অনুসন্ধান

কসমের কাফ্ফারা।

প্রশ্ন (১২০৭৫) : একদিন মাহফিলে টিভি দেখার ভয়াবহতা সম্পর্কে একজন আলেম থেকে আলোচনা শুনি। সেদিন থেকেই টিভি দেখা ছেড়ে দিই এবং কসম করি যে, ভবিষ্যতে কখনো টিভি দেখব না, দেখলে তিন হাজার টাকা সদকা করব। কিছুদিন আগে এক বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গেলে তার সাথে টিভি দেখা হয়ে যায়। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, আমাকে কি তিন হাজার টাকাই সদকা করতে হবে? নাকি কসমের কাফ্ফারা হিসেবে ১০ জন গরিবকে খাওয়ালেও চলবে? সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।

দুআয়ে ইউনুস পড়ার মান্নত করলে কি তা আবশ্যক হয়ে যায়?

প্রশ্ন (১২০৭৪) : কিছুদিন আগে আমার ছোট ভাই গাছ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। তখন আমি মান্নত করেছিলাম সোয়া লক্ষবার দুআয়ে ইউনুস পড়ব। এখন আমার জন্য একাকী সোয়া লক্ষবার দুআয়ে ইউনুস পড়াটা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। তাই মুহতারামের নিকট জানতে চাচ্ছি, আমার জন্য একাকী পড়া জরুরি নাকি পরিবারের সকলে মিলে পড়লেও মান্নত পুরা হয়ে যাবে?

মাতাল অবস্থায় স্ত্রীকে তালাক দিলেকি তালাক পতিত হয়?

প্রশ্ন (১২০৭৩) : আমার এক প্রতিবেশী প্রায়ই মদ খায়। এক রাতে সে মাতাল হয়ে বাড়ি আসে এবং তার স্ত্রীকে খুব মারধর করে তাকে বলে, ‘যা আজ থেকে তুই তালাক?’ পরের দিন সে ঘুম থেকে উঠে লজ্জিত হয়। তার স্ত্রী এখন তার থেকে আলাদা থাকছে। এখন তারা পুনরায় ঘর-সংসার করতে চায়। হুযুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, এ অবস্থায় তার স্ত্রীর উপর তালাক পতিত হয়েছে কি না? পতিত হলে তাদের ঘর-সংসার করার কোনো সুযোগ আছে কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।

স্ত্রীকে তালাকের অধিকার দেওয়ার পর কি তা ফিরিয়ে নেওয়া যায়?

প্রশ্ন (১২০৭২) : এক বছর হল আমার বিবাহ হয়েছে। বিয়ের সময় আমার স্বামী আমাকে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে (আমি যখনই চাই তখনই) তালাক গ্রহণ করার অধিকার দিয়েছিলেন। বিয়ের পর আমি নিজেকে শ্বশুর বাড়ির সাথে কোনভাবেই মানিয়ে নিতে পারছি না। আর অন্যদিকে আমার স্বামীর আচার-আচরণও ভালো নয়। তাই আমি তালাক গ্রহণের প্রাপ্ত অধিকার বলে তালাক গ্রহণ করতে চাইলে তিনি বলেন-আমি তোমাকে যে অধিকার দিয়েছিলাম তা ফিরিয়ে নিলাম। এখন তোমার তালাক গ্রহণের অধিকার নেই, আর আমিও তোমাকে তালাক দেব না। জানার বিষয় হল, আমার তালাক গ্রহণের অধিকার কি শেষ হয়ে গেছে? এখন বিবাহ বিচ্ছেদের উপায় কী? সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।

তায়াম্মুম সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২০৭১) : আমি কয়েকদিন খুব অসুস্থ ছিলাম। তাই ডাক্তার আমাকে পানি ব্যবহার করতে নিষেধ করেছিল। তখন আমি তায়াম্মুম করে নামায আদায় করতাম। এর মধ্যে একদিন আমার গোসল ফরয হয়। যেহেতু আমার পানি ব্যবহার করা নিষেধ তাই তায়াম্মুম করেই নামায আদায় করি। এখন আমি সুস্থ হয়ে গেছি। আমি জানতে চাচ্ছি, এখন আমি কি করব? আমি কি শুধু ওযু করেই নামায পড়তে পারব নাকি ঐ ফরয গোসল করতে হবে? সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।

ইমাম সাহেবের জন্য মেহরাবের ভিতরে দাঁড়িয়ে নামায পড়ার হুকুম কী?

প্রশ্ন (১২০৭০) : বর্তমানে অধিকাংশ মসজিদেই দেখা যায় ইমাম সাহেব মেহরাবের ভিতরে দাঁড়িয়ে নামায পড়ান। আমি জানতে চাচ্ছি, ইমাম সাহেবের জন্য মেহরাবের ভিতরে দাঁড়িয়ে নামায পড়ার হুকুম কী?

নিজের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে যায় এমন মান্নত করা উচিত নয়।

প্রশ্ন (১২০৬৯) : কয়েক বছর আগে একদিন আমার ছেলে বাহির থেকে বাসায় ফিরছিল। তখন তার ফেরার পথে কোথাও গেঞ্জাম চলছিল। তখন পুলিশ আমার ছেলেকে সন্ত্রাস মনে করে অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে যায়। অনেক চেষ্টা করেও তাকে ছাড়ানো যাচ্ছিল না। তখন আমি মান্নত করেছিলাম, আমার ছেলে যদি জেলখানা থেকে ছাড়া পায় তাহলে আমি যতদিন বেঁচে থাকব প্রত্যেক সোমবার রোযা রাখব। এর কিছুদিন পর প্রায় আলৌকিকভাবে আমার ছেলে মুক্তি পেয়ে যায়। এরপর থেকে আমি নিয়মিত সোমবারে রোযা রেখে যাচ্ছি। কিন্তু এ বছর থেকে বার্ধক্যজনিত দুর্বলতার কারণে আমার জন্য প্রত্যেক সোমবারে রোযা রাখা বেশ কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আমি মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, এক্ষেত্রে রোযা না রেখে আমার জন্য কিছু করার সুযোগ রয়েছে কি?

উমরার ইহরাম বাঁধার পর অসুস্থতার কারণে উমরায় যেতে না পারলে হালাল হওয়ার উপায় কী?

প্রশ্ন (১২০৬৮) : কিছুদিন আগে আমার মামা ইহরাম করে উমরার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। এয়ারপোর্টে গিয়ে গাড়ি থেকে নামার পরপরই একটি বাইকের চাকা আমার বড় মামার পায়ের পাতার উপর উঠে যায়। এতে তাঁর পায়ের পাতার হাড় ভেঙ্গে যায়। আমি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। ডাক্তার আমার মামাকে এক মাস বেডরেস্টে থাকতে বলেন। এখন মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি, উমরায় ইহরাম বাঁধার পর অসুস্থতা বা অন্য কোনো ওজরের কারণে উমরায় না যেতে পারলে ইহরাম থেকে হালাল হওয়ার উপায় কী? এব্যাপারে শরীয়তের বিধান কী? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

মজার ছলে ইজাব কবুল বলে ফেললে কি বিয়ে সংঘটিত হয়ে যায়?

প্রশ্ন (১২০৬৭) : আমাদের কলেজে বন্ধুদের মধ্যে মজার ছলে একটি ঘটনা ঘটে যায়। ঘটনাটি হচ্ছে, আমার এক বন্ধু আমাদের কয়েকজন বন্ধুদের সামনে তার এক বান্ধবীকে মজা করে বলল, আমি তোকে বিবাহ করলাম। তার বান্ধবীও বলল, আমি কবুল করলাম। এরপর আর তাদের মধ্যে কোনোকিছু হয়নি; বরং দু’জনই স্বাভাবিকভাবে আলাদা আলাদা থাকে। পড়াশোনা শেষ করে আমার বন্ধু অন্য জায়গায় বিয়ে করে। এখন ঐ মেয়েটির বিবাহ ঠিক হয়েছে। মেয়ের বাবা উক্ত ঘটনা জানতে পেরে আমার বন্ধুকে তালাক দিতে বলছে। আর আমার বন্ধু বলছে আমি তো ঠাট্টা করে বলেছিলাম। তালাক দেয়ার কী প্রয়োজন? এখন মুফতী সাহেবের নিকট জানার বিষয় হচ্ছে, ঠাট্টাচ্ছলে ইজাব কবুলের দ্বারা তাদের ঐ বিবাহ কী হয়েছিল? এই মেয়েকে বিবাহ দেয়ার জন্য কী তালাক নেয়া জরুরি?

লেখকের অনুমতি ছাড়া বই ফটোকপি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২০৬৬) : বিভিন্ন বইয়ের শুরুতে লেখা থাকে- ‘লেখক/প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।’ বর্তমানে কিছু বইয়ে কথাটি আরো লম্বা করে লেখা থাকে। যেমন, ‘প্রকাশক এবং স্বত্বাধিকারীর লিখিত অনুমতি ছাড়া এ বইয়ের কোনো অংশের পুনরুৎপাদন বা প্রতিলিপি করা যাবে না, যান্ত্রিক উপায়ে কোনো প্রতিলিপি করা যাবে না, ডিস্ক বা তথ্য সংরক্ষণের কোনো যান্ত্রিক পদ্ধতিতে উৎপাদন বা প্রতিলিপি করা যাবে না। এ শর্তের লঙ্ঘন দেশীয় ও ইসলামী আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে দণ্ডনীয়।’ এ কথার দ্বারা শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে ক্রেতার কোনো ধরনের হস্তক্ষেপকে নিষেধ করা হয়? কেউ যদি উক্ত বই কেনার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও নিজে ব্যবহারের জন্য অথবা বইটি দুষ্প্রাপ্য হওয়ার কারণে বা মূল বইয়ের দাম নিজ সামর্থ্যরে চেয়ে অনেক বেশি হওয়ার কারণে কারো থেকে তার মালিকানাধীন কপিটি নিয়ে ফটোকপি করে অথবা পিডিএফ তৈরি করে বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে এর প্রতিলিপি তৈরি করে সংরক্ষণ করে তাহলে তা জায়েয হবে কি?

কেবলামুখী হয়ে দুআ করা কি জরুরী?

প্রশ্ন (১২০৬৫) : আমি মাদরাসায় পড়াশোনা করি। আমাদের মাদরাসায় প্রতিদিন বাদ এশা দুআর মজলিস হয়। প্রথমে ছাত্ররা নিজেরাই যিকির ও তিলাওয়াত করেন। এরপর একজন উস্তায সবাইকে নিয়ে দুআ করেন। এর মাঝে কেউ কেউ দেখি ছাত্রদের দিকে ফিরে কেবলার দিকে পিঠ দিয়ে দুআ করেন। আবার কেউ কেউ দেখি দুআর সময় ছাত্রদের দিকে পিঠ করে কেবলামুখী হয়ে দুআ করেন। আমি জানতে চাচ্ছি, এর মধ্যে সঠিক পন্থা কোনটি?

যাকাত ফান্ডের জন্য টাকা দান করার পর সেই টাকা অন্য কারো জন্য বন্টণ করা কি জায়েয আছে?

প্রশ্ন (১২০৬৪) : আমি একটি এতিমখানা মাদরাসার দায়িত্বে আছি। কিছুদিন আগে এক ব্যক্তি মাদরাসার অফিসের বিকাশ নাম্বারে কিছু টাকা পাঠিয়ে ফোন করে বলে দেন যে, তা আমি যাকাত ফান্ডের জন্য পাঠিয়েছি। এর কিছুদিন পর তিনি আবার অফিসে ফোন করে বলেন যে, আমি পুরো টাকা যাকাত ফান্ডের জন্য দেই নি; বরং এর থেকে এত (একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ) টাকা অমুক দ্বীনী প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ফান্ডের জন্য আর এত টাকা অমুক হুজুরকে হাদিয়া আর অবশিষ্ট টাকা মাদরাসার যাকাত ফান্ডের জন্য দিয়েছি। হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, দফতরের বিকাশ নাম্বারে যাকাতের জন্য টাকা পাঠানোর পর পূনরায় টাকাগুলো বণ্টন করা সহিহ হবে কি না?

ওযু করার সময় ভুলে গলায় পানি ঢুকে গেলে কি রোযা ভেঙে যায়?

প্রশ্ন (১২০৬৩) : এবার রমযানে একদিন অযুতে কুলি করার সময় ভুলে গলা দিয়ে পানি ঢুকে যায়। হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, এ কারণে আমার রোযার কোনো ক্ষতি হয়েছে কি?

মৃত ব্যক্তিকে গোসল করানোর পর কি গোসল করা আবশ্যক?

প্রশ্ন (১২০৬২) : কিছুদিন আগে দুপুরে আমার একজন নিকটাত্মীয় ইন্তেকাল করেন।তিনি মৃত্যুর আগে আমাকে তার জানাযার নামায পড়ানোর জন্য খুব অনুরোধ করেছিলেন। তাই তাঁর আশা রক্ষার্থে আমি জানাযার নামায পড়াই এবং দাফনের সময় কবরে নামি। দাফন শেষ হয় আসরের সময় হবার এক ঘণ্টা পর। তাই আমি দাফনের কাজ শেষে (অযু অবস্থায় থাকার কারণে) নতুন করে অযু না করেই আসরের নামায পড়ে নিই। পরে আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি, যিনি ঐ দাফনকার্যে শরীক হয়েছিলেন, আমাকে ডেকে বললেন, ‘তুমি দাফনের পরে গোসল না করেই আসরের নামায পড়লে কেন? এখন জানার বিষয় হল, মৃত ব্যক্তিকে গোসল বা কাফন-দাফন করানোর পর কি গোসল করা জরুরি?

সুন্নত নামাযে দাঁড়ানোর পর জামাত শুরু হয়ে গেলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২০৬১) : আমি মসজিদে যোহরের পূর্বের চার রাকাত সুন্নত পড়ছিলাম, এমতাবস্থায় ইকামাত শুরু হয়। তখন আমি চার রাকাত পূর্ণ না করে দুই রাকাত পড়েই সালাম ফিরিয়ে জামাতে শরীক হই। জানার বিষয় হল, চার রাকাতের নিয়ত করে দুই রাকাতে সালাম ফিরিয়ে ফেলাটা কি সঠিক ছিল,নাকি চার রাকাত পূর্ণ করে জামাতে শরীক হওয়া উচিত ছিল?

ওয়াক্ত হওয়ার আগেই আযান দিয়ে ফেললে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২০৬০) : আমাদের এলাকর মসজিদে আমি একদিন এশার আযান দেই। আযানের পর জানতে পারি, এশার ওয়াক্ত এখনো হয়নি। ওয়াক্ত হওয়ার পর লজ্জায় দ্বিতীয়বার আযান দিইনি। মুহতারামের কাছে জানার বিষয় হল, ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বে আযান দিলে কি পুনরায় আযান দিতে হয়? লজ্জার কারণে পুনরায় আযান না দেওয়া কি আমার জন্য ঠিক হয়েছে? জানালে উপকৃত হব।

একই ব্যক্তি ইমাম ও মুআযযিন হলে কোনো অসুবিধা আছে?

প্রশ্ন (১২০৫৯) : আমাদের এলাকার মসজিদগুলোতে সাধারণত মুআযযিন থাকে না; বরং ইমাম সাহেবই আযান দিয়ে থাকেন। শরীয়তের দৃষ্টিতে এটা কেমন? আর এক্ষেত্রে ইকামত দেবে কে? ইমাম নিজেই, না অন্য কোনো মুসল্লি? সাধরণত দেখা যায়, ইমাম যাকে বলে সে কিংবা নিয়মিত মুসল্লিদের মধ্যে থেকে কোনো একজন ইকামত দিয়ে থাকে।

অজ্ঞান থাকা অবস্থায় ১০ ওয়াক্ত নামায ছুটে গেলে কি সেগুলো কাযা করতে হবে?

প্রশ্ন (১২০৫৮) : আমি সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হই এবং সাথেসাথে অজ্ঞান হয়ে যাই। পরবর্তীতে হাসপাতালে চিকিৎসার মাধ্যমে দুই দিন পরে আমার জ্ঞান ফিরে। এই দুই দিনে আমার ১০ ওয়াক্তের নামায ছুটে যায়। মুহতারামের কাছে জানার বিষয় হল, অজ্ঞান থাকা অবস্থায় যে ১০ ওয়াক্ত নামায আমার ছুটে গেছে, তা কি কাযা করতে হবে? জানালে উপকৃত হব।

মাছের রক্ত কি নাপাক?

প্রশ্ন (১২০৫৭) : আমি একটি মাছের দোকানে মাছ কাটার কাজ করি। অনেক সময় মাছ কাটতে গেলে মাছের রক্ত আমার শরীরে এবং কাপড়ে লেগে যায়। জানার বিষয় হল, কাপড়ে মাছের রক্ত লাগলে সে কাপড় পরে নামায পড়লে কি নামায সহিহ হবে, নাকি তা ধুয়ে পবিত্র করতে হবে?

অর্ধেক মাথা মাসাহ করলে ওযু হবে কি?

প্রশ্ন (১২০৫৬) : আমি ওযুর মধ্যে সাধারণত পূর্ণ মাথা মাসাহ করি। একদিন তাড়াহুড়োর দরুন পূর্ণ মাথা মাসাহ করতে পারিনি। মোটামুটি অর্ধেকের মত করেছি। মুহাতারামের কাছে জানার বিয়ষ হল, অর্ধেক মাথা মাসাহ করলে ওযু হবে কি?