ড. মুফতি মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানী

শেষ রাতে নফল নামাযে দাঁড়ানোর পর ফজরের আযান হয়ে গেলে উক্ত নামাযের হুকুম কী হবে?

প্রশ্ন (১২৪৯৫) : শেষ রাতে উঠে কয়েক রাকাত নফল আদায় করছিলাম। আমার ধারণা, তখনো ভোর হবার কিছু সময় বাকি। কিন্তু নামাযে দাঁড়ানোর পরপরই ফজরের আযান শুনতে পেলাম। এখন কি আমার এ দুই রাকাত নামায ফজরের দুই রাকাত সুন্নত হিসেবে আদায় হয়েছে বলা যাবে?

বার্ধক্যের কারণে নফল নামায বসে আদায় করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৯৪) : আমার বড় চাচা বার্ধক্যে কাবু হওয়ার পর থেকে নফল নামাযের বেলায় প্রায়ই এমন করেন যে, কখনো দাঁড়িয়ে নামায শুরু করার পর বাকিটা বসে আদায় করেন। আবার কখনো এর উল্টো। অর্থাৎ প্রথমে বসে আরম্ভ করার পর বাকিটা দাঁড়িয়ে। তাঁর এভাবে নফল পড়া কি ঠিক আছে? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

ফজর ও আসর নামাযে ইমাম সাহেব সালাম ফিরানোর পর মুসল্লীদের দিকে মুখ করে বসার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৪৯৩) : মসজিদে আমরা সাধারণত দেখি, আসর ও ফজরের নামাযে সালাম ফেরানোর পর ইমাম সাহেব মুসল্লীদের দিকে মুখ করে বসেন। আমার এক সহপাঠী, ধর্মীয় বিষয়ে বেশ পড়াশোনা আছে তার। সে আমাকে একদিন বলল, এই যে মসজিদগুলোতে ইমাম সাহেবরা ফজর ও আসরের পর মুসল্লীদের দিকে মুখ করে বসেন এটা সুন্নতের খেলাফ। মুসল্লিদের বরাবর না বসে মেহরাবের ডান দিকে বা বাম দিকে সামান্য বাঁকা হয়ে বসা উচিত ইমামের। সহপাঠীর কথায় আমি একটু অবাকই হলাম। ব্যাপকভাবে মসজিদগুলোতে ইমাম সাহেবরা কি তাহলে সুন্নতের খেলাফ আমল করে আসছেন? আপনার কাছে তাই জিজ্ঞাসা, এক্ষেত্রে শরীয়তস্বীকৃত পদ্ধতি কী?

মসজিদে একাকী ফরয নামায শুরু করার পর জামাত শুরু হয়ে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২৪৯১) : আমাদের গ্রামের বাজার মসজিদে প্রায়ই জামাতের নির্ধারিত সময় থেকে পাঁচ-দশ মিনিট দেরি করে জামাত শুরু করে। তাই অনেক মুসল্লীই জামাতের অপেক্ষা না করে একাকী নামায পড়তে দাঁড়িয়ে যায়। পরে দেখা যায় জামাত শুরু হয়ে যায়। আমিও প্রায় সময় একাকী দাঁড়িয়ে যাই। একবার এশার নামাযে একাকী দাঁড়িয়ে গেলে এক রাকাত শেষ করে দ্বিতীয় রাকাতে যখন কেরাত আরম্ভ করেছি তখন জামাত আরম্ভ হয়ে যায়। এ অবস্থায় আমি বুঝতে পারছিলাম না- আমার কী করণীয়। আমি কি নামায ছেড়ে দিয়ে জামাতে অংশগ্রহণ করব, নাকি পুরো নামায একাকী শেষ করে ফেলব- যেমনটা সাধারণত করে থাকে এখানকার অন্য মুসল্লীরা- নাকি দুই রাকাত পূর্ণ করে জামাতে অংশ নেব। অবশেষে চিন্তা করে দ্বিতীয় রাকাত সমাপ্ত করে জামাতে শরীক হয়ে গেলাম। প্রশ্ন হচ্ছে, এ ধরনের ক্ষেত্রে আসলে কী করা উচিত? তাছাড়া আমি যা করেছি তা কি ঠিক হয়েছে? জানিয়ে বাধিত করবেন। বিস্তারিত বললে ভালো হয়।

কাউকে হাদিয়া দেওয়ার পর তা ফেরত নেওয়ার বিধান কি?

প্রশ্ন (১২৪৯০) : চার বছর আগে আমার ভাই আমার বিয়ের সময় আমাকে আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার দিয়েছিল- বিয়ের গিফট হিসাবে। কিছুদিন আগে পারিবারিক একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক খারাপ হয়। তখন থেকে সে আমার কাছে তার দেওয়া স্বর্ণালংকারগুলো ফেরত চাচ্ছে এবং আমাকে চাপ দিচ্ছে। যেহেতু সে অলংকারগুলো আমি আমার স্ত্রীকে দিয়ে দিয়েছি তাই তার থেকে সেগুলো ফেরত নিয়ে ভাইকে দেওয়া কঠিন। মুহতারামের নিকট আমার জিজ্ঞাসা হল, ঐ অলংকারগুলো আমার ভাইকে ফেরত দেওয়া কি আবশ্যক?

নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক কুরবানী করার মান্নত করলে কি দুইটা কুরবানী করতে হবে?

প্রশ্ন (১২৪৮৯) : কিছুদিন আগে আমার ছেলে খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন আমি মান্নত করেছিলাম, আল্লাহ যদি আমার ছেলেকে সুস্থ করে দেন তাহলে আমি আগামী কুরবানীর ঈদে একটি কুরবানী করব। আল্লাহর রহমতে আমার ছেলে এখন সুস্থ। আমার জানার বিষয় হচ্ছে, প্রত্যেক বছর তো আমার উপর কুরবানী ওয়াজিব হয়। এখন আমার কি দুটো কুরবানী করতে হবে, নাকি একটি করলেই চলবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

জুমার নামাযে একই ব্যক্তির খুতবা দেওয়া ও ইমামতি করা কি জরুরী?

প্রশ্ন (১২৪৮৮) : জুমার নামাযের খুতবা জুমার নামাযের মতোই গুরুত্বপূর্ণ বলে আলেমদের মুখে শুনেছি। আমাদের মসজিদের যিনি খতীব, সাধারণত তিনিই খুতবা দেন এবং নামায পড়ান। কিছুদিন আগে এক জুমায় খুতবা দেওয়ার পর তিনি হাম্মামের জরুরতে মসজিদ থেকে বের হয়ে গেলেন। আর উপস্থিত একজনকে ইমামতির দায়িত্ব অর্পণ করলেন। আমার জানার বিষয়, পরে যিনি নামায পড়ালেন তার ইমামতিতে কি আমাদের জুমা পূর্ণাঙ্গভাবে আদায় হয়েছে? যেহেতু খুতবা তিনি দেননি, তিনি ছিলেন কেবল শ্রোতা। জানালে উপকৃত হব।

ফরয গোসলে নাকের ভিতরে পানি না ঢুকিয়ে শুধু ভেজা আঙ্গুল ঢুকালে কি গোসল হবে?

প্রশ্ন (১২৪৮৭) : যদি কোনো ব্যক্তি ফরয গোসলে নাকের ভেতরে পানি প্রবেশ না করিয়ে শুধু আঙ্গুল ভিজিয়ে নাকের ভিতরটা তিন বার ভিজিয়ে নেয় তাহলে তার গোসল হবে কি না? এবং নাকের ভিতরে পানি প্রবেশ করানো ও তা পরিষ্কার করার পদ্ধতি কী?

স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদের পর স্ত্রী মারা গেলে সন্তান লালন-পালনের অধিকারী কে হবে?

প্রশ্ন (১২৪৮৬) : দেড় বছর আগে একটি বিশেষ কারণে আমি আমার স্ত্রীকে তালাক দিই। তখন আমাদের একটি ৫ মাসের ছেলে ছিল। ছেলেটি খুব ছোট থাকায় আমি তাকে তার মা’র কাছে রাখি এবং তার যাবতীয় খরচ বহন করি। কিছুদিন হল সে একটি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে। এখন আমি ছেলেটিকে আমার কাছে নিয়ে আসতে চাচ্ছি। কিন্তু তার মায়ের পরিবার অর্থাৎ আমার শাশুড়ি বাচ্চাটি কোনোভাবেই ফেরত দিতে চাচ্ছে না। আর এই বিষয়ে তার ছেলেরা তাকে সহায়তা করছে। মুহতারামের নিকট আমার জিজ্ঞাসা হল, এই অবস্থায় যখন মা নেই, তারাই কি সন্তানের ব্যাপারে বেশি হকদার নাকি পিতা হিসাবে আমি?

তালাক সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৪৮৫) : আমার মামাতো বোনের তুলনায় ওর স্বামীর বয়স অনেক বেশি ছিল। সে কারণে ওদের মধ্যে কোনো বিষয়ে কথা কাটাকাটি হলেই আমার মামাতো বোন বলত, তুমি যদি আমাকে তালাক দিয়ে দাও তাহলে আমার কোনো সমস্যা নেই। গত সপ্তাহে আবার ঝগড়া হলে আমার মামাতো বোন কথার একপর্যায়ে বলে উঠে, তাহলে তুমি আমাকে তালাক দিয়ে দাও। তখন ওর স্বামী রাগের মাথায় বলে ফেলেছে, যা দিলাম। মুখে তালাক বা এজাতীয় কোনো শব্দ উল্লেখ করেনি। এখন একথা বলার দ্বারা তালাক হয়েছে কি না? কয়েকজন থেকে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। সঠিক মাসআলাটি মুহতারামের নিকট জানতে চাচ্ছি। আর যদি তালাক হয়ে যায় তাহলে পুনরায় একত্রে থাকতে চাইলে কী করণীয়?

মান্নতকারী ব্যক্তি মান্নতী পশুর গোশত খেতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৮৪) : এক ব্যক্তি তার ভাইয়ের সুস্থতার জন্য ছাগল সদকা করার মান্নত করেছে। এই মান্নতী ছাগলের গোশত মান্নতকারী অথবা তার ভাই খেতে পারবে কী?

মসজিদের সামনে মানুষ চলাচলের রাস্তায় মেহরাব নির্মাণ করা জায়েয আছে?

প্রশ্ন (১২৪৮৩) : আমাদের মসজিদের জন্য ওয়াকফকৃত জায়গার পরিমাণ ছিল চার কাঠা। পুরাতন মসজিদ সেই জায়গার উপরেই ছিল। জুমার দিন দেখা যেত মুসল্লিরা মসজিদের ভিতরে জায়গা না হওয়াতে বাইরে কাতার করত। তাই নতুন করে নির্মাণের সময় মেহরাব ও সামনের কাতারের কিছু অংশ ওয়াকফকৃত জায়গা থেকে সামনের দিকে বাড়িয়ে নেয়। যাতে পূর্ণ এক কাতার বেড়ে যায়। বর্ধিত অংশের জায়গা ছিল মানুষ চলাচলের রাস্তার কিছু অংশ। রাস্তা বড় হওয়াতে মানুষ চলাচলে সমস্যা হয় না। কারণ ঐ গলি দিয়ে গাড়ি চলে না। শুধু মানুষ যাতায়াত করে। এখন মুহতারামের নিকট জানতে চাচ্ছি, ওয়াকফকৃত জায়গা অতিক্রম করে মানুষের চলাচলের জায়গায় মসজিদ বাড়ানো ঠিক হয়েছে কি না? বর্ধিত অংশ মসজিদের হুকুমে কি না? ঐ অংশে দাঁড়িয়ে ইমামতি করলে তা সহিহ হবে কি না? উল্লেখ্য, রাস্তার জায়গার পরিমাণ ছিল আট ফুট। মেহরাবের মধ্যে চলে আসছে সোয়া তিন ফুট।

স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর অন্যের কাছে তালাকের বর্ণনা দিলে কি নতুন করে তালাক পতিত হবে?

প্রশ্ন (১২৪৮২) : একবার ভাইয়া-ভাবির মাঝে প্রচন্ড ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে ভাইয়া তাকে উদ্দেশ্য করে বলে, ‘তুমি তালাক, চুপ করো বলছি!’ একথা শুনে অবাক হয়ে আম্মা বললেন, বাবা, তুই কী বললি!? ভাইয়া বলে, বলেছি, ‘ও তালাক’ এরপর আব্বা, ভাইয়ার শ্বশুর এবং অন্যান্যরা ফোন করে আম্মার মতো প্রশ্ন করতে থাকলে ভাইয়া আগের মতই উত্তর দিয়ে যান। জানার বিষয় হল, তালাক দেওয়ার পর বিভিন্নজনের জানতে চাওয়ার প্রেক্ষিতে এভাবে একের পর এক তালাক শব্দ যে উচ্চারণ করা হল, এর দ্বারা আসলে কয় তালাক হয়েছে?

স্ত্রীর জন্য বিনা প্রয়োজনে পৃথক বাসা নেওয়া কি জরুরি?

প্রশ্ন (১২৪৮১) : আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে মায়ের সঙ্গে এক বাড়িতে থাকি। বাড়িটি আমার বাবা তার জীবদ্দশায় মায়ের নামে লিখে দিয়েছেন। এখানে মায়ের ও আমাদের রুম ভিন্ন এবং ওয়াশরুমও ভিন্ন। বিয়ের পর থেকে আমার স্ত্রী আলাদা বাসা ভাড়া নেওয়ার জন্য তাগাদা দিচ্ছে। তার যুক্তি হল, ‘তোমার বড় ভাই যদি তোমার ভাবিকে নিয়ে আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে পারে তাহলে তুমি কেন পারবে না।’ কিন্তু একে তো আমার এই পরিমাণ সামর্থ্য নেই যে, আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকব। তাছাড়া আলাদা হয়ে যাবার মতো কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলেও মনে হয় না। অর্থাৎ কারণে অকারণে ঝগড়া-বিবাদ, মনোমালিন্য বা একে অন্যের খুঁত ধরা- এজাতীয় কিছু তাদের মাঝে সাধারণত হয় না। শুধু বড় ভাইয়ের স্ত্রীর প্রতি ঈর্ষার বশবর্তী হয়ে সে এরকম আলাদা বাসা ভাড়া নেওয়ার আবদার করছে। মুহতারামের নিকট জিজ্ঞাসা হল, শরীয়তের দৃষ্টিতে তার এই আবদার কি ঠিক আছে?

কোনো কাজ না করার কসম করার পর ভুলে তা করে ফেললে কি কসম ভেঙে যাবে?

প্রশ্ন (১২৪৮০) : আমার ভগ্নিপতি খুবই বদমেজাজী। সন্তানরা সামান্য কথা মানতে না পারলেই রেগে গিয়ে মারধর শুরু করে দেয়। আমাদের কথাও মানে না। আমরা তাকে একজন আলেমের কাছে নিয়ে যাই। এরপর থেকেই তার মাঝে পরিবর্তন আসতে থাকে। সে সন্তানদেরকে মারধর করা ছেড়ে দেয় আর ভবিষ্যতে না মারার শপথও করে। কিছুদিন আগে পাশের বাড়ির লোকদের সাথে একটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া হলে সে তাদেরকে লাঠি নিয়ে মারতে যায়। আমার ভাগিনা ঝগড়া থামাতে গেলে ভুলে তার মাথায় আঘাত পড়ে এবং সে আহত হয়। ভগ্নিপতির তাকে মারার উদ্দেশ্য ছিল না; বরং অন্যরা সরে যাওয়ায় তার মাথায় পড়েছে। জানার বিষয় হল, ভাগিনার গায়ে এভাবে আঘাত লাগার কারণে কি তার পিতার শপথ ভেঙ্গে গেছে? এখন তার করণীয় কী? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

অনুমতি ছাড়া অন্যের জমিতে কবর দিলে তা স্থানান্তর করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৭৯) : গ্রামে আমাদের একটি জমি অনেক বছর ধরে এক ব্যক্তি অন্যায়ভাবে ভোগ করে আসছিল। আইনের আশ্রয় নেওয়ার পর কিছুদিন আগে আমাদের পক্ষে রায় আসে। জমিটিতে আমরা ভবন নির্মাণ করে বসবাস করতে চাচ্ছি, কিন্তু তাতে তাদের একটি কবর আছে, যার বয়স প্রায় আট মাস। কবর স্থানান্তর করা না করা নিয়ে গ্রামে সালিশ বসে। তাতে এই সিদ্ধান্ত হয় যে, যেহেতু এটা দ্বীনী বিষয়, তাই এ বিষয়ে শরীয়তের বিধান যেমন হবে তা উভয় পক্ষ মেনে নিবে। এখন মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি যে, এক্ষেত্রে শরীয়তের সঠিক মাসআলাটি কী?

ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে লেনদেন করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৪৭৮) : আমার একটি মুদি দোকান আছে। আর তা একটি ব্যাংকের পাশে। ব্যাংকের কর্মকর্তারাই এখানের সাধারণ ক্রেতা। তারা সারা মাস প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বাকিতে নেয় এবং মাস শেষে বেতন পেয়ে মূল্য পরিশোধ করে। তাদের অন্য কোনো আয় আছে কিনা আমার জানা নেই। শুধু এতটুকু জানি যে, বেতন পাওয়ার পর তারা আমাদের ঋণ আদায় করে। এখন আমার জানার বিষয় হল, তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করা এবং মাস শেষে আমাদের ধারণামতে ব্যাংকের বেতন দিয়ে পণ্যের পরিশোধিত মূল্য গ্রহণ করা বৈধ হবে কি? যদি বৈধ না হয় তাহলে কীভাবে তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করব? সুন্দর সমাধানে আপনাদের সুমর্জি কামনা করছি।

শালির সাথে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত হলে কি স্ত্রীর সাথে বৈাহিক সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়?

প্রশ্ন (১২৪৭৭) : আমার এক বন্ধুর দুই ছেলে এক মেয়ে। শালির সাথে কিছুদিন আগে তার অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক হয়। বিষয়টি এখনো সবার অজানা এবং সেও বেশ অনুতপ্ত। জানার বিষয় হল, তার বর্তমান বৈবাহিক সম্পর্কের হুকুম কী? তার স্ত্রী কি তার জন্য হারাম হয়ে গিয়েছে?

মাসের মাঝখানে স্বামী মারা গেলে ইদ্দতের হিসাব করবে কিভাবে?

প্রশ্ন (১২৪৭৬) : গত জুমাদাল আখিরাহ মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমার এক প্রতিবেশীর ভগ্নিপতি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। আমরা জানি, কারো স্বামী মারা গেলে স্ত্রীর জন্য চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করতে হয়। সে অনুযায়ী তার বোনও ইদ্দত পালন করছে। এখন জানার বিষয় হল, এখন সে চার মাস দশ দিন কীভাবে হিসাব করবে? তার স্বামী তো মারা গেছে মাসের মাঝামাঝি সময়ে। এক্ষেত্রে যদি দিনের হিসাব হয়, তাহলে প্রত্যেক মাসকে ২৯ দিন ধরবে, নাকি ৩০ দিন ধরবে? দয়া করে জানিয়ে উপকৃত করবেন।