: রোজা ভাঙ্গেনি। এ ক্ষেত্রে আসলে সঠিক মাসআলা কোনটি?
প্রশ্ন (১৯০৯) : রোজা অবস্থায় কোন পুরুষ যদি তার স্ত্রীকে চুমু দেয় তাহলে এর জন্য রোজার কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (১৯০৮) : একবার রোজা অবস্থায় আমার শরীর প্রচণ্ড খারাপ ছিল। দুই বার বমিও করি। কিন্তু তারপরও আমি রোজা ভাঙ্গিনি। পরবর্তীতে শুনলাম, রোজা অবস্থায় বমি করলে নাকি রোজা নষ্ট হয়ে যায়। আমি জানতে চাচ্ছি, তাহলে কি আমার রোজা নষ্ট হয়ে গেছে?
প্রশ্ন (১৯০৭) : কারও যদি রাতের বেলা স্বপ্নদোষ হয় আর সে লজ্জায় গোসল করতে না পেরে দিনের বেলায় গোসল করে তাহলে এতে কি তার রোজার কোন ক্ষতি হবে?
প্রশ্ন (১৯০৬) : রোজার দিনে সকাল বেলা যদি হায়েয চলে আসে তাহলে কি রোজার কোন ক্ষতি হবে?
প্রশ্ন (১৯০৫) : জনৈক ব্যক্তি নিজ স্ত্রীর দিকে কামভাবের সাথে তাকানোর ফলে বীর্যপাত ঘটে গেছে। এর জন্য কি তার রোজা ভেঙ্গে যাবে?
প্রশ্ন (১৯০৪) : আমাদের এলাকায় প্রচুর মশা। গতকাল রোজা অবস্থায় আমার মুখ দিয়ে একটি মশা গলার ভেতরে ঢুকে পড়ে। অনেক কষ্ট করেও বের করতে পারলাম না। জানতে চাই এর কারণে কি রোজার কোন ক্ষতি হবে?