চিকিৎসা

চোখে অপারেশন হওয়ায় ডাক্তার চোখে পানি লাগাতে নিষেধ করলে অযু-গোসল করবে কিভাবে?

প্রশ্ন (১৩৮৫২) : আমার চোখে অপারেশন হয়েছে। এখন ডাক্তার চোখে পানি লাগাতে নিষেধ করে দিয়েছে। তাই গোসলের সময় গলার উপরে ধোয়া সম্ভব নয়। তেমনি অযুর সময়ও চেহারা ধুতে পারব না। এখন জানার বিষয় হলো, গোসল ফরয হলে কীভাবে গোসল করব? এ অবস্থায় আমি কীভাবে অযু করব?

ওয়াসওয়াসা থেকে মুক্তির উপায় কী?

প্রশ্ন (১৩৮৪৪) : আমার ওয়াসওয়াসা রোগ আছে। অযু শেষ হওয়ার পর পরই মনে হয় যেন মাথা মাসাহ করিনি। তাই পুনরায় মাথা মাসাহ করি। তাছাড়া কোনোক্রমেই স্বস্তি পাই না। আমি জানতে চাই, এক্ষেত্রে আমার করণীয় কী এবং এই রোগ থেকে আমি কিভাবে মুক্তি পেতে পারি?

একটি কুসংস্কার।

প্রশ্ন (১৩৮২৬) : আামাদের এলাকায় একটি বিষয় প্রচলিত আছে যে, হাপানি রোগ থেকে নিরাময়ের জন্য গলায় ফাঁসি দিয়ে মারা যাওয়া মানুষের গলার সাথে ফাঁসির দড়ির যে অংশটুকু লাগে সেই দড়ির অংশ দিয়ে তাবিয বানানো হয়। এ ধরনের কাজকর্ম কতটুকু সঠিক?

রোগের কারণে গরুর লেজের পশম ঝরে পড়ে গেলে উক্ত গরু দিয়ে কুরবানী করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৬৯১) : আমাদের একটা গরু আছে। কোনো এক রোগের কারণে গরুটির লেজের সামান্য অংশ লম্বা পশমসহ ঝরে পড়েছে। আমরা আগামী ঈদুল আযহায় গরুটি কুরবানী দিতে চাচ্ছি। জানতে চাচ্ছি, শরীয়তের দৃষ্টিতে উক্ত গরু কুরবানী করা বৈধ হবে কি?

ডায়ালাইসিস চলাকালীন রোগী নামায আদায় করবে কিভাবে?

প্রশ্ন (১৩৪১৯) : আমার বাবার উভয় কিডনী নষ্ট হয়ে গেছে। তাই সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করতে হয়। ডায়ালাইসিসের জন্য অনেক সিরিয়াল থাকে। তাই প্রচুর সময় লাগে। এ কারণে ডাক্তার যে সময় দেয় সে সময়ই করতে হয়। কোনো কোনো সময় মাগরিবের কিছু আগে শুরু হয়। একেবারে ইশার সময় শেষ হয়। কিংবা আসরের আগে শুরু হয় মাগরিবে শেষ হয়। এখন জানার বিষয় হল, ডায়ালাইসিস চলাকালীন তিনি নামায পড়বেন কিভাবে? নাকি নামায না পড়ে পরবর্তীতে কাযা করে নিবেন? তাছাড়া ডায়ালাইসিস চলাকালীন শুয়ে থাকতে হয়। অযু করাও সম্ভব নয়। আবার কেবলাও ঠিক থাকে না। তবে তায়াম্মুম করা যায়। এক দিক দিয়ে শরীরের রক্ত বের করা হয়। আর অন্য দিক দিয়ে রক্ত প্রবেশ হয়। সুতরাং সে কিভাবে নামায আদায় করবে? দয়া করে সঠিক সমাধান জানাবেন।

ব্রেন স্ট্রোকের রোগী বিশুদ্ধভাবে নামায পড়তে না পারলে কি তার নামাযের ফিদয়া আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১৩৩৫৮) : আমার বোন দুই বছর আগে ব্রেন স্ট্রোক করে। এরপর থেকে সে আর পূর্ণ জ্ঞান ফিরে পায়নি। অনেক কিছুই মনে রাখতে পারতো না। মাঝেমধ্যে আপন-জনদেরকেও চিনতে তার বেগ পেতে হত। নামাযের সময় হলে কেউ মনে করিয়ে দিলে অজু করে এসে নামাযে দাঁড়াতো। তবে কয় রাকাত পড়ছে, সিজদা কয়টি করছে মনে রাখতে পারতো না। অর্থাৎ শুদ্ধভাবে কখনও নামায পড়তে পারতো না। এভাবে দুই বছর অতিক্রম হওয়ার পর গত কিছুদিন আগে সে মারা যায়। জানতে চাচ্ছি, তার উক্ত দীর্ঘ সময়ের নামাযগুলোর হুকুম কী? এ নামাযগুলোর ফিদয়া দিতে হবে কি?

ঔষুধ খেয়ে স্রাব বন্ধ করে রমযানের রোযা রাখলে উক্ত রোযার হুকুম কী হবে?

প্রশ্ন (১৩৩১৯) : মহিলারা যদি রমযান মাসে কোনো ঔষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে ঋতুস্রাব বন্ধ রাখে তাহলে ওই দিনগুলোতে রোযা রাখতে পারবে কি? আর ‍এভাবে রোযা রাখলে উক্ত রোযার হুকুম কী হবে?

কিতাব ক্রয় করার জন্য টাকা নিয়ে উক্ত টাকা চিকিৎসা বাবদ খরচ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩০৯৬) : আমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করি। আমি কিছু কিতাব ক্রয় করার জন্য আমার এক আত্মীয়ের কাছে ৪০০০/- টাকা ঋণ চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে ঋণ দেওয়ার পরিবর্তে ৪০০০/- টাকা হাদিয়া দিয়েছেন এবং বলেছেন, এ টাকা তোমাকে হাদিয়া দিলাম কিতাব কেনার জন্য। কিন্তু এর দু’দিন পর একটি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে পায়ে আঘাত পাই। এর চিকিৎসা বাবদ উক্ত টাকা খরচ হয়ে যায়। এখন জানতে চাচ্ছি, উক্ত টাকা চিকিৎসা বাবদ খরচ করা কি আমার জন্য ঠিক হয়েছে?

যাকাত আদায়ের নিয়তে ঔষুধ কিনে দিলে কি যাকাত আদায় হবে?

প্রশ্ন (১৩০৮৪) : আমার একজন দরিদ্র প্রতিবেশী হাসপাতালে ভর্তি ছিল। আমি তাকে হাসপাতালে দেখতে যাই। তার নিকট টাকা না থাকায় সে ঔষধ কিনতে পারছিল না। তখন আমি যাকাত আদায়ের নিয়তে তাকে ঔষধ ও ফল কিনে দেই। জানার বিষয় হল, আমি তাকে যে ঔষধ ও ফল কিনে দিয়েছি তা যাকাত হিসাবে আদায় হয়েছে কি?

রোযা রেখে চোখে এবং নাকে ড্রপ ব্যবহার করলে কি রোযার কোনো ক্ষতি হবে?

প্রশ্ন (১৩০৬৪) : আমার নানু প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার নফল রোযা রাখেন। কিছুদিন আগে তিনি চোখের অপারেশন করিয়েছেন। তাতে ঘন ঘন ড্রপ ব্যবহার করতে হয়। জানার বিষয় হল, রোযা অবস্থায় চোখে ড্রপ ব্যবহার করলে রোযা নষ্ট হবে কি? অনুরূপ রোযা অবস্থায় নাকে ড্রপ ব্যবহার করলে রোযার কোনো ক্ষতি হবে কি?

ঔষুধের মাধ্যমে স্রাব বন্ধ করে রাখলে উক্ত সময়ের নামায-রোযার হুকুম কী?

প্রশ্ন (১৩০৫০) : বর্তমানে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে সাময়িকভাবে মাসিক স্রাব বন্ধ করে রাখা যায়। তাই অনেকে রমযান মাসের সবগুলো রোযা রাখার জন্য ঔষধ সেবনের মাধ্যমে স্রাব বন্ধ করে রাখে। বিশেষত হ্জ্ব চলাকালীন হায়েয আসলে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। তাই অধিকাংশ মহিলা হজ্বের সময়গুলোতে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে স্রাব বন্ধ করে রাখে, যেন হজ্বের আমলগুলো কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই সম্পাদন করা যায়। এজন্য হুযুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, ঔষধ সেবনের মাধ্যমে এভাবে ঋতুস্রাব বন্ধ করে রাখা কি জায়েয আছে? এ অবস্থায় কি সে নামায, রোযা ও তাওয়াফ ইত্যাদি আদায় করতে পারবে? যদি পারে তাহলে পরবর্তীতে এগুলো কাযা করা লাগবে কি না? দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

বুঝমান নাবালেগ বাচ্চাকে যাকাত দেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৯৮০) : কিছুদিন আগে ছোট এক শিশু আমার কাছে এসে তার চিকিৎসার জন্য সাহায্য চায়। তার বয়স আনুমানিক ৯-১০ বছর হবে। তাকে সহযোগিতার জন্য তার এক আত্মীয়ও তার সাথে ছিল। আমি তার করুণ অবস্থা দেখে খুব কষ্ট পাই এবং তার চিকিৎসার জন্য বড় অংকের যাকাতের টাকা দেওয়ার ইচ্ছা করি। কিন্তু পাশে বসা আমার বড় মামা বাধা দিয়ে বলেন, নাবালেগ বাচ্চাকে যাকাত দিলে যাকাত আদায় হয় না। জানার বিষয় হল, তার এ কথাটি কি ঠিক?

অসুস্থ অবস্থায় রোযা কাযা হওয়ার পর মারা গেলে কি উক্ত রোযার ফিদইয়া দিতে হবে?

প্রশ্ন (১২৯২৩) : আমার ছোট ভাই ২৫ রমযানে অ্যাক্সিডেন্টে মারাত্মকভাবে আহত হয়। প্রায় এক সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। এবং চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায়ই সে মারা যায়। তাই শেষের পাঁচটি রোযা রাখতে পারেনি। এখন জানার বিষয় হল, অসুস্থাতার কারণে রমযানের শেষের যে রোযাগুলো সে রাখতে পারেনি সেগুলোর ফিদইয়া আদায় করা কি তার উপর ওয়াজিব ছিল? দয়া করে জানাবেন।

ঋণগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে যাকাত দেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৯০৪) : আমার দুলাভাই একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। কিছুদিন আগে হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং চিকিৎসার জন্য অন্যের কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা ঋণ নেন এবং এর দ্বারা চিকিৎসা সম্পন্ন করেন। এখন তিনি সুস্থ হয়েছেন। কিন্তু ঐ ঋণ এখনও পরিশোধ করতে পারেননি। এখন আমি কি তাঁকে আমার যাকাতের টাকা দিতে পারব?

রোগীকে নির্দিষ্ট ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিনিময় গ্রহণ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৮২৩) : আমার একটি ফার্মেসি আছে। ফার্মেসিটা অনেক পুরনো বিধায় বহু লোকের সাথে আমার পরিচয় আছে। সে সুবাদে কোনো কোনো রোগী ডাক্তারের কাছে যাওয়ার ব্যাপারে আমার কাছে পরামর্শ চায়। আমিও তাদের নির্দিষ্ট ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেই। এতে আমার লাভ এই হয় যে, সে ডাক্তারের কাছে রোগীদের পাঠানোর কারণে ডাক্তার আমাকে তার ফি’র ৫% দিয়ে থাকে। এখন জানার বিষয় হল, এভাবে রোগীদেরকে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার বিনিময়ে প্রদত্ত কমিশনের টাকা গ্রহণ করা আমার জন্য বৈধ কি না?

হিন্দু পরিবারকে সাহায্য করলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন (১২৭৬৫) : আমাদের পাশের বাড়িতে এক হিন্দু পরিবার থাকে। আর্থিকভাবে তারা অসচ্ছল। খেটে খাওয়া মানুষ। গত কয়েকদিন আগে ঐ পরিবারের বড় ছেলে অসুস্থ হয়ে যায়। অফিস থেকে রাতে বাসায় ফিরলে আমার স্ত্রী বলল, বিপ্লব কুমারের বড় ছেলেটা খুব অসুস্থ। বেচারা গরিব মানুষ। হয়ত চিকিৎসাও করতে পারবে না। যদি একটু দেখে আসতেন। কথাটা খুব যৌক্তিক মনে হল। তাই বাজার থেকে কিছু ফলমূল ও শুকনো খাবার নিয়ে ছেলেটাকে দেখতে গেলাম। আর আসার সময় ছেলেটিকে ভালো ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা করানোর জন্য বেশ কিছু টাকাও দিয়ে এলাম। কিন্তু পরের দিন ফজর নামাযের পর আমার এক চাচাতো ভাই বলল, আপনি নাকি বিপ্লব কুমারের ছেলেকে ফলমূল ইত্যাদি নিয়ে দেখতে গেছেন এবং আর্থিক সাহায্যও করেছেন? আমি বললাম, হাঁ। সে বলল, তারা তো হিন্দু, মুশরিক। এরা তো ইসলাম ও মুসলমানদের শত্রু। আপনি অনেক বড় গুনাহ করেছেন। আপনার তওবা করা উচিত। তাই হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, তাদেরকে সহযোগিতা করায় আমার কি গুনাহ হয়েছে? এক্ষেত্রে শরীয়তের নির্দেশনা কী?

অসুস্থতার কারণে মাথায় ক্ষুর ব্যবহার করতে না পারলে ইহরাম থেকে হালাল হবে কিভাবে?

প্রশ্ন (১২৭৫৮) : আমি হজ্বের বিভিন্ন বইয়ে পড়েছি যে, হলকের দিন কারো মাথায় চুল না থাকলেও মাথায় ক্ষুর ঘুরাতে হয়। আমার মাথায় বিভিন্ন ধরনের গুটি থাকায় অনেক দিন যাবৎ আমি ডাক্তারের পরামর্শে ক্ষুর-কাঁচি কিছুই ব্যবহার করি না; বরং প্রতি দুই সপ্তাহ পর পর ঔষধ ব্যবহার করে চুল উঠিয়ে ফেলি। এখন হুযূরের কাছে জানতে চাই, আমার উক্ত রোগের কারণে কি মাথায় ক্ষুর না লাগানোর সুযোগ আছে?

রোগীর দেখাশোনা করার কারণে জুমার নামায পড়তে না পারলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন (১২৭৫০) : আমার চাচা অসুস্থ হওয়ার কারণে হাসপাতালে তার সাথে সারাক্ষণ থাকতে হচ্ছিল। তাই একদিন জুমার নামাযের সময় হয়ে যাওয়ার পরও জুমাতে শরীক হতে পারিনি। যোহর আদায় করতে হয়েছে। কারণ, তখন রোগীর কাছে রেখে যাওয়ার জন্য কাউকে পাইনি। এখন মুহতারামের কাছে জানার বিষয় হল, ঐদিন জুমার নামাযে শরীক না হওয়াটা কি অন্যায় হয়েছে?

চোখে ব্যান্ডেজ করলে অযুর বিধান কী হবে?

প্রশ্ন (১২৬৪৪) : আমাদের এক আত্মীয়ের দুই চোখে অপারেশন হয়েছে। বেশ বড় ধরনের অপারেশন। সাত দিনের আগে ব্যান্ডেজ খোলা হবে না এবং খোলার পর এক মাস পর্যন্ত ডাক্তার চোখে পানি লাগাতে নিষেধ করেছে। এমন অবস্থায় তার অযুর বিধান কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।

ওযরবশত রোযা না রাখতে পারলে কি ফিদইয়া দেওয়া যাবে?

প্রশ্ন (১২৫৮৮) : আমার মামা আমেরিকা প্রবাসী। তার দুটো কিডনী প্রায় অচল। তাকে এক দিন পরপর ডায়ালাইসিস করতে হয়। ডাক্তারের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি কেবল নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট খাবার গ্রহণ করতে পারেন। তার হাই প্রেসারও আছে। তাকে প্রতিদিন কিডনীর জন্য এবং হাই প্রেসারের জন্য বেশ কিছু ওষুধ খেতে হয়। গত রমযান মাসে সবাই নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি প্রথম রোযা রাখেন। সারাদিন রোযা রাখায় তিনি বেশ দুর্বল হয়ে পড়েন। বেশি সমস্যা হয়- নিয়ম মাফিক ওষুধ না খাওয়ার কারণে। এতে তার প্রেসার হাই হয়ে যায়। আর রমযান মাসে আমেরিকায় দিন দীর্ঘ (প্রায় ১৬/১৭ ঘণ্টা) হওয়ার কারণে কেবল রাতে ওষুধ খেলে হয় না। তাই বেশিরভাগ দিনই তার আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও তিনি রোযা রাখতে পারেননি। মাঝে খুব কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও ১/২টি রোযা তিনি রেখেছেন। আমার জানার বিষয় হল, তিনি কি তার রোযার পরিবর্তে ফিদইয়া দিতে পারবেন? আর ফিদইয়া দিলে কীভাবে আদায় করবেন।