পেঁয়াজ সম্পর্কে হাদিসে কী বলা হয়েছে
প্রশ্ন (৭৬০০) : হাদিসে নাকি পেঁয়াজ খেতে নিষেধ করা হয়েছে। আসলে বিষয়টি কী? পেঁয়াজের ব্যাপারে হাদিসে কী এসেছে?
প্রশ্ন (৭৬০০) : হাদিসে নাকি পেঁয়াজ খেতে নিষেধ করা হয়েছে। আসলে বিষয়টি কী? পেঁয়াজের ব্যাপারে হাদিসে কী এসেছে?
প্রশ্ন (৭৫৭৪) : কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়া কি নিষেধ?
প্রশ্ন (৭৫৩৬) : মাদরাসা ও মসজিদের নামে ওয়াকফকৃত সম্পত্তি থেকে অর্জিত অর্থ দ্বারা মেহমানদারি বরা অথবা গরিব-মিসকিনকে দান করা জায়েয আছে কি?
প্রশ্ন (৭৫৩২) : মসজিদের নামে ওয়াকফকৃত স্থানে মক্তব-মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭৪৪৯) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি মসজিদের জন্য জমি ওয়াকফ করেছে। প্রশ্ন হলো, সেই জমিতে মাদরাসা বানানো যাবে কি?
প্রশ্ন (৭৪৩৪) : আমি গ্রামের এক ছোট মসজিদের ইমাম। একবার এক লোক মসজিদের ভেতরে একটি মোবাইল সেট পেয়ে আমার কাছে জমা দেয়। আমি তার মালিকের সন্ধান লাভের জন্য নামাজের পর মসজিদে এলান করি। একজন লোক বললেন, মসজিদে দুনিয়াবী কোনো কিছুর এলান করা নিষেধ। মুফতি সাহেবের কাছে জানতে চাই, মসজিদে কোনো জিনিস পাওয়া গেলে মালিক খুঁজে বের করার জন্য মসজিদের ভেতরে এলান করতে পারব কি?
প্রশ্ন (৭৪২৭) : আমাদের মসজিদে অনেক কুরআন মাজিদ রয়েছে। এই কুরআন মাজিদগুলো বিভিন্ন মানুষ সদকায়ে জারিয়া হিসেবে মসজিদে দান করেছিল। কিন্তু বর্তমানে অনেক কুরআন মাজিদ বিদ্যমান থাকার কারণে এগুলোর প্রয়োজন না থাকায় অনেকদিন আগে থেকেই সেগুলো তাকে উঠিয়ে রাখা হয়েছে। একদিন আমাদের পাশের এক নতুন মসজিদের সেক্রেটারি বললেন, আপনাদের মসজিদে যেহেতু অতিরিক্ত কুরআন শরিফ আছে সেহেতু আমাদের মসজিদে কিছু কুরআন শরিফ দিয়ে দেন। তাহলে মানুষ পড়বে এবং যারা এগুলো দান করেছে তারাও সওয়াব পাবে। মুফতি সাহেবের কাছে জানতে চাই, আমরা কি তাদের মসজিদে কিছু কুরআন শরিফ দিতে পারব?
প্রশ্ন (৭৪২০) : মসজিদের মাইক যা মানুষের সাধারণ দান তথা মসজিদের সাধারণ ফান্ড থেকে ক্রয় করা হয়েছে। এরূপ মাইক দ্বারা মৃত্যু সংবাদ প্রচার করা এবং জানাযার সময়ের এলান করা বৈধ কিনা?
প্রশ্ন (৭৪১৭) : আমাদের হাইস্কুলের মাঠে নাচ গান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। ছেলে মেয়েরা পর্দাহীনভাবে খেলাধুলা করে। মাঠটি সংরক্ষিত নয়। এটা স্কুলের মাঠ। এখানে ঈদের নামাজ আদায় করলে কোনো সমস্যা আছে কিনা?
প্রশ্ন (৭৪১৬) : জামাতের সময় ফজরের সুন্নাত পড়া যাবে কি এবং ফজরের সুন্নাতের কাযা কখন করতে হয়?
প্রশ্ন (৭৪১৪) : একাকী ব্যক্তি কোন কোন নামাজে জোরে কেরাত পড়তে পারবে? জোরে পড়লে কেরাত কতটুকু আওয়াজে পড়তে হবে? কেউ বলেন, এমন ভাবে কেরাত পড়তে হবে যাতে নিজ কানে শুনতে পায়। কিন্তু এতে তো মসজিদের অন্যান্য মুসল্লিদের নামাজে সমস্যা হবে।
প্রশ্ন (৭৪০৪) : আমাদের বাড়ি থেকে মসজিদে যেতে হলে একটি নালা পার হয়ে যেতে হয়। বর্ষাকাল বিধায় হাঁটুর উপরে পানি হয়। দিনের বেলায় অন্য রাস্তা দিয়ে গেলেও রাতে তথা মাগরিব, এশা এবং ফজরের ওয়াক্তে হাঁটুর ওপরে কাপড় উঠিয়ে নালা পার হয়ে মসজিদে যাই। উল্লেখ্য আমার খোলা হাঁটু অন্য কেউ দেখে না। এভাবে পারাপার করা কি জায়েজ আছে?
প্রশ্ন (৭৩৯৯) : আমি একজন মাদ্রাসার ছাত্র। মাদ্রাসা বন্ধ হওয়ার পর বাড়িতে গিয়ে আমার মা-বোনদেরকে নিয়ে এক সাথে জামাতে নামাজ পড়তে পারবো কি?
প্রশ্ন (৭৩৯২) : বর্তমানে প্রায় মসজিদেই নামাজের সময় ছাড়া অন্যান্য সময় তালা মেরে রাখা হয়। এভাবে মসজিদে তালা মেরে রাখা জায়েয আছে কি?
প্রশ্ন (৭৩৮২) : মসজিদের মধ্যে যে সকল কোরআন শরীফ মালিকানা ছাড়া পড়ে থাকে এবং ছেঁড়া থাকে তার হুকুম কী? এবং তা পড়ার হুকুম কী?
প্রশ্ন (৭৩৮১) : আমাদের গ্রামে শতাধিক বছর পূর্বে স্থাপিত জামে মসজিদটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে ইতিমধ্যে সংস্কার করে মসজিদটিকে অনেকটা যুগোপযোগী করা হয়েছে। প্রয়োজনের তাগিদে দোতালায় পশ্চিমের একটা অংশে তিনদিকে দেয়াল ও ছাদ নির্মাণ করা হয়। যেখানে শুধুমাত্র জুমার নামাজে ব্যবহার হত। কিন্তু বিদেশী অর্থায়নে অত্যন্ত কাছে আরেকটি মসজিদ চালু হওয়ায়, অত্র মসজিদের দোতলার অংশ স্থায়ীভাবে অব্যবহৃত থাকছে। আমাদের ধারণা, আগামী ২০/৩০ বছর উক্ত কক্ষ অব্যবহৃত হয়ে পড়ে থাকবে। এবং ততদিনে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। কক্ষটির জানালা ও দরজা না থাকায় বর্ষার পানি ঢুকে কক্ষটি ক্রমশ: জরাজীর্ণ হয়ে পড়ছে।পক্ষান্তরে নীচতলা সম্প্রসারণ করে সামনে অন্তত দুই কাতারের ব্যবস্থা করা একান্ত প্রয়োজন। অথচ মসজিদের খাতে যে টাকা আছে তা দিয়ে উক্ত কাজ সম্পন্ন করা যাবে না। তাই নষ্ট প্রায় দোতলার কক্ষটি ভেঙ্গে তার উপকরণাদি দিয়ে এবং অতিরিক্ত উপকরণাদি বিক্রয় করে নীচতলার সম্প্রসারণ কাজ করার ইচ্ছা আমরা পোষণ করছি।উল্লেখ্য যে, সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত উপকরণাদি যাতে খারাপ কাজে ব্যবহৃত না হয় সেই জন্য ভিন্ন মসজিদের কাজে বাজার মূল্যের বিনিময়ে ব্যবহার করা হবে। উল্লিখিত বিবরণ অনুযায়ী ধর্মীয় নিয়ম কানুনের আলোকে কক্ষটি ভাঙ্গা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭৩৬৪) : আমার নিকট ফকিররা এসে চাল বা খাবার চাইলে কখনো চাল দেই, কখনো খাবার দেই, কখনো টাকা দেই। তদ্রূপ কখনো কখনো মসজিদ থেকে দান সদকার জন্য লোক এলে টাকা, চাল, নারিকেল, সুপারি ইত্যাদি দান করি। দেওয়ার সময় নারিকেল, সুপারি ইত্যাদির আনুমানিক মূল্য ধরি এবং সেই মূল্য ও দান করা টাকা যাকাত হিসেবে আদায়ের নিয়ত করি। জানতে চাই, এভাবে কি আমার যাকাত আদায় হয়?
প্রশ্ন (৭৩৫৬) : আমরা জানি রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করা সুন্নাতে কেফায়া। এখন আমাদের প্রশ্ন হলো, এই সুন্নাতে কেফায়া আদায় হওয়ার জন্য মহল্লার সব মসজিদে ইতিকাফ করতে হবে না এক মসজিদে ইতিকাফ করলেই সুন্নাতে কেফায়া আদায় হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (৭২৯৭) : আমার নানীর কাফফারার টাকা মসজিদ মাদরাসায় দান করতে পারব কি?
প্রশ্ন (৭২৮৮) : কোনগুলোকে শাআইরুল্লাহ বলা হয়?