মাইয়্যেতের দাফনকার্য শেষে করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৩৮১২) : মায়্যেতের পরিধেয় কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য আসবাবপত্রের হুকুম কী? মাইয়্যেতের দাফনকার্য শেষ হলে কবরের পাশে অবস্থান করে কী কী আমল করা যেতে পারে?
প্রশ্ন (১৩৮১২) : মায়্যেতের পরিধেয় কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য আসবাবপত্রের হুকুম কী? মাইয়্যেতের দাফনকার্য শেষ হলে কবরের পাশে অবস্থান করে কী কী আমল করা যেতে পারে?
প্রশ্ন (১৩৭৫১) : মৃত ব্যক্তির কবরের পাশে পাথরে বা খোদাই করে বিভিন্ন উক্তি, আয়াত, দুআ বা বাণী লিখে রাখার হুকুম কী? এটা কি শরীয়তসম্মত? তাছাড়া কবর সনাক্ত করার জন্য কবরে নাম ও ঠিকানা লিখে রাখতে দেখা যায়। শরীয়তের দৃষ্টিতে এর বিধান কী?
প্রশ্ন (১৩৭৩৫) : সেদিন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় দেখলাম একটি কবরের সামনে কয়েকজন মানুষ দাঁড়িয়ে কুরআন তিলাওয়াত করে কবর যিয়ারত করছে। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, কবর সামনে রেখে কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩৭২৫) : হুজুরের কাছে আমি জানতে চাচ্ছিলাম যে, কবর যিয়ারতের সময় কোন দিকে ফিরে দুআ-দরূদ পড়ব?
প্রশ্ন (১৩৬৭০) : আমাদের বাড়ির পিছনে একটি জমিতে ১৯৬৫ সালে আমার দাদাকে কবর দেওয়া হয়। বর্তমানে যথাযথভাবে সুরক্ষা সম্ভব হচ্ছে না। এখন কবরটিকে ভেঙে তার উপর বসবাসের উদ্দেশ্যে কোনো ঘর নির্মাণ করা বৈধ হবে কি? দয়া করে জানাবেন।
প্রশ্ন (১৩৬৫২) : মহিলা মায়্যেতকে যদি খাটিয়া না ঢেকে জানাযার নামায আদায় করা হয় তাহলে নামায হবে কি? আর মহিলা মায়্যেতকে কবরে রাখার সময় কবর ঢাকার হুকুম কী?
প্রশ্ন (১৩৬২৬) : আমাদের এলাকায় অনেকেই এই কথা বলে যে, মৃত ব্যক্তিকে যদি কবরে কেবলার দিক ছাড়া অন্যদিকে মুখ করে শোয়ানো হয় এটা তার ঈমানবিহীন মৃত্যুর আলামত। এ কথার ভিত্তি কী?
প্রশ্ন (১৩৫৯৬) : কিছুদিন আগে আমার প্রতিবেশী মারা যায়। তাকে কবর দেওয়ার সময় আমি এবং অন্য দুজন কবরে নামলাম। আমরা মাইয়েতকে কবরে রেখে উপরে বাঁশ দিয়ে দিয়েছি। তখন একজন আলেম এসে জিজ্ঞাসা করলেন, লাশ কিবলামুখী করা হয়েছে কি? আমরা বললাম, না। এরপর তিনি বাঁশ সরিয়ে মাইয়েতকে পুরোপুরি ডান দিকে কাত করে দিলেন। এখন জানার বিষয় হলো, আমরা মাইয়েতকে কবরে রেখে বাঁশ দিয়ে দেওয়ার পর উক্ত ব্যক্তির পুনরায় তাকে ডান দিকে ফিরিয়ে দেওয়া কি ঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (১৩৫৬৪) : আমাদের মহল্লার মসজিদের অযুখানাটি ছোট হওয়ায় নামাযের সময় খুব ভীড় হয়। আমাদের মসজিদ সংলগ্ন একটি পারিবারিক কবরস্থান আছে। মসজিদ কমিটি চাচ্ছে কবরস্থানের উপর ছাদ দিয়ে অযুখানা নির্মাণ করতে। জানার বিষয় হলো, পারিবারিক কবরস্থানের উপর মসজিদের অযুখানা নির্মাণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩৪২৮) : আমার নানা ঢাকায় থাকতেন। তিনি কিছুদিন আগে ইন্তেকাল করেন। তার গ্রামের বাড়ি সিলেট। গ্রামে তিনি একটি মসজিদ ও মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেগুলোর মুতাওয়াল্লি তিনিই ছিলেন। তাই কিছুদিন পরপরই সেখানে যেতেন। এবং কয়েক দিন সেখানে থেকে আসতেন। তার খুব আশা ছিল, উক্ত মাদরাসা-মসজিদের কাছেই তার কবর হবে। সন্তানদেরকে এ কথা বলেছেনও বিভিন্ন সময়। তো তার ইন্তিকালের পর তার দাফনের বিষয় নিয়ে মতভেদ হয়। গ্রামের লোকদের দ্বীনী মুরুব্বি হওয়ায় তাদের চাওয়া ছিল তাকে গ্রামে দাফন করা হোক। তাই তাকে সিলেটে নিয়েই দাফন করা হয়। কিন্তু আমি জানতাম, লাশ এত দূর নিয়ে দাফন করা মাকরূহে তাহরীমী ও নাজায়েয। এখন জানার বিষয় হল, উপরোক্ত অবস্থায় তাকে গ্রামে নিয়ে দাফন করাটা শরীয়তের দৃষ্টিতে ঠিক হয়েছে কি?
প্রশ্ন (১৩৩৫৫) : আমার পাঁচ বছরের একটা ছোট্ট ছেলে ছিল। আমি তাকে অনেক বেশি মুহাব্বত করতাম। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা হঠাৎ করে সে অসুস্থ হয়ে মারা যায়। দাফন কাফন হয়েছে আজ চার পাঁচ দিন। কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই আমি ও তার আম্মু স্বপ্নে দেখি, সে বলছে, আব্বু আমি জীবিত। তুমি আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও। এখন আমরা সন্দেহে পড়ে গেছি, আসলে সে জীবিত না মৃত। এখন হুযুরের নিকট জানতে চাচ্ছি, আমি কি তার কবর খনন করে দেখে নিতে পারব আসলে জীবিত না মৃত? শরীয়ত কি আমাকে এটার অনুমতি দেয়?
প্রশ্ন (১৩৩৫১) : আমাদের গ্রামের মসজিদের একটি ওয়াকফকৃত জায়গা আছে। উক্ত জায়গায় মৃত ব্যক্তিদের কবর দেওয়ার জন্য কয়েকজন অভিভাবক মসজিদে ১ হাজার করে টাকা দান করে সেখানে মৃত ব্যক্তিদের দাফন করেছে। এখন আমাদের মসজিদ সম্প্রসারণের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। কিন্তু মৃতের অভিভাবকেরা কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করতে দিচ্ছে না। এখন হযরতের নিকট প্রশ্ন হল, এ ক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কী? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হবো।
প্রশ্ন (১৩৩৩৮) : কোনো মুসলমানকে দাফন করার জন্য কোন তরীকায় কীভাবে কতুটুকু কবর খনন করবে? কবর খননের সুন্নত তরীকা কী? জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১৩৩০৫) : আমাদের মসজিদে জায়গা স্বল্পতার কারণে শুক্রবারে মুসল্লিদের জায়গা হয় না। তাই আমরা মসজিদের ছাদে নামাযের ব্যবস্থা করতে চাচ্ছি। বিন্তু সমস্যা হলো ছাদে উঠার জন্য সিঁড়ি বানানোর জায়গা নেই। মসজিদের সামনে একটি কবরস্থান আছে। এমতাবস্থায় নিচে ফাঁকা বা কবর রেখে উপরে দ্বিতীয় তলার জন্য সিঁড়ি বানানো যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩৩০৪) : আমাদের মসজিদে জায়গা স্বল্পতার কারণে শুক্রবারে মুসল্লিদের জায়গা হয় না। তাই আমরা মসজিদের ছাদে নামাযের ব্যবস্থা করতে চাচ্ছি। বিন্তু সমস্যা হলো ছাদে উঠার জন্য সিঁড়ি বানানোর জায়গা নেই। মসজিদের সামনে একটি কবরস্থান আছে। এমতাবস্থায় নিচে ফাঁকা বা কবর রেখে উপরে দ্বিতীয় তলার জন্য সিঁড়ি বানানো যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩২৭৪) : আমাদের বাড়ির পেছনে আমাদের মা-বাবা এবং দাদা-দাদির কবর আছে। সেখানে আমাদের বংশের মুরুব্বীদের বেশ পুরোনো কিছু কবর আছে। সেগুলো অন্তত ৭০/৮০ বছরের পুরোনো হবে। কবরের জায়গার পাশেই আমাদের একটি বাগান আছে। আমরা চাচ্ছি, কবরগুলো যেহেতু অনেক পুরোনো হয়ে গেছে তাই সেগুলোকে বাগানের অন্তর্ভুক্ত করে নিতে। শরীয়তের দৃষ্টিতে এ বিষয়ের সঠিক বিধান কী? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৩১৭০) : আমাদের কবরস্থানের মাটি বেশ নরম। কবরস্থানের পাশে খাল আছে। বেশি বৃষ্টি হলে কবরের উপরের মাটি পানির সাথে গড়িয়ে খালে পড়ে যায়। এতে কবরগুলো গর্ত হয়ে যায়। এবার রমযানে অনেক বৃষ্টি হওয়ার কারণে আমার বাবা ও দাদার কবর দুটো এমন হয়ে গিয়েছিল। তাই আমি অন্য জায়গা থেকে কিছু মাটি এনে কবর দুটো ভরাট ও উচুঁ করে দিচ্ছিলাম। একজন মুরুব্বী এটা দেখে বললেন, পুরনো কবরে নতুন করে মাটি ভরাট করা জায়েয নেই। জানতে চাচ্ছি এ ব্যাপারে সঠিক মাসআলা কী? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৩১৬০) : আমাদের এলাকায় একটি বড় ওয়াক্ফকৃত কবরস্থান আছে। আমাদের এলাকার লোকদের জন্য চার ভাগের এক ভাগ জায়গাই যথেষ্ট। তাই মুতাওয়াল্লী সাহেব চাচ্ছেন উক্ত অবশিষ্ট জায়গাতে গাছ রোপণ করতে এবং উক্ত কবরস্থানে অনেক লম্বা লম্বা ঘাস থাকার কারণে তা বিক্রি করতে চাচ্ছেন। এদিকে কিছু আলেম বলেছেন, কবরস্থানের ঘাস কাটা মাকরূহে তাহরীমী। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় দ্বন্দ্ব চলছে। এখন হুযুরের কাছে জানার বিষয় হল, ১. উক্ত কবরস্থানে গাছ লাগানো এবং তা কাটা জায়েয হবে কি? ২. ঘাস কাটা জায়েয হবে কি? যদি জায়েয হয় তাহলে তা নিলামে (বিক্রি) করা যাবে কি? ৩. গাছ বা ঘাস বিক্রি করে কোন খাতে ব্যয় করতে হবে? কবরস্থানের খাত ছাড়া অন্য খাতে তা ব্যয় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩০২২) : আমাদের এলাকায় লাশ দাফন শেষে কবরের উপর পানি ছিটিয়ে দেয়া হয়। আমার জানার বিষয় হল, এ কাজটি কি শরীয়তসম্মত? এ সংক্রান্ত সঠিক মাসআলাটি জানানোর অনুরোধ রইল।
প্রশ্ন (১২৯৮৩) : অনেক জায়গায় প্রচলন আছে যে, বিশেষ কেউ মারা গেলে তাকে কবর দেওয়ার পর বা পরবর্তীতে বিশেষ কোনো উপলক্ষে তার আত্মীয়-স্বজন ও অন্যান্যরা এসে তার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কিছু সময় নীরবতা পালন করে এবং ফুলের মালা, ফুলের তোড়া কবরের উপর বা কবরের পাশে রাখে। হুযুরের কাছে জানতে চাই, মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে তার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন এবং তার কবরের উপর বা কবরের পাশে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা কতটুকু কুরআন-হাদিস সম্মত? দলীল-প্রমাণসহ জানানোর অনুরোধ রইলো।