যিকির

সন্ধ্যায় পোকামাকড় তাসবীহ পড়ার কারণে কি ঝাড়ু দেওয়া যাবে না

প্রশ্ন (৮৬৯৯) : একদিন সন্ধ্যাবেলা আমি ঘর ঝাড়ু দিচ্ছিলাম। আমার ছোট ভাইয়ের গৃহ শিক্ষক বললেন, সন্ধ্যায় পোকামাকড় তাসবীহ পাঠ করে। কাজেই সন্ধ্যায় ঝাড়ু দেওয়া যাবে না। এতে তাদের কষ্ট হয়। জানতে চাচ্ছি, তার বক্তব্য কি সঠিক?

সেজদা আদায়ে বিলম্ব হলে কি সাহু সেজদা দিতে হবে

প্রশ্ন (৮৪১৭) : আমার একবার নামাজে রুকু থেকে দাঁড়ানোর পর বেখেয়ালে সেজদায় যেতে একটু বিলম্ব হয়ে গিয়েছে। আমি সেজদায়ে সাহু দিয়েছি। আমার উপর কি সাহু সেজদা আবশ্যক ছিল?

গাড়িতে ভ্রমণের সময় গান চলাকালে কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে কি

প্রশ্ন (৭৫১৩) : গাড়িতে ভ্রমণের সময় কোনো কোনো গাড়িতে গান ছেড়ে দেওয়া হয়। গান শোনা থেকে বাঁচার জন্য আমি কুরআন তেলাওয়াত করতে থাকি। আমার প্রশ্ন হলো, গান চলাকালীন কুরআন তেলাওয়াতের কারণে কি কুরআনের অসম্মান হবে?

তাশাহহুদ পড়ে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পড়লে কি সাহু সেজদা দিতে হবে

প্রশ্ন (৭১৩৮) : আমি আজকের জোহরের ফরজ নামাজে দুই রাকাত পড়ে যখন তাশাহহুদ পড়ি তখন ভুলে তাশাহহুদের পর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পড়ে ফেলি। কিন্তু সাহু সেজদা দিইনি। আমার কি নামাজ হয়েছে? দয়া করে দ্রুত জানাবেন।

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ একশ বার পড়লে কি দুনিয়া পায়ের নিচে লুটিয়…

প্রশ্ন (৭০১৫) : একটি বইয়ে নিম্নোক্ত হাদিসটি পেলাম। ‘এক ব্যক্তি নবি করিম (সা.)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করল ইয়া রাসূলাল্লাহ! দুনিয়া আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং আমার নিকট আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। তখন নবি করিম (সা.) বললেন, তুমি ফেরেশতাদের দরুদ এবং মানবজাতির এই তাসবীহ দ্বারা কেন কল্যাণ অর্জন কর না, যার মাধ্যমে মানুষকে রিযিক প্রদান করা হয়? লোকটি নিবেদন করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা কি? তিনি এরশাদ করেন, ‘‘তুমি সুবহে সাদিক হতে ফজরের নামায আদায় করা পর্যন্ত একশত বার سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم পাঠ করিও। দেখবে দুনিয়া তোমার পায়ে লুটিয়ে পড়বে। এর প্রত্যেকটি শব্দ দ্বারা আল্লাহ তাআলা একজন করে ফেরেশতা সৃষ্টি করবেন, যে কিয়ামত পর্যন্ত তার তসবীহ পাঠ করতে থাকবে এবং তুমি এর সওয়াব পেতে থাকবে।’ এই হাদিসটি কি সহিহ?

দোয়ায়ে কুনুত না পড়ে রুকুতে গিয়ে উঠে পড়লে কি সেজদায়ে সাহু দিতে হবে

প্রশ্ন (৬৯৩৮) : আমি এক মসজিদে তারাবি পড়াচ্ছি। গতকাল বিতির নামাজ পড়ানোর সময় দোয়ায়ে কুনুত না পড়ে রুকুতে চলে যাই। মুসল্লিরা তাকবীর দেওয়ার সাথে সাথে উঠে যাই। তিন তাসবীহ পরিমাণও দেরি হয়নি। যেহেতু তিন তাসবীহ পরিমাণ দেরি হয়নি সেহেতু নামাজ শেষে সাহু সেজদা দিইনি। আমার কি নামাজ হয়েছে?