প্রশ্নোত্তর

অনিষ্টকারী বিড়াল মারা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৫৭৫) : আমাদের গ্রামের বাড়িতে এক প্রতিবেশীর একটি বিড়াল ছিল। বিড়ালটি বড় হয়ে খুব ক্ষতি করতে শুরু করেছিল। বাড়ির মুরগি, কবুতরের বাচ্চা ধরে ধরে খেয়ে ফেলত। উক্ত প্রতিবেশীকে বিড়ালটি তাড়িয়ে দিতে বা বেঁধে রাখতে বললে তিনি বলতেন, ‘তাড়িয়ে দিলেও আবার চলে আসবে, আর বেঁধে রাখাও মুশকিল।’ শেষ পর্যন্ত বাড়ির লোকজন অতিষ্ট হয়ে গেলে আমরা কয়েকজন বিড়ালটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছি। পরে শুনলাম, হাদিসে আছে, একটি বিড়ালকে হত্যা করার কারণে এক মহিলা জাহান্নামী হবে। তাই এখন ভয় হচ্ছে। দয়া করে জানাবেন, আমাদের উক্ত কাজটি কি ঠিক হয়েছে?

সুদ গ্রহণের একটি কৌশল।

প্রশ্ন (১২৫৭৪) : যদি কাউকে এই শর্তে ২১ হাজার টাকা দেওয়া হয় যে, আগামী এক বছর পর আমাকে ২০ হাজার টাকা ও ১২ মন ধান দেবে, এমন চুক্তি করা বৈধ হবে কি? যদি না হয়, তাহলে তার কারণ কী? বা কীভাবে বৈধ হবে জানাবেন।

মসজিদে অবস্থানকারী ব্যক্তি কোনো কারণে রাতে মসজিদ থেকে বের হতে না পারলে কীভাবে পবিত্রতা অর্জন করবে?

প্রশ্ন (১২৫৭৩) : আমি মাঝে মাঝে তাবলীগে যাই। কখনো কখনো আমাদের জামাতের রোখ প্রত্যন্ত গ্রামে পড়ে। গ্রামের মসজিদগুলোতে সাধারণত অযু-গোসলের ব্যবস্থা মসজিদ থেকে একটু দূরে থাকে। সেখানে মাঝ রাতে যদি গোসলের প্রয়োজন দেখা দেয় তাহলে করণীয় কী? কারণ এমন জায়গায় গভীর রাতে একা একা বের হয়ে গোসল করে নেওয়াটা কঠিন। দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

হারাম টাকায় উপার্জিত সম্পদ হালাল করার কোনো উপায় আছে কি?

প্রশ্ন (১২৫৭২) : এক ব্যক্তি ব্যাংকে চাকরি করার অবৈধতা সম্পর্কে না জেনে একটি বিদেশী ব্যাংকে চাকরি নেয়। ঐ চাকরি অবস্থায় চাকরি ও লোনের টাকা দিয়ে জায়গা-জমি খরিদ করেন, বাড়ি-ঘর নির্মাণ করেন এবং নিজ ছোট-বড় ভাই-বোনদেরকে সেসকল জায়গা-জমিতে অংশিদার করেন। দলীলে তাদের নামও লিখে দেন। ভাই-বোনদের বিয়ে-শাদীতেও খরচাদি করেন। মা-বাবার অনেক খেদমত করেন। অবশ্য চাকরির শেষ পর্যায়ে এ চাকরি অবৈধ জেনেও ঈমানী দুর্বলতার কারণে বা অপারগ মনে করে শেষ পর্যন্ত চাকরিরত থাকেন। উল্লেখ্য, লোকটি ব্যক্তিগতভাবে উদার, আমলদার ও আলেমভক্ত। এখন তার ব্যাপারে শরীয়তের হুকুম কী? কীভাবে তিনি আখেরাতে মুক্তি পেতে পারেন। আর যারা তার দান গ্রহণ করেছেন বিশেষ করে ভাই-বোন, যারা মাসে/বছরে তার থেকে লেখা-পড়ার খরচ গ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন কাজে তিনি তাদেরকে আর্থিক সহায়তা করেছেন। (যার কোনো হিসাব রাখা হয়নি) এবং তিনি যে ভাই-বোনদেরকে জায়গাজমিতে অংশিদার করেছেন, ভাই-বোনদের এখন করণীয় কী? তাদের দায়মুক্ত ও বৈধ অধিকারী হওয়ারই বা কী উপায়?

বদলী হজ্ব সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৭১) : আমার মামা আমেরিকা প্রবাসী। তার দুটো কিডনীই প্রায় অচল। তাকে ১ দিন পর পর ডায়ালাইসিস করতে হয়। কিছুদিন পূর্বে তিনি ওয়ারিসসূত্রে ঢাকায় একটি বাড়ি এবং ২৬ লাখ টাকার মালিক হন। তিনি মোটামুটি সচ্ছল। তবে আগে তার অর্থনৈতিক অবস্থা এমন ছিল না, যার মাধ্যমে হজ্ব আদায় করা যায়। তিনি জানতে চাচ্ছেন, অসুস্থ হবার পর মিরাসসূত্রে প্রাপ্ত সম্পদের কারণে তার উপর কি হজ্ব ফরয হয়ে গিয়েছে? যদি ফরয হয় তাহলে তার করণীয় কী? কারণ তার বর্তমান অবস্থায় সফর করা সম্ভব নয়। জানিয়ে বাধিত করবেন।

রোযা রাখা অবস্থায় তরকারীর লবণ দেখার জন্য মুখে ঝোল নেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৫৭০) : আমি একটি হোটেলে রান্না করি। রমযান মাসে রান্নার সময় লবণ চেখে দেখার প্রয়োজন হয়। অনুমান করে দিলে মাঝে মাঝে লবণ কম-বেশি হয়ে যায়। তখন ম্যানেজার ধমক দেন। তো রমযান মাসে যদি লবণ দেখার জন্য সামান্য ঝোল মুখে নিয়ে সাথে সাথে কুলি করে ফেলি এতে রোযার কোনো ক্ষতি হবে কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।

হামদ ও নাত সম্পর্কে দুটি প্রশ্ন।

প্রশ্ন (১২৫৬৯) : আমার দুটি বিষয় জানার ছিল। ১. হামদ ও নাতে বাজনা বাজানো এবং আল্লাহ আল্লাহ শব্দের জিকির বাজনা স্বরূপ ব্যবহার করা- যেমনটি বর্তমান সময়ে কিছু ইসলামী সংগীতে করা হয়, শরীয়তের দৃষ্টিতে এর হুকুম কী? ২. শরীয়তের দৃষ্টিতে মহিলাদের কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত ও ইসলামী সংগীত শ্রবণ করার বিধান কী?

এসি থেকে নির্গত পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৫৬৮) : এয়ার কন্ডিশন (এসি) থেকে নির্গত পানি দ্বারা ফরয গোসল কিংবা অযু করা জায়েয হবে কি? বা তা দ্বারা নাপাক কাপড় পরিষ্কার করা যাবে কি?

দুআয়ে কুনূত না পারলে কি সূরা ইখলাস পড়া যাবে?

প্রশ্ন (১২৫৬৭) : এক আলেমকে বলতে শুনেছি, কেউ যদি দুআয়ে কুনূত না পারে তাহলে সে ঐ সময় তিনবার সূরা ইখলাস পড়ে নিবে। হযরতের কাছে আমার প্রশ্ন হল, তার উক্ত কথা কি ঠিক আছে?

সমিতির টাকা লটারীর মাধ্যমে ভাগ করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৫৬৬) : আমি একজন ব্যবসায়ী, আমার একটি সমিতি আছে। আমার সমিতির ৫০ জন সদস্য আছে। প্রত্যেক সদস্যের কাছ থেকে আমি প্রতি সপ্তাহে দুই কিস্তিতে ১০০০ টাকা নেই। (যার ফলে প্রতি সপ্তাহে আমার কাছে ৫০,০০০/- টাকা জমা হয়) এবং প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৫০ সদস্যের নাম লটারী করি, যার নাম লটারীতে ওঠে তাকে একসাথে ৫০,০০০/-টাকা দিয়ে দিই। তার পরের সপ্তাহে যে ব্যক্তি টাকা পেয়েছে তার নাম বাদ দিয়ে বাকি ৪৯ জনের নাম লটারী করি। যার নাম লটারীতে ওঠে তাকে ৫০,০০/- টাকা দিয়ে দিই। এইভাবে ৫০ সপ্তাহে ৫০ জনই আগে বা পরে ৫০,০০০/- টাকা পেতে থাকে এবং যারা টাকা পেয়েছে তারাও ৫০ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে এক হাজার করে টাকা দিতে থাকে। এই সমিতি করার উদ্দেশ্য হল, যারা ছোট ব্যবসায়ী তারা একসাথে ৫০,০০০/- টাকা পেয়ে যাতে ব্যবসায় উন্নতি করতে পারে। উল্লেখ্য, তাদের টাকা আমার কাছে তিন-চার দিন থাকে, তখন আমি ঐ টাকা দ্বারা ব্যবসা করি এবং সকল সদস্য আমার ব্যবসা করার বিষয়টি জানে এবং এ ব্যাপারে তারা আমাকে কিছু বলে না। এখন আমার জানার বিষয় হল, আমার সমিতির কার্যক্রম শরীয়তসম্মত কি না? শরীয়তসম্মত না হলে কী কারণে শরীয়তসম্মত না- অনুগ্রহ করে জানাবেন। ইনশাআল্লাহ, আমি সেই কারণ দূর করব।

ঔষুধ কোম্পানিগুলো ডাক্তারদেরকে যে ঔষুধ হাদিয়া দেয় তা কি বিক্রি করা যাবে?

প্রশ্ন (১২৫৬৫) : আমি যেহেতু একজন ডাক্তার তাই প্রতিনিয়ত ঔষুধ কোম্পানিগুলো আমাকে কিছু ঔষধ শুভেচ্ছাস্বরূপ দিয়ে থাকে। প্রশ্ন হল, উক্ত ঔষধগুলো গ্রহণ করা যাবে কি না এবং তা বিক্রি করে টাকা ভোগ করা যাবে কি না? অনুগ্রহ করে মাসআলার সমাধান দিলে খুবই দয়া হয়। দ্বীনের উপর চলা আমার জন্য সহজ হয়। আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।

ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৬৪) : কিছুদিন আগে আমি এক মাছ বিক্রেতার কাছে একটি মাছের দাম জিজ্ঞাসা করলে সে তিন শত টাকা মূল্যের মাছের দাম এক হাজার টাকা বলে। বিষয়টি টের না পেয়ে আমি সাতশত টাকা বলে ফেলি। সে এতেও রাজি হয়নি। তাই আমি সেখান থেকে চলে আসি। কিছু দূর চলে আসার পর ঐ দামেই মাছটি নেয়ার জন্য সে আমাকে ডাকতে থাকে। এতক্ষণে চড়া দামের বিষয়টি আমার বুঝে আসে। তাই আমি আর তার ডাকে সাড়া দেইনি। সে আমার পিছু নেয় এবং আমাকে ধরে বলে- দরদাম করে এখন নিবেন না কেন? তার চিল্লাচিল্লিতে আশপাশের কিছু লোক জমা হলে তারাও একই কথা বলে। অবশেষে চড়া দামে মাছটি নিতে আমি বাধ্য হই। জানার বিষয় হল, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আমার জন্য মাছটি নেয়া কি আবশ্যক ছিল? এক্ষেত্রে মাছ কিনতে আমাকে বাধ্য করা কি ঠিক হয়েছে?

আলেম নয় এমন ব্যক্তির পিছনে কি আলেম ব্যক্তি ইক্তিদা করতে পারবে?

প্রশ্ন (১২৫৬৩) : আমাদের বাজার মসজিদে এশার সময় একদিন ইমাম সাহেব ছিলেন না। তখন এক মুসল্লী ইমামতী করে। সে আলেম না। তবে তার কেরাত শুদ্ধ। যখন নামায শুরু হয় তখন কোনো আলেম ছিলেন না। দ্বিতীয় রাকাতে এক আলেম এসে নামযে শরীক হন। নামাযের পর কেউ কেউ বলছে ঐ ব্যক্তি যেহেতু আলেম নয় তাই তার পেছনে আলেম ইকতেদা করার কারণে কারো নামায হয়নি। এ বিষয়টি নিয়ে আমাদের অনেকেই বিভ্রান্তিতে পড়ে গেছে। এ ব্যাপারে শরীয়তের মাসআলা জানতে চাই।

মুদারাবা চুক্তিতে শ্রমদাতা কি পারিশ্রমিক নিতে পারবে?

প্রশ্ন (১২৫৬২) : আব্দুর রশিদ সাহেব ও মারুফ সাহেব একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছেন। শ্রম তাদের উভয়ের। কিন্তু বিনিয়োগের সকল টাকা আব্দুর রশিদ সাহেবের। তাদের মাঝে এভাবে চুক্তি হয়েছে যে, আব্দুর রশিদ সাহেব ও মারুফ সাহেব চার ভাগের এক ভাগ করে মোট অর্ধেক লাভ পাবেন। আর বাকি অর্ধেক লাভ আব্দুর রশিদ সাহেবের। আর আব্দুর রশিদ সাহেব ও মারুফ সাহেব নিজ খরচের জন্য প্রতি মাসে ২০ হাজার করে মোট ৪০ হাজার টাকা বেতন পাবেন। জানার বিষয় হল, তাদের এই চুক্তি বৈধ কি না? কারবারের ভেতর কোনো সমস্যা থাকলে তা এখন সমাধানের উপায় কী?

নামাযী ব্যক্তির জন্য কি নিজের সুতরা নিজেই স্থাপন করা আবশ্যক?

প্রশ্ন (১২৫৬১) : আমরা জানি, মুসল্লির সামনে অন্তত এক হাত পরিমাণ সুতরা থাকলেই তার সামনে দিয়ে চলাচল করা যায়। কিন্তু একটি বইয়ে দেখতে পেলাম যে, সেখানে উল্লেখ আছে, ‘যে ব্যক্তি নামায আদায় করবে সেই সুতরা স্থাপন করবে। সুতরাং নামাযী ব্যক্তি যদি সুতরা স্থাপন না করে তাহলে অতিক্রমকারী তার সামনে সুতরা রেখে অতিক্রম করতে পারবে না।’ আমার জানার বিষয় হল, ঐ বইয়ের বক্তব্যটি কি ঠিক?

জামাতে নামায আদায় করার গুরুত্ব।

প্রশ্ন (১২৫৬০) : আমার জানামতে আমাদের সমাজে কিছু মানুষ যে কোনো ফরয নামায (বিশেষ করে ফজরের ফরয নামায)-এর জামাতে অনুপস্থিত থাকে। কারণ হিসাবে তারা বলেন, নবী কারীম (সা.) সবসময় নামায আউয়াল ওয়াক্তে আদায় করতেন এবং আবু দাউদ শরীফের একটি হাদিসে আছে, ‘যখন তোমাদের ইমামগণ নামায আদায়ে বিলম্ব করবে তখন তোমরা নিজেরা উক্ত নামায ঘরে আদায় করবে। পরে তাদের সাথে মিলিত হলে পুনরায় জামাতে শরীক হবে। তা তোমাদের জন্য নফল।’ তাদের এ বক্তব্য কতটুকু সঠিক এবং উক্ত কারণে জামাতে অনুপস্থিত থাকার গুনাহ হবে কি না?

নামাযে সিজদার আয়াত তিলাওয়াত সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৫৯) : আমি এক মসজিদের ইমাম। আমি জানি, সিজদার আয়াত যদি সূরার শেষে থাকে এবং সিজদার আয়াতের পর এক-দু আয়াত বাকি থাকে, তাহলে সূরা শেষ করে নামাযের রুকুর মাধ্যমে যদিও সিজদা আদায় হয়ে যায়, কিন্তু উত্তম হল, সিজদার আয়াত পড়ে ভিন্নভাবে সিজদা দেওয়া। আমার জানার বিষয় হল, ভিন্নভাবে সিজদা দেওয়ার পর দাঁড়িয়ে অবশিষ্ট এক-দু আয়াত পড়ে রুকু করবে? নাকি অন্য সূরা থেকে আরো কিছু আয়াত মিলিয়ে রুকু করবে? আর যেসব সূরা সিজদার আয়াতের মাধ্যমে শেষ হয়, যেমন- সূরা ‘আলাক’। সেক্ষেত্রে যদি সূরা শেষ করে সিজদা করে এবং সিজদা থেকে দাঁড়িয়ে কিরাত না পড়েই রুকু সিজদার মাধ্যমে নামায শেষ করে তাহলে নামাযের কোনো ক্ষতি হবে কি না? দলীলসহ উক্ত বিষয়গুলোর সমাধান জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

বাচ্চাদের কোন ধরণের নাম রাখা উচিত?

প্রশ্ন (১২৫৫৮) : হযরত আমার নাম ইমন, আমার ভাইয়ের নাম নীরব, এগুলো আমাদের ডাক নাম। এভাবে বর্তমানে ব্যাপকভাবে ডাকনাম হিসেবে সংক্ষিপ্ত বাংলা-ইংরেজি শব্দে নাম রাখার প্রচলন রয়েছে। যেমন শান্ত , সজিব ইত্যাদি। এখন মুহতারামের কাছে জানতে চাই, এরকম নাম রাখার বিধান কী? এক্ষেত্রে শরীয়তের নীতিমালা কী? আমাদের নামগুলো কি ঠিক আছে? বিষয়টি একটু বিস্তারিত বুঝিয়ে বললে উপকৃত হতাম।

মাসবুক ব্যক্তির পিছনে ইক্তিদা করা সহিহ আছে কি?

প্রশ্ন (১২৫৫৭) : কিছু দিন আগে আমার এক চাচা বাসায় বেড়াতে আসেন। আসরের সময় একসঙ্গে মসজিদে যাই। যেতে দেরি হওয়ায় গিয়ে দেখি ইমাম সাহেব সালাম ফিরাচ্ছেন। তাই আমি মসজিদের এক পাশে গিয়ে নামায আদায় করি। নামায শেষে জানতে পারি, জামাতে নামায পড়ার উদ্দেশ্যে চাচা একজন মাসবুকের পেছনে ইক্তিদা করে নামায আদায় করেছেন। হযরতের কাছে আমার জানার বিষয় হল, মাসবুকের পেছনে ইক্তিদা করে তার নামায পড়া কি সহিহ হয়েছে? এক্ষেত্রে শরীয়তের সঠিক মাসআলাটি জানালে কৃতজ্ঞ হব।

জানাযার নামায শেষে কখন হাত ছাড়বে?

প্রশ্ন (১২৫৫৬) : জানাযার নামাযে হাত কখন ছাড়বে? কেউ কেউ দেখি চতুর্থ তাকবীরের পর হাত ছেড়ে দেয়, তারপর সালাম ফেরায়। আর কেউ কেউ উভয় দিকে সালামের পর হাত ছাড়ে। আর মাঝে মাঝে কাউকে দেখি ডানদিকে সালাম ফেরানোর পর ডান হাত এবং বামদিকে সালাম ফেরানোর পর বাম হাত ছাড়ে। এ বিষয়ে সঠিক পদ্ধতিটি জানিয়ে বাধিত করবেন।