ঋণের ফরম বিক্রি করে লাভ করা যাবে কি
প্রশ্ন (৮২৮০) : একটি সংঘঠন ঋণ দিয়ে থাকে। ঋণ নেওয়ার জন্য তাদের থেকে একটি ফরম নিতে হয়। টাকা কম নিলে ফরমের মূল্য কম থাকে। আর টাকা বেশি নিলে ফরমের মূল্য বেশি হয়। এই ফরম কিনে তাদের থেকে ঋণ নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৮২৮০) : একটি সংঘঠন ঋণ দিয়ে থাকে। ঋণ নেওয়ার জন্য তাদের থেকে একটি ফরম নিতে হয়। টাকা কম নিলে ফরমের মূল্য কম থাকে। আর টাকা বেশি নিলে ফরমের মূল্য বেশি হয়। এই ফরম কিনে তাদের থেকে ঋণ নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৮২৭৯) : আমার কাছে টাকা নেই। কিন্তু আমার হজ্ব করার ইচ্ছা। আমি যদি কারও থেকে ধার নিয়ে হজ্ব করি তাহলে কি আমার ফরজ হজ্ব আদায় হবে?
প্রশ্ন (৮১০৪) : আমি এক ব্যক্তি থেকে তিন বছর আগে এক লাখ টাকা ঋণ নিয়েছি। এখন তা পরিশোধ করব। আমি তাকে কিছু টাকা বাড়িয়ে দিতে চাচ্ছি। এটা কি আমার জন্য জায়েয হবে? এটা কি সুদ হবে?
প্রশ্ন (৮১০৩) : ঋণ পরিশোধ করার সময় যদি কেউ খুশি হয়ে ঋণদাতাকে হাদিয়া স্বরূপ কিছু দেয় তাহলে কি সে তা নিতে পারবে?
প্রশ্ন (৮০৭২) : এক ব্যক্তির কাছে আমি পঞ্চাশ হাজার টাকা পাই। সে এখন আমাকে তা না দিয়ে আমাকে তার ব্যবসার শেয়ার নিতে বলছে। সে একটা নতুন ব্যবসা খুলবে সেখানে। এটা কি জায়েয হবে?
প্রশ্ন (৭৯৮৪) : আমি নেসাব পরিমাণ মালের মালিক নই। আমি যদি কারো কাছ থেকে ঋণ নিয়ে হজ্ব করি, তাহলে আমার ফরয হজ্ব আদায় হবে কি?
প্রশ্ন (৭৯২৮) : আমি একটি হজ্ব এজেন্সী চালাই। অনেক সময় এমন হয় যে, যারা আমার এজেন্সীর মাধ্যমে হজ্বে যাবে তারা সময়মত টাকা পরিশোধ করতে পারে না। ফলে আমাকে হজ্বে যাওয়ার বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংক থেকে সুদের উপর ঋণ নিতে হয়। প্রশ্ন হল, এভাবে হজ্বের কাজের জন্য ব্যাংক থেকে সুদের উপর ঋণ নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৭৭০৪) : আমি এক ব্যক্তির কাছে ২০ হাজার টাকা পাই। সে গরিব হওয়ার কারণে আমার টাকা পরিশোধ করতে পারছে না। আমার প্রশ্ন হল, আমি তার ঋণ মাফের সময় আমার যাকাত আদায়ের নিয়ত করতে পারব কি?
প্রশ্ন (৭৬২০) : আমার উপর স্ত্রীর মহর আবশ্যক হয়ে আছে। বর্তমানে তা পরিশোধের সক্ষমতা আমার নেই। আবার আমি নেসাব পরিমাণ মালের মালিকও নই। এমতাবস্থায় আমি কি যাকাত খেতে পারব?
প্রশ্ন (৭৪৯৬) : আমরা কয়েকজন মিলে একটি ইসলামী সেবামূলক সংস্থা প্রতিষ্ঠিত করেছি। সদস্যদের জমাকৃত আমানত ও চাঁদার ৯০% নিজস্ব এবং ১০% কল্যাণ বা গোরাবা তহবিলে জমা হয়, যা দ্বারা সেবামূলক কাজ করা হয়। উক্ত সংস্থার টাকা সুদমুক্ত ঋণদান কর্মসূচি হিসেবে প্রতি হাজারের জন্য ২০ টাকা মূল্যের সংস্থায় ছাপানো ফরম ঋণগ্রহীতার নিকট বিক্রি করে উক্ত টাকা কল্যাণ তহবিলে জমা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইসলামি শরিয়তে উক্ত কর্মসূচি সঠিক কিনা?
প্রশ্ন (৭৪৮৬) : একটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সদস্য হতে হলে ১৫ বছর পর্যন্ত প্রত্যেক বছর জমা দিতে হবে ৮৬২০ টাকা। পাঁচ বছর পর বা দুই বছর পর পর ১৫ হাজার টাকা করে বোনাস দেবে। ১৫ বছর পর ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা দেবে। জানার বিষয় হলো উক্ত ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির কার্যক্রম কি শরিয়তসম্মত?
প্রশ্ন (৭৪৭৫) : যদি কোন ব্যক্তি ১০০০০ টাকা ধার নেয় এ শর্তের উপর যে, সে ঋণদাতাকে ছয় মাস পর ২০ মণ চাল দেবে। এখন উল্লিখিত সময় হওয়ার পর ঋণদাতার চালের প্রয়োজন না থাকায় বা ক্রয়-বিক্রয়ের ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য উভয়ের সম্মতিক্রমে চালের পরিবর্তে বাজার দর হিসেবে উক্ত চালের মূল্য গ্রহণ করা ঋণ দাতার জন্য জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৭৪৭১) : আমাদের একটি সোসাইটি রয়েছে। এর কার্যক্রম হলো, কোন গ্রাহক ঋণের আবেদন করলে তাকে নগদ অর্থ না দিয়ে ঋণগ্রহীতার ইচ্ছাধীন সোসাইটির পক্ষ থেকে মালামাল ক্রয় করে সোসাইটির জিম্মায় আনা হয়। যেমন ধান, চাল, সেলাইমেশিন ইত্যাদি। অতঃপর গ্রাহকের কাছে এক বছর বা দুই বছর মেয়াদি মাসিক কিস্তির মাধ্যমে বাকিতে কিছু বেশি মূল্যে বিক্রি করা হয়। উক্ত লেনদেনটি কি শরিয়তসম্মত?
প্রশ্ন (৭৪৭০) : আমাদের এলাকায় একটি সমিতি আছে, যাতে টাকা বিনিয়োগ এভাবে হয়ে থাকে যে, কোন সদস্য টাকা নিতে চাইলে তাকে টাকা না দিয়ে টাকার পরিবর্তে মাল ক্রয় করে দেয়া হয়। যেমন ৫০০০ টাকা নিতে চাইলে এর পরিবর্তে ৫০০০ টাকার মাল ক্রয় করে দেওয়া হয় এবং বলা হয় যে, তিন মাস পর ৫০০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০০ টাকা দিতে হবে। এখন জানার বিষয় হলো, উক্ত পদ্ধতিতে এভাবে বাকিতে এত বেশি করে বিক্রয় করা শরীয়তের দৃষ্টিতে জায়েজ আছে কি?
প্রশ্ন (৭৪৬১) : ঋণের পরিমাণ হিসেবে ফরম বানিয়ে ঋণগ্রহীতার সাথে সেই ফরমের মাধ্যমে চুক্তি করা যাবে? মেয়াদ শেষ হলে নতুন করে ফরম কিনতে হবে। আর ফরমের মূল্যও অনেক বেশি রাখা হয়।
প্রশ্ন (৭৪৫৭) : আমার উপর স্ত্রীর মহর আবশ্যক হয়ে আছে। বর্তমানে তা পরিশোধের সক্ষমতা আমার নেই। আবার আমি নেসাব পরিমাণ মালের মালিকও নই। এমতাবস্থায় আমি কি যাকাত খেতে পারব?
প্রশ্ন (৭৪৩৫) : আমার ভাই কিছুদিন আগে মারা গিয়েছে। তার ২ ছেলে, ৩ মেয়ে, মা ও স্ত্রী আছে। তাদের সম্পত্তি কীভাবে বণ্টিত হবে?
প্রশ্ন (৭৪০৬) : এক. আমি একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির ডাইরেক্টর। আমি প্রতিষ্ঠানকে দুঃসময়ে আশি লক্ষ টাকা ঋণ দিয়েছিলাম। এখন প্রতিষ্ঠান কিস্তিতে আমার ঋণের টাকা পরিশোধ করছে। আমি যেহেতু দুঃসময়ে সাহায্য করেছিলাম তাই আমার পাওনা পরিশোধ হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান আমাকে পুরস্কার স্বরূপ টাকা দিতে চাচ্ছে। এখন আমি এ টাকা নিতে পারব কিনা? দুই. আমাদের প্রতিষ্ঠানে ইসলামী আইনের খেলাফ কোনো কাজ করা হয় না। তবে আমরা যেহেতু বিদেশের সাথে ব্যবসা করি সেহেতু ব্যাংকের কাজ সাধারণ ব্যাংকের মাধ্যমে করা হয়। এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য আমি কী করতে পারি?
প্রশ্ন (৭১৮৯) : আমার চাচাত ভাই আমার কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে আমার কাছে একটি লিচু বাগান বন্ধক রেখেছে। এর ফল সেই ভোগ করে এবং বিক্রি করে। তবে আমাকে বলেছে, আমি চাইলে যখন তখন ইচ্ছা, লিচু পেড়ে খেতে পারব। আমার জন্য কি এই বাগান থেকে লিচু খাওয়া জায়েয হবে?
প্রশ্ন (৭১৮৮) : কেউ হজ্ব করতে না পারলে যে তার পক্ষ থেকে বদলি হজ্ব করা হয় এর কোন দলিল আছে কি?