চুক্তি করে ওয়াজ করা যাবে কি
প্রশ্ন (৩৮৩৬) : বর্তমানে বিভিন্ন বক্তাকে দেখা যায় চুক্তি করে ওয়াজ মাহফিল করে থাকেন যে, এত টাকা তাকে দিতে হবে। জানতে চাচ্ছি, এভাবে চুক্তি করে ওয়াজ মাহফিল করা কি বৈধ হবে?
প্রশ্ন (৩৮৩৬) : বর্তমানে বিভিন্ন বক্তাকে দেখা যায় চুক্তি করে ওয়াজ মাহফিল করে থাকেন যে, এত টাকা তাকে দিতে হবে। জানতে চাচ্ছি, এভাবে চুক্তি করে ওয়াজ মাহফিল করা কি বৈধ হবে?
প্রশ্ন (৩৮২৬) : আমি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। একটি আইটি ফার্মে চাকরির জন্য আবেদন করেছি। ফার্মটি ব্যাংক থেকে সুদী ঋণ নিয়ে থাকে। জানতে চাচ্ছি, এমন ফার্মে চাকরি করা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৮১০) : আমি একজন ব্যবসায়ী। আমি যদি কোনো পণ্য তিনগুণ লাভে বিক্রি করি তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৭৯৫) : সরকারি চাকরি করা কি বৈধ?
প্রশ্ন (৩৭৮৩) : আমার এক বন্ধু তার একটি ফ্ল্যাট দুই লক্ষ টাকার বিনিময়ে আমার কাছে বন্ধক রেখেছে। সে উক্ত ফ্ল্যাট আমাকে ব্যবহারের অনুমতিও দিয়েছে। জানতে চাচ্ছি, উক্ত ফ্ল্যাট আমি ব্যবহার করতে পারব কি?
প্রশ্ন (৩৭২৩) : আমি একটি হজ্ব এজেন্সী চালাই। অনেক সময় এমন হয় যে, যারা আমার এজেন্সীর মাধ্যমে হজ্বে যাবে তারা সময়মত টাকা পরিশোধ করতে পারে না। ফলে আমাকে হজ্বে যাওয়ার বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংক থেকে সুদের উপর ঋণ নিতে হয়। প্রশ্ন হল, এভাবে হজ্বের কাজের জন্য ব্যাংক থেকে সুদের উপর ঋণ নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৭২২) : আমি জার্মানে থাকি। এখানে যে মালিকের অধীনে চাকরি করি তার হালাল ও হারাম উভয় ধরণের ব্যবসা রয়েছে। হালাল ব্যবসার অন্যতম হল, সামুদ্রিক মাছের ব্যবসা। আর হারাম ব্যবসা হল, শুকরের মাংসের ব্যবসা। প্রশ্ন হল, এমন মালিকের চাকরি করা কতটুকু শরিয়ত সম্মত?
প্রশ্ন (৩৭১২) : আমাদের গ্রামের এক ব্যক্তি সুদী কারবারের সাথে জড়িত। কিন্তু মাঝে মাঝে মসজিদে দান করে। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে: এই টাকা হালাল টাকা থেকেই দেয়। তার কথার উপর ভিত্তি করে মসজিদের জন্য তার দান গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৬৬৭) : আমি একটি হজ্ব এজেন্সীতে চাকরিরত। আমার এজেন্সী বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যাংক থেকে সুদ ভিত্তিক ঋণ নিয়ে থাকে। জানতে চাচ্ছি, এই এজেন্সীতে চাকরি করা আমার জন্য বৈধ হচ্ছে কি?
প্রশ্ন (৩৬৫৯) : আমি একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। উক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার জন্য যে কোয়ালিফিকেশন চাওয়া হয়েছিল তা থেকে আমার যোগ্যতা কিছুটা কম ছিল। তারপরও আমি মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আবেদন করি। কিন্তু ঘটনাক্রমে আমি সেখানে মনোনীত হয়ে যাই। আমার সে সময় চাকরিটি খুবই প্রয়োজন ছিল। তাই এ কাজটি করতে বাধ্য হয়েছি। জানতে চাচ্ছি, আমার এ কাজটি কি শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ হয়েছে? আমার প্রাপ্ত বেতন বৈধ হবে কি? উল্লেখ্য,
প্রশ্ন (৩৬৫৬) : আমার জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট করানো দরকার। পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদেরকে কিছু টাকা না দিলে তারা দ্রুত করে দিতে চায় না। জানতে চাচ্ছি, যেহেতু আমি নিরুপায়, তাই তাদেরকে কিছু টাকা দিয়ে তাড়াতাড়ি পাসপোর্ট করানো যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৬৫৫) : আমি কিছুদিন আগে পাসপোর্টের জন্য অ্যাপ্লাই করেছি। আমি শুনেছি, পাসপোর্টের তথ্যগুলো যাচাইয়ের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনে আসে। তখন যদি তাদেরকে ঘুষ না দেওয়া হয় তাহলে তারা ভেরিফিকেশনে ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয়। প্রশ্ন হল, আমার তথ্যগুলো ভেরিফিকেশনের জন্য যদি পুলিশ আসে এবং তারা ঘুষ চায় তাহলে আমি তাদেরকে টাকা দিতে পারব কি?
প্রশ্ন (৩৬৫০) : আমার এক আত্মীয় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি জাল সার্টিফিকেটের মাধ্যমে চাকরি লাভ করেছে। প্রশ্ন হল, তার বেতন কি হালাল হবে?
প্রশ্ন (৩৬৪৯) : পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে কিছু দালাল ঘুরাঘুরি করে। তাদেরকে ঘুষ দিলে তারা পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দ্রুত পাসপোর্ট করে দেয়। জানতে চাচ্ছি, এসকল দালালদেরকে ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট করানো যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৬৩৮) : আমি আমেরিকায় একটি রেস্টুরেন্টে চাকরি করি। আমার মালিক অমুসলিম। সেই রেস্টুরেন্টে শুকরের মাংসের বার্গার বিক্রি করা হয়। অন্যান্য হালাল জিনিসও বিক্রি করা হয়। জানতে চাচ্ছি, এমন রেস্টুরেন্টে চাকরি করা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৬২৬) : আমি একটি আইটি ফার্মের মালিক। আমার ফার্মে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের হিসাব নিকাশ রাখার জন্য সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছ থেকে সফটওয়্যার ক্রয় করে থাকে। কিছুদিন আগে এক খ্রিস্টান মিশনারী প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছ থেকে তাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য সফটওয়্যার ক্রয় করতে চায়। তারা মুসলমানদেরকে ধর্মান্তরিত করার কাজে নিয়োজিত আছে। প্রশ্ন হল, এদের কাছে সফটওয়্যারটি বিক্রি করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৬১৯) : আমি পেঁয়াজ চাষের জন্য জমি ভাড়া নিতে চাচ্ছি। প্রশ্ন হল, আমি জমি ভাড়া নিয়ে তাতে পেঁয়াজ ফলালে সেই পেঁয়াজের মালিক কি আমি হব নাকি জমির প্রকৃত মালিক হবে?
প্রশ্ন (৩৫৯০) : আমি একজন ইট ব্যবসায়ী। আমি ইট ভাটার মালিকের সাথে এভাবে চুক্তি করি যে, সে আমাকে একমাস পর ৩ হাজার ইট দিবে। আমি তাকে ইট বাবদ ১৫ হাজার টাকা অগ্রীম দিব। অনেক সময় এমন হয় একমাস পর ইটের দাম আমার প্রদত্ত দামের চেয়ে আরো ২ হাজার টাকা বাড়তি হয়। জানতে চাচ্ছি, এ জাতীয় চুক্তি বৈধ হবে কি? বৈধ হলে আমার জন্য কি একমাস পরের বাড়তি মূল্য দিতে হবে?
প্রশ্ন (৩৫২৮) : আমার বন্ধুর একটি পণ্যের দরকার পড়লে সে আমাকে দারাজ থেকে অনলাইনের মাধ্যমে তা ক্রয় করে দিতে বলে। পণ্যটির মূল্য ছিল ১০০০ টাকা। অফার থাকায় আমি আমি পেমেন্ট করি নগদের (মোবাইল ব্যাংকিং) মাধ্যমে। ১০% ছাড়া থাকায় আমার খরচ পড়ে ১০০ টাকা কমে মাত্র ৯০০ টাকা। কিন্ত আমার বন্ধু আমাকে ১০০০ টাকাই দেয়। কারণ সে ১০% ছাড়ের বিষয়টি জানত না। প্রশ্ন হল, এই ১০০ টাকার মালিক কে হবে?
প্রশ্ন (৩৫১৬) : আমি একটি গার্মেন্টস-এ চাকরিরত। এই গার্মেন্টস ব্যাংক থেকে সুদ ভিত্তিক ঋণ নিয়ে থাকে। প্রশ্ন হল, আমার জন্য এই গার্মেন্টস-এ চাকরি করা বৈধ হবে কি?