সিয়াম বা রোজা

সহবাস না হলে কাফফারা দিতে হবে কি

প্রশ্ন (৭৮২৯) : গত রমজানে দিনের বেলা আমার স্ত্রীকে আদর করা অবস্থায় আমার বীর্যপাত হয়ে যায়। কিন্তু আমাদের কোনো সহবাস হয়নি। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কারণে কি আমার উপর কাফফারাও আসবে?

শুধু পানি খেলে কি সাহরির বরকত পাওয়া যাবে

প্রশ্ন (৭৮২৪) : আমি একটি বইয়ে পেলাম, সাহরী খাওয়া বরকতের কারণ। আমি সাধারণত সাহরীতে কিছু খাই না। জানতে চাচ্ছি, আমি যদি সাহরীর সময় এক গ্লাস পানি খাই তাহলে সেই বরকত লাভ হবে কি?

রোজাদার কি ফরজ গোসলে নাকের ভেতরে পানি দিতে হবে

প্রশ্ন (৭৮১৬) : আমি শুনেছি, ফরজ গোসলে ভালোভাবে কুলি করতে হয়। নাকের ভিতরের অংশে পানি পৌঁছাতে হয়। জানতে চাচ্ছি, রোজা অবস্থায়ও কি ফরজ গোসলের সময় নাকের ভিতরের অংশে পানি পৌঁছাতে হবে?

রোজা অবস্থায় গ্লুকোজ স্যালাইন ব্যবহারের বিধান কী

প্রশ্ন (৭৮১৫) : আমি কিছুদিন আগে রোজা অবস্থায় খুবই অসুস্থ হয়ে পড়ি। ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী আমাকে গ্লুকোজ স্যালাইন দেওয়া হয়। তারপরও সেদিনের রোজা আমি ভাঙ্গিনি। এখন আমার প্রশ্ন হল, বাধ্য হয়ে গ্লুকোজ স্যালাইন গ্রহণ করার কারণে আমার সেদিনের রোজার কি কোনো ক্ষতি হয়েছে?

মযী বের হলে রোজা ভেঙ্গে যাবে কি

প্রশ্ন (৭৭৯৪) : রমজানে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের কারণে আমার ঢাকায় থাকতে হয়। একদিন রোজা অবস্থায় স্ত্রীর সাথে ফোনে কথা বলা অবস্থায় আমার মযী বের হয়ে যায়। প্রশ্ন হল, মযী বের হওয়ার কারণে কি আমার সেদিনের রোজা ভেঙ্গে গিয়েছিল?

বেনামাজী রোজাদার কি ক্ষুধার্ত কুকুরের মত

প্রশ্ন (৭৭৯০) : একটি বইয়ে পড়লাম, ‘কোনো রোজাদার যদি নামাজ না পড়ে তাহলে সে ঐ ক্ষুধার্ত কুকুরের মত যে সারাদিন খাবারের জন্য ছুটলো কিন্তু খাবার পেল না’। উক্ত বইয়ে এটিকে হাদিস বলা হয়েছে। জানতে চাচ্ছি, এমন কি কোনো হাদিস আছে?

অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকাকালে রোজা ভাঙ্গলে কাযা করা লাগবে কি

প্রশ্ন (৭৬৮৯) : আমি নাবালেগ অবস্থায় রমজানের অনেক রোজা রেখে ভেঙ্গে ফেলেছিলাম। জানতে চাচ্ছি, প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর কি সেগুলোর কাযা করতে হবে?

গলার ভেতরে অনিচ্ছাকৃত মশা ঢুকে গেলে কাফফারা দিতে হবে কি

প্রশ্ন (৭৫৮২) : আজকে দুপুরে রোজা অবস্থায় আমার গলার ভেতরে একটি মশা ঢুকে গিয়েছে। এটা নিয়ে আমি চিন্তিত আছি। আমার কি কাযা কাফফারা উভয়টিই করতে হবে?

রোজা রেখে বেশি অসুস্থ হয়ে গেলে পরবর্তী রোজার জন্য ফিদয়া দিতে পারবে কি

প্রশ্ন (৭৪৬৪) : আমার চাচা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। রোজা রাখলে তিনি অত্যাধিক অসুস্থ ও দুর্বল হয়ে পড়েন। এই রমজানে কষ্ট করে রোজা রাখার চেষ্টা করেন। কয়েকটি রোজা রাখার পর তিনি পুনরায় অসুস্থ ও দুর্বল হয়ে পড়েন। যার ফলে পরবর্তী রোজাগুলো আর রাখতে পারেননি। এখন আমার জানার বিষয় হলো, তিনি রোজা রাখার পরিবর্তে ফিদয়া দিতে পারবেন কি?