ফিদয়া কি একজনকে দেওয়া উত্তম না একাধিক ব্যক্তিকে
প্রশ্ন (৪৫৫২) : রমজানের ফিদয়া কি একজনকে দেওয়া উত্তম না একাধিক ব্যক্তিকে?
প্রশ্ন (৪৫৫২) : রমজানের ফিদয়া কি একজনকে দেওয়া উত্তম না একাধিক ব্যক্তিকে?
প্রশ্ন (৪৫৪৯) : আমাদের মসজিদে এ বছর ইতেকাফ করার জন্য কোন লোক পাওয়া না যাওয়ায় পাশের গ্রাম থেকে এক দরিদ্র ব্যক্তিকে এনে পারিশ্রমিক দিয়ে ইতেকাফ করানো হয়। এতে আমাদের মসজিদের বাসিন্দারা দায়মুক্ত হয়েছে কি?
প্রশ্ন (৪৫৩৯) : যিলকদ মাসে কোন বিশেষ রোজা আছে কি? এ মাসে নাকি কয়েকদিন নফল রোজা রাখতে হয়।
প্রশ্ন (৪৫০৯) : এই রমজানে আমি ইতিকাফে বসি। একদিন পর আমার হায়েজ এসে যায়। জানতে চাচ্ছি, হায়েজ আসার কারণে কি আমার ইতিকাফের কোনো সমস্যা হয়েছিল?
প্রশ্ন (৪৫০৮) : আমি এ বছর ইচ্ছা করেছিলাম ইতিকাফে বসতে। কিন্তু ইতিকাফে বসার দুইদিন আগে আমার হায়েজ এসে যায়। জানতে চাচ্ছি, হায়েজ অবস্থায় সুন্নত ইতিকাফে বসা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৫০৬) : আমি গত বছর সুন্নত ইতিকাফে বসেছিলাম। অসুস্থতার কারণে একদিনের ইতিকাফ ভেঙ্গে যায়। বাকি দিনগুলো যথারীতি ইতিকাফ আদায় করি। জানতে চাচ্ছি, একদিনের ইতিকাফ ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে কি আমার সুন্নত ইতিকাফ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল?
প্রশ্ন (৪৫০১) : এক নারীর সাথে আমার বিবাহের কথাবার্তা চলছে। রোজা অবস্থায় আমি তার সাথে ফোনে কথা বলতে পারব কি?
প্রশ্ন (৪৫০০) : আমি এ বছর ইতিকাফে বসেছি। আমার প্রশ্ন হল, মসজিদে হাত ও পায়ের নখ কাটা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৪৯৪) : আমাদের এলাকায় ফুসফুসের যক্ষ্মায় আক্রান্ত। একাধিক মুসলিম ডাক্তার বলেছেন, সে রোজা রাখতে পারবে না। রাখলে তার শারীরিক ক্ষতি হবে। আমার প্রশ্ন হল, উক্ত ব্যক্তির রোজা না রাখলে হবে কি?
প্রশ্ন (৪৪৮৫) : অনেক সময় রোজা অবস্থায় অনিচ্ছায় ঢেকুরের সাথে তরল পদার্থ গলায় চলে আসে। আবার একাকিই চলে যায়। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কারণে রোজার কোনো ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (৪৪৮১) : ইতিকাফ অবস্থায় খাবারের বাসনপত্র ধোয়ার জন্য মসজিদ থেকে বের হওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৪৭৮) : এক ব্যক্তি তীব্র পানি পিপাসার কারণে রোজা ভেঙ্গে ফেলেছে। পিপাসা এত তীব্র ছিল যে, রোজা না ভাঙ্গলে প্রাণনাশের আশংকা দেখা দিত। জানতে চাচ্ছি, ঐ ব্যক্তি কি বাকি দিন পানাহার করতে পারবে?
প্রশ্ন (৪৪৭৬) : এ বছর আমাদের এলাকার মসজিদে একজন ইতিকাফে বসেছেন। হঠাৎ তিনি স্ট্রোক করলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানতে চাচ্ছি, তার পরিবর্তে অন্য কাউকে ইতিকাফে বসানো যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৪৭৫) : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব বললেন, ইতিকাফ অবস্থায় দিনের বেলা সাধারণ গোসল করা নিষেধ। তবে রাতের বেলা করা যাবে। আমার প্রশ্ন হল, রাতের বেলা গোসল করার জন্য মসজিদ থেকে বের হতে কোনো সমস্যা আছে কি?
প্রশ্ন (৪৪৭৪) : ইতিকাফ অবস্থায় কেউ যদি ইস্তিঞ্জা করতে গিয়ে কারো সাথে কথা বলে তাহলে ইতিকাফ ভেঙ্গে যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৪৭৩) : আমাদের মসজিদে এক হাফেজ সাহেব ইতিকাফে বসেছেন। তিনি অন্য এক মসজিদে খতমে তারাবী পড়ান। আমাদের মসজিদে আবার খতমে তারাবী হয় না। জানতে চাচ্ছি, খতমে তারাবী পড়ানোর জন্য তিনি মসজিদ থেকে বের হতে পারবেন কি?
প্রশ্ন (৪৪৬৮) : আমি শাওয়ালের রোজা অবস্থায় ছিলাম। বাসায় মেহমান আসলে তাদের পীড়াপীড়িতে রোজা ভেঙ্গে ফেলি। জানতে চাচ্ছি, সেই রোজার কাযা আমাকে করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৪৪৬৭) : ঈদের পর দিন শাওয়ালের রোজা অবস্থায় এক আত্মীয়ের বাড়ি যাই। আত্মীয়ের পীড়াপীড়িতে রোজা ভেঙ্গে তাদের সাথে খানায় শরিক হই। আমার প্রশ্ন হল, মেহমানদারি রক্ষার্থে সেদিনের রোজা ভাঙ্গাতে আমার কি কোনো গুনাহ হয়েছে?
প্রশ্ন (৪৪৬০) : আমার বোন ঈদের দিন রোজা রাখার মানত করেছিলেন। ঈদের দিন সবার নিষেধ সত্ত্বেও তিনি সেই মানতের রোজা রাখেন। জানতে চাচ্ছি, ঈদের দিন রোজা রাখার কারণে মানত পূর্ণ হয়েছে কি?
প্রশ্ন (৪৪৫৭) : গত বছর আমার বড় ভাই ঈদের দিন রোজা রাখেন। পরিবারের সকলে নিষেধ করলেও তিনি রোজা ভাঙ্গেননি। আপনাদের ওয়েবসাইটে দেখেছিলাম, ঈদের দিন রোজা রাখা নিষেধ। জানতে চাচ্ছি, ঈদের দিন রোজা রাখার কারণে কি তিনি গুনাহগার হবেন?