স্বামী হজ্বে না নিলে স্ত্রীর করণীয় কী
প্রশ্ন (৮২৭৪) : আমি বিবাহের সময় যে মোহর ও উপহার পেয়েছি এতে আমার উপর হজ্ব ফরজ হয়ে গেছে। কিন্তু আমার স্বামীর উপর হজ্ব ফরজ নয়। আর আমি যে অন্য কারও সাথে হজ্ব করতে যাব তারও অনুমতি দিচ্ছে না। এখন আমি কী করব?
প্রশ্ন (৮২৭৪) : আমি বিবাহের সময় যে মোহর ও উপহার পেয়েছি এতে আমার উপর হজ্ব ফরজ হয়ে গেছে। কিন্তু আমার স্বামীর উপর হজ্ব ফরজ নয়। আর আমি যে অন্য কারও সাথে হজ্ব করতে যাব তারও অনুমতি দিচ্ছে না। এখন আমি কী করব?
প্রশ্ন (৮২৭১) : আমাকে আমার এক বন্ধু সামনের বছর ফরজ হজ্ব করাতে চাচ্ছে। সম্পূর্ণ খরচ সে দিবে। আমি জানতে চাই, তার খরচে হজ্ব করলে কি আমার ফরজ হজ্ব আদায় হবে?
প্রশ্ন (৮২২৯) : আমি একবার হজ্ব করেছি। তখন আমার নিজের টাকা ছিল না। একজন আমার হজ্বের পূর্ণ টাকা দিয়ে দিয়েছে। আল্লাহর রহমতে এখন আমার অনেক টাকা হয়েছে। এখন কি আমার আবার হজ্ব করা জরুরি?
প্রশ্ন (৮২২৪) : আমার কাছে হজ্বে যাওয়ার মত টাকা আছে। কিন্তু আমার স্ত্রীর মোহর আদায় করা বাকি। এখন যদি তার মোহর আদায় করি তাহলে হজ্বে যাওয়ার টাকা হবে না। এখন আমি কী করব?
প্রশ্ন (৮০৮৮) : সায়ী শুরু করার পূর্বে যদি কোন নারীর হায়েয শুরু হয়ে যায় তাহলে সে কীভাবে সায়ীর কার্যক্রম চালাবে?
প্রশ্ন (৮০৪৮) : এক মহিলা মাহরাম ছাড়া হজ্বে গিয়ে হজ্ব আদায় করে দেশে ফিরে এসেছে। তার হজ্ব কি আদায় হয়েছে?
প্রশ্ন (৭৯৮৪) : আমি নেসাব পরিমাণ মালের মালিক নই। আমি যদি কারো কাছ থেকে ঋণ নিয়ে হজ্ব করি, তাহলে আমার ফরয হজ্ব আদায় হবে কি?
প্রশ্ন (৭৯৮৩) : কোনো বাংলাদেশী তামাত্তু হজ্বকারী যদি উমরা শেষ করে তায়েফ সফরে যায় এবং পুনরায় মক্কায় ফিরে আসে তাহলে তায়েফ থেকে ফিরে আসার সময় কি উমরার ইহরাম করে আসতে হবে, নাকি ইহরাম ছাড়াই মক্কায় প্রবেশ করতে পারবে?
প্রশ্ন (৭৯৮২) : আমি এবার হজ্বে গিয়েছিলাম। বাংলাদেশ থেকে ইহরাম বেঁধে সৌদী যাই। হোটেলে উঠে ইহরামের কাপড় পরিবর্তন করে নতুন আরেকটি ইহরামের কাপড় পরিধান করে উমরা সমাপ্ত করি। তখন আমাদের কাফেলায় থাকা জনৈক আলেম বলেন, ইহরামের কাপড় পরিবর্তন করা মাকরূহ হয়েছে। কাজেই উক্ত কারণে একটি দম দিতে হবে। জানতে চাচ্ছি, তার বক্তব্য কতটুকু সঠিক?
প্রশ্ন (৭৯৮১) : ইহরাম অবস্থায় সহবাস করার অনুমতি আছে কি?
প্রশ্ন (৭৯৮০) : ইহরাম অবস্থায় বিয়ে করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭৯২৪) : জনৈকা মহিলার হজ্বের সময় সায়ীর পূর্বেই পিরিয়ড শুরু হয়ে যায়। তিনি এ অবস্থায় সায়ী করে ফেলেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন যে, তার উপর কোন জরিমানা ওয়াজিব হয়েছে কি না। আপনাদের কাছে এর সমাধান জানতে চাই।
প্রশ্ন (৭৮৭১) : আমি জানি, তাওয়াফের পর দুই রাকাত নামাজ পড়া ওয়াজিব। কিন্তু ভিড়ের কারণে সবসময় তো নামাজ পড়া সম্ভব হয় না। এখন যদি একসাথে কয়েকবার তাওয়াফ করে পরে একসাথে ওয়াজিব নামাজগুলো পড়ে নিই তাহলে কি কোন সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (৭৮২২) : আমাদের সাথে আমাদের তিন বছরের শিশু বাচ্চাও হজ্বে যাচ্ছে। সে যদি হজ্বের নিষিদ্ধ কোন কাজ করে তাহলে কি জরিমানা আবশ্যক হবে?
প্রশ্ন (৭৭৯৯) : কোনো ব্যক্তি যদি মক্কায় গিয়ে প্রথমে উমরা করে হালাল হয়ে যায়। তারপর ৭ই যিলহজ্ব পুনরায় হজ্বে কিরানের জন্য ইহরাম বাঁধে তাহলে তা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৭৭৭৯) : আমার নানা বদলি হজ্ব করার জন্য অসিয়ত করে গিয়েছেন। কিন্তু তার সম্পদের এক তৃতীয়াংশ দিয়ে বর্তমানে বদলি হজ্ব করা সম্ভব নয়। এখন যদি আমি বাকি টাকা দিয়ে তার পক্ষ থেকে বদলি হজ্ব আদায় করি তাহলে কি তা আদায় হবে?
প্রশ্ন (৭৭৭৩) : কেউ যদি ফজরের নামাজের পর তাওয়াফ করে তাহলে তাওয়াফের পর যে দুই রাকাত নামাজ পড়তে হয় সেটা কখন করবে? কারণ ফজরের পর তো নামাজ পড়া মাকরুহ।
প্রশ্ন (৭৭৪৫) : হাজীদের উপর কোন কারণে যদি দম ওয়াজিব হয় তাহলে এর গোশত কি তারা নিজেরা খেতে পারবে?
প্রশ্ন (৭৫৫৫) : এ বছর হজ্বের সময় ইহরামের পর ভুলে আমি আমার গোঁফ কেটে ফেলি। এখন আমার কি জরিমানা দিতে হবে?
প্রশ্ন (৭৩৫৯) : কেউ যদি বদলি হজ করে তাহলে সে হজে গিয়ে যে কোরবানি দিবে সেটা কার নামে দিবে?