ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সদস্য হওয়া জায়েয আছে কি

প্রশ্ন (৯২৩) : একটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সদস্য হতে হলে ১৫ বছর পর্যন্ত প্রত্যেক বছর জমা দিতে হবে ৮৬২০ টাকা। পাঁচ বছর পর বা দুই বছর পর পর ১৫ হাজার টাকা করে বোনাস দেবে। ১৫ বছর পর ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা দেবে। জানার বিষয় হলো উক্ত ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির কার্যক্রম কি শরিয়তসম্মত?

ইন্স্যুরেন্সের বিধান কী

প্রশ্ন (৯২০) : শরিয়তের পরিভাষায় ইন্স্যুরেন্স শব্দের শাব্দিক এবং পারিভাষিক অর্থ কী? প্রচলিত ইন্স্যুরেন্সের পাশাপাশি আমাদের দেশে যে ইসলামী ইন্স্যুরেন্স পদ্ধতি চালু আছে তা কতটা শরিয়তসম্মত?

ব্যাংকের সুদ কী করবে

প্রশ্ন (৮৩১) : ব্যাংকে টাকা রাখার দ্বারা যে সুদ হয়, তা স‌ওয়াবের নিয়ত ব্যতিরেকে কোন ফকির বা মিসকিনকে দেয়া যাবে কিনা? যদি দেয়া না যায় তাহলে করণীয় কী?

বিকাশ একাউন্টের ইন্টারেস্টের ব্যাপারে করণীয় কী

প্রশ্ন (৮২২) : বিকাশ একাউন্টে বিভিন্ন সময়ে ইন্টারেস্ট দেওয়া হয়। উদাহরণত তারা মোবাইলে এসএমএস দেয় যে, আপনি বিকাশের ৬.৯৪ টাকা ইন্টারেস্ট পেয়েছেন। এক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কী?

ডাক্তারের জন্য সুদী ব্যাংকে চাকরিজীবীর বেতন থেকে ফি নেওয়া জায়েয আছে কি

প্রশ্ন (৮২০) : সুদী ব্যাংকে চাকরি করে এমন ব্যক্তি যদি কোনো চিকিৎসকের কাছ থেকে ফি পরিশোধ করে প্রেসক্রিপশন নেয় তাহলে উক্ত ফি এর টাকা ব্যবহার করা কি উক্ত চিকিৎসকের জন্য হালাল হবে? যদি না হয় তাহলে করণীয় কী?

সুদী প্রতিষ্ঠানে যারা চাকরি করে তাদের বেতন হালাল না হারাম

প্রশ্ন (৭৮৭) : সরকারি বা বেসরকারি সুদী সমিতিতে যারা চাকরি করে তাদের উপার্জিত টাকা হালাল না হারাম? তারা সেই উপার্জিত টাকা থেকে যদি কাউকে হাদিয়া দেয় তাহলে তা গ্রহণ করা জায়েজ হবে কি?

নিরাপত্তার জন্য ব্যাংকে টাকা রাখা যাবে কি

প্রশ্ন (৭৬৬) : এক ব্যক্তির নিকট বেশ কিছু টাকা আছে এবং সেই এই টাকাগুলো নিজের কাছে রাখা নিরাপদ মনে করছে না। তাই সে টাকাগুলো ব্যাংকে রাখতে চাচ্ছে। সে নিয়ত করেছে, যা মুনাফা আসবে তা সদকা করে দিবে। এভাবে ব্যাংকে টাকা রাখা শরিয়তের দৃষ্টিতে কেমন?

ক্ষুদ্র ব্যবসা করার জন্য ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া যাবে কি

প্রশ্ন (৭৫১) : আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। কিন্তু আমার এ ব্যবসা আমার পরিবারের জন্য যথেষ্ট হচ্ছে না। তাই আমি চাচ্ছি, কোনো ইসলামী ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে কিছুটা বড় পরিসরে ব্যবসা করব। আস্তে আস্তে তাদেরকে লোন পরিশোধ করে দিব। আমার এ কাজ কি জায়েয হবে?

জিপি ফান্ডে বেতনের অংশ কেটে রাখার পর তার সুদ গ্রহণ করা যাবে কি

প্রশ্ন (৫৭৩) : আমি একজন সরকারি চাকুরিজীবী। আমাদের মূল বেতনের কিছু টাকা বাধ্যতামূলক এবং কিছু টাকা ঐচ্ছিকভাবে কেটে রাখার নিয়ম রয়েছে। পরবর্তীতে চাকুরি শেষ হলে কেটে রাখা টাকা সুদসহ ফিরিয়ে দেওয়া হয়। জানতে চাই, আমাদের জন্য উক্ত টাকা এবং সুদ গ্রহণ করা জায়েয হবে কি?

বাবার হারাম উপার্জন থেকে সন্তান টাকা বা অন্য কিছু নিতে পারবে কি

প্রশ্ন (৫৭১) : আমার বাবা সুদী ব্যাংকে চাকরি করেন। তিনি একটি সুদী ব্যাংকের ব্রাঞ্চম্যানেজার। এছাড়া তার আর কোনো উপার্জন নেই। আমার জন্য কি তার থেকে টাকা-পয়সা গ্রহণ করা জায়েয হবে?

কোনো প্রতিষ্ঠানে সুদ আদান-প্রদানের চাকরি করে বেতন নেওয়া বৈধ হবে কি

প্রশ্ন (৫৪৬) : আমি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করি। আমার কাজ হলো, মানুষদেরকে কিস্তিতে ঋণ দিয়ে সেই টাকা কিছুটা বেশি করে আদায় করা। প্রতিষ্ঠান থেকে এ কাজের জন্য আমার বেতন হলো আট হাজার টাকা। আমি জানতে চাই, আমার জন্য এ কাজ করা বৈধ হচ্ছে কি? উল্লেখ্য, উক্ত বেতনের মাধ্যমেই আমার পরিবার চলে। এ ছাড়া আমাদের উপার্জনের আর কোনো মাধ্যম নেই।

সাধারণ ধান করয নিয়ে পরবর্তীতে উন্নত মানের ধান করয হিসাবে পরিশোধ করা

প্রশ্ন (২২৪) : আমার আমার জমি এক ব্যক্তির কাছে বর্গা দেই। বর্গার হিসেবে আমি তার থেকে চার মণ আউশ ধান পাই। কিন্তু তিনি আমাকে তা না দিয়ে আমার প্রাপ্য চার মণ ধান করজ হিসেবে রেখে দেন। অতপর আমনের মৌসুমে করজ পরিশোধ করার সময় দুই মণ সাধারণ ধান আর দুই মণ পোলাওর ধান দেন। পোলাওর ধানের দাম বেশি হওয়ায় আমি প্রথমে নিতে না চাইলেও পরবর্তীতে প্রয়োজনের কারণে নেই। এখন প্রশ্ন হল, সাধারণ ধানের পরিবর্তে পোলাওর ধান গ্রহণ করা আমার জন্য বৈধ হয়েছে কি না? এটা কি সুদ হবে?