নফল নামাজ

মাজুর ব্যক্তি কাউকে দিয়ে বদলি হজ্ব করানোর পর সুস্থ হয়ে গেলে আবার হজ্ব করা কি আবশ্যক?

প্রশ্ন (১২২৩৬) : আমার নানাজানের উপর আগে থেকে হজ্ব ফরয ছিল। তিনি হজ্বে যাবেন যাবেন করতে করতে দেরী হয়ে যায়। এর মাঝে হঠাৎ করে তিনি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। যার দরুন তিনি হাঁটতে পারছিলেন না। নানা চাচ্ছেন তাড়াতাড়ি তার হজ্ব যেন আদায় করা হয়। তাই এক ব্যক্তিকে তার পক্ষ থেকে বদলি হজ্ব করার জন্য পাঠান। সে নানাজানের পক্ষ থেকে হজ্ব আদায় করে আসে। এর প্রায় বছর খানেক পর আল্লাহর রহমতে নানা প্রায় পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন। এখন তিনি একা একা চলা-ফেরা করতে সক্ষম। জানার বিষয় হল, নানা সুস্থ হওয়ার পর কি আবার হজ্ব করা লাগবে, নাকি ঐ হজ্ব যথেষ্ট হবে? তিনি চাচ্ছেন, আবার নিজে গিয়ে হজ্ব করবেন। এটা কি তার ফরয হিসেবে গণ্য হবে না নফল হিসেবে?

মাগরিবের আযানের পর ফরযের আগে কোনো নফল নামায পড়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২২২৮) : মুহতারামের নিকট আমার জানার বিষয় হল, মাগরিবের আযানের পরে ফরয নামাযের আগে নফল নামায পড়ার হুকুম কী? এবিষয়ে কোনো এক আলেমকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, পড়া যাবে। কেননা বিভিন্ন সাহাবীরা পড়েছেন। অন্য একজনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, মাকরূহে তানযিহী-এর সাথে হবে; কেননা খুলাফায়ে আরবাআসহ উল্লেখযোগ্য কোনো সাহাবী পড়েননি। এ বিষয়ে শরয়ী সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।

রোযা রেখে ভেঙে ফেললে করণীয়।

প্রশ্ন (১২১৬৩) : গত বছর রমযানে প্রায় এক সপ্তাহ সফরে ছিলাম। সফরের কিছুদিন রোযা রাখতে পারিনি। মুহাররাম মাসে তা কাযা করতে শুরু করি। কতদিন রোযা রাখিনি- নিশ্চিতভাবে এ সংখ্যাটি মনে ছিল না। চারদিন রোযা রাখার পর পঞ্চম দিন রোযা রাখা অবস্থায় ঘটনাক্রমে এক সাথীর সাথে দেখা হয় যে ঐ সফরে আমাদের সাথে ছিল। সে আমাকে জানালো যে, আমরা কেবল তিন দিন রোযা রাখিনি। অবশিষ্ট দিনগুলোতে নিশ্চিতভাবেই রোযা রেখেছি। বিষয়টি জানার পর আমি পঞ্চম দিনের রোযাটি ভেঙে ফেলি। কিন্তু পরে জানতে পারলাম যে, রোযা শুরু করার পর তা পূর্ণ করা জরুরি। শুরু করার পর ভেঙে ফেললে এর কাযা করতে হবে। জানার বিষয় হল, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রেও কি আমাকে এ রোযার কাযা করতে হবে?

ফরয রোযার কাযা করার জন্য কখন নিয়ত করতে হবে?

প্রশ্ন (১২১৩৫) : গত রমযানে অসুস্থতার কারণে একটি রোযা রাখতে পারিনি। আজ সকাল আটটার দিকে ঘুম থেকে জেগে কাযা রোযাটি রাখার নিয়ত করি। কিন্তু কিছুক্ষণ পর বাড়িতে মেহমান আসায় তাদের পীড়াপীড়িতে তা ভেঙে ফেলি। জানার বিষয় হল, এখন আমাকে কয়টি রোযা রাখতে হবে? একটি, না দুটি?

সুস্থ ব্যক্তি কি নিজের পক্ষ থেকে নফল হজ্বের বদলি হজ্ব করাতে পারবে?

প্রশ্ন (১২১০৭) : আমি একটি বাড়িতে কাজ করি। বাড়ির মালিত অনেক সম্পদশালী। তিনি নিজে কয়েকবার হজ্ব করেছেন। কয়েক বছর যাবৎ তিনি তার পরিচিত মানুষকে তার পক্ষ থেকে নফল বদলি হজ্বে পাঠান। আলহামদু লিল্লাহ, এবছর হজ্বে যাওয়ার জন্য তিনি আমার নাম প্রস্তাব করেছেন। আমার ওপর হজ্ব ফরয নয়। কিন্তু আমার একটি খটকা আছে, আমি একটি মাসআলা শুনেছি, নিজে হজ্ব করতে একেবারে অক্ষম হয়ে গেলেই নাকি বদলি হজ্ব করানো যায়? তিনি সুস্থ সবল মানুষ, তাঁর জন্য কি বদলি হজ্ব করানো জায়েয হবে; যদিও তা নফলই হোক না কেন? জানিয়ে বাধিত করবেন।

ফরয নামায শুরু করার পর হায়েয চলে আসলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২০৮৬) : ফরয নামায শুরু করার পর দ্বিতীয় রাকাতে আমার হায়েয চলে আসে। ফলে সে নামাযটি আমি পূর্ণ করতে পারিনি। এখন উক্ত নামাযের হুকুম কী? তা কি পবিত্র হওয়ার পর কাযা করতে হবে? এমনটি যদি নফল নামাযে হয়, তাহলে বিধান কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।

অসুস্থতার কারণে অণ্যকে দিয়ে বদলী হজ্ব করানোর পর সুস্থ হয়ে হজ্ব আদায় করলে কি তা নফল হিসেবে গণ্য হবে?

প্রশ্ন (১১৯৮৮) : আমার দাদার উপর হজ্ব ফরজ হওয়ার পর প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। তাই তিনি অন্য এক ব্যক্তিকে দিয়ে তার বদলী হজ্ব করিয়ে নেন। বর্তমানে তিনি পুরোপুরি সুস্থ। জানতে চাচ্ছি, এখন তিনি যদি আবার হজ্ব করেন তাহলে তা ফরজ হিসেবে গণ্য হবে নাকি নফল হবে?

নফল হজ্ব বদলী করানো যাবে কি?

প্রশ্ন (১১৯৭২) : ফরয হজ্ব আদায় করার পর নফল হজ্ব করার সামর্থ্য থাকলেও কেউ কি তার পক্ষ থেকে নফল হজ্ব বদলী করাতে পারবে কি?

ফজরের নামাযের পর সূর্য উঠার আগে কি জানাযার নামায আদায় করা যাবে?

প্রশ্ন (১১৮৯৫) : আমার এক প্রতিবেশী রাতে ইন্তিকাল করেন। রাতেই তাকে গোসল করিয়ে কাফনের কাজ সম্পন্ন করা হয়। ফজরের নামাযের পর সূর্য উঠার আগেই তার জানাযার নামায আদায় করা হয়। তখন এক লোক বললেন, এই সময় জানাযার নামায পড়া ঠিক হয় নি। কেননা ফজরের নামাযের পর সূর্য উঠার আগে যে কোনো নামায পড়া মাকরূহ। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, ঐ ব্যক্তির কথা কি ঠিক আছে?

মাগরিবের আগে নফল পড়লে কি বাধা দিতে হবে

প্রশ্ন (১১৮৪০) : কিছু বাংলাদেশীদের দেখা যায় মক্কা মদীনায় গেলে মাগরিবের আযানের পর দুই রাকাত নফল নামায পড়ে। জানতে চাচ্ছি, এক্ষেত্রে তাদেরকে উক্ত নামায পড়া থেকে বাধা দেওয়া যাবে কি?

ঈদের দিন ঈদের নামাযের আগে নফল নামায পড়ার বিধান।

প্রশ্ন (১১৭৩৫) : আমার দাদী আমলদার মানুষ। তিনি প্রতিদিন ফজরের নামাযের পরে দীর্ঘ সময় যিকির ও তাসবীহ আদায় করার পর ইশরাকের নামায পড়েন। তো গত ঈদের দিন তিনি ইশরাক পড়ার জন্য দাঁড়ালে আব্বু বলেন, ঈদের দিন ঈদের নামাযের আগে নফল নামায পড়া মাকরুহ। তখন দাদী বলেন, এই হুকুম শুধু পুরুষের জন্য। আমি জানতে চাচ্ছি, মহিলাদের জন্য ঈদের দিন ঈদের নামাযের আগে নফল নামায পড়ার বিধান কী?

নাবালেগের হজ্ব নফল হজ্ব। তাই বালেগ হলে আবার ফরজ হজ্ব আদায় করতে হবে যদি নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হ…

প্রশ্ন (১১৬৯০) : আমি নাবালেগ থাকা অবস্থায় আমার বাবা-মার সাথে হজ্ব করি। এখন আমি প্রাপ্ত বয়স্ক। কিছুদিন আগে আমার বাবা ইন্তিকাল করেন। আমি ওয়ারিস সূত্রে অনেক সম্পদের মালিক হয়েছি। এবং আমি হজ্ব করার সামর্থ্য রাখি। তো আমার আগের হজ্ব কি আমার জন্য যথেষ্ট নাকি নতুন করে হজ্ব আদায় করতে হবে?

ইমাম সাহেব যেখানে দাঁড়িয়ে ইমামতি করেছেন সেখানে দাঁড়িয়ে সুন্নত পড়া অনুত্তম।

প্রশ্ন (১১৬৫২) : একদিন যোহরের নামাযের সময় আমাদের মসজিদে ইমাম সাহেব না থাকায় আমি ইমামতি করি। নামায শেষে ইমামতির জায়গায় দাঁড়িয়েই আমি নামায পরবর্তী সুন্নত আদায় করি। নামায শেষে একজন আলেম আমাকে বললেন, যেখানে দাঁড়িয়ে আপনি ইমামতি করেছেন সেখানে দাঁড়িয়ে পরবর্তী সুন্নত আদায় করা অনুত্তম হয়েছে। সেই আলেমের কথা ঠিক আছে?

নাবালেগের পিছনে বালেগ ব্যক্তির ইক্তিদা সহিহ নয়।

প্রশ্ন (১১৬৫০) : আমার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। সেখানে হিফয বিভাগও আছে। তো রমযান মাসে ছাত্রদের ইয়াদ মজবুত করার উদ্দেশ্যে তারাবীর নামায পড়ানোর জন্য ছাত্রদের কয়েকটা গ্রুপ করা হয়ে থাকে। কোনো কোনো গ্রুপে নাবালেগ ছাত্র ইমামতি করে এবং তার পিছনে বালেগ ছাত্র বা উস্তাদ ইক্তিদা করে। তো আমার জানার বিষয় হলো, নাবালেগের পিছেনে বালেগ ব্যক্তির ইক্তিদা সহিহ আছে?

উচ্চস্বরে কেরাত পাঠ।

প্রশ্ন (১১৬০১) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, একাকী নামায পড়ার সময় কি সব নামাযে উচ্চস্বরে কেরাত পড়া যাবে? সুন্নত ও নফল নামাযের ক্ষেত্রে নিয়ম কেমন হবে?