ইস্তিঞ্জায় যাওয়ার আগে কি বিসমিল্লাহ পড়তে হবে?
প্রশ্ন (১৩৮৪৩) : ইস্তিঞ্জায় যাওয়ার আগে বিসমিল্লাহ পড়া কি সুন্নত? দলিলসহ জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১৩৮৪৩) : ইস্তিঞ্জায় যাওয়ার আগে বিসমিল্লাহ পড়া কি সুন্নত? দলিলসহ জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১৩৮৩১) : গত রমযানে একদিন আমি বিতর নামায পড়াতে গিয়ে ভুলবশত দুআয়ে কুনূত না পড়ে রুকুতে চলে যাই। পেছন থেকে সাথে সাথে একজন লোকমা দিলে আমি তৎক্ষণাৎ উঠে দুআয়ে কুনূত পড়ি এবং নামায শেষে সাহু সিজদা দেই। সালামের পর মুসল্লিদের কেউ কেউ বলল, সাহু সিজদা দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। কারণ আমাদের দুআয়ে কুনূত ছুটেনি এবং রুকুতে গিয়েও তিন তাসবীহ পরিমাণ বিলম্ব হয়নি। হুজুরের কাছে জানতে চাই, তাদের কথা কি ঠিক? আমার জন্য কি সিজদায়ে সাহু করা ঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (১৩৮৩০) : আমাদের বাসার পাশে একটি বড় মাদরাসা আছে। আমি সবসময় মাদরাসার মসজিদে নামায আদায় করি। আমি প্রতিদিনই দেখি যে, মাদরাসার কিছু ছাত্র মাগরিবের আযানের ৫-১০ মিনিট আগে মসজিদে এসে দু হাত তোলে মোনাজাত করে। এর আগে কাউকে আমি এভাবে মোনাজাত করতে দেখিনি। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, এ সময়ে মুনাজাত করার কথা কি কোনো কিতাব বা হাদিসে আছে? এ ব্যাপারে দলিল-প্রমাণসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৩৮১২) : মায়্যেতের পরিধেয় কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য আসবাবপত্রের হুকুম কী? মাইয়্যেতের দাফনকার্য শেষ হলে কবরের পাশে অবস্থান করে কী কী আমল করা যেতে পারে?
প্রশ্ন (১৩৮০৮) : এবার রমযানে একদিন আমি বিতরের তৃতীয় রাকাতে ইমামের সাথে শরিক হই এবং ইমামের সাথে দুআয়ে কুনূতও পড়ি। পরে যখন বাকি নামায একাকী আদায় করি তখন তৃতীয় রাকাতে গিয়ে সংশয়ে পড়ে যাই যে, আবার দুআয়ে কুনূত পড়তে হবে কি না? পরে না পড়েই নামায সমাপ্ত করি। জানার বিষয় হল, এভাবে নামায আদায় করাতে আমার নামায শুদ্ধ হয়েছে কি?
প্রশ্ন (১৩৮০১) : আমি হিন্দু ধর্মের অনুসারী ছিলাম। আনুমাণিক পাঁচ বছর আগে আল্লাহ তাআলা আমাকে ইসলাম গ্রহণের তাওফীক দিয়েছেন। স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে সবাই আলহামদু লিল্লাহ ইসলাম গ্রহণ করেছে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আমার বাবা-মা এবং অন্যান্য আত্মীয়, যারা অমুসলিম অবস্থায় মারা গেছে, তাদের জন্য খুবই দুঃখ ও আফসোস হয়। পরকালে তাদের মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করতাম। এ ব্যাপারে ইমাম সাহেবের সাথে আলোচনা করলে তিনি বললেন, তাদের জন্য এভাবে দুআ করা জায়েয হবে না। তাই জানার বিষয় হল, আসলেই কি তাদের জন্য দুআ করা জায়েয হবে না?
প্রশ্ন (১৩৭৫১) : মৃত ব্যক্তির কবরের পাশে পাথরে বা খোদাই করে বিভিন্ন উক্তি, আয়াত, দুআ বা বাণী লিখে রাখার হুকুম কী? এটা কি শরীয়তসম্মত? তাছাড়া কবর সনাক্ত করার জন্য কবরে নাম ও ঠিকানা লিখে রাখতে দেখা যায়। শরীয়তের দৃষ্টিতে এর বিধান কী?
প্রশ্ন (১৩৭৩৯) : অনেক আলেমকে দুআর সময় বলতে শুনি, হে আল্লাহ! অমুকের রূহের মাগফিরাত করুন। আসলে ‘অমুকের রূহের মাগফিরাত করুন’ হবে, নাকি ‘হে আল্লাহ! অমুককে মাফ করে দিন’ কোনটি সঠিক?
প্রশ্ন (১৩৭২৫) : হুজুরের কাছে আমি জানতে চাচ্ছিলাম যে, কবর যিয়ারতের সময় কোন দিকে ফিরে দুআ-দরূদ পড়ব?
প্রশ্ন (১৩৭১২) : বিতর নামায আমরা কোন নিয়মে পড়ব? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১৩৬৮৬) : শেষ বৈঠকে মুকতাদীর দরূদ শরীফ বা দুআ মাসূর শেষ হওয়ার আগেই যদি ইমাম সাহেব সালাম ফিরিয়ে ফেলে তাহলে মুকতাদীর করণীয় কী? দুআ-দরূদ শেষ করে সালাম ফিরাবে নাকি শেষ করার পূর্বেই ইমামের সাথে সালাম ফিরাবে?
প্রশ্ন (১৩৬২৭) : আমি একটি কিতাবে পড়েছি, বিতরের নামাযে দুআ কুনূতের পর দরূদ শরিফ পড়া মুস্তাহাব এবং ঐ সময়ে দরূদ শরিফ পড়লে শেষ বৈঠকে দরূদ শরিফ পড়তে হবে না। জানতে চাই, উক্ত বিতাবের কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৩৫৭০) : বিতর নামাযে কোন দুআ কুনূত পড়ব? অনেকে বলে, আমরা যে দুআ কুনূত পড়ি- )اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِي عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلاَ نَكْفُرُكَ، وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَفْجُرُكَ، اللَّهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ، وَلَكَ نُصَلِّي وَنَسْجُدُ، وَإِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ، نَرْجُو رَحْمَتَكَ وَنَخْشَى عَذَابَكَ، إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ ( সেটি সঠিক নয়। তারা অপর একটি দুআ কুনূত পড়তে বলে। আসলে কোনটি সঠিক?
প্রশ্ন (১৩৪৯৪) : আমার দুআ কুনূত মুখস্থ নেই। এখন বিতরের তৃতীয় রাকাতে দুআ কুনূতের সময় আমি কী পড়ব?
প্রশ্ন (১৩৪৫৭) : আম্মু ঋতুস্রাবের দিনগুলোতেও বিভিন্ন মাসনুন দুআ পড়েন। আম্মুর দেখাদেখি আমরাও এ সময়গুলোতে মাসনুন দুআসমূহ আদায় করি। কিন্তু একজন বলল, মেয়েদের জন্য এ সময়ের দুআ-দরূদ পড়া কিংবা যিকির-আযকার করা কোনোটিই জায়েয নেই। জানতে চাচ্ছি, এই কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৩৪৩৩) : রমযান মাসে আমি একদিন তারাবীর নামায শেষ করে ইস্তিঞ্জার প্রয়োজনে মসজিদ থেকে বের হই। অযু করে ফিরে এসে আমি ইমাম সাহেবকে বিতরের তৃতীয় রাকাতে পাই। আমি তখন জামাতে শরিক হই। ইমাম সাহেব যখন তাকবীর বলে দুআ কুনূত পড়েন তখন আমিও তার সাথে দুআ কুনূত পড়ি। এরপর ইমাম সাহেব তৃতীয় রাকাত শেষ করে সালাম ফিরালে আমি দাঁড়িয়ে অবশিষ্ট দু রাকাত পূর্ণ করি। তাতে পুনরায় আর দুআ কুনূত পড়িনি। নামায শেষে একজন ব্যক্তি আমাকে বলল, আপনার নামায আদায় হয়নি। কেননা প্রথমবার আপনি যখন ইমামের সাথে দুআ কুনূত পড়েছেন তা ছিল আপনার প্রথম রাকাত। তাই আপনার তৃতীয় রাকাতে দুআ কুনূত পড়া আপনার জন্য ওয়াজিব ছিল। সুতরাং ইচ্ছাকৃত ওয়াজিব ত্যাগ করার কারণে আপনার নামায নষ্ট হয়ে গেছে। হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, ঐ ব্যক্তির কথা কি ঠিক আছে?
প্রশ্ন (১৩৪৩০) : মাঝেমধ্যে বিতর নামাযের তৃতীয় রাকাতে আমি দুআ কুনূত না পড়ে ভুলে রুকু করে ফেলি। এখন আমি জানতে চাই, এমন হলে আমার করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৩৪১৬) : একবার বিতরের নামাযের ৩য় রাকাতে ভুলে দুআয়ে কুনূত না পড়েই রুকু করতে যাচ্ছিলাম। সামান্য ঝুঁকামাত্রই দুআর কথা স্মরণ হয়। তাই দাঁড়িয়ে দুআয়ে কুনূত পড়ি। এরপর সিজদায়ে সাহু ছাড়াই নামায শেষ করি। জানতে চাই, আমার নামায কি সহিহ হয়েছে?
প্রশ্ন (১৩৩৮৮) : কেউ আত্মহত্যা করে মারা গেলে তার জন্য তার আত্মীয়-স্বজনেরা দুআ করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১৩২৫২) : আমাদের বাড়ির পাশে কিছু হিন্দু বসবাস করে। একদিন তাদের একজন আমাদের একটি উপকার করলে আমি বলি, আল্লাহ তোমাকে দীর্ঘায়ু করেন। আমার ভাগিনা এ কথা শুনতে পেয়ে বললেন, অমুসলিমের জন্য কি দুআ করা যায়? আমি তার জবাবে কিছু বলতে পারিনি। জানতে চাই, অমুসলিমের জন্য দুআ করার বিধান কী? কোন দুআ করা যাবে এবং কোন দুআ করা যাবে না। বিস্তারিত জানাবেন।