রমযানের কাযা রোযা আগে রাখবে না শাওয়ালের ছয় রোযা আগে রাখবে
প্রশ্ন (২৩৫) : কোনো নারী ঋতুস্রাবের কারণে রমযানে যে রোযাগুলো ছুটে গেছে সেগুলো আগে রাখবে না শাওয়ালের ছয় রোযা আগে রাখবে?
প্রশ্ন (২৩৫) : কোনো নারী ঋতুস্রাবের কারণে রমযানে যে রোযাগুলো ছুটে গেছে সেগুলো আগে রাখবে না শাওয়ালের ছয় রোযা আগে রাখবে?
প্রশ্ন (২০৪) : শাওয়াল মাসের ছয়টি রোযা কি লাগাতার রাখতে হবে না ইচ্ছামতো পৃথক পৃথকভাবে রাখা যাবে?
প্রশ্ন (২০১) : আমি শাওয়াল মাসের ছয় রোযা সোমবার ও বৃহস্পতিবার রাখতে চাচ্ছি। যেন সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রাখার ফযিলতও অর্জন করতে পারি। জানতে চাচ্ছি, এভাবে রোযা রাখলে আমি কি উভয় ফযিলত লাভ করব?
প্রশ্ন (১৬৫) : আমাদের বাড়ির পাশের নামাজ-ঘরে ইতিকাফ করলে ইতিকাফ কি সহিহ হবে?
প্রশ্ন (১৬০) : অনেক জায়গায় রমযান মাসে সাহরির সময় লোকদেরকে জাগ্রত করার জন্য সাইরেন বাজানো হয়। এটা কি শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ?
প্রশ্ন (১৪৩) : আমি গত রমযানে বিনা ওজরে রোযা ভেঙ্গে ফেলেছিলাম। আমি শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল। একসাথে ষাট দিনের রোযা রাখা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এখন আমি কী করবো?
প্রশ্ন (১৪০) : আমাদের প্রতিবেশী এক ব্যক্তি বার্ধক্যের কারণে রমজানের সিয়াম রাখতে পারে না। অপরদিকে সে খুবই দরিদ্র। যার দরুন রোজার ফিদইয়া আদায় করাও তার পক্ষে সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় তার জন্য রোজা থেকে দায়মুক্ত হওয়ার কোনো পন্থা আছে কি?
প্রশ্ন (১২৩) : আজ ৩রা রমজান। গত রাতে ঘুমানোর সময় আমি রোজার নিয়ত করতে ভুলে যাই। আজ সকাল ৫ টার পর যখন জাগ্রত হই, তখন রোজার কথা স্বরণ হয়। আমি মনে মনে বলে নিলাম যে “আজ আমি রোজা রাখবো”। এরপর কোনো কিছু পানাহার না করে সারা দিন কাটিয়ে দেই। উপরোক্ত বিবরণ অনুযায়ী আমার রোজা কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (১২২) : আশুরার দিন আমি রোযা পালন করছিলাম। মাঝে আমার বড় ভাই আমাকে দুপুরের খাবারের দাওয়াত দিলে তার অনুরোধে আমি রোজা ভেঙ্গে ফেলি। আমার উক্ত কাজটি কি শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ হয়েছে?
প্রশ্ন (১১৯) : আমি একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন। রমজানে ইফতারের সময় আমি আগে কিছু খেয়ে তারপর আযান দেই। আমি কি ইফতারি করে আযান দিব না আযান দিয়ে ইফতারি করব?
প্রশ্ন (১১৭) : রোজা অবস্থায় কুলি করার পর থুথু গিলে ফেলার হুকুম কী?
প্রশ্ন (১১১) : আপনাদের পূর্বের এক প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গের গ্রহণযোগ্য ওজরসমূহ জানতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ। দ্বীনের এ খেদমত আঞ্জাম দেয়ার জন্য আপনাদেরকে জানাই আন্তরিক মুবারকবাদ। আমার আজকের প্রশ্ন হলো, দিনের শুরুতে বা মাঝে উক্ত গ্রহণযোগ্য কোনো কারণে যদি আমি রোজা ভঙ্গ করি, তাহলে কি দিনের বাকি অংশে আমার জন্য পানাহার থেকে বিরত থাকা আবশ্যক?
প্রশ্ন (১১০) : কেউ যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে রমজানের রোজা ভঙ্গ করে তাহলে কি তার তার জন্য দিনের বাকি অংশ পানাহার থেকে বিরত থাকা আবশ্যক?
প্রশ্ন (১০৯) : কেউ যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে রমজানের রোজা ভঙ্গ করে তাহলে কি কাফফারা ওয়াজিব হবে?
প্রশ্ন (১০০) : আমি রমজানের একটি কাযা রোযা পালন করছিলাম। ইতোমধ্যে দুপুরের দিকে এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় আমাকে তার বাড়িতে দাওয়াত দিলে তার অনুরোধে আমি রোযা ভেঙ্গে ফেলি। আমার কাজটি কি বৈধ হয়েছে?
প্রশ্ন (৪৫) : রোজার মাসে বিশেষত গরমের দিনগুলোতে পিপাসায় কষ্ট হলে কিংবা প্রচণ্ড ক্ষুধা পেলে কি রোজা ভাঙ্গা যাবে?
প্রশ্ন (৪২) : আমি নফলের নিয়তে রোজা রাখা শুরু করি । দুপুর ১২ টার দিকে আমার মনে পড়ে যে, আমার উপর একটি মানতের রোযা আবশ্যক রয়েছে। তখন আমি নিয়ত পরিবর্তন করে মানতের রোজা হিসেবে রোজাটি পূর্ণ করি। আমার রোজাটি কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (৩৯) : আমার উপর রমজানের ৪টি কাজা রোজা রাখা আবশ্যক ছিল। কিন্তু আমি সেগুলোরকথা ভুলে গিয়ে নফল রোজা রাখতে শুরু করি। রমজানের পর এ পর্যন্ত আমি ১০ টি নফল রোজা রেখেছি। প্রশ্ন হলো এখন যদি আমি এ নফল রোজাগুলোকে আমার উপর আবশ্যক থাকা কাজা রোজা হিসেবে ধরে নেই, তাহলে কি তা সঠিক হবে? নাকি আমাকে পুনরায় আরো ৪ টি রোজা রাখতে হবে?
প্রশ্ন (৩৮) : এ বছর আমরা কয়েক বন্ধু মিলে রমজানের শেষ ১০ দিন সুন্নাত ইতেকাফ করার নিয়ত করেছি। জানার বিষয় হলো, আমরা কোনো দিন কখন মসজিদে প্রবেশ করবো এবং কখন ইতেকাফ শেষ করে মসজিদ থেকে বের হবো?