মুয়াজ্জিন ছাড়া অন্য লোক ইকামত দিতে পারবে কি
প্রশ্ন (৬৪৪৯) : মুয়াজ্জিন আজান দেওয়ার পর অন্য লোক ইকামত দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৬৪৪৯) : মুয়াজ্জিন আজান দেওয়ার পর অন্য লোক ইকামত দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৬৪২৯) : জুমআর আজানের পর জুমআর প্রস্তুতি গ্রহণ ছাড়া বাকি সব কাজ নিষিদ্ধ হয়ে যায়। জানতে চাচ্ছি, কেউ যদি জুমআর প্রথম আজানের পর গোসল করতে যায় তাহলে তার এ কাজটি কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে?
প্রশ্ন (৬২৭২) : কিছুদিন আগে আমি এক গ্রামে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে এক মসজিদে মাইক না থাকায় সেখানকার লোকেরা একই ওয়াক্তের নামাজের জন্য কয়েকবার আজান দিয়ে থাকে। জানতে চাচ্ছি, তাদের এ কাজটি কি বৈধ হচ্ছে?
প্রশ্ন (৬২৫৮) : একটি বইয়ে পেলাম, হাদিসে আছে, আজানের সময় কথা বললে ঈমান চলে যাওয়ার আশংকা দেখা দেয়। জানতে চাচ্ছি, এটা কি আসলেই হাদিস?
প্রশ্ন (৬২৪৩) : কিছুদিন আগে এক মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। সেখানের মুসল্লীরা ‘ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ’ বলার সময় নামাজের জন্য দাঁড়ায়। এর আগ পর্যন্ত বসে থাকে। কিন্তু আমি একামত শুরু হওয়ার সাথে সাথেই দাঁড়িয়ে গিয়েছিলাম। জানতে চাচ্ছি, আমার কাজটি কি ঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (৬২০৯) : আমি ঢাকার এক মাদরাসায় আবাসিক থেকে পড়াশোনা করি। প্রতি বছর ভর্তির সময় দুইদিনের জন্য মাদরাসায় যাওয়া হয়। এরপর আবার বাড়ি চলে আসি। এর এক সপ্তাহ পর ক্লাস শুরু হলে একেবারে চলে আসি। জানতে চাচ্ছি, ভর্তির সময় যে দুইদিনের জন্য যাওয়া হয় তখন কি আমি মুসাফির হব?
প্রশ্ন (৬০৯৩) : অনেককে দেখি, ভূমিকম্পের সময় আজান দিতে। জানতে চাচ্ছি, ভূমিকম্পের সময় আজান দেওয়া কি শরিয়ত সম্মত?
প্রশ্ন (৬০৮৩) : ফজরের সময় গোসল ফরজ থাকা অবস্থায় মসজিদের টাংকিতে ছিল না। তাই গোসল করা ছাড়াই আজান দেই। জানতে চাচ্ছি, আজান কি আদায় হয়েছিল? উক্ত ক্ষেত্রে করণীয় কী ছিল?
প্রশ্ন (৫৯৫৩) : কেবলামুখী হয়ে আজান দেওয়া কি জরুরি?
প্রশ্ন (৫৯৪৪) : আজান চলাকালে সালাম দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৫৯৪৩) : আজান চলাকালে কেউ যদি কাউকে সালাম দেয় তাহলে তার জবাব দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৫৯৩৭) : কেউ যদি কেবলামুখী না হয়ে অন্যদিকে ফিরে আজান দেয় তাহলে কি পুনরায় আবার আজান দিতে হবে?
প্রশ্ন (৫৯৩৪) : মুয়াজ্জিন সাহেব যদি ‘হাইয়া আলাস সালাহ’-এর আগে ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’ আগে বলে ফেলেন, তাহলে পুনরায় আজান দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৫৬৮৫) : কিছুদিন আগে আমাদের মসজিদের মুয়াজ্জিন সাহেব বাড়ি গিয়েছিলেন। তার অনুপস্থিতিতে এক ব্যক্তি আজান দিত। কিন্তু একদিন আসরের নামাজে ভুলে কেউ আজান দেননি। আজান দেওয়া ছাড়াই ইমাম সাহেব নামাজ পড়িয়ে ফেলেন। তিনি মনে করেছিলেনেআজান দেওয়া হয়েছে। জানতে চাচ্ছি, সেদিনের নামাজ কি শুদ্ধ হয়েছিল?
প্রশ্ন (৫৬৩৮) : মুয়াজ্জিন সাহেব যদি আজান দিতে গিয়ে ভুল করেন তাহলে তার করণীয় কী? পুনরায় আবার আজান দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৫৫৭০) : মুসাফির যদি জুমআর আজান শুনে তাহলে কি তার উপর জুমআর নামাজ আবশ্যক হয়ে যায়?
প্রশ্ন (৫৪১৭) : আজানের সময় একাধিক মসজিদের আজান যদি পরপর হয় তাহলে প্রত্যেকটির জবাব দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৫৪০০) : আমি একদিন সময় আছে মনে করে তাহাজ্জুদের নামাজে দাঁড়াই। প্রথম রাকাতের রুকুতে যাওয়ার আগেই আজান হয়ে যায়। আমি যথারীতি নামাজ শেষ করি। জানতে চাচ্ছি, আমার সেদিনের নামাজটি কি শুদ্ধ হয়েছিল?
প্রশ্ন (৫৩৬২) : কোনো ব্যক্তি যদি ঘরে একাকি নামাজ আদায় করে তাহলে তার জন্য ইকামত দেওয়া কি জরুরি?
প্রশ্ন (৫৩৪৮) : আমি একদিন তাহাজ্জুদের নামাজ শুরু করি। এক রাকাত পড়ার পর ফজরের আজান দিয়ে দেয়। আমি যথারীতি নামাজ শেষ করি। জানতে চাচ্ছি, আমার সেদিনের নামাজটি কি ফজরের সুন্নত হিসেবে গণ্য হবে?