মীরাস

কুরবানী সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১৩৮৮৫) : কয়েক বছর আগে আমাদের বাবা মারা যায়। বাবা মারা যাওয়ার পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বণ্টন করা হয়নি। অবশ্য বাবা খুব বেশি সম্পত্তি রেখে যাননি। আমরা তিন ভাই। মা জীবিত আছেন। আমরা তিন ভাই চাকুরি করি। প্রত্যেকের নিজস্ব কিছু কিছু সম্পদ আছে। কুরবানীর সময় আমরা তিনভাই মিলে মায়ের নামে একটি ছাগল কুরবানী করে থাকি। আমি জানতে চাই, এভাবে আমাদের কুরবানী করা সহিহ হবে কি?

স্ত্রী-সন্তানদের মাঝে সম্পত্তি বণ্টনের পদ্ধতি কী হবে?

প্রশ্ন (১৩৮৮১) : আমার এক স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে আছে। আমার কিছু স্থাবর সম্পত্তি, জমা-জমি ও বাড়িঘর আছে। এবং কিছু ঋণও আছে। এ অবস্থায় আমার উক্ত ওয়ারিশদের মধ্যে সহায় সম্পত্তি ইত্যাদি বণ্টন করে যেতে চাই। সামান্য নিজের নামে রাখতে ইচ্ছুক। এ অবস্থায় আমাকে শরয়ী আইন মোতাবেক কী করতে হবে? দয়া করে জানাবেন।

মাইয়্যেতের দাফনকার্য শেষে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩৮১২) : মায়্যেতের পরিধেয় কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য আসবাবপত্রের হুকুম কী? মাইয়্যেতের দাফনকার্য শেষ হলে কবরের পাশে অবস্থান করে কী কী আমল করা যেতে পারে?

সন্তান মা-বাবার অবাধ্য হলে কি মা-বাবা তাকে মিরাস থেকে বঞ্চিত করতে পারবে?

প্রশ্ন (১৩৭৮৭) : আমাদের তিন মেয়ে দুই ছেলে। ছোট মেয়ে আমাদের কথার অবাধ্য হয়ে একটি ছেলের সাথে পালিয়ে গিয়ে তাকে বিয়ে করে। বর্তমানে আমাদের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। এখন আমার প্রশ্ন হলো, এ ধরনের অবাধ্য সন্তান পিতামাতার সম্পত্তি থেকে মিরাস পাবে কি? পিতামাতার জন্য তাকে মিরাস থেকে বঞ্চিত করা বৈধ হবে কি?

মিরাছ বণ্টনের পদ্ধতি কী?

প্রশ্ন (১৩৫৫০) : আমার মা কিছুদিন আগে স্ট্রোক করে মারা যান। তার মালিকানায় ৬ শতক জমি ছিল। তাঁর ওয়ারিশগণ হল- ১. স্বামী ২. এক পুত্র ও ৩. দুই কন্যা। ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে এর বণ্টন কীভাবে হবে?

কোনো এক সন্তানের জন্য কারো কাছে টাকা রেখে মারা গেলে উক্ত টাকা কে পাবে?

প্রশ্ন (১৩৪৪৫) : আমার মা আমার ভাইয়ের জন্য এক লক্ষ টাকা এক মহিলার কাছে রেখেছেন। যখন রাখেন তখন আমাকে সাক্ষী করেছিলেন। মা কিছুদিন আগে মারা গেছেন। এখন জানতে চাচ্ছি, মা যার কাছে রেখেছিলেন সে মহিলা ঐ টাকা কাকে দিবে? এ টাকা কি আমার ভাইয়েরই প্রাপ্য? নাকি এটা মীরাস হিসেবে গণ্য হবে এবং সকল ওয়ারিস তাদের হিস্যা অনুযায়ী পাবে?

বাবা আর ছেলে একসাথে মারা গেলে তাদের মাঝে মিরাস বণ্টন করা হবে কিভাবে?

প্রশ্ন (১৩৩৯৬) : আমার বাবা এবং বড় ভাই একসাথে সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেন। কিন্তু কে আগে মারা গেছে তা আমরা সনাক্ত করতে পারিনি। আমার বড় ভাইয়ের একজন ছেলে ও এক মেয়ে আছে। জানার বিষয় হল, আমার বড় ভাই কি আমার বাবার সম্পত্তি থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে কোন অংশ পাবে? বর্তমানে মেডিকেল টেষ্ট করার মাধ্যমে মৃত্যুর সময়কাল জানা যায়। এভাকে মৃত্যুর সময়কাল জেনে মিরাস বণ্টন করলে কি তা সহিহ হবে?

কারো জিনিস চুরি করে ভোগ করলে সেগুলোর ক্ষতিপূরণ আদায় করবে কিভাবে?

প্রশ্ন (১৩৩৮২) : অতীতে আমি অন্যের গাছের ডাব, পুকুরের মাছ ইত্যাদি চুরি করে খেয়েছি। আল্লাহর মেহেরবানীতে আমার ভেতর দ্বীনী বুঝ এসেছে। তাই জানতে চাচ্ছি, আমি চুরির এই গুনাহ থেকে কীভাবে পরিত্রাণ পেতে পারি এবং ঐ পাওনাগুলোর ব্যাপারে কী করতে পারি?

মীরাস সূত্রে পাওয়া গাড়ির ভাড়া বণ্টনের পদ্ধতি কী হবে?

প্রশ্ন (১৩৩২৩) : আমরা দুই ভাই। বাবা মারা যাওয়ার পর আমরা মীরাস সূত্রে একটি মালবাহী কার্গো পাই। কার্গোটি আমরা ভাড়ায় খাটাই। কার্গোটির যাবতীয় কাজ-কারবার, দেখাশোনা, গ্রাহকদের সাথে কথাবার্তা সবকিছু আমি করি। আমাদের চুক্তি হল, যা আয় হবে তার ৪০% ভাইয়ের, বাকিটা আমার, আমাদের এই বণ্টন কি সহিহ?

মিরাসী সম্পদ বণ্টন হওয়ার আগে কি ওয়ারিশদের উপর হজ্ব ফরজ হবে?

প্রশ্ন (১৩২৯২) : আমার এক চাচা চার সন্তান রেখে মারা যায়। তার মিরাসী সম্পত্তি সন্তানদের মাঝে বণ্টন করলে প্রত্যেকের উপর হজ্ব ফরজ হবে। কিন্তু পারিবারিক জটিলতার কারণে এখনো সম্পদ বণ্টন করা হয়নি। এখন জানার বিষয় হল এ মুহূর্তে তাদের উপর হজ্ব ফরজ হবে কি?

মৃত ব্যক্তি ঋণ রেখে গেলে ওয়ারিসদের করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩১০৯) : বাবা মারা যাওয়ার পর আমরা ওয়ারিশসূত্রে ২০০০০/- টাকা ও ১৬ শতাংশ জমি পাই। সকল টাকা-পয়সা জায়গা-জমি ঠিক পেয়েছি। তবে একটি জমি নিয়ে আমাদের সমস্যায় পড়তে হয়, আব্বু আমাদেরকে এ ব্যাপারে কিছু বলে যাননি। তবে আমাদের এক চাচা থেকে এ ব্যাপারে জানতে পারি। আব্বু জীবিত থাকতেই জমিটি একজনের কাছে বন্ধক দিয়ে কিছু ঋণ নিয়েছিলেন। পরে এক উপযুক্ত খরিদ্দার পেয়ে ঋণদাতার সাথে এভাবে কথা হয় যে, ‘আমি অমুক তারিখের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করে দেব। আমাকে জমিটি এখনি বিক্রি করার জন্য দখলমুক্ত করে দেন।’ সে এতে রাজি হয় এবং আব্বু জমিটি বিক্রি করে দেন। কিন্তু আব্বু মৃত্যুর পূর্বে ঐ ঋণ পরিশোধ করেননি। আব্বু এ ব্যাপারে কোনো অসিয়তও করে যাননি। এখন হযরতের কাছে আমাদের কয়েকটি বিষয় জানার আছে- ১. আব্বুর এ ঋণ পরিশোধ করা আমাদের জন্য জরুরি কি? ২. ঋণ আদায় করলে আমরা জমিটির মালিক হব কি? ৩. অন্যের কাছে বন্ধক রাখা অবস্থায় জমিটি বিক্রি করা আব্বুর জন্য ঠিক হয়েছে কি? এভাবে বিক্রি করা জায়েয আছে কি?

কেউ মারা যাওয়ার পর মিরাসী সম্পত্তি ভাগ করার ক্ষেত্রে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩০৯৯) : নানা মারা যাওয়ার সময় অনেক সম্পদ রেখে যান। এখনো তা অবণ্টিত। আমার মামারা দুই ভাই। বড় মামা ঢাকায় থাকার কারণে গ্রামের জায়গা জমি দেখাশুনা করতে পারেন না। এদিকে ছোট মামা সব জমিতে চাষ করে নিজে একাই ভোগ করেন। গাছের ফল-ফলাদি সে একাই নেয়। এতদিন বড় মামা কিছু বলেননি। একদিন দু’জনের কথা কাটাকাটিতে বড় মামা বললেন, আমার দু’বছরের ৯০ আড়ি ধান, আর গাছের ফল-ফলাদির ৪০ হাজার টাকা দিয়ে দিতে হবে। ছোট মামা বলে, সবগুলো আমি দেখাশুনা করেছি। আপনি কিছু পাবেন না। পরবর্তীতে তারা দু’জনই অনুতপ্ত হয়। এখন তারা জানতে চাচ্ছে- ১. সব জমিতে ছোট মামার চাষ করাটা অন্যায় হলে এখন তার কী করতে হবে? ২. চাষের এক অংশ বড় মামাকে দিতে হবে কি না? ৩. ছোট মামা ফল-ফলাদি কিছু খেয়েছেন কিছু বিক্রি করেছেন। এ বিষয়ে কী করতে হবে?

স্ত্রী বেঁচে থাকাস্থায় তার বোনকে বিবাহ করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৯৯০) : আমাদের এলাকায় এক ব্যক্তি আপন শ্যালিকাকে বিয়ে করে ঢাকায় গিয়ে আত্মগোপন করে। এক মাস পরে তার স্ত্রী এই খবর শুনে স্ট্রোক করে মারা যায়। গত পাঁচ মাস পূর্বে ঐ ব্যক্তি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। এরপর পারিবারিকভাবে সমঝোতার মাধ্যমে তাদেরকে গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। লোকটির আগের সংসারে দুই ছেলে এবং এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। তার বাবা-মা অনেক আগেই ইন্তেকাল করেছেন। এখন তার ভাইয়েরা চাচ্ছে, তার সন্তানদের মাঝে তার সম্পত্তি বণ্টন করে দিতে। আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব বললেন, দ্বিতীয় স্ত্রী সম্পত্তি থেকে কোনো অংশ পাবে না। তাই হযরতের নিকট বিষয়টির সঠিক সমাধান কামনা করছি। সাথে সাথে তাদের সম্পত্তির বণ্টন-হিসাবও জানতে চাচ্ছি।

মিরাসের সম্পত্তি কিভাবে বণ্টন করবে?

প্রশ্ন (১২৯১৫) : কিছু দিন আগে আমাদের এলাকার এক মুরুব্বী মারা যান। তার এক স্ত্রী ও প্রাপ্তবয়স্ক তিন ছেলে আছে। তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্যে বাড়ি, ফসলী জমি এবং বাজারে একটি দোকান আছে। তার জীবদ্দশায় তার বড় ছেলে ঐ দোকান পরিচালনা করত। তার মৃত্যুর পর বড় ছেলে দাবি জানিয়েছে যে, বাজারের ঐ দোকান তাকে দিয়ে দিলে অন্য সব সম্পত্তি থেকে সে মীরাসের হক ছেড়ে দিবে। অন্য ওয়ারিশগণও এতে সম্মত হয়েছে। জানার বিষয় হল, উপরোক্ত বিষয়টি কি শরীয়তের দৃষ্টিতে জায়েয হবে? এবং সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট সম্পত্তির বণ্টন পদ্ধতি কী হবে?

জীবদ্দশায় সন্তানদেরকে সমানহারে সম্পদ বণ্টন করে দেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৭৮৪) : আমার আব্বুর দুই সংসার। প্রথম সংসারে আমরা দুই ভাই তিন বোন। আর দ্বিতীয় সংসারে এক ভাই দুই বোন। আব্বুর সম্পদ বলতে ১০ শতাংশের একটা বাড়ি। আর ২০ শতাংশের একটি জমি। আব্বু মারা যাওয়ার প্রায় দুই বছর আগে এ পুরো সম্পত্তি সবার মাঝে বণ্টন করে দিয়ে যান। দুই আম্মুকে এক শতাংশ করে দুই শতাংশ বাড়ি দিয়েছেন। আর বাকি সম্পত্তি আমাদের ৮ ভাই-বোনের মাঝে সমানহারে বণ্টন করে দিয়েছেন। অর্থাৎ প্রত্যেকে ১ শতাংশ করে বাড়ি এবং আড়াই শতাংশ করে জমি পেয়েছে। আর আব্বুর জীবদ্দশাতেই আমরা নিজেদের জায়গায় ঘর করি এবং গাছ-গাছালি লাগিয়ে দেই। এখন মুফতী সাহেবের কাছে প্রশ্ন হল, এভাবে সম্পত্তি বণ্টনের পর আব্বুর জীবদ্দশায় কি আমরা তার মালিক হয়েছি? নাকি আব্বুর মৃত্যুর পর তা মিরাসী সম্পত্তি হিসাবে পুনরায় বণ্টন করতে হবে? আর ভাই-বোনদেরকে এভাবে সমানহারে সম্পত্তি দেওয়া কি ঠিক হয়েছে?

সন্তান পিতার অবাধ্য হলে কি তাকে মিরাছ থেকে বঞ্চিত করা যাবে?

প্রশ্ন (১২৭৩১) : এক ব্যক্তির সন্তানরা তার দেখাশোনা করে না এবং তাকে খরচাদিও দেয় না। তাই সে চাচ্ছে তার সম্পদ থেকে সন্তানদেরকে বঞ্চিত করে সমুদয় সম্পত্তি স্ত্রীর নামে লিখে দিতে। এটা জায়েয হবে কি না?

কোনো মুসলিম ধর্ম ত্যাগ করলে কি তার মুসলিম ওয়ারিশরা তার থেকে মিরাছ পাবে?

প্রশ্ন (১২৭০১) : জনৈক মুসলমান ব্যক্তি মারা যাওয়ার চার মাস পূর্বে কাদিয়ানীদের দাওয়াত পেয়ে কাদিয়ানী হয়ে গিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ। এ অবস্থাতেই সে মারা গেছে। আল্লাহ তাআলা তার স্ত্রী, সন্তানদের ও অন্যান্য আত্মীয়দের এ ফিতনা থেকে রক্ষা করেছেন। এখন জানার বিষয় হল, লোকটির মুসলমান ওয়ারিশরা কি তার থেকে মীরাস পাবে? অনেকে বলে, ‘কাফেররা যেমন মুসলমানদের থেকে মীরাস পায় না তেমনি মুসলমানরাও কাফেরদের থেকে মীরাস পায় না। অতএব উক্ত লোকটির মুসলমান ওয়ারিশরা তার থেকে মীরাস পাবে না।’ তাদের এ কথা কতটুকু সঠিক? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

ব্যাংকে জমা টাকার উপর যে সুদ আসে তার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৬৬৮) : আমার বাবার ব্যাংক একাউন্টে দশ লাখ টাকা ছিল। কিছুদিন আগে তিনি মারা যান। আমার জানার বিষয় হলো, বাবার একাউন্টে থাকা এই টাকার উপর যে সুদ জমা হয়েছে তা কি আমরা মিরাছ হিসেবে নিতে পারব?

মিরাছ বণ্টন সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৪৫) : আমার পিতা সরকারি চাকরি করতেন। তিনি গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। চাকরির কাগজপত্রে আমার মাকে নমিনি করা আছে। এখন প্রশ্ন হল, সরকার থেকে প্রাপ্ত সকল টাকা-পয়সার মালিক আমার আম্মা হবেন কি না? যদি না হন তবে এসব টাকা-পয়সা কিভাবে বণ্টিত হবে? উল্লেখ্য, আমরা তিন বোন এক ভাই। তিন বোন সাবালিকা এবং বিবাহিতা। ভাইটি নাবালেগ (বয়স তিন বছর)। আর আমাদের বাড়ি এবং বাড়ির জিনিসপত্র বণ্টন করার নিয়ম কী?

স্বামী মৃত্যুশয্যায় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর মারা গেলে কি স্ত্রী মিরাছ পাবে?

প্রশ্ন (১২৪৭১) : কয়েকদিন আগে আমাদের এলাকার একটি লোক মারা যান। লোকটি অনেক ধনী ছিলেন। তিনি দুই বিবাহ করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী থেকে তার দুই ছেলে তিন মেয়ে আর দ্বিতীয় স্ত্রী থেকে এক ছেলে। লোকটি মারা যাওয়ার পাঁচ মাস পূর্বে স্ট্রোক করে প্যারালাইজড হয়ে গিয়েছিলেন। অসুস্থ হওয়ার পর থেকে প্রথম স্ত্রীর ঘরেই থাকতেন। তখন প্রথম স্ত্রী ও তার সন্তানেরা তাকে তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পরামর্শ দেয়। তাদের কথা অনুযায়ী তিনি কয়েকজন আত্মীয়-স্বজনের সামনে তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে ডেকে বলেন, ‘আজ থেকে তুমি তালাক’। তালাক দেওয়ার দেড় মাস পর তিনি মারা যান। এখন তার দ্বিতীয় স্ত্রী মিরাসের সম্পত্তি পাবে কি না এ নিয়ে আমাদের এলাকায় বিভিন্ন ধরনের কথা চলছে। তাই মুহতারামের নিকট দুটি বিষয়ে সঠিক সমাধান চাচ্ছি : ১. লোকটির দ্বিতীয় স্ত্রী মিরাসের সম্পত্তি পাবে কি না? ২. প্রথম স্ত্রী ও তার সন্তানদের দাবি হল, লোকটি ‘আজ থেকে তুমি তালাক’ এ কথা বলে বায়েন তালাকের নিয়ত করেছিল। তাই সে সম্পত্তি পাবে না। জানার বিষয় হচ্ছে, ‘তুমি তালাক’- বলে বাইন তালাকের নিয়ত করা যায় কি না?