জামাতে শরীক হওয়ার আগে ইমামের সিজদার আয়াতের তিলাওয়াত শুনলে কি সিজদা দিতে হবে?

প্রশ্ন (১২৩৮৬) : আমাদের মসজিদে প্রতি শুক্রবার ফজরের নামাযে ইমাম সাহেব সূরা আলিফ-লাম-মিম সাজদা তিলাওয়াত করেন। গত শুক্রবার ফজরের নামায শুরু হলে আমি মসজিদের এক কোণে সুন্নত পড়ছিলাম। এ সময় ইমাম সাহেব সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সিজদা করেন। আমি শরীক হতে পারিনি। এরপর আমার সুন্নত পড়া শেষ হলে উক্ত রাকাতে রুকুর আগে আমি ইমামের সাথে শরীক হই। জানার বিষয় হল, আমার কি পরবর্তিতে তিলাওয়াতে সিজদা আদায় করতে হবে?

মুসল্লি ইমাম সাহেবকে বিতির নামাযের তৃতীয় রাকাতে পেলে বাকি নামায কিভাবে আদায় করবে?

প্রশ্ন (১২৩৮০) : রমযান মাসে একদিন বিতির নামাযের তৃতীয় রাকাতে ইমামের সাথে রুকুতে শরীক হই। ফলে দুআ কুনূত পড়ার আর সুযোগ হয়নি। এমতাবস্থায় ছুটে যাওয়া নামায আদায় করার সময় শেষ রাকাতে আমার কী করণীয়? আমি কি দুআ কুনূত পড়ব, না পড়ব না? কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করেছি। একেকজন একেকরকম বলেছে। ফলে বিষয়টি আমার কাছে অস্পষ্ট হয়ে গেছে। তাই সঠিক মাসআলাটি জানালে কৃতজ্ঞ হব।

চার রাকাত বিশিষ্ট ফরয নামাযের প্রথম বৈঠকে ইমাম না বসে দাঁড়িয়ে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২৩৬৩) : যোহরের নামাযে ইমাম সাহেব দ্বিতীয় রাকাতে না বসে দাঁড়িয়ে যান। পিছন থেকে কয়েকজন মুকতাদী ‘আল্লাহু আকবার’ বলে লোকমা দেন। তখন ইমাম সাহেব বসে পড়েন এবং তাশাহ্হুদ পড়ার পর শেষে সাহু সিজদা করেন। আমার জানার বিষয় হল, এই নামায কি শুদ্ধ হয়েছে, নাকি তা আবার পড়তে হবে?

মসজিদে গিয়ে ইমাম সাহেবকে রুকুতে পেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২৩৫৮) : আমি অনেক সময় ইমামকে রুকুতে গিয়ে পাই। প্রশ্ন হল তখন আমি ছানা পড়ে রুকুতে যাবো না সরাসরি তাকবির বলে রুকুতে চলে যাবো? এ সময় ছানা পড়ার বিধান কী?

ঈদের খুতবা চলাকালীন মুসল্লিরা কি ইমামের সাথে তাকবীর বলতে পারবে?

প্রশ্ন (১২৩৫১) : ঈদের নামাযের খুতবার সময় আমাদের মসজিদে একটি বিষয় লক্ষ্য করা যায়। তা হল খুতবার মাঝে ইমাম সাহেব যখন তাকবীর বলেন তখন অনেক মুসল্লিও তাঁর সাথে সাথে উচ্চস্বরে তাকবীর বলেন। আমি এক আলেমকে বলতে শুনেছিলাম, খুতবার সময় একেবারে চুপ থাকতে হয়। জানার বিষয় হল, এই বিধান কি শুধু জুমার খুতবার সাথেই খাস, নাকি ঈদের খুতবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য? সঠিক বিষয়টি জানালে উপকৃত হব।

ঈদের নামাযে অতিরিক্ত তাকবীর বলার সময় কি হাত বাঁধতে হবে?

প্রশ্ন (১২৩৫০) : গত কুরবানী ঈদে এক মসজিদে ঈদের নামায পড়তে যাই। নামাযের আগে ইমাম সাহেব দ্বিতীয় রাকাতে অতিরিক্ত তাকবীর আদায়ের তরীকা বলেন, প্রথম দুই তাকবীরের পর হাত উঠিয়ে বেঁধে নিবে, তৃতীয় তাকবীরের পর হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিবে এবং চতুর্থ তাকবীর বলতে বলতে রুকুতে যাবে। অথচ আমাদের মহল্লার মসজিদের ইমাম সাহেব প্রথম দুই তাকবীরেও হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে বলেন। এক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি কোনটি জানালে উপকৃত হব।

পণ্যে ত্রুটি ধরা পড়লে এর বিনিময়ে বিক্রেতার কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ নেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৪৬) : আমি কিছুদিন আগে একটি ঘড়ি ক্রয় করি। কেনার পর ত্রুটি ধরা পড়লে আমি ঘড়িটি ফেরত দিতে যাই। তখন বিক্রেতা বলেন- আমি আপনাকে কিছু টাকা ফেরত দিচ্ছি, আপনি ঘড়িটি রেখে দিন। আমি কিছু টাকা ফেরত নিয়ে ঘড়িটি রেখে দিই। পরে ইমাম সাহেবকে বিষয়টি বললে তিনি বলেন- ত্রুটির কারণে কিছু টাকা ফেরত নিয়ে ঘড়িটি রেখে দেওয়া বৈধ হয়নি। আপনি ঘড়ি রাখতে চাইলে বিক্রেতা থেকে কোনো টাকা ফেরত নিতে পারবেন না। অন্যথায় ঘড়িটিই ফেরত দিতে হবে। হুযুরের কাছে জানার বিষয় হল, কিছু টাকা ফেরত নিয়ে ঘড়ি রেখে দেওয়া বৈধ হয়েছে কি না? আর ইমাম সাহেবের কথা ঠিক কি না? মাসআলাটির সমাধান জানালে খুবই উপকৃত হব।

মুক্তাদির জন্য ইমাম সাহেবের ইক্তিদা করার বিধান কি?

প্রশ্ন (১২৩৪৫) : কিছুদিন আগে আমরা কয়েকজন জামাতের সাথে যোহর নামায আদায় করছিলাম। নামাযের প্রথম রাকাতে হঠাৎ দেখি ইমাম সাহেব তাকবীর বলে সিজদায় যাচ্ছেন। আমি সিজদায়ে তিলাওয়াত ভেবে ইমাম সাহেবের সাথে সিজদায় শরীক হই। পরে বুঝতে পারলাম যে, আসলেই তা সিজদায়ে তিলাওয়াত ছিল। তখন আমার পাশে যে মুসল্লী ভাই ছিলেন তিনি সিজদায় যাননি। পরে তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি তিলাওয়াতে সিজদা শুনিনি, তাই যাইনি এবং আপনার যাওয়াটাও ঠিক হয়নি। আমার না করাটাই ঠিক। জানার বিষয় হল, ইমামের সাথে আমার সিজদায় শরীক হওয়া কি ঠিক হয়েছে? আর তার কথা কি ঠিক?

ফরয নামাযের পর ইমাম সাহেব কোন জায়গায় সুন্নত আদায় করবে?

প্রশ্ন (১২৩৪৪) : আমি মকতব বিভাগের একজন শিক্ষক। আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব কখনো না থাকলে আমি নামায পড়িয়ে থাকি। আমার একটি বিষয় জানার ছিল। তা হল, কোনো কোনো মসজিদে দেখি যে, ইমাম সাহেব যোহর, মাগরিব, এশা এই ওয়াক্তগুলোতে ফরয নামাযের পর সুন্নত পড়ার জন্য মেহরাব থেকে পিছনে চলে আসেন। আবার কেউ জায়নামাযের একপাশে দাঁড়িয়ে সুন্নত পড়েন। আর কেউ নিজের জায়গায় দাঁড়িয়েই সুন্নত পড়েন। এক্ষেত্রে আসলে সঠিক নিয়ম কী?

রুকু-সিজদায় মুক্তাদী তাসবীহ শেষ করার আগে ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২৩৩৭) : আমি একজন বয়স্ক মানুষ। ইমামের একেবারে সাথে সাথে উঠা-বসা করতে অনেক কষ্ট হয়। তাই অনেকসময় রুকু-সিজদার তাসবীহ তিন বার পড়ার আগেই ইমাম সাহেব তাকবীর বলে উঠে যান। এমতাবস্থায় আমি কি তাসবীহ তিন বার পূর্ণ করে উঠব নাকি তিন বার পূর্ণ না হলেও ইমাম সাহেব তাকবীর বললে উঠে যাব?

মায়্যেতকে গোসল করানো সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৩১৯) : মুহতারাম, গত ২৩শে আগস্ট আমার এক নিকটাত্মীয় মারা যায়। সেই মায়্যেতকে গোসল করানোর জন্য আমি ও গ্রামের ইমাম সাহেবসহ আরেকজন ছিলাম। গোসল শেষে ইমাম সাহেব হালকাভাবে চেহারাটা মুছে মায়্যেতকে অযু করিয়ে দিলেন। তারপর পুরো চেহারা ভালোভাবে না মুছিয়েই দাফন করাতে চাইলেন। তখন আমি বললাম পুরো শরীর মুছবেন না কেন? কারণ আমার জানা মতে পূর্ণ শরীর মুছতে হবে। তখন ইমাম সাহেব বললেন, রাসূল (সা.) একবার এক সাহাবী মারা যাওয়ার পর জান্নাতের পানি দ্বারা তাকে গোসল করালেন এবং শরীর থেকে টপ টপ করে পানি পড়ছিল। এমতাবস্থায় নবী (সা.) তাকে দাফন করে দিলেন। (অর্থাৎ কাফন পরিয়ে) দিলেন। সুতরাং পুরো শরীর ভালোভাবে মুছার প্রয়োজন নেই। এখন হুযুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল- ১. মায়্যেতকে গোসলের পর অযু করানো যাবে কি না? না হলে এর বিধান কী? ২. মায়্যেতকে গোসলের পর পুরো শরীর ভালোভাবে মুছতে হবে কি না? এবং প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ইমাম সাহেবের কথা সহিহ কি না? দলীলসহ জানালে উপকৃত হব।

যাকাতের উপযুক্ত ব্যক্তিকে নেসাব পরিমাণ বা তার থেকে বেশি সম্পদ যাকাত দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৩০৫) : আমার উপর প্রতিবছর যে পরিমাণ যাকাত আসে তার অর্ধেক আমি ঢাকায় নিজ এলাকায় বিতরণ করি। আর বাকি অর্ধেক আমার গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেই। বাড়ির মসজিদের ইমাম সাহেব তা গ্রামে যাকাতের উপযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বণ্টন করে দেন। গতবার যখন যাকাতের টাকা গ্রামে পাঠাই তখন এক ব্যক্তিকে (যিনি নিজ প্রয়োজনে সাহায্য চাওয়ার জন্য আমার কাছে ঢাকায় এসেছিলেন) ৭৫ হাজার টাকা দিতে বলি। এটা শুনে ইমাম সাহেব বলেন, একজনকে ৪০ হাজার টাকার বেশি যাকাত দেয়া জায়েয নেই। তৎক্ষণাৎ বিষয়টি আমার না বুঝে আসায় আমি তাকীদ করলে তিনি সেই ব্যক্তিকে ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে দেন। তাই হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি যে, কোনো ব্যক্তিকে (যদিও সে যাকাতের উপযুক্ত হয়) ৪০ হাজার টাকার বেশি যাকাত দেওয়া কি আদৌ জায়েয নেই? আমার উপরোক্ত ৭৫ হাজার টাকার যাকাত কি আদায় হয়েছে?

ইমাম সাহেব জানাযার নামাযে ভুলে তাকবীর ৫টি বলে ফেললে কি নামায হবে?

প্রশ্ন (১২৩০২) : কয়েকদিন আগে এক জানাযার নামাযে ইমাম সাহেব পাঁচটি তাকবীর দিয়ে জানাযার নামায পড়ান। পঞ্চম তাকবীরের সময় মুক্তাদীগণ অনেকেই ইমামের সাথে তাকবীর বলেন আর কেউ কেউ বিরত থাকেন। জানার বিষয় হল, আমাদের উক্ত নামাযের কী হুকুম? এছাড়া ইমাম সাহেব ভুলে চারের অধিক তাকবীর বললে মুক্তাদীদের করণীয় কী?

মাসবুক ব্যক্তি ইমামের প্রথম সালামের পর দাঁড়াবে নাকি দ্বিতীয় সালামের পর?

প্রশ্ন (১২২৯৪) : মসজিদে প্রায় প্রতি ওয়াক্তেই অনেক মানুষ মাসবুক হয়। অনেককে দেখি ইমাম সাহেব প্রথম সালাম ফিরানোর সাথে সাথেই বাকি নামায আদায়ের জন্য দাঁড়িয়ে যান। আবার অনেকে দ্বিতীয় সালামের পর দাঁড়ান। জানার বিষয় হল, মাসবুক বাকি নামায আদায়ের জন্য কখন দাঁড়াবে?

জামাতে শরীক হওয়ার আগে ইমামের সিজদার আয়াতের তিলাওয়াত শুনলে কি সিজদা দিতে হবে?

প্রশ্ন (১২২৮৯) : আমাদের মসজিদে প্রতি শুক্রবার ফজরের নামাযে ইমাম সাহেব সূরা আলিফ-লাম-মিম সাজদা তিলাওয়াত করেন। গত শুক্রবার ফজরের নামায শুরু হলে আমি মসজিদের এক কোণে সুন্নত পড়ছিলাম। এ সময় ইমাম সাহেব সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সিজদা করেন। আমি শরীক হতে পারিনি। এরপর আমার সুন্নত পড়া শেষ হলে উক্ত রাকাতে রুকুর আগে আমি ইমামের সাথে শরীক হই। জানার বিষয় হল, আমার কি পরবর্তিতে তিলাওয়াতে সিজদা আদায় করতে হবে?

ইতিকাফ ভেঙে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২২৮৮) : গত রমযানে আমি মহল্লার মসজিদে সুন্নত ইতিকাফ করেছিলাম। পঁচিশ রোযার দিন এক ভাইয়ের সাথে কথা বলতে বলতে বেখেয়ালে মসজিদের বাইরে চলে যাই। পরে ইমাম সাহেব হুযূরকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আপনার ইতিকাফ ভেঙে গেছে। আপনাকে এখন পূর্ণ দশ দিনের ইতিকাফ কাযা করতে হবে। জানার বিষয় হল, ইমাম সাহেবের কথা কি সঠিক? সুন্নত ইতিকাফ ভেঙে গেলে কি পূর্ণ দশ দিনের ইতিকাফই কাযা করতে হয়?

মুক্তাদির তাশাহ্হুদ শেষ হওয়ার আগে ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে গেলে মুক্তাদি কি করবে?

প্রশ্ন (১২২৮০) : জামাতে নামায আদায় করা অবস্থায় মাঝে মাঝে আমার তাশাহহুদ শেষ হওয়ার আগেই ইমাম সাহেব তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে যান। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী? আমি কি তাশাহহুদ পূর্ণ করে দাঁড়াব, না তাশাহহুদ অসমাপ্ত রেখেই ইমামের সাথে দাঁড়িয়ে যাব?

মুক্তাদির তাশাহ্হুদ শেষ হওয়ার আগে ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে গেলে মুক্তাদি কি করবে?

প্রশ্ন (১২২৭৯) : জামাতে নামায আদায় করা অবস্থায় মাঝে মাঝে আমার তাশাহহুদ শেষ হওয়ার আগেই ইমাম সাহেব তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে যান। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী? আমি কি তাশাহহুদ পূর্ণ করে দাঁড়াব, না তাশাহহুদ অসমাপ্ত রেখেই ইমামের সাথে দাঁড়িয়ে যাব?

জানাযার নামাযে ইমাম সাহেব মাইয়্যেতের কোন অংশের বরাবর দাঁড়াবে?

প্রশ্ন (১২২৭৩) : আমাদের এলাকায় একটি বিষয় নিয়ে বেশ কিছুদিন যাবৎ মতবিরোধ চলে আসছে। তা হল, জানাযার নামাযে ইমাম সাহেব মায়্যেতের কোন বরাবর দাঁড়াবেন? সিনা বরাবর, নাকি কোমর বরাবর? এবং এক্ষেত্রে পুরুষ-মহিলার কেনো পার্থক্য হবে কি না? মুফতী সাহেবের কাছে এ বিষয়ের সঠিক সমাধান কামনা করছি।

বিতিরের নামাযে মাসবুক হলে কিভাবে তা আদায় করব?

প্রশ্ন (১২২৫৯) : রমযান মাসে একদিন খতম তারাবীর ২০ রাকাত শেষ হওয়ার পর আমি ইস্তিঞ্জায় যাই। অযু করে এসে ইমামের সাথে বিতিরের দুই রাকাত পাই। কিন্তু ভুলবশত অবশিষ্ট এক রাকাত পড়ার সময় দুআয়ে কুনূত না পড়েই নামায শেষ করে ফেলি। ইমাম সাহেবকে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, নামায হয়ে গেছে। জানার বিষয় হল, তিনি কি সঠিক বলেছেন? ইমামের সাথে যে রাকাতে আমি দুআয়ে কুনূত পড়েছি সেটা আমার দ্বিতীয় রাকাত ছিল। এমতাবস্থায় কি আমার নাযায সহিহ হয়েছে?