রোযা রেখে স্যালাইন বা ইঞ্জেকশন নিলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে?
প্রশ্ন (১৩৮৬৬) : রোযা রেখে যদি কেউ স্যালাইন বা ইঞ্জেকশন নেয় তাহলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে? তেমনি অসুস্থ অবস্থায় কেউ যদি গ্লুকোজ স্যালাইন নেয় তাহলে কি তার রোযা সহিহ হবে?
প্রশ্ন (১৩৮৬৬) : রোযা রেখে যদি কেউ স্যালাইন বা ইঞ্জেকশন নেয় তাহলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে? তেমনি অসুস্থ অবস্থায় কেউ যদি গ্লুকোজ স্যালাইন নেয় তাহলে কি তার রোযা সহিহ হবে?
প্রশ্ন (১৩৮৫৯) : আমি জানতে চাচ্ছিলাম, রোযা অবস্থায় দাঁত ব্রাশ করার বিধান কী? রোযা রেখে দাঁত ব্রাশ করলে কি রোযা নষ্ট হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (১৩৮২৮) : ১৯৯৬ সালে আমি জন্মগ্রহণ করেছি ।(২০০৮ সালে) ১২ বছর বয়সে আমি বালেগা হয়েছি। (২০১৬ সাল) ২০ বছর বয়স থেকে আমি নিয়মিত নামায, রোযা, পর্দা করা শুরু করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমাকে কত বছরের নামায, রোযা কাযা করতে হবে? নামায রোযা ব্যতীত অন্য কোনো ইবাদাত আছে কি যা আমাকে এখন কাযা করতে হবে? কাযা নামাযের নিয়ত ও কাযা রোযার নিয়ত কিভাবে করতে হবে?
প্রশ্ন (১৩৮২১) : শাবান মাসের ২৯ তারিখ অথবা মাস ৩০ দিনে হলে ৩০ তারিখে রোযা রাখতে কোন সমস্যা আছে কী?
প্রশ্ন (১৩৮১৫) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, অনেককেই বলতে শুনি যে, ‘রোযা রেখে গীবত করলে রোযা নষ্ট হয়ে যায়’ । জানতে চাচ্ছি, উক্ত কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৩৮১০) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছিলাম, রোযা রাখাবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে কী রোযা নষ্ট হয়?
প্রশ্ন (১৩৭৭৩) : রোযা রাখা অবস্থায় কাউকে রক্ত দিলে কি রোযা নষ্ট হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (১৩৭৬১) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হুজুরের নিকট জনতে চাচ্ছি, গোসলের সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে নাকে পানি গেলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে?
প্রশ্ন (১৩৭৫৪) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার একটি বিষয় জানার ছিল। সেটা হলো, ধুমপান করলে রোযা নষ্ট হবে কি?
প্রশ্ন (১৩৭৪৫) : রোযা রাখা অবস্থায় আগরবাতি ও কয়েলের ধোঁয়া নাকে গেলে রোযার কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (১৩৭৩৮) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হুজুর! আমি জানতে চাচ্ছিলাম, রোযা রেখে চোখে ড্রব দেওয়া যাবে কি? এতে রোযার কোনো ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (১৩৭৩১) : কয়েক বছর আগে রমযান মাসে অসুস্থতার কারণে আমি কিছু রোযা রাখতে পারিনি। সুস্থ হওয়ার পর সেগুলো কাযা করিনি। এখন বার্ধক্যের কারণে এত দুর্বল হয়ে পড়েছি যে, রোযা রাখা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এ অবস্থায় আমার জন্য করণীয় কী? আমি কি ঐ রোযাগুলোর জন্য ফিদয়া আাদায় করতে পারব?
প্রশ্ন (১৩৭০৭) : আমি কিছুদিন আগে একটি বিষয়ে কসম করে পরে তা ভঙ্গ করে ফেলি। কিন্তু বর্তমানে টাকা দিয়ে বা খানা খাইয়ে কসমের কাফ্ফারা আদায় করার মত সামর্থ্য আমার নেই। এখন কি আমি রোযার মাধ্যমে উক্ত কসমের কাফ্ফারা দিতে পারব নাকি টাকা হাতে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে?
প্রশ্ন (১৩৬৮৪) : আমি রমযানের ২০ তারিখ বালেগ হই। প্রায়ই এমন হত যে, আমার রোযা রাখার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মায়ের পীড়াপীড়িতে রোযা রাখতাম না। আবার কয়েকদিন আমি নিজেই রোযা রাখিনি। এ দশদিনের মধ্যে কতদিন আমি রোযা রেখেছি আর কতদিন রাখিনি সেটা আমার পুরো স্মরণ নেই এখন আমি কী করব?
প্রশ্ন (১৩৬৮৩) : আমি অনেকদিন যাবৎ চাকরির সন্ধান করেও কোথাও মনমত চাকরি খুঁজে পাচ্ছিলাম না। একবার একটা ভাল চাকরির সন্ধান পাই। আল্লাহর রহমতে উক্ত চাকরিতে ইন্টারভিউ দিয়ে উত্তীর্ণ হই। কিন্তু চাকুরী হবে কি না তা নিয়ে ভয়ে ছিলাম। তখন আমি এই বলে মান্নত করি যে, যদি আমার এই চাকুরিটা হয়ে যায় তাহলে আমি প্রতি জুমার দিন রোযা রাখবো। পরে আমার ঐ চাকুরিটা হয়ে যায়। তাই আমি প্রত্যেক জুমার দিন রোযা রেখে যাচ্ছি। কিন্তু বর্তমানে আমার সাংসারিক ঝামেলা অনেক বেড়ে গেছে। তাই মাঝেমধ্যে জুমআর দিনে রোযা রাখা আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। হুযুরের নিকট আমার জানার বিষয় হলো, রোযা না রাখতে পারলে আমার করণীয় কী? যে দিনগুরোর রোযা ছুটেছে সেগুলোর জন্য কী করতে হবে? বিস্তারিত জানালে কৃতজ্ঞ হবো।
প্রশ্ন (১৩৬৬৪) : অনেক আগে আমি রমযানে রোযা রাখার পর বিনা ওজরে একটি রোযা ভেঙ্গে ফেলে। এখন আমার যথেষ্ট বয়স হয়েছে। লাগাতার দুই মাস রোযা রেখে কাফফারা আদায় করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এ অবস্থায় আমি কি টাকা দিয়ে কাফফারা আদায় করতে পারব? সে ক্ষেত্রে কি লাগাতার ৬০ দিন টাকা দিতে হবে? যদি সপ্তাহে দুজন-তিনজন করে দেই তাহলে কী হবে?
প্রশ্ন (১৩৬৪২) : এবার রমযানে একদিন আমাদের বাসার ঘড়িটি কারো অজান্তেই ১০ মিনিট স্লো হয়ে যায়। আমরা এই ঘড়ি দেখেই সাহরি খাচ্ছিলাম। তখন পাশের বাসার একজন এসে বলল, ৮/৯ মিনিট আগেই সাহরির সময় শেষ হয়ে গেছে। সাথে সাথে আমরা খাওয়া বন্ধ করে দেই। প্রশ্ন হল, আমাদের উক্ত রোযাটি কি সহিহ হয়েছে? না হয়ে থাকলে এখন আমাদের করণীয় কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৩৬৩৯) : এবার রযমানে আমি এক জায়গায় সফরে যাই। তো সফর অবস্থায় একদিন রোযা রেখে কোনো কারণ ছাড়াই আবার তা ভেঙ্গে ফেলি। জানতে চাই, উক্ত কারণে আমাকে এই রোযার কাযা-কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে নাকি শুধু কাযা করলেই হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (১৩৬১১) : এবার রমযান মাসে আমি ক্ষুধার কারণে খাবার খেয়ে তিনটি রোযা ভেঙে ফেলি। এরপর সারাদিন অন্যান্য সময়ের মতো পানাহার করি। এখন আমি চাচ্ছি রোযাগুলোর কাযা আদায় করতে। তাই হযরতের কাছে জানার বিষয় হলো, আমাকে কি ওই রোযাগুলোর জন্য শুধু কাযা আদায় করলেই চলবে, নাকি কাফফারাও আদায় করতে হবে?
প্রশ্ন (১৩৫৫৯) : আমি দুই বছর আগে শরীয়তসম্মত কোনো ওজর ছাড়াই রমযানের একটি রোযা রেখে ভেঙ্গে ফেলেছিলাম। এখন আমি সে রোযার কাফফারা আদায় করতে চাচ্ছি। কিন্তু আমাদের জন্য তো ধারাবাহিক ষাটটি রোযা রাখা সম্ভব নয়। কারণ প্রতিমাসেই ছয়-সাতদিন ঋতুস্রাব হয়। এখন আমার করণীয় কী?