দাড়ি শেভ করে দিয়ে উপার্জন করা জায়েয আছে কি
প্রশ্ন (২১৯৮) : রাসেলের একটি সেলুন আছে। সেখানে সে লোকজনের দাড়ি শেভ করে দেয়। চুল কেটে দেয়। সে জানতে চায়, শেভ করে দেয়ার বিনিময়ে উপার্জিত টাকা হালাল না হারাম?
প্রশ্ন (২১৯৮) : রাসেলের একটি সেলুন আছে। সেখানে সে লোকজনের দাড়ি শেভ করে দেয়। চুল কেটে দেয়। সে জানতে চায়, শেভ করে দেয়ার বিনিময়ে উপার্জিত টাকা হালাল না হারাম?
প্রশ্ন (২১৯৬) : আমার পাশের দোকান বিক্রি হচ্ছে। আমি কি তার প্রি-এমশন দাবি করতে পারব? উল্লেখ্য, বর্তমানে আমি যে দোকান চালাচ্ছি, সেটার মালিক আমি নই। বরং তা ভাড়া নিয়ে চালাচ্ছি।
প্রশ্ন (২১৫০) : আমি এক মসজিদের ইমাম। এলাকায় বিভিন্ন সময় বিবাহ পড়াতে হয়। বিবাহ পড়ানোর পর আমি ৫০০ টাকা করে নিই। জানতে চাই, বিবাহ পড়িয়ে টাকা নেওয়া জায়েজ আছে?
প্রশ্ন (২১৩৫) : আমি দুধ বিক্রি করি। কয়েকজন ব্যক্তিকে নিয়মিত দুধ দেই। কখনো যদি এমন হয় যে, কোন দিন দুধ কম হয়েছে তাহলে তার সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে বিক্রি করে দিই। এতে কি কোন সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (২১১৬) : মোবাইলের ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলে মোবাইল কোম্পানীগুলো ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স দিয়ে থাকে। পরবর্তীতে রিচার্জের সময় তারা তা কেটে রাখে। আমার প্রশ্ন হল, কোনো মোবাইল কোম্পানী কি তার প্রদত্ত ঋণের চেয়ে বেশি টাকা কেটে রাখতে পারবে?
প্রশ্ন (২১১৪) : কেউ যদি সিজনের সময় আলু, আদা ইত্যাদি কম দামে কিনে রাখে এবং যখন সিজন থাকে না তখন সেগুলো বেশি দামে বিক্রি করে তাহলে কি তা জায়েয আছে?
প্রশ্ন (২১১৩) : আমি এবার হজ্ব করতে যাব। যাওয়ার সময় এখানকার কিছু পণ্য নিয়ে সেখানে বিক্রি করার ইচ্ছা করেছি। এতে কোন সমস্যা হবে কি?
প্রশ্ন (২১১২) : এক ব্যক্তি আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছে। কিন্তু তিনি সময় মত দিতে পারছেন না। আমি যদি তাকে কিছু সময় বাড়িয়ে দিই তাহলে আমি কী সওয়াব পেতে পারি?
প্রশ্ন (২০৯৭) : একটি অষুধ কোম্পানি কিছু সদস্যা নিবন্ধন করেছে। আমিও সে কোম্পানির সদস্য হিসেবে নিবন্ধন করেছি। তারা সকল সদস্যদেরকে এই সুবিধা দিয়েছে যে, যখনই তারা এই কোম্পানি থেকে কোন অষুধ ক্রয় করবে তখন তারা বাজার মূল্যের চেয়ে অর্ধেক মূল্যে ক্রয় করতে পারবে। আমি জানতে চাচ্ছি, আমি যদি তাদের থেকে কম দামে অষুধ ক্রয় করে কারও কাছে বেশি দামে বিক্রি করি তাহলে কোন সমস্যা হবে কি?
প্রশ্ন (২০০৯) : অনেক জায়গায় দেখা যায়, চোরাই মাল বিক্রি করে। আমার প্রশ্ন হল, এ মালগুলো ক্রয় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯৭৪) : আমার ইমপোর্ট ব্যবসা রয়েছে। অনেক সময় পণ্য জাহাজে থাকতেই বিক্রি করে দিই। আমি পণ্য দেখিও না। আমার এই ব্যবসা কি জায়েয হয়?
প্রশ্ন (১৯৭২) : আমি একজন ব্যবসায়ী। আমি জানতে চাচ্ছি, কোন একটি পণ্যের মূল্য নির্ধারণের শরয়ি মাপকাঠি কী?
প্রশ্ন (১৯৩৩) : আমি সরকারি চাকরি করি। আমার বাধ্যতামূলক জীবন বীমা করতে হয়েছে। প্রতি মাসে নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধ করতে হয়। আমার কি এ টাকাগুলোর যাকাত আদায় করতে হবে?
প্রশ্ন (১৯২৩) : একবার আমার বিশ হাজার টাকার প্রয়োজন দেখা দেয়। তাই এক ব্যক্তির সাথে এভাবে চুক্তি করি যে, তার কাছে আমি আমার মোবাইলটি বন্ধক রাখব। বিনিময়ে সে আমাকে বিশ হাজার টাকা দিবে। পাঁচ মাস পর তার টাকা ফেরত দিয়ে আমি আমার মোবাইল নিয়ে নিব। এই পাঁচ মাস সে আমার মোবাইল ব্যবহার করবে। প্রশ্ন হলো, এইভাবে মোবাইল বন্ধক রেখে চুক্তি করা কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (১৯২২) : আমার ভিসার ব্যবসা আছে। অর্থাৎ বিদেশগামী মানুষের ভিসার ব্যবস্থা করে দিয়ে আমি তাদের থেকে একটি নির্দিষ্ট অংকের ফি নিয়ে থাকি। প্রশ্ন হলো, আমার এই ব্যবসাটি বৈধ হচ্ছে?
প্রশ্ন (১৯১৬) : ব্যাংক থেকে প্রাইজবন্ড ক্রয় করার ব্যাপারে ইসলামের বিধান কী? প্রাইজবন্ডের পুরস্কার গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯১৪) : কখনো কখনো আমি ভাড়া নির্দিষ্ট না করে রিক্সায় উঠে যাই। কারণ এ ক্ষেত্রে সাধারণত সকলেরই জানা থাকে যে, অতটুকু দূরত্বের ভাড়া কত। তাই আর আলাদাভাবে উল্লেখ করি না। এভাবে যাতায়াত করা কি জায়েয আছে?
প্রশ্ন (১৯১৩) : আমার মামা আমার আম্মাকে এক খণ্ড জমি হেবা করেছেন। কয়েক বছর ধরে তিনি সেটা ভোগদখলও করে এসেছেন। গত বছর আমার মামা মারা যায়। এখন আবার আমার মামাত ভাইয়েরা সেই জমিটি ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি করছে। জানতে চাই, আমাদের জন্য কি জমিটি ফিরিয়ে দেওয়া জরুরি?
প্রশ্ন (১৮৯২) : আমি একটি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কোম্পানীতে চাকরি করি। এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলাম, এই চাকরি নাকি বৈধ নয়। কারণ মানুষ ইন্টারনেট খারাপ কাজে ব্যবহার করে। সুতরাং এক্ষেত্রে হারাম কাজে সহযোগিতা করা হয়। আমার প্রশ্ন ,ঐ ব্যক্তি কি সঠিক বলেছে? আমার প্রাপ্ত বেতন কি বৈধ হবে না?
প্রশ্ন (১৮৮০) : বাড়ি বানানোর জন্য ব্যাংক থেকে হোম লোন নেওয়া যাবে কি? কারণ হোম লোন না নেওয়া হলে বাড়ির উপর সরকারি ট্যাক্স বেশি আসে।