হারাম হালাল মিশ্রিত নেসাব পরিমাণ মালে যাকাত আসবে কি
প্রশ্ন (১১০৩৫) : কারো যদি হালাল হারাম মিশ্রিত নেসাব পরিমাণ মাল থাকে তাহলে তার যাকাত আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১১০৩৫) : কারো যদি হালাল হারাম মিশ্রিত নেসাব পরিমাণ মাল থাকে তাহলে তার যাকাত আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১১০৩৪) : হারাম ও হালাল মাল মিলে যদি নেসাব পরিমাণ হয় এবং হারাম মাল নির্ণয় করা না যায় তাহলে যাকাত কিভাবে দিবে?
প্রশ্ন (১১০৩৩) : বাসার একসেট সোফা আর ব্যবহার করা হবে না। সেগুলো বিক্রি করে দিব। জানতে চাচ্ছি, সেগুলোর উপর যাকাত আসবে কি?
প্রশ্ন (১১০৩২) : আমার পাঁচটি সিএনজি আছে। এগুলোর ভাড়া থেকে যা আয় হয় তা বছরান্তে অবশিষ্ট থাকে না। তবে পাঁচটি সিএনজির মূল্য হিসেব করলে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা হয়ে যায়। জানতে চাচ্ছি, সিএনজির মূল্যে উপর যাকাত আসবে কি?
প্রশ্ন (১১০৩১) : জনৈক ব্যক্তি মাদরাসার জন্য একটি জমি মৌখিকভাবে ওয়াকফ করেছে। সে এখন চাচ্ছে, উক্ত জমিটি বিক্রি করে অন্য কোনো দ্বীনী কাজে খাটাতে। জানতে চাচ্ছি, উক্ত ব্যক্তি তা করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১১০৩০) : আমি ব্যবসার উদ্দেশ্যে কিছু গরু ক্রয় করেছি। গরুকে খাওয়ানোর জন্য খাবারও ক্রয় করেছি। জানতে চাচ্ছি, উক্ত খাবারে যাকাত আসবে কি?
প্রশ্ন (১১০২৯) : গত রোযায় আমার বাচ্চা হয়। কিন্তু ভুলবশত তার সদকাতুল ফিতর আদায় করা হয়নি। জানতে চাচ্ছি, এখন তার সদকাতুল ফিতর আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১১০২৮) : আমি রাস্তায় একটি জিনিস কুড়িয়ে পেয়েছি। মালিককে অনেক খোঁজার পরও পাইনি। জিনিসটি আমার কাছে ভালো লাগায় তার মূল্য সদকা করে তা আমার কাছে রেখে দিয়েছি। জানতে চাচ্ছি, এটা আমার জন্য বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (১১০২৭) : আমার প্রতি বছর যাকাত আসে ২ লক্ষ টাকা। আমি কি এই টাকা একজন গরিবকে দিতে পারব কি?
প্রশ্ন (১১০২৬) : আমার চামড়ার আড়ত আছে। চামড়া প্রসেসিংয়ের জন্য অনেক লবণ কিনে রেখেছি। জানতে চাচ্ছি, উক্ত লবণের যাকাত দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (১১০২৫) : আমি একটি মাদরাসার জন্য যাকাত কালেকশন করে থাকি। যাকাতদাতারা আমার বিকাশ বা নগদে ক্যাশআউট খরচসহ যাকাত পাঠিয়ে থাকে। কখনো কখনো আমি ক্যাশআউট না করে সেন্ড মানি করি। যার ফলে আমার পাঁচ টাকার মত খরচ হয়। জানতে চাচ্ছি, ক্যাশআউট বাবদ যে টাকা থেকে যাবে তার মালিক কে হবে?
প্রশ্ন (১১০২৪) : এক ব্যক্তির যাকাতা আসে ৪ লক্ষ টাকা। সে যদি একজন গরিবকে সব টাকা দিয়ে দেয় তাহলে পুরোটা যাকাত হিসেবে গণ্য হবে কি?
প্রশ্ন (১১০২৩) : আমার মামা রমযানের ১০ দিন আগে গুরুতর অসুস্থ হন। অসুস্থতার কারণে রমযানের রোযা রাখতে পারেননি। ঈদের ৪ দিন আগে মারা যান। জানতে চাচ্ছি, তার রোযাগুলোর ফিদয়া দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (১১০২২) : কেউ যদি রোযার কথা ভুলে পানাহার করে ফেলে তাহলে কি রোযার কাযা ও কাফফারা দিতে হবে?
প্রশ্ন (১১০২১) : কোনো নারী যদি রমযানে ইচ্ছাকৃত রোযা ভাঙ্গে এবং সেদিনই তার হায়েয আসে তাহলে কাযার সাথে কাফফারাও আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১১০২০) : মসজিদের মালামাল রাখার জন্য মসজিদের বাহিরের দেয়ালের সাথে সংযুক্ত করে একটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। জানতে চাচ্ছি, ইতিকাফ অবস্থায় কেউ যদি উক্ত ঘরে প্রবেশ করে তাহলে তার ইতিকাফ নষ্ট হয়ে যাবে কি?
প্রশ্ন (১১০১৯) : রোযার কথা মনে ছিল না। অজুর সময় গড়গড়া কুলি করতে গিয়ে কিছু পানি গলায় চলে যায়। জানতে চাচ্ছি, এতে রোযা ভাঙ্গবে কি?
প্রশ্ন (১১০১৮) : গত রোযায় আমার পরীক্ষা থাকার কারণে রোযা রাখতে কষ্ট হবে মনে করে রমযানের তিনটি রোযা ভেঙ্গে ফেলি। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কারণে আমার উপর কাফফারা আবশ্যক হবে কি? হলে কয়টি কাফফারা?
প্রশ্ন (১১০১৭) : কোনো গরিব অসুস্থ ব্যক্তি রোযা রাখতে সক্ষম নয়। সে ফিদয়া দেওয়ারও সক্ষমতা রাখে না। জানতে চাচ্ছি, সে কী করবে?
প্রশ্ন (১১০১৬) : শাওয়াল মাসে রমযানের কাযা করার সময় শাওয়ালের ছয় রোযার নিয়ত করা যাবে কি?